Jump to ratings and reviews
Rate this book

তা হলে বৃষ্টিদিন তা হলে ১৪ জুলাই

Rate this book
তাহলে বৃষ্টিদিন তাহলে ১৪ জুলাই নামহীন এক তরুনের গল্প, যে তার দিনযাপনের গ্লানি নিয়ে সকলের থেকে এত বেশি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যা কেউ টের পায়না।
শুধু এক বৃষ্টিদিন তার বিচ্ছিন্নতার সমস্ত অহঙ্কার চূর্ণ করে।

111 pages, Hardcover

First published February 1, 2008

4 people are currently reading
97 people want to read

About the author

Imtiar Shamim

54 books116 followers
ইমতিয়ার শামীমের জন্ম ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫ সালে, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। আজকের কাগজে সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবনের শুরু নব্বই দশকের গোড়াতে। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘ডানাকাটা হিমের ভেতর’ (১৯৯৬)-এর পান্ডুলিপি পড়ে আহমদ ছফা দৈনিক বাংলাবাজারে তাঁর নিয়মিত কলামে লিখেছিলেন, ‘একদম আলাদা, নতুন। আমাদের মতো বুড়োহাবড়া লেখকদের মধ্যে যা কস্মিনকালেও ছিল না।’

ইমতিয়ার শামীম ‘শীতের জ্যোৎস্নাজ্বলা বৃষ্টিরাতে’ গল্পগ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার (২০১৪), সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ দেশের প্রায় সকল প্রধান সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
9 (25%)
4 stars
20 (55%)
3 stars
6 (16%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (2%)
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
Profile Image for Rifat.
501 reviews328 followers
July 14, 2021
আমরা হেঁটেছি যারা'র তথাগত'র মতো কিংবা যারা স্বপ্ন দেখেছিল'র কিংশুকের মতো এই উপন্যাসের সাথে সমান্তরালে বেঁচে থাকা মূল চরিত্রটির কোনো নাম নেই। নামহীন এক অচেনা চরিত্রের সাথে সময় কাটে এই ১৪ই জুলাইয়ের।

(১৪ জুলাই কেন বারেবারে এই উপন্যাসে ঘোরাঘুরি করে তা জানতে পিছিয়ে যেতে হবে সেই ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে, চোখের সামনে মেলে ধরতে হবে বাস্তিল দূর্গকে; একবার কোন বন্দী সেখানে প্রবেশ করলে জীবন নিয়ে আর ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকত না। কারাগারের ভিতরেই মেরে ফেলা হত বন্দীদের।ফ্রান্সের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষায় এটি ল্য ক্যাতৌযে জুইয়ে অর্থাৎ ১৪ই জুলাই নামে পরিচিত। ১৪ জুলাই বিপ্লবীদের গৌরবময় বিপ্লবের দিন।)

গার্মেন্টসে যাওয়ার আগে মেয়েটা সে আয়নায় তার চেহারা দেখে। দেখতে দেখতে হয়ত নিজের চেহারাটা আরও গোছগাছ করে, না হয় কোয়ালিটি কন্ট্রোলার কিংবা সুপারভাইজার এমনকি খোদ এমডির নজর এড়ানোর জন্যে তাতে উচ্ছন্নতা আনে।

চোখের সামনে এখানে ওখানে নৈরাজ্য দেখে ১৪ জুলাই হাসতেই পারে; সেই হাসিকে যথার্থ বলেই মনে হয়।

