সুন্দরী মেয়েটির ঘাড়ের টিউমার আপাত দৃষ্টিতে ক্ষতিকর কিছু মনে হচ্ছিল না। কিন্তু ওটা যখন দ্রুত বেড়ে চলল, সিদ্ধান্ত নেওয়া হল অপারেশন করে ফেলে দেওয়া হবে টিউমার। এমন সময় ওটা নড়াচড়া শুরু করে দিল। তারপর এ টিউমারকে ঘিরে ঘটতে শুরু করল অকল্পনীয় রবং ভয়ঙ্কর সব ঘটনা। কারন সাধারন টিউমার নয় ওটা, ওর মধ্যে জন্ম নিতে চলেছে কিংবদন্তী প্রেত - ম্যানিটু। ম্যানিটুর ব্ল্যাক ম্যাজিক আর আমাদের বিজ্ঞানের মধ্যে শুরু হয়ে গেল এক মরনপন লড়াই। এমন রুদ্ধশ্বাস পিশাচ কাহিনি আপনি কখনো পড়েছেন কিনা সন্দেহ!
জন্ম ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯। জন্মস্থান বরিশাল, পিতা প্ৰয়াত লক্ষী কান্ত দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে অনার্স সহ এম, এ করেছেন। ১৯৯৫ সালে | লেখালেখির প্রতি অনীশের ঝোক ছেলেবেলা থেকে । ছাত্রাবস্থায় তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক পত্রিকাগুলোতে চিত্তাকর্ষক ফিচার, গল্প এবং উপন্যাস অনুবাদ শুরু করেন । হরর এবং থ্রিলারের প্রতি তাঁর ঝোকটা বেশি। তবে সায়েন্স ফিকশন, ক্লাসিক এবং অ্যাডভেঞ্জার উপন্যাসও কম অনুবাদ করেননি। এ পর্যন্ত তাঁর অনুদিত গ্ৰন্থ সংখ্যা ১০০’র বেশি। অনীশ দাস অপু লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। তিনি দৈনিক যুগান্তর- এ সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে কাজ করেছেন । তবে লেখালেখিই তার মূল পেশা এবং নেশা ।
কাহিনী শ্যারন নামে একটি মেয়েকে নিয়ে যার ঘাড়ে হঠাত করে একটা উদ্ভট টিউমার গজায়, যেটি কিনা প্রতিদিন আকারে পূর্বদিনের তুলনায় দ্বিগুন হয় আকারে। আমেরিকার সবচেয়ে ভাল টিউমার বিশেষজ্ঞ যেটার দেখে কিনা কুল কিনারা করতে পারেন না কারন সাধারন টিউমারের সাথে এটির কোন মিলই নেই শুধু মাত্র আকার ছাড়া। সবচেয়ে মজার বা ভয়ের ব্যাপার টিউমারটির এক্সরে করে দেখা যায় এটির গঠন অনেকটা মানুষের ভ্রুনের মতন, যা প্রতিনিয়ত আকার পাচ্ছে।
দৃশ্যে আবির্ভাব ঘটে বাংলাদেশী যুবক অলিক এর যে কিনা হাত দেখে ভবিষ্যত বানী করে পেট চালায় আমেরিকাতে। প্রকৃতপক্ষে সেইই গল্পের নায়ক। আস্তে আস্তে সে রহস্যের কিনারা করতে থাকে তরুনীর ঘাড়ের টিউমারের। .........।।
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ হরর কাহিনী অনুযায়ী শুরুর দিকের প্লট অনেক শক্ত ছিল। কিন্তু ৪/৫ অনুচ্ছেদ যাওয়ার পর যেন লেখক হাল ছেড়ে দিয়েছেন। ব্যাপারটা এমন যেন আপনি অনেক আরামে কাজ করছেন হঠাত আপনাকে ফোন দিয়ে প্রকাশক বলল কালকের মাঝেই গল্প রেডি করে দিতে হবে। কোন লেখাকেই আমি ১ দিই না কারন এটা একটা লেখকের কাছে নিজের সন্তানের মতন। এটিই আমার সর্বনিম্ন রেটিং। :/
কম্পিউটারের আত্মার কনসেপ্ট এর জন্য নোবেল দেওয়া দরকার। সাথে কম্পিউটারের আত্মা আবার খ্রিস্টান। 🤦♂️ প্রথম থেকেই ভালোই উপভোগ করেছিলাম লাস্টের ২০ পেজ সব নষ্ট করে দিলো।
The last few pages felt a bit rushed, but the overall book and its concept were excellent. And honestly, the writing is still legendary , because the writer himself is one of Sheba Prokashoni’s iconic writers.