“মাসকারেড হোটেল” প্রথাগত থ্রিলার উপন্যাস না। থ্রিলারের আড়ালে থাকা মানুষের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে এই বইটা। যেখানে মানুষের চরিত্র, স্বভাবকে দেখা যায় ভিন্নভাবে। মুখোশের আড়ালে থাকা প্রতিটি মানুষের সত্যিকারের রূপ আমরা চিনি না। যে রূপ সময়ে, অসময়ে বেরিয়ে আসে।
জাপানের টোকিও শহরে এর আগে তিন তিনটি খু ন হয়েছে। যার কুল কিনারা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আপাত দৃষ্টিতে তিনটি খু নকে ভিন্ন কিছু মনে হওয়া অস্বাভাবিক না। কারণ ভিকটিম তিনজনের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। তাই ভিন্ন ভিন্ন অপরাধ কর্ম হিসেবেই পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ঝামেলা বাঁধিয়েছে একটা চিরকুট। যে চিরকুটে কিছু সংখ্যা ছাপানো। আর এই সংখ্যা যেন পরবর্তী অপরাধ স্থানটির অবস্থান নির্দেশ করে।
এই যেমন প্রথম ক্রাইম স্পটে যে চিরকুট পাওয়া গিয়েছে, সেখানে দ্বিতীয় ক্রাইম স্পটের কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় স্পটে পাওয়া যায় তৃতীয় স্পটের অবস্থান। আর তৃতীয় স্পটে পাওয়া যাওয়া চিরকুটের সংখ্যা জানান দেয় আরেকটা খু ন হবে। আর সেই জায়গাটা একটি পাঁচ তারকা হোটেল। নাম, কর্তেসিয়া হোটেল।
পুলিশ যখন জানতে পারে পরবর্তী অপরাধ কর্ম কোথায় সংগঠিত হবে, তখন অবশ্যই তারা তৎপর হবে। ছদ্মবেশে হোটেলে প্রবেশ করে তারা। হোটেলের কর্মচারী হিসেবে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করে গেস্টদের সাথে। কিন্তু চাইলেই কি সবকাজ সবাইকে দিয়ে হয়? পুলিশের নজর হয় ভীষণ তীক্ষ্ম। যে কাউকে সন্দেহ করে। কঠিন চাহনিতে সামনে থাকা মানুষ ভীষণ অপ্রস্তুত হয়। ওদিকে হোটেলে যারা সার্ভিস দেয়, তাদের দৃষ্টি হতে হয় নরম। ব্যবহার মার্জিত। সবসময় হাসিমুখে কথা বলতে চেষ্টা করে। ফলে যারা পুলিশের চাকরি করে তারা খুব সহজে হোটেলের কর্মচারী হিসেবে মানিয়ে নিতে পারবে না স্বাভাবিক।
তবুও চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। কিন্তু তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই। কোনো গেস্ট একটু সন্দেহজনক হলেই একটা সূত্র মনে করে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে। বেশিরভাগ সময়ই প্রচেষ্টা বিফলে যায়। তবে একটা সূত্র পাওয়া গেছে। সেই সূত্র মোতাবেক সবাই কাজ করছে। জাল বিছিয়ে একটু একটু করে গুটিয়ে আনার সময় উপস্থিত। অপরাধী কি ধরা দেবে এ জালে? যে অপরাধীকে কেউ চিনে না, তাকে ধরবে কী করে? না-কি সত্যিই অঘটন ঘটে যাবে? কে সর্বশেষ ভিকটিম হবে আরকে অপরাধী, এই বিষয়টা নিয়েই যে দ্বিধা আছে!
