ফ্ল্যাপের কথাঃ শাফিনা আরও জোরে চেপে ধরে মেয়েকে। অনেকক্ষণ পর দুজনে ঘুমাতে যায়। বাইরে জোছনার আলো আরও ফকফকে হয়। চাঁদ হেলে পড়ে পশ্চিমে। পুরো পৃথিবী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায়। শুধু দুটি প্রাণীর চোখে ঘুম নেই। তারা জেগে থাকে আর ভাবে আজকের রাতের কথা। কোজাগরী এই রাতে চন্দ্রাহত হবার কথা মনে পড়ে বার বার। বাইরে বাতাস বয়ে যায়। শনশন শব্দের সেই বাতাস আসছে উত্তর দিক থেকে। শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে আসছে সে।
Javed Rasin (Bengali: জাবেদ রাসিন) is a Bangladeshi poet & fiction writer. He was born in Mymensingh but has raised in Dhaka from childhood. Javed completed his graduation & post-graduation in law from the University of Dhaka. He likes the charm of prosody and playing with words which fits into poetry. Shunno Pother Opekkhay (শূন্য পথের অপেক্ষায়) was his maiden published poetry.
Also the world of fiction, especially thriller & horror fiction fascinated him and he started writing in this genre. His first published thriller fiction novel was Blackgate (ব্ল্যাকগেট), co-authored with Tarim Fuad. His other works are horror novel Tomisra (তমিস্রা) & conspiracy novel Circle (সার্কেল). He continued to produce poetry and to work on fiction novels.
রাশিদ তার বাল্যকালের বন্ধু নোমানের আমন্ত্রণে সিলেটের হাওয়র অঞ্চলে যাচ্ছে জোৎস্নার দেখার জন্য। সাথে যাচ্ছে তার স্ত্রী শাফিনা ও ছেলে শিশির আর মেয়ে রিস্তি।
রাশিদ বেশ গুরুগম্ভীর মানুষ। কথা বলেন বেশ ভেবে চিন্তে। খুব শব্দ করে হাসেন না। সারাদিন কাজে ব্যাস্ত থাকেন। সকালে কাজে যান রাতে ফিরেন। পরিবার কে সময় দিতে পারেন না তেমন একটা। ছেলে মেয়ে লেখাপড়া নিয়ে থাকে। শাফিনা একাকিত্ব দূর করার জন্য ফেসবুক ব্যাবহার করে মাঝে মধ্যে। স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ততটা ভালো না। একই ছাঁদের নিচে থেকেও যেন অনেক দূরে। প্রায় রাতেই ঘুম ভেঙে যায়। তখন বারান্দায় বসে থাকেন। বুকের ভিতর চিন চিন একটা ব্যাথা অনুভব করেন তিনি। মাঝে মাঝে কিছু অতীত তাকে তাড়া করে বেড়ায়।ভাবেন ছেলে মেয়ে নিয়ে তিনি সুখে আছেন। নাকি সুখে থাকার অভিনয়?
তাহিরপুরের একমাত্র এমবিবিএস ডাক্তার মঞ্জু।রোগী দেখার ফাঁকে সে যে সময় পায় সেই সময়টা বই পড়ে কাটান। সবাই তাকে নাম দিয়েছে বই ডাক্তার। জাগতিক সব দুঃখ কষ্ট ভুলে থাকার জন্য বই এর জগতে সবসময় আনাগোনা করতে ভালো লাগে তার। মাঝে মাঝে তার অতীত তাকে তাড়া করে বেড়ায়।
মঞ্জু সাথে শাফিনার অতীতে একটা সম্পর্ক ছিল।আজ ১৭ বছর পর আবারও তাদের দেখা হতে যাচ্ছে!
আমি বলছিঃ- গল্পটা সাধারণ। খুবই সাধারণ। পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম এই বুঝি খুন হয়ে যায় কেউ। কারণ আমি বাতিঘর বলতে বুঝি থ্রিলার। বাতিঘরের নরওয়েজিয়ান উডের পর এবার পড়লাম চন্দ্রাহত যা থ্রিলার ছিল না।ভালো লেগেছে। তেমন কিছু আহামরি গল্পনা। কি হতে পারে তা বুঝা যাচ্ছিল তবু ভালো লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ভালোলাগেছে বর্তমান প্রেক্ষাপটে লেখে কিছু বিষয়।রিস্তি মতো চিন্তাভাবনা করে এমন মেয়ের সাথে আমার পরিচয় আছে। রিস্তি যেমন করে চিন্তা সেও ঠিক তেমন চিন্তা করে। আমার মনে হয় আমাদের দেশে রিস্তি মতো অনেক মেয়েই আছে।যদি রেটিং এক কথায় আসি তবে বইকে আমি ৫ এ ৪ দিব। কারণ আমি থ্রিলার বই এর আসা করে ছিলাম... 😛
বই থেকেঃ- পুরো পৃথিবী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায়। শুধু দুটি প্রাণীর ঘুম নেই কোন। তারা জেগে থাকে আর ভাবে আজকে রাতের কথা। কোজাগরী এই রাতে চন্দ্রাহত হবার কথা মনে পড়ে বারবার।
জাবেদ ভাইয়ের বস্তাপঁচা হররের সাথে আগেই পরিচয় ছিল। উনি যে এরথেকেও বাজে রোমান্টিক উপন্যাস লেখেন সেটা এই বইয়ের ওপর বাজে খরচ করে জানলাম। থ্রিলার পড়তে পড়তে হয়রান হয়ে যদি এই পুস্তকখানে হাতে নেন, ব্র্যাড পেইসলির গানের অনুকরণ করে নিজের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ট্রিগার চেপে দেবার খায়েস জাগতে পারে। আর জীবনের তরে হাওড় ঘুরে আসার ইচ্ছাও বেমালুম গায়েব হয়ে যাবে। পায়ে ধরি এরকম আর লেখবেন না, জাবেদ ভাই।
ei boi ki taka diye chapano? batighor ei bostapocha boi nij khoroche ber korse? kemne? deshe aro onek promising writer achen. Prokashok er proti onurodh, tader shujog din. er cheye kotigun bhalo lekha paben.