Jump to ratings and reviews
Rate this book

বিভা

Rate this book

112 pages, Hardcover

Published August 1, 2017

4 people are currently reading
40 people want to read

About the author

Jibanananda Das

84 books422 followers
Jibanananda Das (bn: জীবনানন্দ দাশ) is probably the most popular Bengali poet. He is considered one of the precursors who introduced modernist poetry to Bengali Literature, at a period when it was influenced by Rabindranath Tagore's Romantic poetry. During the later half of the twentieth century, Jibanananda Das emerged as the most popular poet of modern Bengali literature. Popularity apart, Jibanananda Das had distinguished himself as an extraordinary poet presenting a paradigm hitherto unknown. It is a fact that his unfamiliar poetic diction, choice of words and thematic preferences took time to reach the heart of the readers. Towards the later half of the twentieth century the poetry of Jibanananda has become the defining essence of modernism in twentieth century Bengali poetry.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (4%)
4 stars
13 (29%)
3 stars
16 (36%)
2 stars
13 (29%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
Profile Image for Shakil Mahmud.
90 reviews42 followers
November 8, 2020
খাপছাড়া। হিজিবিজি। কিঞ্চিৎ এক্সপেরিমেন্টালও মনে হলো।
Profile Image for Sitap Paul.
33 reviews2 followers
February 24, 2024
জীবনানন্দ পাঠ করার পর মনে একরকম সুখের দোলা কাজ করে। প্রতিবারই করে। তার সবচেয়ে বড় কারণ 'বনলতা', 'কল্যাণী' কিংবা 'বিভা'র মতো চরিত্রগুলো। ধরা যাক, একদিন পৃথিবীর সমস্ত অসুখ, বিষাদ, দুঃসংবাদ যা কিছু আছে সব ক্ষয় হয়ে গেলো। 'বিভা' পড়ে মনে হলো, তখন বিভার মতো মেয়েরা নতুনতর জীবন গড়বার মতো পরিকল্পনাকে সাহায্য করতে পারবে। অন্তত বিভার আগ্রহ ও আশা থেকে তা-ই ধারণা করা যায়। যেসব জিনিস জীবনকে কষ্ট দেয়, মনকে পীড়িত করে, ম্রিয়মাণ করে রাখে— বিভার মতো একটি মেয়ের সংস্পর্শে থাকতে পারলে সেসবকে অসত্য বলে মনে হতে পারে।

গল্পের একটা বিশেষ ও বিশাল অংশ দখল করে রেখেছে সাতরঙা ইন্দ্রচাপ ধাঁচের একটি কাকাতুয়া। পাখিটা যখন ঠোঁটের ধারে কিংবা পাখনার ঝটপটানিতে কিছুতেই চারদিককার লোহার শিকলগুলোকে ভাঙতে পারে না, তখন অসীম অন্ধতায়, রাগে, বিদ্রোহে ও হিংসায় নিজের পাখনা নিজেই কামড়ে ছিঁড়ে ফেলতে থাকে। টুকরো টুকরো রঙিন পালক খাঁচার নিচে মেঝের ওপর খুলে পড়ে। কখনো বা নিজের বুক আঁচড়ে কামড়ে রক্তাক্ত করে ফেলে। ফোঁটা ফোঁটা রক্তে তার বুকের গোলাপি রোম, মখমলের মতো কোমল ননির রঙের মতো পালকগুলো ভিজতে থাকে।

কাকাতুয়ার এই করুণ দশার কাহিনি পড়তে পড়তে আমার মনে হলো, আমরা মানুষরাও তো এমনই একটি খাঁচায় বন্দি। জীবন নামের খাঁচা। বিভার বাবারও দেখলাম তা-ই মত। আমরা প্রত্যেকেই লোহার শিকল কাটতে চাই, কিন্তু কিছুতেই পারি না৷ এমন করেই নিশ্চুপ গভীর প্রতিবাদ করছি, কেউ শুনতে পারছে না। এমন করেই নিজের জীবনটাকে নিষ্ফলতার ফাঁকে ফাঁকে আঁচড়ে কামড়ে ছিঁড়ে ফেলতে চাইছি, অথচ অন্য কারো তাতে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তারপর একটা সময় পর অবসন্ন হয়ে জীবনের এক কোণে ঘাড় হেঁট করে পড়ে থাকছি। ঠিক যেন খাঁচাবন্দি কাকাতুয়া!

ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে একটা রহস্যময় প্রশ্ন বারবার উঠে এসেছে। হোক বাবার সাথে, মোক্ষাদা'র সাথে অথবা ডাক্তারবাবুর সাথে— উঠে এসেছে বারংবার। ঈশ্বর করুণাময় এবং সকলের মঙ্গলকর্তা— এই সহজ সত্যটুকু বিভা বারবার সবাইকে বিশ্বাস করাতে চেয়েছে। সে জানাতে চেয়েছে, ঈশ্বর সত্যম্ শুভম্ সুন্দরম্।
উল্টোদিকে বাবা, মোক্ষাদা, ডাক্তারবাবু বিশ্বাস করেন, ঈশ্বর বলতে কিছু নেই। বিশ্বাসের পক্ষে তাদের যুক্তিও আছে শক্তপোক্ত। এই যে মানবজীবনে এত বেদনা, মাঝে মাঝে শুধু উপভোগের অবসর কিংবা মিথ্যা কতগুলো কল্পনা নিয়ে ফুর্তির সময়, এই নিয়ে আনন্দ কতটুকু সত্য? জীবনীশক্তি শুধুমাত্র বিদ্রুপ করে বাঁচিয়ে রাখে মানুষকে। আদতে ঈশ্বর কি আছে? এই প্রশ্নের উত্তর পাঠকের বিশ্বাস-অবিশ্বাসের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব কিছু ছাপিয়ে জীবন যে এক কঠোর সাধনার জিনিস, এই উপলব্ধি শেখায় 'বিভা'।

উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পাতা অবধি বেশিরভাগটাই দখল করে রেখেছে ভারিক্কি ধরনের অসংখ্য সংলাপ৷ অবশ্য জীবনানন্দ যে জীবনবোধের অভিব্যক্তি তুলে ধরতে চেয়েছেন, তা পরস্পরের কথোপকথনের মাধ্যমেই একমাত্র স্পষ্ট করা সম্ভব। সেদিক থেকে সংলাপময় পৃষ্ঠাগুলো পড়তে মন্দ লাগেনি। কিন্তু বিভার ব্যক্তিগত জীবনের সম্পূর্ণটুকু কথকের জেনে ফেলার যে মাধ্যম অর্থাৎ পাশের ভবনের জানালা, এটা অবাস্তব মনে হয়েছে। দিনের পর দিন ধরে একটা মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের আদ্যোপান্ত এত সহজে জেনে ফেলাটা কিছুতেই বাস্তবসম্মত ও বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না।

বাঙালি সীমানা পেরিয়ে মোঘল, পার্সি, ইরানী সংস্কৃতির কিছুটা ছোঁয়া পেয়েছে 'বিভা'। উপন্যাসের মাধ্যমে জার্মানী, হিডেনবুর্গ, স্কটল্যান্ড, বার্লিন ঘুরে এসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চেয়ে অপরূপ সৌন্দর্য আর কোথাও নেই, এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকে না। নারীদের মধ্যে নীতি ধর্মান্ধতা বেশি হলেও নারীরা যে ঘরে এবং বাইরে অস্বাভাবিকভাবে শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য তা-ও প্রমাণিত হয়েছে।
'বিভা'র সঙ্গে দুদণ্ড আলাপের উদ্দেশ্যে যে পুরুষেরা সকাল-দুপুর তার ড্রয়িং রুম দখল করে রাখে, তাদের কারো মাঝেই প্রেম নিয়ে ঠাট্টা, তিক্ততা, নোংরামি কিংবা হতাশা আছে বলে সহজে বুঝা যায় না। দার্শনিকতায় তারা সুউচ্চ স্থানের অধিকারি। ভালোবাসাকে প্রাণ ভরে শ্রদ্ধা করতে জানেন। গভীর আন্তরিক অপরিমেয় অটুট প্রেমিক প্রাণ একেকজন। সে মোক্ষদাচরণ, পার্সি রুস্তমজি কিংবা ডাক্তারবাবু যে-ই হোক না কেন, প্রেম সম্পর্কে নানারকম অস্পষ্টতা তাদের প্রত্যেকের চরিত্রেই আছে বলে আমার ধারণা। এবং জীবনানন্দও সেই দিকটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন। বাস্তবিক জীবনে যারা এই ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে পারবে তারাই এর সত্য বুঝবে।

