Sir Arthur Ignatius Conan Doyle was a Scottish writer and physician. He created the character Sherlock Holmes in 1887 for A Study in Scarlet, the first of four novels and fifty-six short stories about Holmes and Dr. Watson. The Sherlock Holmes stories are milestones in the field of crime fiction.
Doyle was a prolific writer. In addition to the Holmes stories, his works include fantasy and science fiction stories about Professor Challenger, and humorous stories about the Napoleonic soldier Brigadier Gerard, as well as plays, romances, poetry, non-fiction, and historical novels. One of Doyle's early short stories, "J. Habakuk Jephson's Statement" (1884), helped to popularise the mystery of the brigantine Mary Celeste, found drifting at sea with no crew member aboard.
শার্লক হোমস, ওয়াটসন কিংবা মরিয়ার্টির বাইরেও কোনান ডয়েলের সৃষ্টি এক অবিস্মরণীয় চরিত্র প্রফেসর চ্যালেঞ্জার। প্রফেসর চ্যালেঞ্জারকে নিয়ে লেখা সায়েন্স ফ্যান্টাসীধর্মী উপন্যাস লস্ট ওয়ার্ল্ড পড়েছিলাম ছোটবেলায়, কার অনুবাদে মনে নেই। তবে উপন্যাসটি মনে দাগ কেটেছিল নিঃসন্দেহে। এতদিন পড়ে প্রফেসর চ্যালেঞ্জারকে নিয়ে লেখা সব গল্প ও উপন্যাস এক মলাটের মধ্যে পাওয়ায় সংগ্রহ করার লোভ সামলাতে পারিনি। অবশ্য প্রফেসর চ্যালেঞ্জারকে নিয়ে কোনান ডয়েল গল্প-উপন্যাস লিখেছেনই কেবল ৫টি। তার মধ্যে উপন্যাস তিনটি আর গল্প দুটি। তবে পুরো বই পড়ার পর বলতেই হচ্ছে প্রফেসর চ্যালেঞ্জারকে নিয়ে লেখা কোনান ডয়েলের প্রথম উপন্যাসটিই সেরা এবং আজও উপভোগ্য। ১৯১২ সালে প্রথম আমাজন জঙ্গলের গহীনে ডায়নোসার জাতীয় প্রাণির সন্ধানে অভিযান নিয়ে লেখা লস্ট ওয়ার্ল্ড উপন্যাস দিয়েই প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের যাত্রা শুরু। কেমন ছিলেন এই প্রফেসর চ্যালেঞ্জার? ইউরোপের সেরা ব্রেন হলেও ভীষণ বদমেজাজী এবং মারকুটে চ্যালেঞ্জার তার মতবিরোধীদের সহ্যই করতে পারতেন না। তার উগ্র মেজাজের আবরণ সরিয়ে তার কাছাকাছি যাওয়াটাই ছিল কঠিন। চেহারাটাও ছিল তার দারুণ খোলতাই। বিশাল দাঁড়ি, প্রচন্ড শক্তিশালী কিন্তু বেঁটে চ্যালেঞ্জারকে দেখতে অনেকটা নরবানরের মতো মনে হলেও মেধা ও বুদ্ধি তার ছিল সাংঘাতিক। রুক্ষ মেজাজ এবং ব্যবহারের আড়ালে একটা সহৃদয় ও উপকারী মানুষও ছিলেন তিনি। তবে সেই পর্যন্ত পৌছুতে পারতোই বা কয়জনা। বিশেষ করে সাংবাদিকদের প্রতি তিনি ছিলেন বেজায় ক্ষিপ্ত এবং তাদের উপর হামলা চালাতে সিদ্ধহস্ত। তবু একজন তরুণ সাংবাদিক, টেড ড্যান ম্যালোন প্রফেসরের কাছাকাছি যেতে পেরেছিল, সঙ্গী হয়েছিল তার প্রতিটি এডভ্যাঞ্চারে। ডেইলী গ্যাজেটের এই তরুণ আইরিশ সাংবাদিকের জবানীতেই আমরা পাই প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের প্রথম দুটো উপন্যাস। দুটি অভিযানেই তাদের সঙ্গী ছিলেন প্রফেসন সামারভিল এবং শিকারী ও অভিযাত্রী লর্ড জন রক্সটন।
