Jump to ratings and reviews
Rate this book

নারীর মূল্য

Rate this book
মণি-মাণিক্য মহামূল্য বস্তু, কেন না, তাহা দুষ্প্রাপ্য। এই হিসাবে নারীর মূল্য বেশী নয়, কারণ, সংসারে ইনি দুষ্প্রাপ্য নহেন। জল জিনিসটা নিত্য-প্রয়োজনীয়, অথচ ইহার দাম নাই। কিন্তু যদি কখন ঐটির একান্ত অভাব হয়, তখন রাজাধিরাজও বোধ করি একফোঁটার জন্য মুকুটের শ্রেষ্ঠ রত্নটি খুলিয়া দিতে ইতস্ততঃ করেন না। তেমনি—ঈশ্বর না করুন, যদি কোনদিন সংসারে নারী বিরল হইয়া উঠেন, সেই দিনই ইঁহার যথার্থ মূল্য কত, সে তর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হইয়া যাইবে—আজ নহে। আজ ইনি সু.......

121 pages, Kindle Edition

First published January 1, 1923

8 people are currently reading
72 people want to read

About the author

Sarat Chandra Chattopadhyay

319 books936 followers
Complete works of Sarat Chandra (শরৎ রচনাবলী) is now available in this third party website:
http://sarat-rachanabali.becs.ac.in/i...

Sarat Chandra Chattopadhyay (also spelt Saratchandra) (Bengali: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) was a legendary Bengali novelist from India. He was one of the most popular Bengali novelists of the early 20th century.

His childhood and youth were spent in dire poverty as his father, Motilal Chattopadhyay, was an idler and dreamer and gave little security to his five children. Saratchandra received very little formal education but inherited something valuable from his father—his imagination and love of literature.

He started writing in his early teens and two stories written then have survived—‘Korel’ and ‘Kashinath’. Saratchandra came to maturity at a time when the national movement was gaining momentum together with an awakening of social consciousness.

Much of his writing bears the mark of the resultant turbulence of society. A prolific writer, he found the novel an apt medium for depicting this and, in his hands, it became a powerful weapon of social and political reform.

Sensitive and daring, his novels captivated the hearts and minds of thousands of readers not only in Bengal but all over India.

Some of his best known novels are Palli Samaj (1916), Charitraheen (1917), Devdas (1917), Nishkriti (1917), Srikanta in four parts (1917, 1918, 1927 and 1933), Griha Daha (1920), Sesh Prasna (1929) and Sesher Parichay published posthumously (1939).

"My literary debt is not limited to my predecessors only. I'm forever indebted to the deprived, ordinary people who give this world everything they have and yet receive nothing in return, to the weak and oppressed people whose tears nobody bothers to notice and to the endlessly hassled, distressed (weighed down by life) and helpless people who don't even have a moment to think that: despite having everything, they have right to nothing. They made me start to speak. They inspired me to take up their case and plead for them. I have witnessed endless injustice to these people, unfair intolerable indiscriminate justice. It's true that springs do come to this world for some - full of beauty and wealth - with its sweet smelling breeze perfumed with newly bloomed flowers and spiced with cuckoo's song, but such good things remained well outside the sphere where my sight remained imprisoned. This poverty abounds in my writings."

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
24 (32%)
4 stars
32 (43%)
3 stars
11 (14%)
2 stars
5 (6%)
1 star
2 (2%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Rifat.
Author 3 books16 followers
March 18, 2018
বইটি মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়েছি! যুগে-যুগে, কালে-কালে, দেশে-সমাজে, ধর্মে- নারীর যে মূল্য নির্ধারণ হয়েছে এবং সেগুলোর পরিণতি কি তা পড়তে নিয়ে শিউরে উঠছিলাম। মনে হচ্ছিল না সেই ৮০-৯০ বছর আগের বই পড়ছি। কেননা, এই ডিজিটাল যুগে এসেও নারীর অবস্থা মোটামুটি সেই একই রয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু সমাজে যদিও চেষ্টা করছে "জেন্ডার গ্যাপ" কমাতে, কিন্তু তা করতে গিয়ে যেন ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলছে। বইটিতে দেখলাম, নারী বেশী ক্ষমতা পেয়ে গেলে কি পরিণতি হয়। শুরুতে মজা লাগলেও সমাজব্যবস্থায় নারীর অধিক খমতায়ন কি ব্যালেন্স নষ্ট করে পড়তে নিয়ে আবারও শিউরে উঠলাম।