বিভা বললে, - পৃথিবীতে অলস তাহলে আমি একাই শুধু?
- কে? আপনি? কেন?
- সমস্ত দুপুরটা কার সঙ্গে কথাবার্তা বলব তাই ভাবি।
- কিন্তু সমস্ত জীবনটাই তো বলতে পারতেন আমার সঙ্গে।
- না, আমি শুধু দুপুরের কথা ভাবি।

সবমিলিয়ে 'বিভা' পাঠ সুখকর ছিল। নিখুঁত সমকালীন উপন্যাস। প্রেম, জীবন, ঈশ্বরবাদ সবকিছু ছাপিয়ে টলস্টয়ের 'ওয়ার এন্ড পিস' কিংবা 'আনা কারেনিনা'তে ডুবে থাকুক বিভা। তার জন্য ওটাই ঢের আনন্দদায়ক হবে বলে বোধ করি।

বই : বিভা
লেখক : জীবনানন্দ দাশ
প্রকাশক : ঐতিহ্য
প্রচ্ছদ মূল্য : ২৪০ টাকা
Profile Image for Mohaiminul Rahat.
8 reviews8 followers
January 23, 2018
বিভা বইটি বইটির চরিত্র বিভা নামের মেয়েটিকে নিয়ে লিখা। গল্পটি বলেন, বিভার বাড়ির পাশের বিল্ডিং এ মেসে থাকা একজন ব্যক্তি। জানলা দিয়ে তিনি যতটুকু দেখেন বা শুনেন ততটুকুই বলেন তিনি।
বিভার জীবনের প্রতি অন্যরকম দর্শন, তার কাছে ভালোবাসা, প্রেম কিংবা শরীরের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আসা তিনজন পুরুষের সাথে কথোপকথন, বিভার কাটানো দিনগুলো নিয়ে লিখা গল্প।
খাপছাড়া ধরণের লেগেছে কাহিনীগুলো। গল্প শেষে লেখক পরিষ্কারভাবে শেষ করেননি কিংবা পাঠকের নিজের মত করে শেষটুকু সাজিয়ে নেয়ার ব্যাপারটাও রাখেননি। তবে বইটি পড়ে জীবনদর্শনের নানাবিধ জিনিশ চোখে পড়ার মত।
Profile Image for Imdadul  Swadin .
49 reviews2 followers
June 3, 2022
জীবনানন্দ দাশ প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা ও উপন্যাস প্রকাশ করেছে। বিভা তারই সমকালীন উপন্যাস।
উপন্যাসের মূল চরিত্রের নাম বিভা। উপন্যাসটি লেখক আমাদের জানিয়েছেন বিভার পাশের বিল্ডিংয়ের মেসে থাকা এক যুবকের মাধ্যমে।
একটু ভিন্নভাবে যদি বলি - যুবক যা দেখেছে বা শুনেছে তা-ই এই উপন্যাসের লেখা।

আমার কাছে ভালোই লেগেছে তবে মোটামুটি ধরনের।
Profile Image for Soaibuzzaman.
30 reviews
January 4, 2018
গভীর জীবনবোধ। কিছুটা হিজিবিজি, কিছুটা খাপছাড়া। অনেকটা দর্শন।
Profile Image for Srabon.
70 reviews
January 17, 2025
বিভা

জীবনটা কি অন্ধ স��রোতের মতো? তারি ফাঁকে ফাঁকে ফূর্তি করা আবার অবিমিশ্র বেদনার তালে ভাসতে থাকা? নাকি জীবন অতিদীর্ঘ একটা গল্প, যার শেষ পাতা ফুরোয় যখন মরি? জীবনটা কি পদে পদে একটা আঘাতের জিনিষ যেখানে বেঁচে থেকে মানুষের জীবনের মর্ম্মান্তিক অবিচারের স্রোতে ভাসতে থাকে তারা, বোঝে যে জীবন মানে এম্নি ভেসে চলা? নাকি খাঁচায় থাকা কাকাতুয়ার মতো লোহার শিক ভেঙে মুক্ত হতে চাওয়ার মতো? জীবন কি অপরাজেয়? যার চারদিককার নিষ্ফলতা ও বেদনার ভিতর যারা চলেছে জীবনকে জয় করতে গঙ্গাফড়িঙ যেমন সমুদ্রকে জয় করবার জন্য যাত্রা করে, সমস্ত হতাশা ও অন্ধকার ভেদ করে যারা আশার স্বপ্ন দেখে, তাদের জীবনবিধাতা তাদের নিয়ে একটা তামাসার খেলা খেলে শুধু, সুঁচ দিয়ে প্রজাপতির বুক ফুটো করে সুতো বেঁধে ছোট ছোট শিশুরা যেমন করে খেলে?

