Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
১/ যে চলিয়া যায় সে তো পশ্চাতে কিছু রাখিয়া যায় না।
২/ কে গো মা, আজি এই বিজন রাত্রে আমার বক্ষেও কি কেহ আশ্রয় লইতে আসে। তুই যাহার কাছ হইতে ফিরিয়া আসিলি সে কি আমার চেয়েও কঠিন। তুই যাহাকে ডাকিয়া সাড়া পাইলি না সে কি আমার চেয়েও মূক৷ তুই যাহার মুখের পানে চাইলি সে কি আমার চেয়েও অন্ধ।
৩/ গৃহই অতীতের জন্য শোক করে,বর্তমানের জন্য ভাবে, ভবিষ্যতের আশা-পথ চাহিয়া থাকে। কিন্তু পথ প্রতি বর্তমান নিমিষের শতসহস্র নূতন অভ্যাগতকে লইয়াই ব্যস্ত।
৪/ বাতাসের উপর বাতাস কী স্থায়ী হয়। না না, বৃথা চেষ্টা।
গল্পের প্রধান চরিত্র একটা রাজপথ । রাজপথ নিজের জবানীতে তার দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা করেছে। কে আসে কে যায়। কত মানুষ এই পথে হেটে যায় এসব। কত দুঃখ কত আনন্দ এই রাজপথের ওপরে। কেউ বলে যায় সুখের কথা কেউবা দুঃখের কথা। মনের সুখে কেউবা গেয়ে যায় তার ভালোবাসার কথা। তবে গানের পুরোটা রাজপথ শেষ করতে পারে না। গানের কিছু অংশ শুনতে পারে কিছু অংশ না শোনাই থেকে যায়। গানের বাকি অংশ শোনার জন্য অপেক্ষা করে কিন্তু বাকি অংশ আর শোনা হয়না।
এই রাজপথ দিয়ে কত মানুষ হেটে যায়, কেউবা গাড়িতে করে। গ্রীষ্মে ধুলাই একাকার আবার বর্ষায় এক হাটু জল। এত মানু্ষের ভিড়ে রাজপথ কাউকে কাউকে মনে রাখে। তাদের সাথে আবার দেখা হবে বলে অপেক্ষা করে। তেমনি একজন ছিল একটা মেয়ে। রাজপথের পাশ দিয়ে যে ছোট শাখা পথ বেরিয়ে গেছে সেখানে বট গাছের ছায়ায় একটা মেয়ে একটা ছেলে কত সময় কাটায়। সুখ দুঃখের কথা হয়। মাঝে মাঝে হাসির সুমধুর শব্দে মন আনন্দে ভরে ওঠে আবার দুঃখে ভারাক্রান্ত। এভাবে দিন কেটে যায়।
হঠাৎ একদিন মেয়েটা অনেক কান্নাকাটি করে। তার কান্নার জল রাজপথের মাটিকে শিক্ত করে চলে যায়। হয়তবা সেই ছেলেটা তাকে কষ্ট দিয়েছে। সেই যে মেয়েটা কান্নাকাটি করে চলে গেল এর পর আর কখনো সে এই রাজপথে আসেনি। রাজপথ অধীর আগ্রহ নিয়ে তার প্রতিক্ষা করে কিন্তু সে আর আসেনা।
মূলত রাজপথ নামক একটা জড় বস্তুর যে অনুভূতি তা প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন রবীন্দ্রনাথ।
প্রতিদিনের জীবনে আমরা কত রাস্তা দিয়েই তো হাঁটি। কত পথ পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌছাই। কখনো কি এক মিনিট সময় নিয়ে ভেবে দেখেছি এই একই পথ দিয়ে কত বছর, কত যুগ ধরে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করেছে? কত গল্পের শুরু হয়েছে বা কত গল্পের সমাপ্তি ঘটেছে? নাহ! কিন্তু এই রাজপথ আমাদের জীবনের ঘটনাবলীর সাক্ষী হয়ে একই জায়গায় নির্জীব পড়ে রয়েছে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি যেকোন পথে যাওয়ার সময়ের হিসাব করতাম গান দিয়ে। "এই পথ যেতে ২ টা গানের সমান সময় লাগবে," -এরকম। কখনো মাথায় আসেনি রাজপথগুলোও আমার সাথে গান শুনছে নাতো!
রাজপথের আবেগ অনুভূতি নিয়ে কেউ যদি লিখতে পারেন তাও সেই রবীন্দ্রনাথ। সত্যি বলতে কী প্রথমে লেখার ঢং দেখে হাসতে হাসতেই মারা যাচ্ছিলাম। খানিকবাদে বোধয় উপলব্ধি করতে পারি।
কী সুন্দর করেই না লিখলেন। রাজপথ সব গান বা সবার গান হয়তো গাইতে পারেনা। তবে কারো কারোটা গায়, কাউকে কাউকে মনে রাখে। কারো জন্য অপেক্ষাও করে। যেমন করে একটা মেয়ের আসবার অপেক্ষা করতো যে একদিন অনেক কান্নাকাটি করে চলে গিয়েছিল।
উনার মাথায় এসব আসতো কোত্থেকে? কী সুন্দর করেই না লিখেছেন।
‘রাজপথের কথা’ গল্পটি এক সাধারণ পথিকের দৃষ্টিকোণ থেকে রাজপথের পরিবর্তন, সমাজের রূপান্তর এবং মানবজীবনের ওঠাপড়ার কথা বলে। এই গল্পে নগর সভ্যতার প্রসার ও পরিবর্তনের ফলে কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনপ্রবাহ প্রভাবিত হয়, তার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। রাজপথ কেবলই একটি পথ নয়; এটি এক জীবন্ত ইতিহাসের বাহক, যেখানে মানুষের সুখ-দুঃখ, জয়-পরাজয়, আশা-নিরাশার কাহিনি লেখা হয়। গল্পটিতে রবি বাবু কেবলমাত্র শহরের রাজপথের কথা বলেননি, বরং তিনি এর মধ্য দিয়ে সময়ের স্রোতধারা, নগরজীবনের ক্রমবিকাশ, এবং মানবসমাজের রূপান্তরকেও ফুটিয়ে তুলেছেন। গল্পের অন্তর্নিহিত ভাব হলো, সময়ের সাথে সাথে সমাজ বদলায়, মানুষ বদলায়, কিন্তু কিছু মৌলিক অনুভূতি — যেমন স্মৃতি, নস্টালজিয়া, অতীতের প্রতি আকর্ষণ — সর্বদা মানুষের মনকে নাড়া দেয়। এই গল্প পাঠ করে মনে হয়, রাজপথ যেন এক নীরব সাক্ষী, যা যুগ যুগ ধরে মানুষের জীবনের পরিবর্তন, রাজনৈতিক উত্থান-পতন এবং সমাজের বিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছে। এই গল্পটি এক ধরনের প্রতীকী রচনা, যেখানে ইতিহাস, সমাজ, ও সভ্যতার মিশ্রণ ঘটেছে। পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দিন এই গল্প।
I may not have enjoyed reading this story as much as I did reading "Ghater Katha" the first time. Maybe I thought there would be another love story attached to this story. But still, reading it, I felt like I was talking to Raj Path, as if he was telling me his heart, telling me only.
"তুই যাহার কাছ হইতে ফিরিয়া আসিলি সে কি আমার চেয়েও কঠিন। তুই যাহাকে ডাকিয়া সাড়া পাইলি না সে কি আমার চেয়েও মূক। তুই যাহার মুখের পানে চাহিলি সে কি আমার চেয়েও অন্ধ।"