Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
গিন্নি গল্পের নায়ক আশুতোষ। একটু গোবেচারা ভালোমানুষ শিশুটি চালাকি জানে না। সংসারে অনেক গুরুজন চালাকচতুর, স্মার্ট বালকের প্রতি প্রশ্রয়প্রবণ হলেও শান্তশিষ্ট গোবেচারাদের ক্ষেত্রে হন কঠোর। শান্তভাবে তাদের চূড়ান্ত অসহায়তার প্রকাশ ঘটে, আর তাতে শিক্ষকের প্রতাপ জাহির হয় বাঁধভাঙা নিষ্ঠুরতায়। কখনও কখনও প্রহারের চেয়ে তির্যক মন্তব্য ও বিদ্রুপবাণী দুঃসহ যন্ত্রণা দেয়। আশুর ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটেছিল শিবনাথ পণ্ডিতের হাতে।
রবীন্দ্রনাথ এ গল্পটি লিখেছেন তাঁর নর্মাল স্কুলের স্মৃতি থেকে। এই বইয়ের চরিত্র আশুর মতো এখনো শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের দ্বারা বুলিংয়ের শিকার হয়। আমিও হয়েছি। শিক্ষকদের এমন আচরণ দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের মনে অনেকখানি প্রভাব ফেলে।গল্পে এই বিষয়টিই উঠে এসেছে। গল্প হিসেবে মোটামুটি ধরনের লাগল।
❝ মানুষ বস্তুর চেয়ে অবস্তুকে বেশি মূল্যবান জ্ঞান করে , সোনার চেয়ে বানি, প্রাণের চেয়ে মান এবং আপনার চেয়ে আপনার নামটাকে বড় মনে করে।❞ যথার্থই!
আমরা জগতের সব শান্ত, গোবেচারা, নরম মানুষদের উপরই আমাদের সকল কঠোরতা প্রদর্শিত করতে পারি, করি। তার দোষ থাকুক না থাকুক তাদের উপরই আমাদের নির্মম হতে ভালে লাগে, মনে জাগে পাশবিক শান্তি। অথচ জগতের নিয়ম হওয়া উচিত ছিল উল্টো।
শিক্ষক আমাদের সুশিক্ষা দেবেন, ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়ের বোধ জাগ্রত করবেন, সর্বপরি আমাদের মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা ও বিশ্বাস।
কিন্তু কিছু মানবসন্তান ঠিক কি উদ্দেশ্যে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন তা মোটেও বুঝতে পারি না। একটি শিশুমনকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়ার ক্ষমতা এদের থাকে এবং অনেকক্ষেত্রে করেও। আবার তাদের এ প্রতিভায় তারা গর্ববোধও করেন!
শিক্ষা দেয়া আর অপমান অপদস্ত করা যে এক ব্যাপার নয়, এতে যে শিশুদের মানসিক বিকাশে কি পরিমাণ বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এ কথা তাদের মাথায়ও আসে না।
ব্যক্তিগতভাবে নিজের শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রচুর শ্রদ্ধা ও সম্মান করলেও, ভিনগ্রহের এ শিক্ষক সম্প্রদায়কে ঠিক মন থেকেই ঘৃণা করি।
ছোট্ট একটি গল্প, অথচ কি নিদারুণ অনুভূতি সে ধারণ করেছে। গোবেচারা শান্তশিষ্ট ছেলে আশুতোষ। সবাই তো আর ডানপিটে হয় না, আশু ও তাদের একজন। এই নির্ভেজাল স্বভাবটি, বাড়ির বাড়তি খেয়ালটুকু আর পিঠাপিঠি ছোট্ট বোনের সঙ্গে একদিনের পুতুলের বিয়ে খেলা... ব্যাস! এই গুরু অপরাধে লঘু দন্ড দিলেন মাস্টারমশাই। একটা ঠাট্টাচ্ছলে দেয়া "ডাকনাম" কেমনভাবে বালককে মাধ্যাকর্ষণ বেগে নামিয়ে নিলো যেন ভূ-অভ্যন্তরে। খুব হালকা-চালে একটা মশকরা, অথচ ওটুকু বালকের জন্য তা কতখানি অপমানকর, আহা গুরুজনেরা যদি জানতেন!
রবী ঠাকুর বলেই সম্ভবত একটা ছোট গল্পের রেশও এতখানি তীব্র হয়। আর ব্যাপারটা খানিকটা কমন পড়ে যাওয়াতে আরো গহীনে গেঁথে গেছে "গিন্নী"। একটু বাড়তি লাজুক স্বভাব আর মায়ের আগলে রাখবার স্নেহ লুকোবার বালকের যে নিতান্ত অপ্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা তা এ বয়সে এসে ঢের টের পেলেও, ওই বয়সের বিভীষিকা আঁচ করতে পারি গল্পটুকুর পরতে পরতে। অন্তর্মুখী মানুষগুলো রেহাই পাক, গুরুকূল থেকেই জন্ম নেয়া শেমিং আর কত?
রবী ঠাকুর রচিত এই গল্পটি প্রথমে পড়ে খুব সাধারণ গল্প মনে হলেও যখন বুঝতে পারলাম এটা হয়তো তাঁর জীবনের ঘটনা অবলম্বনে লেখা তখন বিশেষ চমক খেলাম আর তাঁর স্কুল ছেড়ে দেওয়ার কারণ আলাদাভাবে উপলব্ধি করলাম । গল্পটির গুরুত্ত তাই অনেকখানি বেড়ে গেল ।