What do you think?


বাড়ি ফিরেনি একজোড়া চোখ বিমুগ্ধ বিষণ্ণতায়
কবি সোয়েব মাহমুদ। বিরহের উষ্ণতায় বাঁচিয়ে রাখেন ভালোবাসা। তার কবিতার শব্দেরা সব শানিত এক ছুরির ছদ্মবেশে কেটে যাচ্ছে হৃদয়ের আশপাশ। মাঝেমাঝে খুব অস্থিরতায় মন ডুবিয়ে দিয়ে কবিতার সমুদ্রে তোলেন ঝড়। কবির প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'রবীন্দ্রনাথ কখনওই এখানে চা খেতে আসেন নি' এবং 'আড়াইতলা সিঁড়িঘরে ব্যক্তিগত নিঃশ্বাস' পাঠকদের কাছে ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে।
বিদ্রোহ আর প্রেমকে একসাথে বুক পকেটে নিয়ে হাঁটা কবি সোয়েব মাহমুদের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ 'বাড়ি ফিরেনি একজোড়া চোখ বিমুগ্ধ বিষণ্ণতায়'।
রাকিবুল হায়দার
১৮ জানুয়ারি ২০১৭।
বিদ্রোহ আর প্রেমকে একসাথে বুক পকেটে নিয়ে হাঁটা কবি সোয়েব মাহমুদের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ 'বাড়ি ফিরেনি একজোড়া চোখ বিমুগ্ধ বিষণ্ণতায়'।
রাকিবুল হায়দার
১৮ জানুয়ারি ২০১৭।
108 pages, Hardcover
Published February 1, 2017
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 1 of 1 review
January 9, 2018
ব্যক্তিগতভাবে আমি যা ভাবি; একজন কবিকে একটামাত্র লাইনই বাঁচিয়ে রাখতে পারে। সেক্ষেত্রে, কবি সোয়েব মাহমুদের অসংখ্য 'একটামাত্র লাইন' আছে যার জন্য তিনি বেঁচে থাকবেন।
কবিতার সঠিক ভাবটা ধরতে পেরে তার রিভিউ লেখা আমার জন্য আদৌ সম্ভব নয়। তাই আমার ভালোলেগেছে এমন কিছু লাইন লিখে শেষ করি;
***
ভয় পাবেন না, আমরা জনপদের পোষা কবি।
ভয় পাবেন না, ভয় পাবার কিছু নেই।
কবিতা থেকে লোভী আঙুল সরাতে যারা এসেছিলো,
সবাইকে পাশে নিয়ে যে মিছিল শুরু হয়েছিলো যে উৎসব ছিলো শ্লোগানের
থামে গ্যাছে ফেব্রুয়ারির; শেষেই।
অগ্রাহ্য করে,
একটানা মুখবর্ষণে বাতিলের খাতায়, মেরে ফেলেছি সব।
ভয় পাবেন না, ভয় পাবার কিছু নেই।
মরে গ্যাছে নবারুন এবং রুদ্র।
ভয় পাবেন না, বেঁচে আছে পোষা কবি,
বেঁচে থাকে স্বৈরাচারকে তোষামোদ করা রাহমান; হয়ে রাষ্ট্রীয় কবি।
ভয় পাবেন না, আজ থেকে কবিতায় কোনও শব্দ আর আওয়াজ করছেনা।
***
ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠা অন্ধকারে, ঠোঁটে ছুঁয়ে তোমায়
খুলে খুলে পড়বো পবিত্র আদিম গ্রন্থরূপে।
***
বদলে যাওয়া তোমাকে আয়নায় দেখে
আমার জন্য আমার আজ বড্ড করুণা হয়।
***
স্তব্ধতার সময়ে রান্নাঘর থেকে রানুখালার অন্তর্বাস মুখে নিয়ে দৌড় দিয়েছে বিড়ালছানা।
