What do you think?


হিমু #14
হলুদ হিমু কালো র্যাব
হিমু হচ্ছে বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় ও কাল্পনিক চরিত্র।[১][২] হিমু মূলত একজন বেকার যুবক যার আচরণ কিছুটা অস্বাভাবিক। চাকরির সুযোগ থাকলেও সে চাকরি কখনো করে না বলেই সে বেকার। তার আস্বাভাবিক চরিত্রের মধ্যে সে হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে খালি পায়ে রাস্তাঘাটে দিন রাত ঘুরে বেড়ায় এবং মাঝে মাঝে ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারে।[৩]
নব্বইশের দশকে হিমুর প্রথম উপন্যাস ময়ূরাক্ষী প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু ও মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দুইটি কাল্পনিক চরিত্র।
নব্বইশের দশকে হিমুর প্রথম উপন্যাস ময়ূরাক্ষী প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু ও মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দুইটি কাল্পনিক চরিত্র।
45 pages, Kindle Edition
First published February 1, 2006
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,089 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 97 reviews
January 21, 2019
হিমু সিরিজ আমার খুব একটা ভালো লাগে না। তবে এই বইটি অসাধারণ। যখন মন খারাপ হবে তখন এই বইটি আবার পড়বো। স্যার মানুষ ক্যান্সার সেল না। প্রকৃতি মানুষকে কতই না যত্ন করে তৈরী করে.... এত যত্নে তৈরী জিনিস বিনা বিচারে মারা যাবে স্যার এটা কি ঠিক?" রন্টি- সাহিত্য হলো ক্রমাগত পরিবর্তিত একটা জিনিস। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সাহিত্য বদলাবে - এটাই স্বাভাবিক।
হিমু একটা চরিত্র। তাকেও বদলাতে হবে। হিমুরা মোবাইল ইউজ করে না- হিমুকে প্রযুক্তিসম্পন্ন করে দেখানো হচ্ছে। দোষের কিছু নেই। হিমু কাজ করে এন্টি-লজিক নিয়ে। এন্টি লজিক হলো লজিকের বিপরীত। হিমুর জগৎ আধ্যাত্মিক। হিমু মানুষের ভবিষ্যৎ বলতে পারে, মহাপুরুষদের মতো বিভ্রান্ত করতে পারে- এটাই হিমুর সুপার পাওয়ার !
হিমু একটা চরিত্র। তাকেও বদলাতে হবে। হিমুরা মোবাইল ইউজ করে না- হিমুকে প্রযুক্তিসম্পন্ন করে দেখানো হচ্ছে। দোষের কিছু নেই। হিমু কাজ করে এন্টি-লজিক নিয়ে। এন্টি লজিক হলো লজিকের বিপরীত। হিমুর জগৎ আধ্যাত্মিক। হিমু মানুষের ভবিষ্যৎ বলতে পারে, মহাপুরুষদের মতো বিভ্রান্ত করতে পারে- এটাই হিমুর সুপার পাওয়ার !
March 17, 2025
হিমুর গল্পগুলো সাধারণত যে রকম হয় সে রকমই (গল্পহীন!)। তারপরও আসলে পড়তে খারাপ লাগে না। এই বইতে হিমুকে র্যাব এসে বারংবার তুলে নেয় আর ছেড়ে দেয়। বরাবরের মতোই এই বইয়েও একটি নারী চরিত্রের অবতারণা করা হয়েছে যে কিনা হিমুর প্রেমে শেষে হাবুডুবু খায়। কিন্তু হিমু কি আর এসবে ডুবে মরার পাত্র! বইয়ের শেষে সে যাবে কোনো রিকশাওয়ালা কিংবা দারোয়ান কিংবা বস্তিনিবাসী অথবা দরবেশ বাবার দুয়ারে, কবজি ডুবিয়ে খানা খাবে সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে। সত্যি বলতে খারাপ লাগেনি যদিও তেমন এস্টাব্লিশড কাহিনী নেই। উপভোগ করেছি।
১৭ মার্চ, ২০২৫
১৭ মার্চ, ২০২৫
November 8, 2025
হিমু!! এমন এক রহস্যমানব, যাকে নিয়ে হুট করে এক বাক্যে কিছু বলা কঠিন। যার কাজকর্ম প্রেডিক্ট করা আরো কঠিন। হিমু সিরিজ পড়লে আপনার ঠোঁটে কোথা থেকে যে হাসি এসে জায়গা করে নেবে তা আপনি নিজেও টের পাবেন না। চমৎকার এক চরিত্র!
আজ শেষ করলাম হিমু সিরিজের চৌদ্দ নাম্বার বই 'হলুদ হিমু কালো র্যাব'। এই বইয়ে হিমু পড়ে র্যাবের খপ্পরে। কথায় আছে, পুলিশে ছুঁলে আঠারো ঘাঁ! আর র্যাবে ছুঁলে? ছত্রিশ ঘাঁ হবার সম্ভাবনা আছে। তার চাইতে বেশি পড়লেও অবাক হবার কিছু নাই। র্যাব মানেই তো আতঙ্ক! কালো ড্রেসটায় ভয় ভয় অনুভূতি জাগায়৷ কিন্তু বুঝতে হবে। চরিত্রটা যে হিমু! র্যাব পর্যন্ত তার কাছে খাবি খায়। ওদিকে, হিমুর খালু মজেছে ফ্লাওয়ার নামের এক মেয়ের প্রেমে। আবার, হিমুর খালা হিমুর জন্য পাত্রী ঠিক করে ফেলেছেন। যেনোতেনো পাত্রী নয়। এক চাইনীজ ফুট ম্যাসাজার। নাম তার হু সি!
