Jump to ratings and reviews
Rate this book

কল্যাণী

Rate this book

218 pages, Unknown Binding

Loading...
Loading...

About the author

Jibanananda Das

86 books431 followers
Jibanananda Das (bn: জীবনানন্দ দাশ) is probably the most popular Bengali poet. He is considered one of the precursors who introduced modernist poetry to Bengali Literature, at a period when it was influenced by Rabindranath Tagore's Romantic poetry. During the later half of the twentieth century, Jibanananda Das emerged as the most popular poet of modern Bengali literature. Popularity apart, Jibanananda Das had distinguished himself as an extraordinary poet presenting a paradigm hitherto unknown. It is a fact that his unfamiliar poetic diction, choice of words and thematic preferences took time to reach the heart of the readers. Towards the later half of the twentieth century the poetry of Jibanananda has become the defining essence of modernism in twentieth century Bengali poetry.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (10%)
4 stars
13 (23%)
3 stars
27 (48%)
2 stars
6 (10%)
1 star
4 (7%)
Displaying 1 - 11 of 12 reviews
Profile Image for প্রিয়াক্ষী ঘোষ.
376 reviews37 followers
May 13, 2025
জমিদার পঙ্কজবাবু আর গুনময়ী দেবীর তিন ছেলে বিজলি, প্রসাদ, কিশোর আর এক মেয়ে কল্যাণী।

বড় সন্তান বিজলি বিলেতে থাকে, তার সাথে এক প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে।এদিকে কলকাতায় আধুনিকতায় উচ্ছন্নে যাওয়া কিশোরকে নিয়ে চিন্তার শেষ নাই, এখন উকিল প্রসাদ পঙ্কজবাবুর একমাত্র ভরসা। কল্যাণী পড়ালেখা করে কলকাতায় থেকে। তবে হোস্টেলের বন্ধুদের সাথে তাস খেলা, থিয়েটার, বায়েস্কোপ দেখা তার নেশা হয়ে উঠেছে।
এরই মাঝে হঠাৎ চোখের সমস্যা দেখা দিলো কল্যাণীর, আই এ পরীক্ষা টা দেওয়া হলো না। শালিখবাড়ির তেতলাতে বই পড়ে সময় কাটে। একদিন জমিদার বাড়ীতে আগমনঘটে চন্দ্রমোহনের। কোটি কোটি টাকার কারবার, অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত এমনটা বলে জমিদার বাড়ীতে সকলের পছন্দের মানুষ হয়ে ওঠে। কল্যাণীকে একপ্রকার জোর করতে থাকেন তার বাবা চন্দ্রমোহনকে বিয়ে করার জন্য। কল্যাণী ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় চন্দ্রমোহনকে নিয়ে তার বাবা তার রুমে গিয়ে বই ও ডায়েরির পাতা কেটে নিয়ে আসে একদিন । এতে কল্যাণী খুব অপমানিত বোধ করে কিন্তু কিছু বলতে পারে না।


লেখক জীবনানন্দ দাশ "কল্যাণী" উপন্যাসটি রচনা করেন ১৯৩২ সালে। বর্তমান সময়ের মতন যেমন সহজ সরল ছিলো না সমাজ ব্যবস্থা তেমনি সহজ সরল প্রাঞ্জল ভাষার ব্যবহারও ছিলো না।
তখনকার সময়ের ভেঙে পড়া জমিদার ব্যবস্থা, জমিদারদের ঠুনকো আভিজাত্য এবং সেই সময়ে সমাজে মেয়েদের অবস্থান ও গ্রহনযোগ্যতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সেই সময়ের ভাষার মাধুর্য আর সংলাপের ব্যবহারের কারণে উপন্যাসের কিছু জায়গায় অস্পষ্ট লাগলেও অসাধারণ এক উপন্যাস। যারা শুধু কবি জীবনানন্দ দাশ কে চেনেন তাদের উপন্যাসিক জীবনানন্দ দাশ কেও চেনা উচিত।
Profile Image for Sitap Paul.
33 reviews3 followers
November 22, 2022
"নিজের বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভোরের থেকে রাত, রাতের থেকে ভোর সৌন্দর্যকে মনে হয় কাদা আর লাল স্রোত, ভালোবাসাকে মনে হয় পুতুলখেলা, পলিটিক্সকে মনে হয় উতোর, আর্টকে ভাঁড়ামি, জীবনের মহত্ত্ব গুরুত্ব মঙ্গল বলে যেসব জিনিশ নিয়ে লোকে দিনরাত হই হই করছে সবই আমাদের কাছে ভড়ং ঢং নিষ্ফলতা শুধু। আমি আজও বুঝি না এরা সত্য— না আমি সত্য। আমার কোনো বিধাতা নেই৷"