ফেমিনিজম সম্পর্কে বরাবরই নারীদের লেখায় জানতে পেরেছি। পুরুষের হাতে এ ধরণের লেখা সম্পর্কে জানা আমার এই প্রথম। ছোট্ট এই জীবনে আরও অনেক কিছু জানার বাকি আছে।

শরৎচন্দ্রের এই লেখা পড়ে তাঁর রুহকে জানাই সশ্রদ্ধ নমস্কার!
Profile Image for Fahad Ahammed.
387 reviews44 followers
December 31, 2018
নারীর অধিকার বিষয়ে, নির্যাতিত নারীদের পক্ষে বিশাল তথ্যবহুল প্রবন্ধ। অসাধারণ বর্ণনা শৈলী এবং কুসংস্কারে আচ্ছন্ন জাতীকে আলোর পথ দেখানোর প্রয়াস।
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews134 followers
April 4, 2019
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা "নারীর মূল্য" একটি প্রবন্ধ যেখানে তিনি বাস্তবের নারীদের অধিকার, নারীদের ওপর অনাচার অত্যাচার, নারীদের মূল্য সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন।

প্রথমেই তিনি বলেছেন, " মণি মানিক্য মহামূল্য বস্তু, কেন না তাহা দুষ্প্রাপ্য। এই হিসাবে নারীর মূল্য বেশী নয়,কারণ সংসারে ইনি দুষ্প্রাপ্য নহেন।জল জিনিসটি নিত্য প্রয়োজনীয়,অথচ ইহার দাম নহে।কিন্তু যদি কখনও ঐটির একান্ত অভাব হয়,তখন রাজাধিরাজও বোধ করি এক ফোঁটার জন্য মুকুটের শ্রেষ্ঠ রত্নটি খুলিয়া দিতে ইতস্ততঃ করেন না। তেমনি ঈশ্বর না করুন, - যদি কোনদিন সংসারে নারী বিরল হইয়া উঠেন,সেইদিনই ইহার যথার্থ মূল্য কত,সে তর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হইয়া যাইবে - আজ নহে।" শরৎচন্দ্র তো সেই কোন কালে এ কথা লিখে গিয়েছেন, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কি আমাদের সমাজে নারীদের সঠিক মূল্য দেওয়া হয় ?? যতই আমরা মর্ডান হই না কেনো সমাজ এখনো নারী পুরুষকে আলাদা নজরেই দেখে। বাড়ির মধ্যে এখনও ছেলে ও মেয়ের মধ্যে পার্থক্য করা হয়, খবরের কাগজ খুললেই চোখে পড়ে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ।আমরা স্বীকার করি আর না করি পুরুষরা নারীদের নিজের সম্পত্তি ভাবে, নিজেদের ভোগের বস্তু ছাড়া আর কিছুই মনে করে না। আমাদের সমাজ এমনই যে কোনো দম্পতির যদি সন্তান না হয় তখন নারীকেই দোষ দেওয়া হয়,পুরুষটির দিকে কেউ আঙ্গুল তোলে না। আবার কোনো স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যদি divorce এর ঘটনা ঘটে তখনও সমাজ নারীকেই দোষারোপ করে, ভেবেও দেখে না পুরুষটিরও তো কোনো দোষ থাকতে পারে,এরকম আরো কত শত উদাহরণ আছে... - এই তো আমাদের সমাজ,এই সমাজেই আমরা বাস করি,যেখানে নারীর মূল্য দেওয়া হয়না।

প্রবন্ধটি সকল নারীদেরকেই একবার পড়ে দেখার অনুরোধ করছি।
Profile Image for Nuhash.
221 reviews8 followers
March 18, 2023

"নারীর মূল্য"

প্রতিটি নারীর পড়া উচিত!