***
তুমি আসার আগে আমার একটা জীবন ছিলো
তুমি আসার পর আমার একটা জীবন ছিলো
তুমি চলে যাবার পর আমার একটা জীবন হলো।
***
আমি তো বেছে নিতে পারতাম বাবার মতন ব্যাংকারের সুনিশ্চিত জীবন।
***
আমি ব্যস্ত হয়ে উঠি না মৃত্যু পরবর্তী আত্মহত্যায়।
***
শুয়ে আছি আমরা, পাশাপাশি অথচ স্পর্শহীন অনন্তরাত।
***
চোখের ভুলে ঠোঁট বলে দিয়েছিলো ভালোবাসি।
***
একদিন তোমার চোখ ভর্তি জলে, আমাদের কাপ ভর্তি সংসারে
ঠোঁটের নরমে ডুবে যাবে অন্ধকার।
সবার ভালোলাগা অবশ্যই একরকম নয়। সেক্ষেত্রে উপরিউক্ত লাইনগুলো আপনার ভালো নাও লাগতে পারে। তবে এটা বিশ্বাস করতে বলছি; বইটা পড়লে আপনার মূল্যবান সময়ের অপচয় ঘটবে না। ধন্যবাদ।
কবিতার সঠিক ভাবটা ধরতে পেরে তার রিভিউ লেখা আমার জন্য আদৌ সম্ভব নয়। তাই আমার ভালোলেগেছে এমন কিছু লাইন লিখে শেষ করি;
***
ভয় পাবেন না, আমরা জনপদের পোষা কবি।
ভয় পাবেন না, ভয় পাবার কিছু নেই।
কবিতা থেকে লোভী আঙুল সরাতে যারা এসেছিলো,
সবাইকে পাশে নিয়ে যে মিছিল শুরু হয়েছিলো যে উৎসব ছিলো শ্লোগানের
থামে গ্যাছে ফেব্রুয়ারির; শেষেই।
অগ্রাহ্য করে,
একটানা মুখবর্ষণে বাতিলের খাতায়, মেরে ফেলেছি সব।
ভয় পাবেন না, ভয় পাবার কিছু নেই।
মরে গ্যাছে নবারুন এবং রুদ্র।
ভয় পাবেন না, বেঁচে আছে পোষা কবি,
বেঁচে থাকে স্বৈরাচারকে তোষামোদ করা রাহমান; হয়ে রাষ্ট্রীয় কবি।
ভয় পাবেন না, আজ থেকে কবিতায় কোনও শব্দ আর আওয়াজ করছেনা।
***
ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠা অন্ধকারে, ঠোঁটে ছুঁয়ে তোমায়
খুলে খুলে পড়বো পবিত্র আদিম গ্রন্থরূপে।
***
বদলে যাওয়া তোমাকে আয়নায় দেখে
আমার জন্য আমার আজ বড্ড করুণা হয়।
***
স্তব্ধতার সময়ে রান্নাঘর থেকে রানুখালার অন্তর্বাস মুখে নিয়ে দৌড় দিয়েছে বিড়ালছানা।
***
তুমি আসার আগে আমার একটা জীবন ছিলো
তুমি আসার পর আমার একটা জীবন ছিলো
তুমি চলে যাবার পর আমার একটা জীবন হলো।
***
আমি তো বেছে নিতে পারতাম বাবার মতন ব্যাংকারের সুনিশ্চিত জীবন।
***
আমি ব্যস্ত হয়ে উঠি না মৃত্যু পরবর্তী আত্মহত্যায়।
***
শুয়ে আছি আমরা, পাশাপাশি অথচ স্পর্শহীন অনন্তরাত।
***
চোখের ভুলে ঠোঁট বলে দিয়েছিলো ভালোবাসি।
***
একদিন তোমার চোখ ভর্তি জলে, আমাদের কাপ ভর্তি সংসারে
ঠোঁটের নরমে ডুবে যাবে অন্ধকার।
সবার ভালোলাগা অবশ্যই একরকম নয়। সেক্ষেত্রে উপরিউক্ত লাইনগুলো আপনার ভালো নাও লাগতে পারে। তবে এটা বিশ্বাস করতে বলছি; বইটা পড়লে আপনার মূল্যবান সময়ের অপচয় ঘটবে না। ধন্যবাদ।
Displaying 1 - 1 of 1 review