আগেই বলেছি বইটা প্রথাগত থ্রিলার না। আপনারা যারা টানটান থ্রিলার পছন্দ করেন, এই বইটা ঠিক তেমন অনুভূতি দিবে না। থ্রিলের পরিমাণ কম হলেও রহস্য বেশ ভালোভাবেই ছিল। তবে বইটা বেশ গতিশীল। পড়তে বেগ পেতে হয় না। খুব সহজে দ্রুততার সাথে এগিয়ে যায়।
একজন লেখকের সবচেয়ে বড় গুণ তিনি যখন ভিন্ন ধারার লেখায় পাঠককে মুগ্ধ করেন। কেইগো হিগাশিনো দুর্দান্ত থ্রিলার লেখেন। চমকের পর চমক থাকে সেসব বইতে। পাঠক এসব বইয়ে মজে থাকে। তার বাইরেও তিনি থ্রিলারের আদলে জীবনের গল্প লেখেন। মানুষের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলেন। যেখানে মানুষই শেষ কথা। কেননা অপরাধ কর্ম সবসময় মানুষের দ্বারাই সংগঠিত হয়। তাই মানুষের মনস্তত্ত্ব, তাদের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা গল্পগুলো অনুধাবন করতে পারলে অপরাধতত্ত্ব নিয়েও বিশ্লেষণ করা যায়।
“মাসকারেড হোটেল” বইতে অনেকগুলো মূল চরিত্র আছে। তাদের মধ্যে নাওমি আর নিত্তাকে প্রধান হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। তবে তাদের ছাপিয়ে এই গল্পের প্রধান চরিত্র হয়ে ওঠেছে কর্তেসিয়া হোটেল। কেননা হোটেল এমন এক জায়গা, যেখানে ভিন্ন চরিত্রের অসংখ্য মানুষের আনাগোনা থাকে। সবাই একইরকম হয় না। কেউ হয় ভদ্র, কেউ অধৈর্য। আবার কেউ ইচ্ছা করেই ঝামেলা পাকায়। হোটেলের বিল যেন না দেওয়া হয়, তাই কেউ এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যাতে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিল মওকুফ করে দেয়। ভালো রুম পাওয়ার জন্যও বেশ ছলচাতুরির আশ্রয় নেয় কেউ কেউ। কখনও এসব দেখে মেজাজ খারাপ হতে পারে, রাগ হতে পারে। কিন্তু তারপরও মাথা ঠাণ্ডা রেখে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়। গেস্ট সবসময় আশীর্বাদ, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে হোটেলের বদনাম হবে। এমন কিছু কখনোই করা যাবে না।
আমার মনে হয়েছে “মাসকারেড হোটেল” বইটা সকল ব্যবসায়ীদের পড়া উচিত, বিশেষ করে যারা সরাসরি কাস্টমার হ্যান্ডেল করে। ফেসবুকভিত্তিক বেশিরভাগ ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে একটা বিষয় সম্প্রতি খুব চোখে লাগে। তারা প্রায়শই যেকোনো অভিযোগে কাস্টমারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। হোক সে বই বিক্রেতা, জার্সি বিক্রেতা বা কেক, শাড়ি, জুয়েলারি, আর্টিফেক্ট ইত্যাদি বিক্রয় যারা করে। ইনবক্সে কোনো কাস্টমার একটু অভিযোগ করল বা কটু কথা বলল, তাতেই স্ক্রিনশট চালাচালি হয়। ব্যবসায়ীদের এই বিষয়টা আমার ভালো না। একটা কথা মনে রাখতে হবে, প্রতিটি মানুষ সমান না। কেউ যখন বিনয়ী হবে, অন্যজন তার ধারে কাছেও যাবে না। তারপরও সবাইকে সমান চোখে দেখা একজন বিক্রেতার দায়িত্ব। অথচ ফেসবুকভিত্তিক বিক্রেতাগুলো বিনয়ী কাস্টমারদের ভালো চোখে দেখলেও অন্য কাস্টমার, যারা একটু বেশি অভিযোগ করে, তাদের কাস্টমারই মনে করে না।