ভোর ৫.২০। চারদিকে হালকা আলোর আভরণ। ল্যাম্পপোস্টের মৃদু আলো রাস্তায়। একটি বারান্দায় আলো জ্বলছে। নারীটা হয়তো রান্না করছে তার স্বামী, পুত্র কিংবা মেয়ের জন্য। মাছের ঝোলের তীব্র গন্ধ নাঁকে এসে লাগছে। আমি ঘুম জড়ানো চোখ নিয়ে "নারীর মূল্য" প্রবন্ধ নিয়ে বসেছি। জানি আমি হয়তো যা লিখেছে তার বিন্দু বির্সগ নিজের মাঝে ধারণ করতে পারব না তবুও একটা নারীর অবদমন, তার উপর সমাজের জুলুম কিছুটা হলেও কর্ণগোচর তো হবে। তাদের উন্নয়নে সাহায্য করতে না পারলেও অতন্ত্য বাঁধা হতে চাচ্ছি না।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় খুব সুন্দর করে প্রতিটি যুক্তি উপস্থাপন করেছেন। বর্বর যুগ থেকে বর্তমান কাল ( আঠারো শতক) অবধি নারীরা চিরকাল পিছিয়ে আছে শুধু পুরুষদের জন্য। তাদের তৈরী করা নিয়ম নীতির বেড়া জালে নারীরা আবদ্ধ। বেদ, মনু, বাইবেল, হারর্বাট স্পেন্সার, আফ্রিকা, ইউরোপের সব বই ও ধর্মগ্রন্থে নারীদের কিভাবে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করেছে তিনি তার উল্লেখ্য করেছেন। তিনি কুরআনের বিভিন্ন বাণী উদ্ধৃতি ব্যবহার করে নারীর মূল্য দেখিয়েছেন। মুহাম্মাদ (সা:) নারীদের মূল্য কি প্রকারে দিয়েছেন তিনি তার সত্যতা তুলে ধরতে পিছপা হোন নি।

পুরুষ নিজেদের সুবিধার জন্য নানান আইন তৈরী করে প্রথা তৈরী করে। নিজের জন্য নারীকে তারা বিক্রি করে। নারী তো কারো সম্পত্তি ছিল না, হঠাৎ করে তা সম্পত্তি হয়ে পড়ে কেন তার সুন্দর ব্যক্তব্য তিনি উল্লেখ করেছেন। সহমরণ, সতীদাহ প্রথা, বিধবাবিবাহ, ঘরের মাঝে নারীকে আবদ্ধ কিংবা স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রীর বেহেশত এইসব পুরুষ কর্তৃক সৃষ্টি তিনি তা বুঝিয়ে বলেছেন।

হিন্দু সমাজের তিনি কঠোর সমলোচনা করেছেন। কেন নারীদের বন্দীশালায় রাখতে হবে, স্বামী মারা গেলে কেন স্ত্রীর সারাজীবন শাকসবজি খেতে হবে, নিয়ম কানুন ও স্বামী কর্তৃক তাদের নির্যাতন স্ববিস্তারে উঠিয়ে এনেছেন। সত্য প্রকাশে তিনি নির্বাক হয়ে কথা বলেছেন। কষ্ট পেলে নারীর আদর চাই, কিন্তু নারী কষ্ট পেলে আমরা তো তাদের কিছুই দেই না।