জীবনানন্দকে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল বনলতা সেন। আমরা সবাই বনলতাকে জানি। কিন্তু কল্যাণী বদ্ধ দেয়ালে বন্দি হয়ে রইল। তাকে শেষ পর্যন্ত ক'জন আর জানতে পারলাম?
১৯৩২ সালে লেখা উপন্যাস। তখনকার সমাজব্যবস্থা এখনের মতো সহজ ও আধুনিক ছিল না৷ স্বাভাবিকভাবেই লেখার ধরনও একটু সেকেলে। কিন্তু গল্পে যখন একবার ঢুকে পড়লাম তখন আর এসব কিছু মাথায় রইল না। একটা সময় পরে আমার অবিনাশ হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে হলো। চন্দ্রমোহনকে একটা উচিৎ শিক্ষা দিয়ে কল্যাণীকে ছিনিয়ে আনার ইচ্ছে হলো। ইচ্ছে হলো কল্যাণীকে প্রজাপতির মতো দুটো রঙিন ডানা উপহার করি। সে স্বাধীন বিহঙ্গীর মতো বন্ধুদের সাথে রাত-বিরেতে তাশ খেলুক, বায়স্কোপ দেখুক, থিয়েটারে যাক। ইচ্ছে হলো তাকে একবুক নির্ভয়তা উপহার দিই। মেয়ে হয়ে জন্মেছে বলে যে শেকলে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে, সেই শেকল সে ভেঙে ফেলুক হেঁচকা টানে। শালিখবাড়ির কেউ তার ব্যক্তিগত চিঠি পড়ার সাহস না পাক, ডায়েরিতে হাত না দিক, বই পড়া নিয়ে উচ্চবাচ্য না করুক। এই যে পাঠক হিসেবে আমার মনে জেগে ওঠা অনর্থক ইচ্ছেগুলো, এই ইচ্ছেগুলোতেই হয়তো জীবনানন্দের সার্থকতা। কবি জীবনানন্দের ঔপন্যাসিক হয়ে ওঠা।

"'এই, জোৎস্না উৎরে আবার ভোর আসবে, দুপুর আসবে, অমাবস্যা আসবে, বৃষ্টি আসবে। নানা দিক থেকে অনেক বিরুদ্ধাচারের সঙ্গে লড়াই করতে হবে৷ সে সংগ্রাম তুমি হয়তো কিছুদিন করতে পারবে কিন্তু আমি পারব না।'
কল্যাণী বললে, 'কেন?'
'ভালোবাসা ও সৌন্দর্যকে অন্তঃসারশূন্য মনে হয় যে...
সৌন্দর্য তো একটা ফুলের পাপড়ির মতো। কী তার মূল্য? একটা কবিতার খাতায় ছাড়া এ পৃথিবীর আর কোথাও তার কোনো দাম নেই৷ মন আমার আজ কবিতার খাতার বদলে বিলের খাতায় ভরে উঠেছে!'"

কালের পরিক্রমায় সমাজে মেয়েদের অবস্থান, বাক-স্বাধীনতা, গ্রহণযোগ্যতা সবকিছুতেই পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তন তাদের জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করুক। প্রজাপতিদের ঝিকিমিকি পাখায় রঙিন হয়ে উঠুক গোটা সমাজ। কল্যাণীদের কল্যাণ হোক।
💛
Profile Image for Mustafiz Syed.
6 reviews1 follower
Read
March 21, 2020
নারীর মুক্তি হোক। পুরুষরা পড়ুন, সবাই পড়ুন। বাবা- মারা পড়ুন,কাজে দিবে।
Profile Image for Salma Awal.
28 reviews1 follower
April 13, 2023
খুব সাদাসিধে একটা উপন্যাসে কী সুন্দর করে একটি উদ্দীপ্ত শিখা নিভে যাওয়াটা প্রজ্বলিত হয়েছে!
Profile Image for Mashiur Rahman Rayeed.
17 reviews5 followers
September 1, 2025
গ্রামের নাম ‘শালিখবাড়ী’। কী সুন্দর নাম! এমন নাম জীবনানন্দের সাথেই মানায়। কলকাতার বোর্ডিংয়ে থেকে পড়াশুনা করা কল্যাণীকে তার বাবা, যার জমিদারি গুটিয়ে নেওয়া কেবল তখন সময়ের ব্যাপার, সেখানকার জীবনাচরণ সম্পর্কে জেনে মেয়েকে আর পড়াশুনা করতে হবে না বলে রায় দেন। তারপরও কল্যাণী পড়তে যায়। মেলামেশা হয় নানান ঘরানার মেয়েদের সাথে। বায়োস্কোপ, থিয়েটার, পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে তার মনে পড়ে শালিখবাড়ীর কথা, মা-বাবার কথা।

