আমার ইচ্ছে ছিলো বইটা আমি ১৪ জুলাই তে পড়বো। কিন্তু আনফরচুনেটলি ১৪ জুলাইতে বৃষ্টি ছিলনা।
১৪ জুলাই ছিলো ফ্রেঞ্চ রেভ্যুলেশনের একটা সিগনিফিক্যান্ট ডে। ইমতিয়ার শামীম ওই ১৪ জুলাইকেই মেটাফোরেক্যালি ব্যবহার করেছেন উনার বইয়ে আরেকজন নিঃসঙ্গ যুবককে সঙ্গে নিয়ে।
মাত্র ১১১ পৃষ্ঠার একটা বই, কিন্তু বিশ্বাস করেন, আপনি একবসায় শেষ করতে পারবেন না। আমি ১৪ জুলাইতেই শেষ করতে চেয়েছিলাম, তাই খুব দ্রুত পড়েছি, না হয় এই বই আমি এক সপ্তাহ ধরে পড়তাম, যারা ইমতিয়ার শামীম পড়েন তারা এই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।
এর আগে আমার লেখকের অনেক বই পড়া হয়েছে, কিন্তু কোনটাতেই শহীদুল জহির এর প্রভাব পড়তে দেখিনি। কিন্তু এটাতে মনে হলো শহীদুল জহিরের একটা প্রভাব রয়েছে। যেটা খারাপ না কিন্তু, বেশ সুন্দরভাবেই প্রেজেন্ট করা হয়েছে। দু'জনই আমার প্রিয় লেখক, এতে কোন সমস্যা নেই আমার।
এটা কাকতালীয় ব্যাপার হতে পারে, কয়দিন আগেই আমরা একটা ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরার ব্যাপারটা দেখতে পাই এবং অনেক শিশু শ্রমিক থেকে শুরু করে অনেক শ্রমিককেই মারা যেতে দেখি, আমার মনে হলো যেন ইমতিয়ার শামীম ওইসব পুড়ে যাওয়া শ্রমিকদের কথা ভেবেই বইটা লিখেছিলেন, তাও সেটা ২০০৮ সালে, মানে তখন থেকেই আমাদের দেশে শ্রমিক পোড়ানো শুরু হয়েছে।
এটা বলতেই হয় যে ২০০৮ থেকে এখন পর্যন্ত কোন পরিবর্তনই হয়নি আমাদের!
বইয়ের নামটা কিন্তু অনেক সুন্দর, বইটা আমি বেশ কয়েকবছর আগে পড়ার একটা ট্রাই দিয়েছিলাম কিন্তু পারিনি শেষ করতে। Now I'm really glad that I finished it .