বরাবরের মতোই মূল চরিত্রের চোখ দিয়ে আমরা চলমান সমাজের ভেতরকার রূপ দেখতে পাই। দেখতে পাই বন্যাপীড়িত অঞ্চলের ত্রাণ বিতরণ আর বন্যার ক্ষোভে সব হারানো মানুষদের; দেখতে পাই গার্মেন্টস থেকে বের হয়ে আসা নারী কর্মীর স্রোত কিংবা কখনো চোখে পড়ে গার্মেন্টস কর্মীদের তাজা মাংস পোড়া ধোঁয়া, আরও দেখা যায় পুড়ে যাওয়া স্বপ্ন। ভেতরকার এমন বীভৎসতা দেখে হাসতে দেখা যায় তারিখ ১৪ জুলাইকে। আর দেখা যায় পত্রিকার পাতায় ঘুরতে ঘুরতে বারবার আসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের খবর; শোনা যায় ধর্ষণের সেঞ্চুরি পূরণ করে উৎযাপন করেছে একটি পক্ষ। সেই সাথে এই উৎযাপনের মূল নায়ক মানিককে দেখি আনিসরূপে এই বইতে বেশ পাতাজুড়ে ছড়িয়ে আছে (আগ্রহীগণ অশুচির এই ধর্ষণবিরোধী ছাত্রী আন্দোলন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ’৯৮তে সংঘটিত আন্দোলন নিয়ে প্রকাশনা-সংকলন বইটা দেখতে পারেন) তারপরও সময় বয়ে চলে। চলতে থাকে ইমতিয়ার শামীমের গদ্যের ছন্দ; সাথে চলতে থাকে আমাদের মূল চরিত্রের টিনের চালে বৃষ্টি পড়ার শব্দ শোনার চেষ্টা। সেই সুর ধরে উপন্যাসের নামকরণ: তা হলে বৃষ্টিদিন তা হলে ১৪ জুলাই একটি সার্থক নামকরণ হয়ে যায়।


২০২১, ১৪ জুলাই; একটি রৌদ্রতপ্ত দিন।
Profile Image for Akhi Asma.
232 reviews465 followers
July 19, 2021
আমার ইচ্ছে ছিলো বইটা আমি ১৪ জুলাই তে পড়বো। কিন্তু আনফরচুনেটলি ১৪ জুলাইতে বৃষ্টি ছিলনা।

১৪ জুলাই ছিলো ফ্রেঞ্চ রেভ্যুলেশনের একটা সিগনিফিক্যান্ট ডে। ইমতিয়ার শামীম ওই ১৪ জুলাইকেই মেটাফোরেক্যালি ব্যবহার করেছেন উনার বইয়ে আরেকজন নিঃসঙ্গ যুবককে সঙ্গে নিয়ে।

মাত্র ১১১ পৃষ্ঠার একটা বই, কিন্তু বিশ্বাস করেন, আপনি একবসায় শেষ করতে পারবেন না। আমি ১৪ জুলাইতেই শেষ করতে চেয়েছিলাম, তাই খুব দ্রুত পড়েছি, না হয় এই বই আমি এক সপ্তাহ ধরে পড়তাম, যারা ইমতিয়ার শামীম পড়েন তারা এই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।

এর আগে আমার লেখকের অনেক বই পড়া হয়েছে, কিন্তু কোনটাতেই শহীদুল জহির এর প্রভাব পড়তে দেখিনি। কিন্তু এটাতে মনে হলো শহীদুল জহিরের একটা প্রভাব রয়েছে। যেটা খারাপ না কিন্তু, বেশ সুন্দরভাবেই প্রেজেন্ট করা হয়েছে। দু'জনই আমার প্রিয় লেখক, এতে কোন সমস্যা নেই আমার।

এটা কাকতালীয় ব্যাপার হতে পারে, কয়দিন আগেই আমরা একটা ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরার ব্যাপারটা দেখতে পাই এবং অনেক শিশু শ্রমিক থেকে শুরু করে অনেক শ্রমিককেই মারা যেতে দেখি, আমার মনে হলো যেন ইমতিয়ার শামীম ওইসব পুড়ে যাওয়া শ্রমিকদের কথা ভেবেই বইটা লিখেছিলেন, তাও সেটা ২০০৮ সালে, মানে তখন থেকেই আমাদের দেশে শ্রমিক পোড়ানো শুরু হয়েছে।

এটা বলতেই হয় যে ২০০৮ থেকে এখন পর্যন্ত কোন পরিবর্তনই হয়নি আমাদের!

বইয়ের নামটা কিন্তু অনেক সুন্দর, বইটা আমি বেশ কয়েকবছর আগে পড়ার একটা ট্রাই দিয়েছিলাম কিন্তু পারিনি শেষ করতে। Now I'm really glad that I finished it .
Profile Image for বিমুক্তি(Vimukti).
156 reviews89 followers
May 3, 2021
শহীদুল জহিরের প্রভাবটা সুন্দর বোধহয়। এর একটা কারণ হতে পারে শহীদুল রেখে গেছেন খুব কম, পড়তে গেলেই যেন শেষ হয়ে যাবে। অন্য লেখকের মাঝে তার প্রভাব এবং সেই প্রভাবে অসাধারণ মানের কিছু জিনিস বের হলে পাঠক উৎসাহিত হয়ে পড়ে তাই।