পুরো বইয়ে নারীদের প্রতি পরিবারের, সমাজের হীন দৃষ্টির দিকটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন জীবনানন্দ। জমিদারির দৈন্য দশায় অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কল্যাণীর বাবাকে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচনা দেওয়া, অর্থ-বিত্তকে বড় করে তুলে ধরার পেছনে জীবনানন্দের সারাজীবন পয়সার অভাবে কষ্ট পাওয়ার প্রভাব যে আছে তা বোধ করা যায়। কিন্তু নারীদের পশ্চাৎপদতার বিষয়টি নিশ্চয় তিনি সামাজিক অবস্থা দেখেই অনুভব করেছিলেন। সেই সময়ের একটা লেখায় জীবনানন্দ কীভাবে দুটো মেয়ের চুম্বনের দৃশ্য উপন্যাসে আনতে পারেন তাও অবাক করা বিষয়। একাকিত্ব, হতাশা, উদাসীনতা, আত্মকেন্দ্রিকতার মাঝেও সমাজ যে তাঁর অনুভূতির বাইরে ছিল না সেসব স্পষ্ট বুঝা যায়। তাঁর মতো নির্জনতার মাঝে ডুবে থাকা মানুষগুলোই হয়তোবা সমাজের অসঙ্গতিগুলো আরো গভীরভাবে অনুভব করতে পারেন। উপন্যাসটি খুব সংক্ষেপে শেষ হয়ে গেছে। এর ব্যাপ্তি হতে পারতো বিশাল। তবে আয়তনে ছোট বলে মাহাত্ম্যে যে কমতি নেই তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
May 1, 2026
উপন্যাসের প্লটে বিরাট একটি প্লটহোল আছে। চন্দ্রমোহন এর টাকা পয়সা নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছে, সাত আট কোটি টাকার কিছু ব্যবসা নয়; ব্যাংকে তার পনের হাজার টাকা আছে মাত্র। সেটি কেউই বুঝবে না? প্রসাদ তো উকিল সে কেন খোঁজ নিল না? আজব! জমিদার পরিবার, খোঁজখবর না নিয়ে একমাত্র মেয়ে বিয়ে দিয়ে দেবে?
পুরোপুরি সময় নষ্ট করেছি এটা পড়ে। এইসব বই এখনকার সময়ে পড়ার উপযুক্ত না। এটি কালজয়ী কোনো সাহিত্য না যে সব সময় পড়তে ভালো লাগবে।
Profile Image for Md. Rahat Khan.
50 reviews3 followers
July 15, 2025
সময়টা তৎকালীন সময়ের। সেজন্যই হয়তো কল্যাণীকে এমন পরিণতি মেনে নিতে হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ উপন্যাসের কাহিনী বিন্যাস এরকমটা হতো না নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। বাবা-মাকে লেখা কল্যাণীর একটা অদ্ভূত মমতামাখা আর্দ্র অনুভূতি মেশানো চিঠিটা পড়ে আবেগাক্রান্ত সহানুভূতি কাজ করে।
Profile Image for Mueed Mahtab.
402 reviews
July 9, 2025
অনেকদিন এরকম বই পড়িনি, এরকম বই এইসময়ে কেউ লিখতেও পারবেনা। শেষটা যেরকম আশা করেছিলাম সেরকম হয়নি, হায় কল্যাণী।
Profile Image for Tasfia Jaman.
20 reviews5 followers
June 9, 2026
I'm so so sorry but I can't tolerate this soap drama story line at all. I love you Jibanananda, your poems make me travel to my deepest core of consciousness but this novel just wasn’t it.
Profile Image for Sumaiya Nishi.
15 reviews
March 7, 2024
প্রথমে কল্যানীর উপর রাগ হচ্ছিলো, তার জেদকে মনে হচ্ছিলো গোড়ামি,নিতান্তই বাচ্চামি।
কিন্তু আমার মাথায় রাখা উচিত ছিলো, লেখকরা অনেক কলা কৌশল জানেন,পাঠকের মন মগজ নিয়ে ছলচাতুরী করতে পছন্দ করেন।
অগত্যা বইয়ের শেষটায় এসে নিজের উপর ই রাগ লাগলো!
কল্যানীর কল্যান হোক!
Profile Image for Zannat.
41 reviews18 followers
April 23, 2020
সবশেষে কল্যাণীর জন্য খারাপ লাগলো খুব 🙂
Displaying 1 - 11 of 12 reviews