এই বইটি পুরোটাই যেন একটি বিরহ। বইটির নামচরিত্র বিভা-কে কেন্দ্র করেই উপন্যাসটি এগিয়েছে। বিভা বাস্তবিক, ঐকান্তিকতা আর আন্তরিকতায় গড়া একটি মেয়ে। বিভা জীবন নিয়ে বড়ই আশাবাদী, ঈশ্বরে তার অগাধ বিশ্বাস। সে ভালোবেসেছে, ভালোবেসে ব্যথাও পেয়েছে কিন্তু তাই বলে বেদনা অবিচারের স্রোতে ভেসে চলেছে বলে মনে করেনা। বিভা বই পড়ে খুব, তবে নিরাশাবাদী কোনো লেখকের বই তার মোটেই সহ্য হয়না। তার ধারনা পৃথিবীতে যা-ই হচ্ছে তা বিধাতা ভালোর জন্যই করছেন। গল্পের বাকী চরিত্রগুলো হলো বিভার বাবা, মুখিদা, ডক্টর ব্যানার্জী সকলেই বিভার ঠিক বিপরীত। তাদের কেউ কেউ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করলেও, ঈশ্বর যে সবকিছু ভালোর জন্য করেন তেমনটা বিশ্বাস করে না; জীবন নিয়ে অতটা আশাবাদী তারা নয়।

--জীবনকে জীবন বলে বুঝতে এখনও ঢের দেরী যে আপনার।
--আমার খুবই সৌভাগ্য এ ঘরের সাতটি আলমারী ভরা যত বই আছে সেসবের সমস্ত লেখকরাও আমারই মতন অন্ধকারে পড়ে আছে।

লেখক ঈশ্বরের অস্তিত্বের এক রহস্যময় প্রশ্ন যেন বিভার দিকে নানাভাবে নিক্ষেপ করেছেন। পুরো উপন্যাসটাই কথোপকথনে এগিয়েছে, যা বিভা ও তিনজন পুরুষের কথোপকথনকে কেন্দ্র করে। মুখিদা, যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করেনা, জীবনের প্রতি বড় তিক্ততা অনুভব করে। রুস্তমজী, একজন পার্শী যুবক যে বাঙালী কালচারকে বড় পছন্দ করে ও নিজের জাতি নিয়ে আক্ষেপ করে খুব। ডক্টর ব্যানার্জী, যে বিশ্বাস করে অর্থই জীবনের সবচে মূল্যবান জিনিস ও জীবনের অসুন্দর দিকগুলোই শুধু তার চোখে পড়ে। তবে এই তিনজনের পুরুষের মধ্যে একটি মিল হলো, তারা সকলেই বিভাকে চায়। তারা জানে তা কখনো পাবেনা কিন্তু এই বিরহ পুষে রেখেই যেন বারবার ফিরে আসে বিভার কাছে। কারন বিরহের একটা মোহ আছে। কেন তারা কেউ বিভাকে পাবে না? কারন বিভা নিজেও যে একজন বিরহিনী। বিভার পাশের বিল্ডিং-এ মেসে থাকা একজন, তার জানালা দিয়ে পর্যবেক্ষন করে আর এই পর্যবেক্ষনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে উপন্যাসটি। গভীর জীবনবোধ, অপ্রেম, দর্শন এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে।
Profile Image for Tanmay  Tanu.
3 reviews
August 21, 2024
বিভা উপন্যাসটা পড়ে নতুন করে 'বোধ' কবিতাটার কথা মনে পড়লো।জীবনানন্দের বিখ্যাত বিপন্নতার বোধ তার বেশির ভাগ লেখাতেই চলে আসে।উনি সচেতন ভাবেই এই কাজটা করেন।মাল্যবান এবং কারুবাসনা পড়েও একটা অদ্ভুত বিষন্নতা আমায় জেকে বসেছিল।বিভা পড়েও এক-ই রকম লাগছে।একটা একটা ধূসর অস্পষ্ট আবহ তৈরীতে জীবনানন্দ সিদ্ধহস্ত ছিল।কথাটা জীবনানন্দ দাশের বিপক্ষে যাবে কি না জানি - তার লেখা উপন্যাসগুলো সব এক প্যাটার্নের।উনি তার গদ্যগুলো দিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলেন।কিন্তু সেটা কি?বিষন্নতা?বিপন্নতা?অস্তিত্বহীনতা?বিচ্ছিন্নতা?

সব মিলিয়ে এই উপন্যাসটা পড়ে বিরাট কিছু পড়ে ফেললাম বলে মনে হয় নি।না পড়লেও কোন ক্ষতি ছিল না।
Profile Image for Ramisa Maliha.
2 reviews2 followers
June 1, 2024
জীবনদর্শন,জীবনবোধ,সমাজ ও মানুষের চিন্তা ও জীবনপ্রবাহের নানা দিক নিয়ে আলোচনা আছে।বিভা নামক মেয়েটির সাথে তিনজন ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের কথোপকথনের ব্যাপারটি প্রাধান্যে রেখে সেসময়ের মানুষের নানা জীবনদর্শন ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে যা আজ অব্দি সমাজে বিদ্যমান। কিন্তু প্রথম থেকে শেষ অব্দি খাপছাড়া মনে হয়েছে।গল্পের শেষটুকুতে লেখক পাঠককে কল্পনা করার সুযোগ দিতে চাইলেও শেষাংশ তেমন কল্পনাযোগ্য নয় বলে মনে হলো।
Profile Image for Kazi Rumayet.
4 reviews
November 13, 2025
বিভা - পৃথিবীতে অলস তাহলে আমি একাই শুধু...
ডাক্তার - কে? আপনি? কেনো?
- সমস্ত দুপুরটা কার সঙ্গে কথা বলবো তাই ভাবি।
- কিন্তু সমস্ত জীবনটাই তো বলতে পারতেন আমার সঙ্গে।
- না, আমি শুধু দুপুরের কথা ভাবি।

Biva isn’t a simple “character.” Biva wants freedom but also connection. She wants to live honestly but can’t escape guilt.

I think, Jibanananda Das didn’t create her to please readers, he created her to disturb them.
Profile Image for Biva Podder.
58 reviews4 followers
August 29, 2020
জীবনানন্দ দাশ আমার নামে বই লিখেছেন, আর আমি পড়ব না?
খুব উচ্চমানের হয়ত না, কিন্তু নিজের নাম মুদ্রিত অক্ষরে দেখার স্পৃহাতেই হয়ত বইটা পড়া। নিতান্তই এক অপ্রেমের কাহিনী।
Profile Image for Ryhan Hasan.
16 reviews1 follower
July 24, 2025
ক্রিস্টোফার নোলান এর একটা মুভি আছে Following(1998). সাদা-কালো সিনেমা। এখানে যে প্রধান চরিত্র সে একজন উঠতি লেখক।যে কিনা অন্য মানুষদের ফলো করে তাদের জীবন সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে গল্পের অনুপ্রেরণা খোঁজ করেন।একসময় গিয়ে এই পিছু করা তার নেশায় পরিনত হয়।তারপর গল্প আরও অনেকদূর গড়ায়।সে যাইহোক, এই বিভা বইয়ে,লেখক একটি মেসে থাকেন।যার ঠিক পাশেই বিভার কামরা।সেখান থেকেই লেখক বা গল্পকথক বিভার উপর নজর রাখেন।একদিন ট্যাক্সি নিয়ে পিছুও করেন।তিনজন পুরুষের সাথে বিভা কথোপকথন এর মাধ্যমে গল্প এগিয়ে চলে।বিভা কাউকেই হতাশ করতে চায় না, আবার নিজের চারদিকে একেঁ রাখা বৃত্তের মাঝেও কাউকে আসতে দেয় না।এই হচ্ছে মোটামুটি গল্প।
ব্যক্তিগতভাবে আমার কেমন জানি খাপছাড়া লেগেছে। হয়ত গল্পের থিম বুঝতে পারিনি।হয়ত।
কষ্ট করে শেষ করতে হয়েছে।
এক লাইনে বললে, "বিভা" is a story of stalking.
যেখানে লাইফলেস গল্পকথক বিভার জীবন নিয়ে হাইলি অবসেসড।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.