অসাধারণ সুন্দর একটি বই! বিন্দু বির্সগ কেউ বাদ দিতে পারবে না। প্রত্যেকটি বাক্য সত্য।
Profile Image for Israt jalil.
70 reviews23 followers
July 30, 2024
আজ থেকে এক শতক আগেও কাউকে দিয়ে যদি এমন অসাম্প্রদায়িক লেখা সম্ভব হতো তাহলে তা শরৎচন্দ্রের হাত দিয়েই সম্ভব হতো।
শরৎচন্দ্র তার লেখাটা শুরু করেছেন এভাবে যে নারী সমাজে অতি মূল্যবান বস্তু কিন্তু তা সুলভ বলিয়া কেউ তাহার মূল্য স্বীকার করে না। পানির অভাব হলে একজন রাজাও যেমন তার মুকুটের শ্রেষ্ঠ মনি খুলিয়া দিতে কার্পণ্য করবেন না তেমনি নারীও সমাজে একবার অভাব পড়লে সমাজে তার মূল্য পরিমাপ করা যাবে। তিনি শাস্ত্রের বিভিন্ন নিয়মকানুন টেনে দেখিয়েছেন যে শাস্ত্রকাররা বনেজঙ্গলে থাকলেও তারা সমাজ চিনতো। তারা তাদের জাতভাইদের আঘাত করিয়া কিছু রচনা করিতে উদ্যত হন নাই। তাই তাদের chastity শুধু নারীর ক্ষেত্রে খাটে। এটা রক্ষার দায় শুধু নারীর। সমাজে সম্মান রক্ষার দায়ও নারীর। মহাভারত বা রামায়ণ কোথাও সহমরণের উল্লেখ নাই(মাদ্রী বাদে)। কিন্তু শাস্ত্রে জোর করে টেনে এনে আর্যরা দক্ষিণাদের মতো সহমরণ ঢুকিয়ে দিলেন। বলা যায় না মরার পর সেবা করার জন্য যদি কারও প্রয়োজন হয়? সেই সময়ের ভারতীয় উপমহাদেশে যেভাবে নারীকে পূজা করা হতো, দক্ষিণাত্যে যেভাবে নারীকে মন্দিরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে পূজার জন্য হয়ত কোথাও এ���াবে পূজা করা হতো না। ফিজিতেও যদি এভাবে পূজা করা হতো তাহলে সেখানেও হয়ত দক্ষিণাদের মতো স্বামীর মৃত্যুতে শতশত নারী নিয়ে সহমরণে যাইতেন।
প্রথার নাম দিয়ে অনেকিছুকে বৈধ জ্ঞান করা হয় কিন্তু এই প্রথাকে ধর্মের নাম দিয়েই প্রাচীন সভ্যতায় পিতারা তাদের সন্তান বলি দিত। অতিথির সেবায় বাড়ির সবচেয়ে ভালো মেয়েটিকে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। শাস্ত্রকে টেনে এনে পরে শরৎচন্দ্র দেখাতে চেয়েছেন যে মূলত পুরুষরা পছন্দ করে না এটাই আসল কথা। বাস্তবিক কোনো শাস্ত্রই পুরুষ অধিক দিন পছন্দ করে না, যদি না তা তাদের আন্তরিক অভিপ্রায়ের সাথে মিল খায়। আর যদি শাস্ত্রও পছন্দ না হয় তাতে যাই লেখা থাকুক তারা তা উপড়ে ফেলতে দ্বিধা করেন না। পুরুষের কাছে বই ছাড়া কোথাও কখনো নারী সম্মান পায় নাই। পৃথিবীতে কোথাও নারী যদি সম্মান লাভ করিয়াছে তাহলে তা নিজের গুণে লাভ করিয়াছে।
তিনি বিভিন্ন রেফারেন্সের পাশাপাশি আচার্য কে পিয়ারসন এর Ethic of Free Thought গ্রন্থের রেফারেন্স টেনে দেখাতে চেয়েছেন শাস্ত্রের গোঁড়ামি নারীকে যে কত নিচে নামিয়েছে। শরৎ বলেন পুরুষও জানে তারা নারীকে পথে রক্ষা করতে পারবে না বলেই শাস্ত্র বানিয়েছে "নারী পথ বিবর্জিতা" তাই নারীকেও সেই হিসাব করেি শাস্ত্রকে মূল্যায়ন করা উচিত।
আমি তার সাথে কতটা এরমত তা জানি না কিন্তু এটা জানি কোনো পুরুষ এই প্রবন্ধ লেখতে পারেন বলে আমি বিশ্বাস করতাম না যদি না এটা শরৎচন্দ্র হতেন।
Profile Image for Amanullah Aman.
29 reviews
May 15, 2024
যুগে যুগে দেশে দেশে নারীরা যে কতোটা অবহেলিত ছিলো তা এই বইয়ে শরৎচন্দ্র খুব ভালো ভাবে বর্ণনা করে গেছেন। আমি আগে ভাবতাম নারীরা মনে হয় শুধু ভারতবর্ষেই অবহেলিত ছিলো। কিন্তু না, সেই যুগে নারীরা বিভিন্ন ধর্মে, বিভিন্ন জাতে বিভিন্ন মহাদেশে ভয়ংকর নির্মমতার স্বীকার হতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সেই নারীদেরই পিতা/স্বামী নামক পুরুষদের দ্বারা।
Profile Image for Kripasindhu  Joy.
549 reviews
January 10, 2022
দারুণ!
খুবই সুন্দরভাবে লেখা প্রবন্ধ।স্পষ্ট বক্তব্য।
Displaying 1 - 8 of 8 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.