এই সবকিছু মিলিয়ে, এক চরম হাস্যকর বই হচ্ছে 'হলুদ হিমু কালো র্যাব'।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা হচ্ছে আমার কম্ফোর্ট জোন। গোগ্রাসে গিলতে পারি। আর হিমু! কার না পছন্দের! মন খারাপ থাকলেই এই সিরিজ নিয়ে বসে পড়া যায়। এমনি এমনিই মন ভালো হয়ে যাবে।
সবমিলিয়ে, হিমুর পাগলামিতে ঠাঁসা আরো একখানা বই। যাতে হাসির উপাদান যথেষ্ট। অবশ্যই পড়বেন। এই বইয়ের এক জায়গায় দেখবেন ৯ জানুয়ারিতে হিমুকে দেখা করতে বলে হু সি! তারিখটা নাকি স্পেশাল। অবাক করা বিষয় হচ্ছে, আমার জন্মদিন ৯ জানুয়ারি। মজা পেয়েছি। হাহা! শুভরাত্রি!
আজ শেষ করলাম হিমু সিরিজের চৌদ্দ নাম্বার বই 'হলুদ হিমু কালো র্যাব'। এই বইয়ে হিমু পড়ে র্যাবের খপ্পরে। কথায় আছে, পুলিশে ছুঁলে আঠারো ঘাঁ! আর র্যাবে ছুঁলে? ছত্রিশ ঘাঁ হবার সম্ভাবনা আছে। তার চাইতে বেশি পড়লেও অবাক হবার কিছু নাই। র্যাব মানেই তো আতঙ্ক! কালো ড্রেসটায় ভয় ভয় অনুভূতি জাগায়৷ কিন্তু বুঝতে হবে। চরিত্রটা যে হিমু! র্যাব পর্যন্ত তার কাছে খাবি খায়। ওদিকে, হিমুর খালু মজেছে ফ্লাওয়ার নামের এক মেয়ের প্রেমে। আবার, হিমুর খালা হিমুর জন্য পাত্রী ঠিক করে ফেলেছেন। যেনোতেনো পাত্রী নয়। এক চাইনীজ ফুট ম্যাসাজার। নাম তার হু সি!
এই সবকিছু মিলিয়ে, এক চরম হাস্যকর বই হচ্ছে 'হলুদ হিমু কালো র্যাব'।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা হচ্ছে আমার কম্ফোর্ট জোন। গোগ্রাসে গিলতে পারি। আর হিমু! কার না পছন্দের! মন খারাপ থাকলেই এই সিরিজ নিয়ে বসে পড়া যায়। এমনি এমনিই মন ভালো হয়ে যাবে।
সবমিলিয়ে, হিমুর পাগলামিতে ঠাঁসা আরো একখানা বই। যাতে হাসির উপাদান যথেষ্ট। অবশ্যই পড়বেন। এই বইয়ের এক জায়গায় দেখবেন ৯ জানুয়ারিতে হিমুকে দেখা করতে বলে হু সি! তারিখটা নাকি স্পেশাল। অবাক করা বিষয় হচ্ছে, আমার জন্মদিন ৯ জানুয়ারি। মজা পেয়েছি। হাহা! শুভরাত্রি!
Read
June 2, 2022সহজ দুষ্টুমির ছদ্মবেশ পরিয়ে বলা সরকারি হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কথাগুলো, অমন স্পর্শকাতর সময়ে, বই ও লেখক দুজনকেই হয়ত বড় ধরনের বিপদে ফেলত যদি মানুষটা হুমায়ূন আহমেদ না হতেন। বইয়ের পুরোটা জুড়ে পতাকা ওড়াচ্ছিলেন স্বয়ং চেঙ্গিস খান। এখানেও যে এক আশ্চর্য অধ্যাস খেলালেন হুমায়ূন কজন টের পেয়েছে? পেলেও রা করেনি কারণ ‘পাগলাটা’ যে সবার চোখের মণি!
