শুরুটা শীর্ষেন্দীয় পান-ফান মার্কা হলেও এক সময় গিয়ে সবকিছু ছকে ফেলে দেওয়া যায়। বহু বছর ধরে আসলে এক লেখকের বই পড়া উচিৎ নয়। প্রত্যেক লেখকের মনে হয় লেখার একটা কোটা থাকে। সেই কোটা পার হয়ে গেলেই তারা নিজের আগের বই থেকেই পারমুটেশন কম্বিনেশন করে শব্দগুচ্ছ, বাক্য, মায় পুরো চরিত্রের সানন্দ কপিপেস্ট করে ফেলে, ধরা না খেলে তো হলো, আর সামান্য কিছু অদল বদল করে দিলে নিজের লেখার প্ল্যাগারিজমের দায় আর কে দিবে? বটুকবুড়োর চশমাও সে ধরনেরই একখানা জগাখিচুড়ি। একটা গ্রামের গল্প, তাতে একটা বনেদি বাড়ি, তার কিছু আধপাগলা ভালো লোক, অত্যন্ত অগুরুত্বপূর্ণ কিছু মহিলা চরিত্রও থাকবে, যা হয়তো বইয়ের মালমশলায় দেবার জন্য একটু খানির হলুদ গুড়োর চেয়ে বেশী জরুরী নয়! কিছু অদ্ভুতুড়ে ঘটনা, আর দুইএকটা মানবজাতি-সামগ্রিক পৃথিবী, আমাদের বদখেয়াল ইত্যাদি কিছু কাজকর্মের পরে গোঁজামিল দিয়ে বই শেষ! বইটা পড়ে শেষ পাতায় পৌঁছে আমার রীতিমতো দাঁত কিড়মিড় করছিলো, এই লোকই 'বনি', 'পাগলা সাহেবের কবর', 'বক্সার রতন' লিখেছেন? কিভাবে? ক্যাম্নে কী!