Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘ঘাটের কথা’ এক ব্যতিক্রমী জীবনদর্শনের দৃষ্টান্ত। এটি কেবল একক কোনো চরিত্রের জীবনকাহিনি নয়; বরং এক গভীর জীবনদর্শনের প্রতিফলন। গল্পটি একদিকে অন্তর্মুখী, নৈঃশব্দ্যের ভাষায় ব্যক্ত হওয়া মানবচরিত্রের অন্তর্লীন ব্যথার উপাখ্যান, আবার অন্যদিকে জীবনের অনিবার্য পরিবর্তনের কথা বলে।
“দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া।”
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন সাধু, যিনি নদীর ঘাটে বসে জীবনের পরিক্রমা প্রত্যক্ষ করেন। তাঁর দৃষ্টিতে আসে আগত-প্রস্থানকারী নানান মানুষ, তাঁদের সুখ-দুঃখের মিলন-বিচ্ছেদ। কিন্তু গল্প যত এগোয়, পাঠক উপলব্ধি করেন, এই সাধুর নিজের জীবনেও রয়েছে এক অপূর্ণতা, এক অপ্রকাশিত বেদনা। তিনি শুধু ঘাটের জলে প্রতিফলিত দৃশ্য দেখেন না, বরং নিজের অতীতকেও দেখেন, অনুভব করেন।
“ফিরে নাহি চাই, ফিরিতে যে পাই সে সুখ কোথায় বল।”
‘ঘাটের কথা’ মূলত বিচ্ছেদ এবং স্মৃতির গল্প। এটি একাধারে বাস্তবতার নির্মমতা ও অতীতের প্রতি আকর্ষণের এক সংমিশ্রণ। সাধুর চোখের সামনে দিয়ে নানান যাত্রীর আগমন ও প্রস্থান যেন তাঁর নিজেরই জীবনের প্রতিচ্ছবি। ঘাট, যে কিনা এক শাশ্বত প্রবাহমানতার প্রতীক, সেখানে এসে মানুষেরা কিছুক্ষণ দাঁড়ায়, বিশ্রাম নেয়, আবার চলতে থাকে। এই আসা-যাওয়ার চিরন্তন প্রবাহই যেন জীবনের মূল অর্থ বহন করে।
“তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা আসিলে গগনে ভেসে।”
গল্পের ভাষা অত্যন্ত সংযত, অথচ তা আবেগের অতল স্পর্শ করে। সাধুর নির্লিপ্ত চেহারার আড়ালে যে দীর্ঘশ্বাস লুকিয়ে আছে, সেটি পাঠকের মনে ধীরে ধীরে গভীর এক অনুভূতির জন্ম দেয়। রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য ছোটগল্পের মতোই এখানে চরিত্রের বাইরের গতিবিধি অপেক্ষা তার অন্তর্জগতের টানাপোড়েন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
“তবু মনে রেখো যদি দূরে যাই চলে।”
‘ঘাটের কথা’ রবীন্দ্রনাথের জীবনদর্শনের এক অনবদ্য প্রতিচ্ছবি। এটি আমাদের শেখায় যে জীবন এক প্রবাহ, যেখানে মানুষ আসে, চলে যায়, স্মৃতি রেখে যায়। গল্পটি পড়ার পর মনে হয়, জীবনকে আসলে ধরা যায় না, তাকে কেবল উপলব্ধি করা যায়। নদীর ঘাট যেমন বহমান, তেমনি জীবনও কখনো থেমে থাকে না, শুধুই প্রবাহিত হয়।
কুসুম কহিল, “তিনি আদেশ করিয়া গিয়াছেন তাঁহাকে ভুলিতে হইবে।” বলিয়া ধীরে ধীরে গঙ্গার জলে নামিল।
এতটুকু বেলা হইতে সে এই জলের ধারে কাটাইয়াছে, শ্রান্তির সময় এ জল যদি হাত বাড়াইয়া তাহাকে কোলে করিয়া না লইবে, তবে আর কে লইবে। চাঁদ অস্ত গেল, রাত্রি ঘোর অন্ধকার হইল। জলের শব্দ শুনিতে পাইলাম, আর কিছু বুঝিতে পারিলাম না। অন্ধকারে বাতাস হূহু করিতে লাগিল; পাছে তিলমাত্র কিছু দেখা যায় বলিয়া সে যেন ফুঁ দিয়া আকাশের তারাগুলিকে নিবাইয়া দিতে চায়।
আমার কোলে যে খেলা করিত সে আজ তাহার খেলা সমাপন করিয়া আমার কোল হইতে কোথায় সরিয়া গেল, জানিতে পারিলাম না।
The way Rabindranath describes the river ghat and the rest of the environment is very beautiful. Kusum's innocent behavior, her tender thoughts, her return home as a widow at a young age. And finally, her falling in love with the monk and being hurt and moving towards death. And I liked how all this was presented in the form of a story around the ghat. A story that leaves a mark on the mind.
This entire review has been hidden because of spoilers.
There's no surprise about the beauty that comes with Robi thakur's meticulous attention to details and his immersive writing style. But this story and the narrative voice is unlike anything I've read in short stories in a while!