Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
পরাজিত শাহ সুজা আওরঙ্গজেবের ভয়ে পালিয়ে আরাকান রাজ্যে অবস্থান গ্রহণ করেন। সঙ্গে তিন সুন্দরী কন্যা। আরাকান রাজ্যের রাজার ইচ্ছা হয় তার পুত্রদের সাথে সুজার কন্যাদের বিবাহ দিবেন। কিন্তু এ প্রস্তাব সুজা ফিরিয়া দিলেন। তাই আরাকান রাজ্যের রাজা কৌশলে নদীতে নৌকা ডুবিয়ে তিন কন্যাসহ সুজাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে।সেই ষড়যন্ত্রে সুজা এবং তার জ্যেষ্ঠ কন্যা মৃত্যুবরণ করেন।কিন্তু মেজ মেয়ে জুলিখাকে নিয়ে বিশ্বস্ত সহোচর রহমত আলী সাঁতার দিয়ে পালিয়ে যায়। ছোট মেয়ে আমিনাকে শাহ সুজা নিজ হাতে নদীতে ভাসিয়ে দেয়। আমিনা খরস্রোতে ভাসতে ভাসতে এক জেলের জালে আটকা পড়ে এবং বেঁচে যায়। জেলের ঘরেরই তিন্নি নামে বড় হতে থাকে আমিনা।
বহু বছর পরে ঐ রাজার মৃত্যু হয় এবং তার পুত্র নতুন রাজা হিসেবে সিংহাসনে বসেন। অন্যদিকে অনেক কষ্টের বিনিময়ে আমিনার সন্ধান খুজে পায় জুলিখা এবং দুই বোন পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রতিশ্রতিবদ্ধ হয়। এদিকে এক গ্রাম্য যুবক দালিয়া, প্রতিদিন জেলের ঘরে অসিয়া থাকে । সে নানাভাবে আমিনাকে সাহায্য এবং জ্বালাতন করে থাকে।ঠিক তেমনটি একদিন হুট করিয়া আসিয়া জুলিখাকে তিন্নি(আমিনা) মনে করিয়া চোখ টিপিয়া ধরে। এবং কিছুক্ষনের মধ্যে তার এই অনুভূতি হয়, সে মস্তবড় একটি অপরাধ করিয়া বসে আছে। জুলিখা তাহার সাথে চিৎকার চেঁচামেচিতে লিপ্ত হইয়া জিজ্ঞেস করে এতটা সাহস কি করে হয় শুনি। যুবক কহে - "চোখ টিপিতে তো খুব বেশি সাহসের দরকার হয় না ; বিশেষত পূর্বের অভ্যেস থাকিলে।" আমিনা সস্থানে হাজির হইয়া সবকিছু শুনিয়া দালিয়াকে শাসন করিল এবং বোন জুলিখাকে ঘরের অন্দমহলে নিয়া গেলো। জুলিখা ক্ষীপ্ত সরে বলিলো এভাবে শাসন করিলে কিছুই হইবে না। প্রতিউত্তর হিসেবে আমিনা অনেক কিছুই বললো। যার সারসংক্ষেপ এমন ধারায় যে 'যুবকটি আমিনার একটি বড় সাধের পোষা হরিণ, এখনও তাহার বন্য সভাব দূর হয় নাই। ইহাকে লইয়া কী করিবে তাহা এখনও বুজিয়া উঠিতে পারে নাই। তারে যে সে শাসন করিতে পারে না। শাসন করিলে যদি ভয় পাইয়া নিরুদ্দেশ হয়, এই আশংকায় একটু কম করিয়া শাসন করে। ঘরের আড়ালে দারাইয়া সব কিছু শোনার পর দালিয়ার এই উপলব্ধি হলো যে 'নদীর যেমন এক দিকে স্রোত এবং আর - এক দিকে কূল, রমনীর সেইরূপ হৃদয়াবেগ এবং লোকলজ্জা।'