হুমায়ূন আহমেদ অসীমতক বিস্তৃত করতে পেরেছিলেন তাঁর সাধ্যের পরিধি। এ শুধু মন জুগিয়ে হয় না। মন অনেকেই জুুগিয়েছে।
ওই চৈনিক মেয়েটির কী প্রেমেই না পড়ে গিয়েছিলাম। আর ভাসিলি ইয়ানের চেঙ্গিস খান বইটাও তার পরপরই জোগাড় করি।
হুমায়ূন আহমেদ অসীমতক বিস্তৃত করতে পেরেছিলেন তাঁর সাধ্যের পরিধি। এ শুধু মন জুগিয়ে হয় না। মন অনেকেই জুুগিয়েছে।
ওই চৈনিক মেয়েটির কী প্রেমেই না পড়ে গিয়েছিলাম। আর ভাসিলি ইয়ানের চেঙ্গিস খান বইটাও তার পরপরই জোগাড় করি।
September 19, 2022
৩.২৫/৫
ফিনিশিংটার জন্য ০.২৫ বোনাস।
ফিনিশিংটার জন্য ০.২৫ বোনাস।
March 3, 2014
নতুন করে হুমায়ূন আহমেদের সব বই পড়ছি। রিডার্স ব্লক কাটানোর জন্য এর থকে মোক্ষম উপায় আমার জানা নেই। আরেকটা জিনিস ভাল হচ্ছে তখন যখন বই পড়ছিলাম সেই অভিজ্ঞতা থেকে এই অভিজ্ঞতা অন্যরকম। নতুন করে উপভোগ করছি।
হলুদ হিমু কালো র্যাব পড়ে তখন আমার বেশি ভালো লাগেনি, কিন্তু এখন আবার যখন পড়লাম, আরেকবার চিন্তার খোরাক যোগালো। তাই জন্য রেটিং ও চেঞ্জ আসছে। বইয়ের সবচেয়ে ভালো লাগার জায়গাটা শেয়ার করি। একদম শেষের দিকে হিমুর কাছে র্যাবের একজন কর্মকর্তা জানতে চান কেন হিমু র্যাবদের অপছন্দ করে। সন্ত্রাসীরা সমাজে ক্যান্সারের মত। ক্যান্সার কে উপড়ে ফেলা ই কি শ্রেয় নয়? হিমু তার উত্তরে বলে- মানুষ কখনো ক্যান্সার হতে পারেনা। মানুষ মানুষই। তাকে সরিয়ে ফেলার দায়িত্ব অন্য মানুষকে দেয়া হয়নি। অনেকেই হয়তো এই জায়গার সাথে একমত হবেননা কিন্তু লেখকের মানবিকতাকেই মুখ্য করে দেখার যে দৃষ্টিভঙ্গি তাই আমার ভালো লাগলো।
হলুদ হিমু কালো র্যাব পড়ে তখন আমার বেশি ভালো লাগেনি, কিন্তু এখন আবার যখন পড়লাম, আরেকবার চিন্তার খোরাক যোগালো। তাই জন্য রেটিং ও চেঞ্জ আসছে। বইয়ের সবচেয়ে ভালো লাগার জায়গাটা শেয়ার করি। একদম শেষের দিকে হিমুর কাছে র্যাবের একজন কর্মকর্তা জানতে চান কেন হিমু র্যাবদের অপছন্দ করে। সন্ত্রাসীরা সমাজে ক্যান্সারের মত। ক্যান্সার কে উপড়ে ফেলা ই কি শ্রেয় নয়? হিমু তার উত্তরে বলে- মানুষ কখনো ক্যান্সার হতে পারেনা। মানুষ মানুষই। তাকে সরিয়ে ফেলার দায়িত্ব অন্য মানুষকে দেয়া হয়নি। অনেকেই হয়তো এই জায়গার সাথে একমত হবেননা কিন্তু লেখকের মানবিকতাকেই মুখ্য করে দেখার যে দৃষ্টিভঙ্গি তাই আমার ভালো লাগলো।
February 14, 2013
it's Himu okayyy!! any book with Himu in it is amazing. <3
March 19, 2023
চাইনিজরা সাপ-ব্যাঙ খায় এই ব্যাপারটা বারবার টেনে এনে লেখক হাস্যরস তৈরির চেষ্টা করেছেন। হাসি না পেয়ে বরং চৈনিক তরুণী হু-সি'র রান্না খেতে খুঁতখুঁতে খাদ্যসচেতন হিমু ভাইজানের কষ্টটাই আমার নজরে পড়েছে।
এর চাইতে হিমুকে চড় মারতে গিয়ে এক র্যাব কর্মকর্তার হুমড়ি খেয়ে পড়ে গিয়ে কোমায় চলে গিয়ে একেবারে সিঙ্গাপুরের হসপিটালে ভর্তি হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা বেশি হাস্যকর ছিলো।
তবে এই উপন্যাসে হিমুর মাধ্যমে লেখক 'ক্রসফায়ার' বিষয়টার প্রতি ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই দিক থেকে দেখলে হয়তো তিনি সফল।
এর চাইতে হিমুকে চড় মারতে গিয়ে এক র্যাব কর্মকর্তার হুমড়ি খেয়ে পড়ে গিয়ে কোমায় চলে গিয়ে একেবারে সিঙ্গাপুরের হসপিটালে ভর্তি হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা বেশি হাস্যকর ছিলো।
তবে এই উপন্যাসে হিমুর মাধ্যমে লেখক 'ক্রসফায়ার' বিষয়টার প্রতি ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই দিক থেকে দেখলে হয়তো তিনি সফল।
November 19, 2022
হাসার মত গল্প কিন্তু হাসতে পারিনাই, অতটা ভালো লাগেনাই।
তবে শেষের কিছু অংশের জন্য তিন স্টার দেয়া যায়।
তবে শেষের কিছু অংশের জন্য তিন স্টার দেয়া যায়।
November 11, 2025
হুমায়ুনের মতো র্যাব এবলিশমেন্ট এক্টিভিস্ট বাংলায় খুব বেশি আসে নাই।তাও আবার ২০০৬ সালে।তখনও বিএনপি-জামাত জোট সরকার চলছে।সে সময়ে বসে বিএনপি ফাউন্ডেড র্যাবের বিরুদ্ধে এমন লিখা প্রকাশ করছে প্রজন্মের সবচেয়ে আলোচিত লেখক।একবার ভাবুন তো!
July 18, 2021
QOTD: What are you currently reading?
এখন আপনি কোন বই পড়ছেন?