“মাসকারেড হোটেল” বইতে একটা কথা আছে, গেস্ট-ই নিয়ম। গেস্টকে গেস্টটা বললেও অসম্মান হয়। অথচ কী অবলীলায় ফেসবুকে জিনিসপত্র বিক্রি করা বিক্রেতাগুলো ব্যক্তিগত কথাবার্তার স্ক্রিনশট নিজে সহজেই পোস্ট করে! যেন কোনো কাস্টমারের প্রাইভেসি নেই�� এই বিষয়ের ক্ষেত্রে বইটা দারুণ শিক্ষণীয়। কাস্টমার সবসময় ঠিক, তাদের সমস্যা ধৈর্য ধরে সমাধান করা প্রতিটি ব্যবসায়ীর দায়িত্ব। কাস্টমার অভিযোগ করবে, রাগ হবে, তীর্যক কথা বলে; পরিবর্তে বিনয় দিয়ে, শান্তভাবে সমাধান করলে রাগী কাস্টমারও লজ্জিত হতে বাধ্য। অথচ ঔদ্ধত্যের বিপরীতে ঔদ্ধত্য দেখলে পরিস্থিতি খারাপ হয়, ঝামেলার সৃষ্টি হয়।
এক্ষেত্রে নাওমি নামের মেয়েটা আদর্শ হতে পারে। ক���স্টমার সম্পর্কে তার বয়ান, ব্যবহার সবকিছুই উপলব্ধির বিষয়। ওদিকে নিত্তা ছিল বিপরীত। নাওমির সাথে তার শুরুটাও ঠিকঠাক হয়নি। একজন পুলিশ আর কী বুঝে হোটেল চালানো কতটা ঝক্কির কাজ। কত ব্যতিক্রমী মানুষজনের সাথে দেখা হয়। সবাই তো আর সমান না। তবে সময়ের সাথে সাথে তীক্ষ্ণ, রাগী স্বভাবের পুলিশ অফিসারও একজন যোগ্য হোটেল কর্মী হয়ে যেতে পারে। যার জন্য দরকার ধৈর্য, মন থেকে কাজ করার চেষ্টা। নিত্তা মন থেকে চেষ্টা করেছিল বলেই একসময় এই কাজকে নিজের আপন করে নিতে পেরেছিল। একজন কাস্টমারকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় শিখে নিয়েছিল।
থ্রিলার বইতে এতকিছু থাকলে থ্রিল কই? রহস্য কই? প্রশ্নটা মনে মধ্যে ঘুরপাক খায়। এ বইতে রহস্য ঠিকই ছিল। এর মাঝে চলেছে তদন্ত, খু নিকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা। তবে প্রথাগত তদন্ত এখানে ছিল না। পুরো গল্পটায় লেখক হোটেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। তার মধ্যে আলোচনা চলেছে, এই আলোচনার মধ্য দিয়েই তদন্তের আদ্যপান্ত ফুটে উঠেছে। অপরাধের কারণ, এতগুলো খু নের মধ্যে যোগসাজশ খুঁজে বেড়ানো, আদৌ যোগসাজশ আছে কি না; সবকিছুই প্রকাশ্যে এসেছে।
পুলিশদের মধ্যে নিত্তা এখানে গুরুত্ব পেয়েছে। তার তদন্তের ভাবনাগুলো বেশ স্পষ্ট ছিল। নাওমি পুলিশ না হলেও বেশ ভালো সহযোগী হয়ে উঠেছিল। পার্টনারের মধ্যে একজনের ছায়া অপরজনের মধ্যে ফুটে ওঠে। এই যেমন নাওমির পাশে থেকে নিত্তা যেমন হোটেলের কাজ বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করেছে, তেমন করে নিত্তার পাশে থেকে নাওমিও গোয়েন্দাগিরি বুঝে নিয়েছে। নিজের অজান্তেই বেশকিছু সূত্র দিয়েছে। তবে নাওমির কাছে হোটেল ভিন্ন কোনকিছুই গুরুত্বপুর্ণ না। আগে হোটেলের সম্মান, গেস্টদের সম্মান গুরুত্বপুর্ণ। এর বাইরে কী হলো দেখার বিষয় না
আরেকজন আছে, নোসো। তার ভূমিকাও এখানে গুরুত্বপুর্ণ। বেশকিছু সূত্র সে খুঁজে বের করেছে। সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অনেক বিষয় থাকে, যা আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। এগুলোই গুরুত্বপুর্ণ হয়ে উঠতে পারে তদন্তের ক্ষেত্রে। শেষপর্যন্ত কেউ যা ভাবতে পারে না, তার থেকেই মূল রহস্য উদঘাটিত হয়। এই জন্য ভাবনা চিন্তা করার দক্ষতা থাকতে হয়।
এই বইয়ের শেষটা বেশ গতিশীল। সেখানে একটি ঘটনা ঘটার প্রতিক্ষায় সবাই। কী ঘটবে তা হয়তো অনুমেয়, তবে কীভাবে ঘটবে তা-ই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। লেখক এখানে সবার ভাবনার বাইরে একটা চমক রেখেছেন। বড় কোনো চমক নয়, তবে বইয়ের পুরো ঘটনা বিচারে আমার কাছে যথাযথ মনে হয়েছে। তবে একটু তাড়াহুড়ো করে শেষের ঘটনা এগিয়েছে। না-কি এতবেশি গল্পের সাথে জড়িয়ে গিয়েছিলাম, যে দ্রুত শেষাংশে পৌঁছে গেছিলাম। কে জানে! তবে বইটা পড়তে পড়তে আমি নিজেও কর্তেসিয়া হোটেলে পৌঁছে গিয়েছিলাম নিত্তা ও নাওমির সহকর্মী হিসেবে।