জুলিখার চোখে প্রতিশোধের আগুন, অন্যদিকে আমিনা পড়ে যায় টানাপোড়েনে। তিন্নি(আমিনা) চায় দালিয়ার সাথে হারিয়ে যেতে। বোন জুলিখা চায় আমিনার মধ্যে রাজরক্তের উন্মোচন ঘটাতে। এই সব কিছুই দালিয়া জানিতে এবং বুঝিতে পারিল। কিন্তু তাহাদের সাথে সকৌতুকে হাসিতেন।এরই মধ্যে খবর আসে রাজা তিন্নিকে (আমিনাকে) দূর থেকে দেখে মুগ্ধ হয় এবং বিবাহ করতে চায়। জুলিখার কাছে এটাই বড় সুযোগ। আমিনাকে বিবাহের জন্য প্রস্তুত করে এবং সুযোগ বুঝে রাজাকে হত্যা করার মাধ্যমে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিবে। এদিকে আমিনা দালিয়ার মুখের দিকে চাহিয়া কহিল, " জানো দালিয়া? - আমি রাজবধূ হইতে যাইতেছি"। দালিয়া হাসিয়া বলিলো, "সে তো বেশিক্ষনের জন্য নয়, রাজাকে হত্যা করিয়া ফিরিয়া আসিবে "। আমিনা দালিয়াকে আর একটু সচেতন করিয়া তুলিবার জন্য কহিল,"রাজাকে মারিয়া আমি কি আর ফিরিতে পারিবো?"। দালিয়া একটু ভাবিয়া কহিলো " ফেরা কঠিন বটে"। আমিনা রাগ করিয়া জুলেখাকে বলে দিলো "দিদি আমি প্রস্তুত আছি"। এই কথা বলিয়া সে মনে মনে ভাবিলো " নব প্রেমের বৃন্ত হইতে ছিন্ন করিয়া এই ফুটন্ত ফুলটিকে কোন রক্তস্রোতে ভাসাইতে যাইতেছি আমি জানি না"। আমিনা দালিয়ার প্রেম বিসর্জন দিয়ে দিল। সেদিনকার পর থেকে জেলের বাড়ি দালিয়া আর আসিলো না । আমিনার অনেক দুঃখ হইতে লাগিল। সে ভাবিলো "দালিয়ার সেই যে হাসিতো তাহার ভিতর কি অভিমানের জ্বালা প্রচ্ছন্ন ছিল?। আমিনা বুঝিয়া উঠিতে পারিল না।
অবশেষে সব জল্পনা কল্পনা শেষ হইয়্যা রাজার সাথে আমিনার বিবাহ হইলো। রাজাকে হত্যার পরিকল্পনা অনুযায়ী জুলিখা আমিনাকে নিয়ে বাসর ঘরে প্রবেশ করিল।রাজবেশ পরিয়া ঘরের মাঝখানে রাজা বসিয়া ছিল। জুলিখা রাজার নিকটবর্তী হইয়্যা দেখিল, রাজা নিঃশব্দে সকৌতুকে হাসিতেছে। জুলিখা দেখিবা মাত্র বলিয়া উঠিল " দালিয়া " । আমিনা শুনিবা মাত্র মূর্ছিত হইয়্যা পরিয়া গেলো। সচেতন হওয়ার পর শুধু চাহিয়া রইলো, আর দেখিল এ তো রাজা না- এ তো তারই ভালোবাসা দালিয়া।
This entire review has been hidden because of spoilers.
শাহ সু জার ৩ কন্যা থাকিয়া ২ কন্যা আরকানেই ছদ্মবেশে রহিয়াছিলো, একসময় দুই বোন একত্রিত হইবার পর তাহারা আরাকান রাজ্যের রাজার বক্ষে খঞ্জর বসাইয়া প্রতিশোধ নিবার পণ করিলো...।
..ছুরিও তাহার খাপের মধ্য হইতে একটুখানি মুখ বাহির করিয়া এই রঙ্গ দেখিয়া ঝিকমিক করিয়া হাসিতে লাগিলো...।