বইঃ হলুদ হিমু কালো র্যাব
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
ধরণঃ সমকালীন উপন্যাস
পৃষ্ঠাঃ ৯৫
প্রকাশিতঃ ২০০৬
রেটিংঃ ৫🌟/৫🌟
🟡কাহিনী সংক্ষেপঃ
হিমু সন্ধ্যাবেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চা-কফি বিক্রি করে রাত ১১ টার দিকে মেসে ফিরছিল | ফেরার সময় র্যাব হিমুকে সন্দেহ করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরে নিয়ে যায় | হিমুকে একটি চেয়ারে বসিয়ে ৩ জন র্যাব হিমুর খালা ও বিভিন্ন জায়গার পুলিশের কাছে ফোন দিয়ে হিমুর ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য জানার চেষ্টা করে কিন্তু তারা তেমন কিছুই জানতে পারে না | হিমু ৩টি র্যাবের জন্য ৩ টি নাম ঠিক করে-ঘাম বাবু, হাম বাবু ও মধ্যমণি | তারপর টেলিফোন পর্ব শেষ হলে তারা হিমুর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে কিন্তু হিমুর অদ্ভুত সব কথাবার্তা শুনে ঘাম বাবুর ধৈর্য্যচ্যুতি হয় এবং হিমুকে চড় দিতে আসে কিন্তু সে হঠাৎ করেই স্ট্রোক করেন |
তারপর অনেকক্ষণ পর হিমু ছাড়া পায় এবং র্যাব হিমুকে সবসময় ফলো করা শুরু করে |
আবার অন্যদিকে হিমুর খালু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে 'ফ্লাওয়ার' নামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে | হিমুর খালা তাই হিমুকে তার স্বামী ও ফ্লাওয়ারের বিভিন্ন ছবি তুলে আনতে বলে |
হিমুর খালা ধানমণ্ডির এক পার্লারের হংকং থেকে আসা হু-সি নামক এক মেয়েকে বাসায় আনিয়ে ফুট ম্যাসাজ করায় | মেয়েটা হিমুর খালার সামনে এমন অভিনয় করে যেন সে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারে না কিন্তু হিমুর সাথে যখন সে কথা বলে তখন সে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলে | হিমুর খালা হু-সির সাথে হিমুর বিয়ে ঠিক করে ও হিমু ও হু-সি দুজোনেই এই বিয়েতে রাজি হয় এবং বিয়ের কার্ড ও ছাপানো হয়ে যায় |
হিমুর সাথে কী হু-সির বিয়ে হবে? হু-সি কেন হিমুর খালার সাথে এমন অভিনয় করে ? হিমু কী হু-সি কে ভালোবাসে? জানতে চাইলে পড়ে ফেলুন হুমায়ূন আহমেদের এই মজার উপন্যাসটি |
🟡পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
🔲বইটিতে হুমায়ূন আহমেদ র্যাবের বিভিন্ন কাজ , বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা এবং অপরাধীর জীবনের বর্ণনা করেছেন |
🔲উপন্যাসটি খুবই ছোট এবং খুবই মজার | আশা করি , পাঠকদের বইটি পড়ে ভালো লাগবে |
এখন আপনি কোন বই পড়ছেন?
বইঃ হলুদ হিমু কালো র্যাব
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
ধরণঃ সমকালীন উপন্যাস
পৃষ্ঠাঃ ৯৫
প্রকাশিতঃ ২০০৬
রেটিংঃ ৫🌟/৫🌟
🟡কাহিনী সংক্ষেপঃ
হিমু সন্ধ্যাবেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চা-কফি বিক্রি করে রাত ১১ টার দিকে মেসে ফিরছিল | ফেরার সময় র্যাব হিমুকে সন্দেহ করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরে নিয়ে যায় | হিমুকে একটি চেয়ারে বসিয়ে ৩ জন র্যাব হিমুর খালা ও বিভিন্ন জায়গার পুলিশের কাছে ফোন দিয়ে হিমুর ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য জানার চেষ্টা করে কিন্তু তারা তেমন কিছুই জানতে পারে না | হিমু ৩টি র্যাবের জন্য ৩ টি নাম ঠিক করে-ঘাম বাবু, হাম বাবু ও মধ্যমণি | তারপর টেলিফোন পর্ব শেষ হলে তারা হিমুর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে কিন্তু হিমুর অদ্ভুত সব কথাবার্তা শুনে ঘাম বাবুর ধৈর্য্যচ্যুতি হয় এবং হিমুকে চড় দিতে আসে কিন্তু সে হঠাৎ করেই স্ট্রোক করেন |
তারপর অনেকক্ষণ পর হিমু ছাড়া পায় এবং র্যাব হিমুকে সবসময় ফলো করা শুরু করে |
আবার অন্যদিকে হিমুর খালু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে 'ফ্লাওয়ার' নামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে | হিমুর খালা তাই হিমুকে তার স্বামী ও ফ্লাওয়ারের বিভিন্ন ছবি তুলে আনতে বলে |
হিমুর খালা ধানমণ্ডির এক পার্লারের হংকং থেকে আসা হু-সি নামক এক মেয়েকে বাসায় আনিয়ে ফুট ম্যাসাজ করায় | মেয়েটা হিমুর খালার সামনে এমন অভিনয় করে যেন সে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারে না কিন্তু হিমুর সাথে যখন সে কথা বলে তখন সে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলে | হিমুর খালা হু-সির সাথে হিমুর বিয়ে ঠিক করে ও হিমু ও হু-সি দুজোনেই এই বিয়েতে রাজি হয় এবং বিয়ের কার্ড ও ছাপানো হয়ে যায় |