শেষটা বেশ তৃপ্তি দিয়েছে। পুরো গল্পটাই এক ভিন্ন অনুভূতি দিয়ে গিয়েছে। লেখকের এমন ভাবনার উপর ভিত্তি করে একটা উপন্যাস গড়ে তোলার তারিফ করতে হয়। এছাড়াও আমার এই বইতে ভালো লেগেছে জাপানিদের স্বভাব, আচরণ। জাপানিদের বিনয় বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তাদের ভদ্রতা, বিনয় ট্রেডমার্ক হতে পারে। এখানেও তার ব্যতিক্রম নয়। যা থেকে শিক্ষা নেওয়ার অনেক কিছুই আছে।
▪️অনুবাদ, সম্পাদনা ও অন্যান্য :
“মাসকারেড হোটেল” বইটার ইংরেজি অনুবাদ নেই। বইটি সরাসরি জাপানি থেকে অনূদিত। কাবিদ হাসান এক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করেছেন। যেহেতু রূপান্তর, সেহেতু ধরে নেওয়া যায় পাঠকের যেন পড়তে অসুবিধা না হয়; তেমন করেই তিনি বইটি অনুবাদ করেছেন। সাথে ছিলেন সালেহ আহমেদ মুবিন।
দুইজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা পড়ার ক্ষেত্রে বেশ ভালো অভিজ্ঞতা দিয়েছে। আড়ষ্ট, জটিল ভাব ছিল না। গল্পের গতির সাথে অনুবাদের সাবলীলতার কারণে কাহিনি তরতরিয়ে এগিয়েছে। সম্পাদনাও দুর্দান্ত হয়েছে। অনেকদিন পর এমন এক বই পড়লাম, বানান ভুল বা ছাপার ভুল তেমন একটা নেই। তাই তৃপ্তির পরিমাণ আরো বেশি ছিল।
তবে হাতে গোনা দুয়েকটা জায়গায় শব্দচয়ন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি। এই যেমন এক জায়গায় বলে হয়েছে, ‘বুঝমান মানুষ’। আমি বাংলা ডিকশনারিতে ‘বুঝমান’ শব্দটি পাইনি। আছে কি না জন্য নেই। খুব সম্ভবত এখানে ‘বুঝদার’ হবে। আরেক জায়গায় লেখা আছে ‘রুদ্ধবাক’, যেখানে ‘বাকরুদ্ধ’ যথাযথ শব্দচয়ন হওয়া উচিত ছিল।
একটা ঘটনার কথা বলি। ডিটেকটিভদের একটা মিটিংয়ে কেউ একজন নিজের ভাবনার কথা বলেছে। যা শুনে সবাই চমৎকৃত। সেখানে তাদের বস ‘কথায় তো দম নেই’ বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সংলাপের ধারাবাহিকতায় আমিনযেটা বুঝেছি, ‘দম নেই’-এর পরিবর্তে ‘দম আছে’ হওয়ার কথা। মূল বইয়ের কী আছে জানি না। এখানে আমি নিজের মতামত ব্যক্ত করলাম।
প্রচ্ছদ খুবই দারুণ হয়েছে। প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ শোভন ভাইয়ের প্রচ্ছদ নির্বাচন করার জন্য। কাহিনির জন্য এটা সত্যিই যথাযথ মনে হয়েছে। কালারও ঠিকঠাক ফুটে ওঠেছে। এছাড়া প্রোডাকশনে ঋদ্ধ প্রকাশের আরেকটি দারুণ কাজ মুগ্ধ করেছেন।
▪️পরিশেষে, এ জাতীয় বই এক ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায়। থ্রিলারপ্রেমীদের কাছে থ্রিল কমে গেলে যেকোনো বই আহামরি বা পছন্দের হয় না। আবার আমার মতো যারা গল্পের দিকে নজর রাখে, তাদের কাছে একটা দারুন উপাখ্যান হতে পারে। উপলব্ধি করতে পারলে, গল্পের ভেতরে প্রবেশ করে নিজেকে এর একজন মনে করতে পারলে দারুণ উপভোগ্য হতে পারে বইটি। যেমনটা আমার হয়েছে। কেইগো হিগাশিনোকে এক অন্য ধারায় আবিষ্কার করা যায় এখানে।
▪️বই : মাসকারেড হোটেল
▪️লেখক : কেইগো হিগাশিনো
▪️অনুবাদ : কাবিদ হাসান, সালেহ আহমেদ মুবিন
▪️প্রকাশনী : ঋদ্ধ প্রকাশ
▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ৪.২৫/৫