এই পুরো উপন্যাস জুড়েও শহীদুল জহিরকে পাওয়া যায় বারবার। সুন্দর একটা ন্যারেটিভ, আচ্ছন্ন করে রাখার তাড়না। এসব উপন্যাসকে সবসময়ই স্বপ্ন দেখার সাথে তুলনা করি আমি। গোছানো একটা গদ্যে যেন অস্থিতিশীল অনিয়ম ফুটিয়ে তোলা।
সহজ সরল একটি শব্দ দিয়েই তাই উপন্যাসটা ব্যাখ্যা করা যায়। সুন্দর!
Profile Image for Ashkin Ayub.
464 reviews231 followers
July 1, 2021



এই বইটা হলো নামহীন এক তরুনের দিনযাপনের গ্লানির প্রলাপ। তবে এই পীড়িত সমাজে এই প্রলাপের আছে অর্থময়তা। এই বই পড়লে আপনি জানতে পারবেন, শুধু এক বৃষ্টিদিন তার বিচ্ছিন্নতার সমস্ত অহঙ্কার চূর্ণ করে। কী জেনেছে সে সমাজের কাছ থেকে। আরো জানতে পারবেন, সে কী কী খুঁজে এনেছে। জানা যাবে, সে নিজস্ব বলে দাবী করে কাকে। নিজস্ব বলে দাবী করে কেন। এই অধিকার তাকে কে দিয়েছে। এই বই পড়লে জানা যাবে ক্লাসরুমে খাতা কলম সন্ত্রাস ছাড়াও কী কী থাকে। থাকে নাকি মেয়ের মৃত সত্ত্বা, লালসবুজে মেলানো পাতা আর ঘরের চালে পড়া বৃষ্টির শব্দ! এই বইয়ে দেখা যাবে ১৪ই জুলাইকে কেন যাপিত জীবনের সাথে মিশে আছে।

লেখক সাহেবের এই বইয়ে মানুষ বলে থাকে তার নিজস্ব গল্প, সন্ধ্যার আগে আগে যেসব গল্প খুঁজে পাওয়া যায়। তাই জানতে পারবেন তার একান্ত কথা। আরো জানতে পারবেন, মানুষের ভিন্ন ভিন্ন সত্য থাকে। এবং তারপর আপনার একান্ত সত্যের সাথে আপনার দেখা হবে। আপনি তাকে চিনবেন কারণ আপনি ইতিমধ্যে জানেন মানুষের সত্য দেখতে নানা রকম। তাই আপনি ভয় পাবেন না। আপনার আরো দেখা হবে আপনার নিজের সাথে। আপনি এতেও ভয় পাবেন না। কারণ আপনি জানেন একই মানুষের আছে ভিন্ন ভিন্ন চেহারা এবং হৃদয়।

আপনি জানতে পারবেন বৃষ্টির দিনে কষ্টের শিরোনাম কী হতে পারে। জানতে পারবেন এক মানুষের একান্ত কষ্টের সাথে মিলে যায় প্রত্যেকে কোথায় কোথায়। এবং জানতে পারবেন এর ফলাফল কী হয়। জেনে যাবেন অভিশাপ এবং আশীর্বাদ দেখতে একই রকম কি না।

তবে আপনি যদি এই বই না পড়েন, অহেতুক চিন্তার প্রয়োজন আপনার কোনদিনই পড়বেনা। আপনার জীবন হবে সুন্দর এবং নিরুপদ্রব।


description
Profile Image for Paromita Ghosh.
33 reviews23 followers
April 13, 2023
নামহীন এক তরুনের গল্প,বিচ্ছিন্ন-অবিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা,আগামী দিনের আশা,বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও প্রতিমুহূর্তে আগলে রাখা,তুচ্ছ কিছু মানুষের স্বপ্ন নিয়েই 'তাহলে বৃষ্টিদিন তাহলে ১৪ই জুলাই'।
Profile Image for Aditee.
90 reviews21 followers
March 10, 2018
শালা একটা অমানুষ!
Profile Image for Royhana Akter Rimu.
73 reviews4 followers
May 31, 2021
শুরুতেই ৮৯ শব্দের বিশাল বড় একটা লাইন পড়ার পর ২৫ মিনিট ঘুমাইছি আর পুরো একদিন রেস্ট নিয়ে পরের দিন পড়া শুরু করলাম আবার 😶