হিমুর সাথে কী হু-সির বিয়ে হবে? হু-সি কেন হিমুর খালার সাথে এমন অভিনয় করে ? হিমু কী হু-সি কে ভালোবাসে? জানতে চাইলে পড়ে ফেলুন হুমায়ূন আহমেদের এই মজার উপন্যাসটি |
🟡পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
🔲বইটিতে হুমায়ূন আহমেদ র্যাবের বিভিন্ন কাজ , বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা এবং অপরাধীর জীবনের বর্ণনা করেছেন |
🔲উপন্যাসটি খুবই ছোট এবং খুবই মজার | আশা করি , পাঠকদের বইটি পড়ে ভালো লাগবে |
October 2, 2020
হিমুকে র্যাব ধরে নিয়ে যায়। সেখানে হিমুর দেখা হয় খুনী মুরগী সাদেক এর সাথে। মুরগী সাদেককে ক্রসফায়ার করে মারা হয়। মারা যাওয়ার আগে তার শেষ ইচ্ছা ছিলো, ডিম ভর্তা দিয়ে ভাত। সেটা হিমুর ইচ্ছায় তাকে দেয়া হয়। হিমুর পিছনে লোক লাগিয়ে রাখা হয়। সেই লোককে হিমু ম্যাসে এনে ভাত খাওয়ায় এবং খাওয়ার পরে সেই লোক ঘুম দেয়। হিমুকে মাজেদা খালা বিয়ে দিতে চায়। হংকং এর একটা মেয়ে এসে মাজেদা খালার পা ম্যাসাজ করে। সেই মেয় এর সাথে বিয়ে দিতে চায়। বিয়ের সকল কাজ শেষ করার পর র্যাব থেকে হিমু জানতে পারে সেই মেয়ে ড্রাগ সাপ্লাই করে।
July 2, 2019
( হিমুর বইয়ের রিভিউ লিখার মতো দক্ষ আমি না)
চিরাচরিত হিমুর বই মানেই হঠাৎ করে শুরু হঠাৎ করেই শেষ, এর মাঝের পথটুকু পড়ে আরাম। এবং হঠাৎ করেও শেষ হলেও কোন কিছু নিয়ে একটা আফসোস বা কিছু একটা জানার ইচ্ছা হুমায়ূন আহমেদ রাখেইইই । এই বইতে যেমন জানতে ইচ্ছা করছিল হু সি চায়নিজ ভাষায় কি বলেছিল হিমুকে...(এটা স্পয়লার না মনে হয় 🙄🤔)... জানার ইচ্ছাটা যদিও তেমন বেশি ছিল না যেমন সাধারণত হিমুর অন্য বইগুলোতে থাকে। 🙂
চিরাচরিত হিমুর বই মানেই হঠাৎ করে শুরু হঠাৎ করেই শেষ, এর মাঝের পথটুকু পড়ে আরাম। এবং হঠাৎ করেও শেষ হলেও কোন কিছু নিয়ে একটা আফসোস বা কিছু একটা জানার ইচ্ছা হুমায়ূন আহমেদ রাখেইইই । এই বইতে যেমন জানতে ইচ্ছা করছিল হু সি চায়নিজ ভাষায় কি বলেছিল হিমুকে...(এটা স্পয়লার না মনে হয় 🙄🤔)... জানার ইচ্ছাটা যদিও তেমন বেশি ছিল না যেমন সাধারণত হিমুর অন্য বইগুলোতে থাকে। 🙂
February 23, 2015
হিমু সিরিস এর সবচেয়ে মজাদার গল্প :: এই গল্পের মাধ্যমেই আমার হিমু চরিত্রে প্রবেশ ঘটে :: এবং এটাই মনে হয় আমার পড়া হুমায়ুন আহমমেদ স্যার এর প্রথম বই ::
January 1, 2021
আমি বলব এটা হিমু সিরিজের বেস্ট বই। হিমু চরিত্রটা খামখেয়ালির ভেতর দিয়ে সামাজিক রাজনৈতিক সমস্যা গুলো তুলে ধরে। এই বইটা তার সেরা উদাহরণ!
September 4, 2021
হিমুর বড়খালা হিমুর সঙ্গে এক চাইনিজ ফুট ম্যাসাজার হু সি এর বিয়ে দিতে চান। অন্যদিকে তার খালু আবার ফ্লাওয়ার নামে এক মেয়ের প্রেমে মাতোয়ারা। এদিকে শুধুমাত্র সন্দেহের বশে বিনা কারণে হিমুকে র্যাব আটক করে হেড কোয়ার্টারে নিয়ে যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। সব মিলিয়ে এক উথাল পাথাল ঘটনা বহুল বই। পড়ে হাসির সুযোগ ছিল প্রচুর তাই হেসেছিও প্রচুর।
September 5, 2026
আমার মন খারাপ থাকলেই হিমু পড়ি, আজকে ও তাই। হিমু প্রায়ই সব কয়টি বই পড়া শেষ। তাই বুক শেলফে এই বইটি চোখে পড়ল, তারপর কি এক বসায় পড়ে ফেললাম।
এই বইতে হিমুর কর্মকাণ্ড তার খালা-খালু, র্যাব এবং হ'সিকে নিয়ে যা হয়েছে বেশ ভালো লেগেছে । অবশেষে একটু হলেও মনটা বিষন্নতা কমেছে।
এই বইতে হিমুর কর্মকাণ্ড তার খালা-খালু, র্যাব এবং হ'সিকে নিয়ে যা হয়েছে বেশ ভালো লেগেছে । অবশেষে একটু হলেও মনটা বিষন্নতা কমেছে।
May 3, 2020
হিমু সমগ্রের প্রথম পড়া বই এটি। পড়ার পড়ি হিমুকে নিয়ে কল্পনা করা শুরু হয়ে গেছে। আশা করবো হিমুর বাকি খণ্ডগুলোও পড়ে ভালো লাগবে।
January 7, 2021
হিমু পড়লে বিরক্তি লাগে,এই বইটা বিরক্ত করে নি।
August 15, 2024
২০০৬ সালে যখন বইটি প্রকাশিত হয় তখন পড়ি। এটাই ছিলো আমার হিমু সিরিজের প্রথম পড়া বই। কিশোর কালে মোহগ্রস্থ হয়েছিলাম বইটা পড়ে। ১৮ বছর পর আবার পড়লাম বইটা।
February 18, 2026
অনেকদিন পর হিমু সিরিজের কোনো বই পড়ে মজা পেলাম ।
November 14, 2021
A good read. Himu continues to confuse people. The conversation are witty, with the simpler truth yet beyond perceptions of normal people.