তৃতীয় উপন্যাস ল্যান্ড অফ মিস্ট আকৃতিতে বিশাল। সেখানে প্রফেসরের ভূমিকা সামান্যই, বরং বলা যায় ম্যালোনই সেখানে প্রধান চরিত্র। আছে প্রফেসরের মেয়ে এনিড চ্যালেঞ্জারও যার সাথে ম্যালোনের একটা বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসার সম্পর্ক তখন তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে একই সাথে লর্ড জন রক্সটনও হাজির সেখানে, সামারভিল অবশ্য ততোদিনে মৃত। আরও অনেক নতুন চরিত্রের ভিড় আছে এই উপন্যাসে। এই উপন্যাসটি কনান ডয়েল লিখেছেন তার প্রেততত্ত্ববাদ ও আধ্যাত্মবাদের বিশ্বাসের সমন্বয়ে। লেখাটি এবং এর পরিশিষ্ট পড়লে বোঝা যায় এ বিষয়ে কোনান ডয়েল রীতিমতো চর্চা করতেন। সম্ভবত প্ল্যানচেট চর্চা ও থিয়োসফিকাল সোসাইটির সাথেও তার যোগাযোগ থেকে থাকবে। তবে নিজের এই বিশ্বাস যেভাবে তিনি উপন্যাসের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন তা হয়তো সব পাঠকের কাছে উপভোগ্য নাও হতে পারে। উপন্যাসটির কলেবরও ক্লান্তিকর রকমের দীর্ঘ। আধ্যাত্মিকতা বা প্রেততত্ত্ব চর্চার জনপ্রিয়তা সেই সময়ে সম্ভবত বেশ ভালো রকমই ছিল, এ যুগেও হারিয়ে গেছে তা বলবো না তবে চর্চার ধরণটা আগের মতো নেই। বিভূতিভূষণের দেবযানের সাথে এই উপন্যাসের সামান্য মিল খুঁজে পাওয়া যেতে পারে কারণ দুটো উপন্যাসই অদেখা পরলোকের বাসিন্দাদের সাথে জড়িত যার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না। শেষ দুটি গল্পের প্রথমটি হোয়েন দি ওয়ার্ল্ড স্ক্রিমড এ গল্প কথক অন্য তবে এখানেও প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের সাথে ম্যালোনও আছেন। গল্পটি হয়তো সেই মাত্রায় উৎকৃষ্ট নয় তবে শেষ গল্প ডিসিন্টিগ্রেসন মেশিন আকারে ছোট তবে উপভোগ্য, সমকালীন রাজনৈতিক বৈরীতারও আঁচ পাওয়া যায়। কোনান ডয়েলের লেখায় সমকালীন বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও তথ্য দুই ই পাওয়া যায় যার সবগুলো হয়তো বর্তমান বিজ্ঞানের যুগে টেকে না। যেমন নানা লেখায় যে ইথারের উল্লেখ রয়েছে সেটা তো এখন বাতিল করে দিয়েছে বিজ্ঞান। তবু সবমিলিয়ে সায়েন্স ফ্যান্টাসী হিসেবে লেখাগুলো হারানো দিনের উজ্জ্বল সম্পদ, এইচ.জি.ওয়েলসের বিজ্ঞানভিত্তিক ফ্যান্টাসী উপন্যাসগুলোর মতোই। অদ্রীশ বর্ধনের অনুবাদে এই বইটির সব গল্প ও উপন্যাস সবার হয়তো সমান উপভোগ্য নাও মনে হতে পারে। তবে লস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্যই কেবল বইটি অন্তত পড়া যায়।
বইটিতে আছে প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের ৩টি উপন্যাস ও ২টি গল্প। এক কুয়াশার দেশে বাদে বাকিগুলোর অনুবাদক মণীন্দ্র দত্ত এবং একটির অনুবাদক সুধাংশুরঞ্জন ঘোষ। মনীন্দ্র দত্তের অনুবাদগুলো সাবলীল লেগেছে, কিন্তু শেষোক্তটি পড়তে গিয়ে হোঁচট খেতে হয়েছে বার বার। প্রথমে ভেবেছিলাম বুঝি অনুবাদেরই দোষ, কিন্তু গুডরিডসেও দেখলাম 'কুয়াশার দেশে' বা The Land of Mist এর রেটিং অন্যগুলোর তুলনায় বেশ খানিকটা কম। বিজ্ঞান-অতিপ্রাকৃতের মিশেলে খুব একটা খারাপ না।
গল্প এত আহামরি ভালো ও না আবার খারাপ ও না মাঝামাঝি বলা যায়। একটানা পড়ে যাওয়া যায়,বিরক্তি ছাড়া। সম্ভবত অনুবাদ এর কারণে। অনুবাদ অনেক ভালো ছিলো, যার কারণে পড়ে অনেক আরাম পেয়েছি। আর রেটিং ৩.৫