একজন রেপিস্ট দাঁড়িয়ে আছে হাতে কলম নিয়ে, পরীক্ষা দিতে চাওয়ার ঔদ্ধত্য নিয়ে; আর তার হয়ে সাফাই গাইছে একজন শিক্ষক। তাই দেখে ড. জোহা বোধ হয় আরও একবার শহীদ হলেন।
এই অংশটুকু পড়ে প্রচন্ড রকমের হাসিই পেয়েছে।

ছাত্রছাত্রীরা যখন বলে, 'স্যার আমরা কোনো রেপিস্টের সাথে পরীক্ষা দিতে রাজি নই। তখন হোসাইন সাহেব রেগে গেলেন। ভীষন রেগে চড়া গলায় বললেন,'তোমাদের কাছে কি প্রমাণ আছে যে ও ধর্ষক?'
এতোটুকু পড়ার পর মনে হয়েছে অপরাধটা আসলে ইদানিং বাড়ে নি। সেই সুদীর্ঘ কাল থেকেই হয়ে এসেছে। শুধু প্রকাশ পায় নি। বইটা ২০০৮ সালে প্রকাশিত সেটাও মনে হয়নি। এই হবে হয়তো ২০১৯ এর দিকে প্রকাশিত।

যা হোক। এই অংশটুকু বইটাকে পুরোপুরি ডিফাইন করে না। ১১১ পৃষ্টার বই। ৯৮ পৃষ্ঠা পড়া শুরু করার পর বই এর প্রতি মনোভাব ১৬ আনাই পালটে গেল।

বন্যার্ত এলাকার সেই না খেয়ে থাকা ছেলেটা হয়তো বা কোনো একদিন ছিচকে মস্তান হয়ে উঠবে। সন্ত্রাস নামক শিল্পের অভিভূত দর্শকরা দেখবে যার পেটে বোমা মারলেও একটা অক্ষর বের হবে না সে ছেলেই বোমা নিয়ে দাবড়াদাবড়ি করে সার্টিফিকেট হাতে ধরা ছাত্রদের শাসিয়ে বেড়াচ্ছে, টিচারদের সামনে চেয়ারে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে।

বস্তিতে থাকা সেই গার্মেন্টস নারীকর্মী যার ঘরের চালে পড়া বৃষ্টির শব্দ বেশ ভাবায়। সে একজন মেয়ে আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী পুরুষ নয়,প্রতিদ্বন্দ্বী নিজেরই শরীর। এবং সে এও ভেবে অবাক হয়ে যায়, কী করে তাদের প্রতিটা শরীরই কোনো না কোনো পুরুষের কাছে কোনো না কোনো কারণে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এই আকর্ষণীয়তা থেকে পালানোর কোনো পথ নেই সে ভাল করেই জানে। সে হয়তো সম্ভ্রম রক্ষা করে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাবে শেষ পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়তো সেঞ্চুরি ধর্ষণের প্রমাণই চেয়ে যাবে আজীবন। আরও কত রকমের ধর্ষকের আবির্ভাব ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে!! নীরিহ ধর্ষক, ছাত্র ধর্ষক, বহিরাগত ধর্ষক, শিক্ষক ধর্ষক, নাটকীয় ধর্ষক, অজাচারী ধর্ষক...... ধর্ষকের খবর ছাপানো অশ্লীলতা, সেজন্যে সযত্নে এসব খবর এড়িয়ে চলছে সংবাদপত্র গুলো।

সুন্দরী সেই নারীর পাশের চেয়ারে বসার জন্য হয়তো আজীবন লড়ে যাবে নামীদামী পুরুষেরা।
আর একজন হতাশাগ্রস্থ ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র নিরবে সবই দেখে যাবে। শুধু দেখে যাবে। কারণ তার করার মত কিছু নেই।হাতে একটা চাকরিও নেই। দেখে যাবে আর ১৪ই জুলাইএর বৃষ্টি দিনকে স্মরণ করে যাবে। ১৪ই জুলাই যেন তার বন্ধুর মত।