Himu gets caught by RAB. He faces interrogation in rab office where he remains calm and in his usual demeanour. He leaves the interrogation after one officer gets fainted.
Himu also meets a coffee seller boy, whose father was familiar to himu from before. He considers himu as a saint. Himu gets a mission from Mazeda khala. She asks Himu to spy against his khalu who goes to Suhrawardi uddayan and gets close to a girl. Later he gets attacked by the girls’ men and starts supporting cross firing by rabs.
Himu also gets call by rab officers. The ‘hambabu’, who got fainted , is in Singapore and the rab members ask himu to go there. But Himu by his usual intuition, says that he got better and jumbles the rab members. Later, Shuvro, Hambabu’s son , pays a visit to Himu and with him he goes to Coffee seller boy’s house where they eat a feast.
Mazeda khala also arranges marriage for Himu with a Chinese girl,Hu see. But later she gets caught by rab. She says something in chinese to himu while in jail, but Himu fails to understand that. The story ends with she crying in jail, with the tears sparkling in sunlight. Himu wonders about the various facets of beauty the nature arranged.
Himu gets caught by RAB. He faces interrogation in rab office where he remains calm and in his usual demeanour. He leaves the interrogation after one officer gets fainted.
Himu also meets a coffee seller boy, whose father was familiar to himu from before. He considers himu as a saint. Himu gets a mission from Mazeda khala. She asks Himu to spy against his khalu who goes to Suhrawardi uddayan and gets close to a girl. Later he gets attacked by the girls’ men and starts supporting cross firing by rabs.
Himu also gets call by rab officers. The ‘hambabu’, who got fainted , is in Singapore and the rab members ask himu to go there. But Himu by his usual intuition, says that he got better and jumbles the rab members. Later, Shuvro, Hambabu’s son , pays a visit to Himu and with him he goes to Coffee seller boy’s house where they eat a feast.
Mazeda khala also arranges marriage for Himu with a Chinese girl,Hu see. But later she gets caught by rab. She says something in chinese to himu while in jail, but Himu fails to understand that. The story ends with she crying in jail, with the tears sparkling in sunlight. Himu wonders about the various facets of beauty the nature arranged.
This entire review has been hidden because of spoilers.
March 13, 2021
হিমু চরিত্রের আসল নাম হিমালয়। এ নামটি রেখেছিলেন তার বাবা। লেখক হিমুর বাবাকে বর্ণনা করেছেন একজন বিকারগ্রস্ত মানুষ হিসেবে; যার বিশ্বাস ছিল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যদি প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা যায় তবে একইভাবে মহাপুরুষও তৈরি করা সম্ভব। তিনি মহাপুরুষ তৈরির জন্য একটি বিদ্যালয় তৈরি করেছিলেন যার একমাত্র ছাত্র ছিল তার সন্তান হিমু।
হিমুর পোশাক হল পকেটবিহীন হলুদ পাঞ্জাবী। হলুদ বৈরাগের রঙ বলেই পোশাকের রং হলুদ নির্বাচিত করা হয়েছিল। ঢাকা শহরের পথে-পথে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো তার কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম। উপন্যাসে প্রায়ই তার মধ্যে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রকাশ দেখা যায়। যদিও হিমু নিজে তার কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা স্বীকার করে না।
হিমুর আচার-আচরণ বিভ্রান্তিকর। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার প্রতিক্রিয়া অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে, এবং এই বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হিমুর অত্যন্ত প্রিয় একটি কাজ। প্রেম ভালবাসা উপেক্ষা করা হিমুর ধর্মের মধ্যে পড়ে। কোন উপন্যাসেই কোন মায়া তাকে কাবু করতে পারে নি। মায়াজালে আটকা পড়তে গেলেই সে উধাও হয়ে যায়। হিমু উপন্যাসে সাধারণত হিমুর কিছু ভক্তশ্রেণীর মানুষ থাকে যারা হিমুকে মহাপুরুষ মনে করে। এদের মধ্যে হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল অন্যতম। মেস ম্যানেজার বা হোটেল মালিক- এরকম আরও কিছু ভক্ত চরিত্র প্রায় সব উপন্যাসেই দেখা যায়।
