ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী বিজ্ঞান পড়েন এবং পড়ান, বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করেন, সংগঠন করেন, লেখালেখিও করেন। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান-চর্চার নানা কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। বুয়েট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন, এখন সেখানেই পড়ান। ক্যানাডার ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি। বাংলা একাডেমীর একজন জীবন-সদস্য। উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা: ‘অপূর্ব এই মহাবিশ্ব’ (যৌথ, ২০১১), ‘মহাকাশের কথা (২০১১)’, ‘ন্যানো(২০১০)’, ‘অংকের হেঁয়ালি ও আমার মেজোকাকুর গল্প(২০০৭)’, ‘জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান পরিচিতি(২০০০)’ এবং ‘জ্যোতির্বিজ্ঞান শব্দকোষ(১৯৯৮)’। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত পাঁচ খণ্ডের বিজ্ঞান বিশ্বকোষের তিনি অন্যতম লেখক-সংকলক ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমী থেকে বাংলা ১৪০৫-১৪০৬ সনের ‘হালিমা-শরফুদ্দিন বিজ্ঞান লেখক পুরস্কার’ পেয়েছেন।
আমার মনে হয় বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের বই লেখার ক্ষেত্রে সবচে বড় সমস্যা হচ্ছে বৈজ্ঞানিক টার্মগুলো নিয়ে। বাংলা সংস্কৃতের derivative হওয়ায়, বিদেশী শব্দের পরিভাষা করলে usually মারাত্মক বিদঘুটে হয়ে যায়। যেটা বোঝার ক্ষেত্রে বড় একটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আবার আরেকদিক দিয়ে দেখলে, international communityর সাথে বিজ্ঞানবিষয়ক আলোচনা করতে গেলে English term গুলোই ব্যবহার করতে হয়। তাই হয়ত chair কে কেদারা না লিখে চেয়ার লিখাই ভাল।
বিদঘুটে বাংলা টার্মগুলো বাদ দিলে বইটা ভালই লেগেছে।
আমাদের রবের সৃষ্টি এই আশ্চর্য বিশাল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে জানার ক্ষুদ্র চেষ্টা। যতই পড়া হয়, ততই অবাক লাগে! আল্লাহু আকবার! “আমি তাদেরকে বিশ্বজগতে ও তাদের নিজদের মধ্যে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব যাতে তাদের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, এটি (কুরআন) সত্য; তোমার রবের জন্য এটাই যথেষ্ট নয় কি যে, তিনি সকল বিষয়ে সাক্ষী?” (সূরা ফুসসিলাত - ৪১:৫৩)