কিন্তু ১৪ জুলাইকে এত হাইলাইট করার কোনো মানেই খুজে পাই নি আমি। স্যাড ফর মি 😶
Profile Image for আহসানুল করিম.
Author 3 books27 followers
January 1, 2019
অনেকটা নেশার মত। কিছু কিছু নেশার ঘোরে মানুষের ভাবনা ভীষণ বিক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। চিন্তার সুতো ধরে টলতে টলতে এগোতে এগোতে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া কিছু একটা নাছোড়বান্দার মত চেপে ধরে সংকল্প করা হয় নেশা কেটে গেলেও এই সুতো ছিঁড়তে দেবো না। আবার এক পর্যায়ে মনে হয় এভাবে চলতে চলতে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন আর একা হয়ে পড়ছি মানুষ, দেশ আর বাস্তবতা থেকে। সবশেষে এটাও মনে হয় সংযোগ হারিয়ে যেন দেখতে পাচ্ছি আরও স্পষ্ট করে।

বন্যাপীড়িত মানুষের কোলে ডায়রিয়ায় মরে যাওয়া শিশুর মলে মাখা লাশের কথা পড়ি (ফেসবুকের নিউজফিডে কারো শেয়ার করা ছবিতে দেখি হাড় জিরজিরে ইয়েমেনী শিশু, কিংবা কারো প্রোফাইল ফটোতে দেখি তার সন্তানের হাসিমুখ)। সেই দশকে (যে দশকে কলোনিতে এক তলা বন্যায় ডুবে গেলে রাতের বেলা দোতলার জানালায় বসে মনে হতো লঞ্চের কেবিনে বসে আছি) জলপাইপোশাক, শিফন শাড়ি, মাড় দেওয়া শাড়ি আর খদ্দের পাঞ্জাবিদের কথা পড়ি (টিভিতে টক শোতে চলে নির্বাচনের ব্যবচ্ছেদ)। এইভাবে ধীরে ধীরে বইয়ের একেকটা পাতা পরিপার্শ্বের সাথে আমাকে যুক্ত কিংবা বিযুক্ত করে, অনেকটা সেই নেশার মত।
Profile Image for Shahnewaz Shahin.
99 reviews6 followers
October 28, 2025
“তা হলে বৃষ্টিদিন, তা হলে ১৪ জুলাই” একটি প্রতীকী উপন্যাস, যেখানে বৃষ্টি মানে পরিশুদ্ধি, ১৪ জুলাই মানে মুক্তি, এবং একাকিত্ব মানে আত্মসন্ধান।

লেখক এখানে ১৪ জুলাই কিংবা বৃষ্টি কে প্রতীকী হিসেবে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে এসেছেন । এজন্য কিছুটা বাহুল্য মনে হয়েছে ‌।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,482 reviews565 followers
October 1, 2019
নগরী, বস্তি, গার্মেন্টসের শোষিত নারীকর্মী, একজন হতাশ মানুষ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের 'সেঞ্চুরি ' মানিক এবং সাম্য-মৈত্রী-স্বাধীনতার ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাইয়ের ফরাসি বিপ্লবকে একসূত্রে গেঁথেছেন ইমতিয়ার শামীম।

অসাধারণ কিছু মনে হয়নি। বরং অনেকবেশি সাদাসিধা ধাঁচের লেখা। ইমতিয়ার শামীমের সিগনেচার স্টাইল বলতে যে মনোমুগ্ধকর গদ্যের কারুকাজ বোঝায় - এই উপন্যাসে তা অনুপস্থিত।
Profile Image for Samia Rashid.
301 reviews15 followers
May 12, 2025
এত্ত কঠিন বই আমি কেন যে কিনেছিলাম জানি না!! শুধু শুধুই আমার টাকা নষ্ট। লেখকের 'আমাদের চিঠিযুগ কুউউ ঝিকঝিক' বইটা পড়ে বেশ ভাল লেগেছিল, তাই ভেবেছিলাম প্রতি বছর বইমেলা থেকে তার একটা একটা করে বই কিনব। এবারের মেলা থেকে এই বইটা নিয়েছিলাম। বুঝিনি যে এত কঠিন হবে। বেশ কিছু পাতা পড়েও আমি বুঝতে পারলাম না কি নিয়ে বইটা আসলে লেখা। শেষ পর্যন্ত আর পড়ার ধৈর্য ছিল না। হয়ত বইটা অনেকের কাছেই ভাল লেগেছে, কিন্তু এই বই আমার জন্য না আসলে।
Profile Image for F A.
5 reviews1 follower
July 17, 2021
ইমতিয়ার শামীরের ভাষা এতো মোহনীয় পড়তে পড়তে মনে হয় দাওয়াত ভাসছি আর শরীরের ওজন শূন্য।
Displaying 1 - 13 of 13 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.