Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
রোমান্স, গথিক আবহ, আর সাইকোলজিক্যাল হরর মিশিয়ে লেখা এই গল্পটা আজও আমাদের ভয়প্রেমীদের দ্বারা ঠিক সেভাবে সমাদৃত হয়েছে বলে মনে হয় না। আসলে লেখাটা সময়ের তুলনায় এগিয়ে ছিল। এর অনেক পরে অলিভার ওনাইয়নস "দ্য বেকনিং ফেয়ার ওয়ান" লিখে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। অধিকাংশ পাঠক এই লেখাতেও অবসেশনের গর্ভে নায়কের তলিয়ে যাওয়া খোঁজেন। আদতে এই লেখাটা নিঃসঙ্গতা, পরিবেশের প্রভাব, বিষাদ, আর সূক্ষ্ম ডার্ক হিউমার মিশিয়ে একান্তই রাবীন্দ্রিক রচনা। অন্য কিছুর সঙ্গে এর তুলনা হয় না। বরং মেঘের গর্জন শুনতে-শুনতে জানালার পাশে বসে একে পড়তে হয়। এখনও না পড়ে থাকলে দয়া করে ত্রুটি সংশোধন করুন।
হরর রহস্য রোমাঞ্চ সবদিকেই যে রবীন্দ্রনাথ এর একচ্ছত্র আধিপত্য তারই প্রমাণ এই ছোটগল্প। প্রেম, ভৌতিক আবহ, আদিপ্রজন্মের ভোগ বিলাস কি নেই এতে। এতকিছুর পরেও কুসংস্কারকে বুড়ো আঙ্গুল ঠিকই দেখিয়েছেন। আসলে এতো আগে রবীন্দ্রনাথ এমন প্লট চিন্তা করেছিলেন ভাবতেই অবাক লাগে।
রবীন্দ্রনাথ আমাদের বিস্ময়-বিভোরতার ওপর ভর করে লৌকিকতা-অলৌকিকতার মিশেলে মানবতার বিপর্যয়, ঐশ্বরিক শক্তির উপস্থিতি ও প্রভাব এবং সেসব-সম্বন্ধে উত্তর-প্রজন্মের অনুভবকে পাঠকের সামনে পরিবেশন করেছেন ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্পের সাজানো মোড়কে। পথে ট্রেন বদলের সময় গাড়ির অপেক্ষায় ওয়েটিংরুমে ‘অসামান্য ব্যক্তিটি’র বলা গল্পই বর্তমান কাহিনির প্রকৃত কথা। সরকারি চাকুরিকালে ভারতবর্ষের হাইদ্রাবাদের বরীচ নামক স্থানে তুলার মাশুল আদায়ে নিযুক্ত কর্মচারী হিসেবে তার অভিজ্ঞতার এক অতি-প্রাকৃত (নাকি অলৌকিক কিংবা ঐশ্বরিক) ঘটনার বিবরণ এই ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্প। আর গল্পটি শুনতে শুনতে নির্ঘুম রাত পার করেছেন বর্তমান গল্পকথক।
আমাদের পূর্ব-প্রজন্মের শাসনকর্তারা যে ভোগ-বিলাসী জীবন যাপন করেছেন, নারী ও নেশা যে তাদের সার্বক্ষণিক প্রিয় প্রসঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তাদের ভোগের সামগ্রী হতে হয়েছিল অসংখ্য অসহায় নারীকে; বহু পুরুষকেও কাটাতে হয়েছে ক্রীতদাসের জীবন; প্রজাসাধরণকে মুখ বুজে সহ্য করতে হয়েছে অবর্ণনীয় নির্যাতন- এসব ব্যাপার আজ ইতিহাসের পাতায় পাতায় স্পষ্ট হয়ে আছে। সম্ভবত, কাহিনিনির্মাতা রবীন্দ্রনাথ ইতিহাসের নীরব সাক্ষী একটি ভবনকে গল্পের ক্যানভাসে স্থাপন করে পাঠককে জানান দিতে চেয়েছেন উত্তর-প্রজন্মের দায়বোধের ব্যাপারাদি।
কাহিনিতে প্রত্যক্ষ পরিপ্রেক্ষিত ভারতবর্ষের মাটিতে বহুকালের অতৃপ্ত মানবাত্মার আর্তনাদের কথা প্রকাশের পাশাপাশি লেখক আরব-ইরান প্রভৃতি রাজা-বাদশা-শাসিত অঞ্চলের শাসকদের ভোগ-সম্ভোগের আভাসও পরোক্ষভাবে উপস্থাপন করেছেন। রবীন্দ্রনাথ বর্তমান গল্পে দার্শনিক একটি তত্ত্বের সাথে সামাজিক বাস্তবতার দ্বন্দ্ব তুলে ধরেছেন পরিবেশনশৈলীর কৌশলে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
পড়লাম শিরোনাম থেকে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভয় সমগ্র। মোট ১৩ টি গল্প স্থান পেয়েছে। কিছু গল্পে অতিপ্রাকৃতের ছোঁয়া আছে। আর কিছু গল্পে ভয়ের লেশমাত্র নেই। কেন এই সমগ্রে ঠাঁই পেয়েছে সেটাই প্রশ্ন! কিন্তু গল্পগুলো ভালো লেগেছে। বেশি ভালো লেগেছে ক্ষুধিত পাষাণ, গুপ্তধন, মাস্টারমশায়, স্বর্ণমৃগ।