এছাড়াও কিছু বইয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী ও খুনি ব্যক্তিদের সাথেও তার সু-সম্পর্ক ঘটতে দেখা যায়। হিমুর একজন বান্ধবী রয়েছে, যার নাম রূপা; যাকে ঘিরে হিমুর প্রায় উপন্যাসে রহস্য আবর্তিত হয়। নিরপরাধী হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহভাজন হওয়ায় হিমু অনেকবার হাজতবাস করেছে এবং বিভিন্ন থানার ওসি ও সেকেন্ড অফিসারের সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে।
হিমু বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় ও কাল্পনিক। নব্বই দশকে হিমুর প্রথম উপন্যাস ময়ূরাক্ষী প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু ও মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দু’টি কাল্পনিক চরিত্র। উদাসীন হিমু একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাঙালি তরুণদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
হিমুর পোশাক হল পকেটবিহীন হলুদ পাঞ্জাবী। হলুদ বৈরাগের রঙ বলেই পোশাকের রং হলুদ নির্বাচিত করা হয়েছিল। ঢাকা শহরের পথে-পথে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো তার কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম। উপন্যাসে প্রায়ই তার মধ্যে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রকাশ দেখা যায়। যদিও হিমু নিজে তার কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা স্বীকার করে না।
হিমুর আচার-আচরণ বিভ্রান্তিকর। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার প্রতিক্রিয়া অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে, এবং এই বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হিমুর অত্যন্ত প্রিয় একটি কাজ। প্রেম ভালবাসা উপেক্ষা করা হিমুর ধর্মের মধ্যে পড়ে। কোন উপন্যাসেই কোন মায়া তাকে কাবু করতে পারে নি। মায়াজালে আটকা পড়তে গেলেই সে উধাও হয়ে যায়। হিমু উপন্যাসে সাধারণত হিমুর কিছু ভক্তশ্রেণীর মানুষ থাকে যারা হিমুকে মহাপুরুষ মনে করে। এদের মধ্যে হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল অন্যতম। মেস ম্যানেজার বা হোটেল মালিক- এরকম আরও কিছু ভক্ত চরিত্র প্রায় সব উপন্যাসেই দেখা যায়।
এছাড়াও কিছু বইয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী ও খুনি ব্যক্তিদের সাথেও তার সু-সম্পর্ক ঘটতে দেখা যায়। হিমুর একজন বান্ধবী রয়েছে, যার নাম রূপা; যাকে ঘিরে হিমুর প্রায় উপন্যাসে রহস্য আবর্তিত হয়। নিরপরাধী হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহভাজন হওয়ায় হিমু অনেকবার হাজতবাস করেছে এবং বিভিন্ন থানার ওসি ও সেকেন্ড অফিসারের সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে।
হিমু বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় ও কাল্পনিক। নব্বই দশকে হিমুর প্রথম উপন্যাস ময়ূরাক্ষী প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু ও মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দু’টি কাল্পনিক চরিত্র। উদাসীন হিমু একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাঙালি তরুণদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
December 4, 2022
প্রিয় উক্তি: "মানুষের কষ্ট দেখাও কষ্টের কাজ। আবার মানুষের আনন্দ দেখাও খুব সহজ কাজ না।"
রেটিং: ⭐⭐⭐⭐☆ (৪/৫)
এক নজরে কাহিনী:
হিমু মানেই যুক্তিহীনতার এক অদ্ভুত জগত। কিন্তু এই বইটিতে হিমু মুখোমুখি হয় বর্তমান সময়ের এক কঠিন বাস্তবতার—র্যাব (RAB)। গল্পের শুরু হয় যখন হিমুকে র্যাব তুলে নিয়ে যায়। সাধারণত হিমুর সাথে পুলিশ বা প্রশাসনের যে ধরণের 'টম অ্যান্ড জেরি' খেলা চলে, এখানে বিষয়টি কিছুটা গম্ভীর। র্যাবের মেজাজ এবং হিমুর আধ্যাত্মিক বা ছন্নছাড়া ভাবমূর্তির এক দারুণ সংঘাত ফুটে উঠেছে এই বইটিতে।
আমার অনুভূতি:
হুমায়ূন আহমেদ তার চিরচেনা শৈলীতে সমসাময়িক একটি বাহিনীকে হিমুর গল্পের কাঠামোতে নিয়ে এসেছেন। বইটির কিছু বিশেষ দিক:
হিমুর চিরাচরিত রূপ: হলুদ পাঞ্জাবি, পকেটহীন পোশাক আর খালি পায়ে হাঁটা হিমু এখানেও তার রহস্যময়তা বজায় রেখেছে। তার অদ্ভুত সব যুক্তি (বা কুযুক্তি) বরাবরের মতোই পাঠকদের বিনোদিত করবে।
বাস্তব ও পরাবাস্তবের মিলন: র্যাব কর্মকর্তাদের সাথে হিমুর কথোপকথনগুলো বেশ উপভোগ্য। একদিকে কঠোর শৃঙ্খলা ও নিয়ম, অন্যদিকে হিমুর নিয়ম ভাঙার দর্শন—এই বৈপরীত্য লেখক দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
হাস্যরস ও হিউমার: বইটিতে বেশ কিছু জায়গায় বেশ সূক্ষ্ম হাস্যরস রয়েছে, যা আপনাকে হাসাতে বাধ্য করবে। বিশেষ করে হিমু যখন তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করে।
রেটিং: ⭐⭐⭐⭐☆ (৪/৫)
এক নজরে কাহিনী:
হিমু মানেই যুক্তিহীনতার এক অদ্ভুত জগত। কিন্তু এই বইটিতে হিমু মুখোমুখি হয় বর্তমান সময়ের এক কঠিন বাস্তবতার—র্যাব (RAB)। গল্পের শুরু হয় যখন হিমুকে র্যাব তুলে নিয়ে যায়। সাধারণত হিমুর সাথে পুলিশ বা প্রশাসনের যে ধরণের 'টম অ্যান্ড জেরি' খেলা চলে, এখানে বিষয়টি কিছুটা গম্ভীর। র্যাবের মেজাজ এবং হিমুর আধ্যাত্মিক বা ছন্নছাড়া ভাবমূর্তির এক দারুণ সংঘাত ফুটে উঠেছে এই বইটিতে।
আমার অনুভূতি:
হুমায়ূন আহমেদ তার চিরচেনা শৈলীতে সমসাময়িক একটি বাহিনীকে হিমুর গল্পের কাঠামোতে নিয়ে এসেছেন। বইটির কিছু বিশেষ দিক:
হিমুর চিরাচরিত রূপ: হলুদ পাঞ্জাবি, পকেটহীন পোশাক আর খালি পায়ে হাঁটা হিমু এখানেও তার রহস্যময়তা বজায় রেখেছে। তার অদ্ভুত সব যুক্তি (বা কুযুক্তি) বরাবরের মতোই পাঠকদের বিনোদিত করবে।
বাস্তব ও পরাবাস্তবের মিলন: র্যাব কর্মকর্তাদের সাথে হিমুর কথোপকথনগুলো বেশ উপভোগ্য। একদিকে কঠোর শৃঙ্খলা ও নিয়ম, অন্যদিকে হিমুর নিয়ম ভাঙার দর্শন—এই বৈপরীত্য লেখক দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
হাস্যরস ও হিউমার: বইটিতে বেশ কিছু জায়গায় বেশ সূক্ষ্ম হাস্যরস রয়েছে, যা আপনাকে হাসাতে বাধ্য করবে। বিশেষ করে হিমু যখন তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করে।
October 11, 2016
হিমু সিরিজের একটা উপন্যাস। এর কোন বিশেষত্ব আমার চোখে পড়ে নি। হিমু সিরিজের অন্য বইগুলোর তুলনায় বইটি অনেক নিন্ম মানের। র্যাব সেই সময়ের খুবই আলোচনার বিষয় ছিল। সেই বিষয়টাকে কাজে লাগিয়েছেন লেখক কোন রকমের দায়বদ্ধতার ধার না ধরেই ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্যে। কাহিনীটা আমার কাছে নিতান্তই ছ্যাবলামো মনে হয়েছে। হিমু সিরিজের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট স্বাভাবিক ঘটনার জন্য হিমুকে অলৈকিক ভাবে। এই উপন্যাসে সেরকমটি আছে। র্যাব সদস্য তার অসুস্থতার জন্য হিমুকে কারন মনে করে। এই ধরনের একটা আমাদের সমাজে আছে তবে লেখক এমন ভাবে উপস্থাপন করেছেন যে, এটা হিমুর বেলাই শুধু ঘটে। এই একটা মোহময়তা হিমু সিরিজের প্রধান হাতিয়ার। হিমুর অনেক কার্যকলাপই নৈতিকতা বিরোধী।
এই বইটি আমার কাছে অপসাহিত্য মনে হয়েছে। তবে হিমু সিরিজের দুএকটা বই অসাধারন। এই বইটা চাইলে আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন। তবে পড়লে এক বার মন্দ লাগবে না।
এই বইটি আমার কাছে অপসাহিত্য মনে হয়েছে। তবে হিমু সিরিজের দুএকটা বই অসাধারন। এই বইটা চাইলে আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন। তবে পড়লে এক বার মন্দ লাগবে না।
December 14, 2021
হিমু ধরা পড়েছে র্যাবের হাতে। র্যাব তাকে ধরেছে বিনা কারণে। যথারীতি র্যাবের হেড কোয়ার্টারে বসে কিছু ভবিষ্যতবাণী আর ভেলকি দেখিয়ে হিমু কাবু করে ফেললো র্যাবের বেশ ঝানু অফিসারকে। হিমু ছেড়ে দেবার পরও তারা একজন গুপ্তচর লাগিয়ে রাখলো হিমুর পেছনে।
হিমুর আরও একটি অ্যাভারেজ বই। পড়তে খারাপ লাগেনি, তবে উল্লেখ করার মতো কিছু না।
হিমুর আরও একটি অ্যাভারেজ বই। পড়তে খারাপ লাগেনি, তবে উল্লেখ করার মতো কিছু না।
October 14, 2025
আমার কাছে আসলে মনে হয় যে এই বইটা প্রত্যেকটা পুরুষকে পড়া উচিত তাহলে তাদের উপযুক্ত শিক্ষা হবে। মানে অন্য নারীর দিকে তাকানো যাবে না তোমার ঘরে যখন তোমার নারী আছে তুমি তার দিকেই তাকাবে অন্য কেউ তোমার আপন না সবচেয়ে বেশি আপনি হচ্ছে তোমার নিজের বউ।
August 4, 2013
Feel good, time pass book
October 24, 2013
onk moja paisi!
October 19, 2016
good one,but not up to expectation ...
Displaying 1 - 30 of 97 reviews





























