তূণীর লিখতে চেয়েছিল গল্পের উপন্যাস। যে তূণীর আরশোলার হাসি শুনতে পায়। কাহিনিবৃত্ত অত্যন্ত ঠাসবুনোট এবং কৌতূহলোদ্দীপক। সনত্শেখর, তাঁর ছোটভাই সুধাংশুশেখর, আশালতা, প্রতিমা, অম্বরীশ, আনমনা- প্রতিটি চরিত্রই অসাধারণ। শিখা, মশলামাসি, লছমনরা প্রত্যেকেই কমবেশি কাহিনির নিজস্বতা অর্জনে সহায়ক। লেখক সামান্য ইঙ্গিত থেকেই ব্যক্তিবিশেষের বহুমাত্রিক ছবি এঁকেছেন। কলকাতা, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক জুড়ে এই উপন্যাসের বর্ণাঢ্য প্রেক্ষাপট। কাঠামোটি বাংলা উপন্যাসের পরিচিত ধাঁচের চেয়ে একটু আলাদা। তূণীর লিখতে চেয়েছিল গল্প, এমন এক-একটি গল্প, যেগুলিতে তার পরিবারের মানুষেরা স্বকীয়তায় প্রকাশ পাবেন। আর প্রতিটি আলাদা গল্প একসঙ্গে মিলেমিশে হয়ে উঠবে একটি বৃহত্ জীবনকথা, একটি উপন্যাস। জীবনের বিচিত্র চালচিত্র এই উপন্যাসের শক্তি।
সঞ্জয় দাশগুপ্ত-র জন্ম ২৯ মার্চ ১৯৬৬, কলকাতায়। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক। পেশায় ছিলেন Business Standard-এর সাংবাদিক। তারপর বিদেশি সংবাদসংস্থায় চাকরি নিয়ে প্রবাসী। বর্তমানে লন্ডনে সাংবাদিকতা করেন। থাকেন লন্ডনের উপকণ্ঠে ছায়া ঘেরা একটি গ্রাম-শহরে। পৃথিবীর বহু দেশ ঘুরেছেন। ভারতীয় রাগসংগীত এবং পাশ্চাত্য মার্গসংগীতের একাগ্র শ্রোতা। আছে বই পড়ার নেশা। ইংরেজিতে প্রথম উপন্যাস Other Lives, Other Fragments পাঠক মহলে সমাদৃত।‘মৃত্তিকা ও মৃন্ময়ী’ তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস।