কোলকাতার রাস্তায় পাওয়া গেলো এক যুবতীর লাশ। বড় নির্মম সে মৃত্যু। কেঁচো খুড়তে সাপ নয়, যেন আস্ত এক ড্রাগন আবিষ্কার করে ফেললো ওসি অতিশ হালদার। ভারতের সমস্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক হুমকির মুখে। হুমকির মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ। তিন ভবঘুরে লম্পটের সাথে কি সম্পর্ক এ কেসের? আর এর সাথে জড়িয়ে এক গভীর ষড়যন্ত্র। ডাক পড়লো অমিতের, মানসিক অসুস্থতার কারণে সে নিজেই গত এক বছর ধরে সার্ভিসের বাইরে। আর এ যুদ্ধে কে বন্ধু আর কে শত্রু? নাকি অমিত আসলেই একা???
ছিমছাম কাহিনী। পুরোটা বই জুড়ে টানটান উত্তেজনা। শেষ হয়ে যাবে এক লহমাতেই। লেখকের থেকে আরও কাজ আশা করছি, যেখানে অনেক জায়গাতেই "অমিত অভিজান ১" বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে বইটিকে।
বেশ ভালো লাগলো। মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মত প্লট না রেখে অনেক সিম্পল প্লট নিয়ে কাজ করেছেন লেখক এবং তার উপস্থাপন বা পরিবেশন যা’ই বলুন, ভালো লেগেছে। বর্ণনাভঙ্গিও ভালো লেগেছে, জটিল বা কঠিন না করে অনেক সহজ সাবলীল ছিল। . শব্দচয়নও বেশ ভালো লেগেছে, অনেক সিম্পলভাবে অনেক সুন্দর করে সহজ সহজ শব্দগুলোকে বেছে নিয়েছেন লেখক। . সংলাপ, ক্যারেক্টারাইজেশন মোটামুটি লেগেছে। ওগুলাতে আরেকটু মনোযোগ দিলে আরো সুন্দরভাবে করা যেতো। . তারপরও একজন নতুন লেখকের প্রথম উপন্যাসিকা হিসেবে ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট যতটুকু করেছেন, তাও বেশ। . বইয়ের প্রথম অর্ধেকের দিকে বানান ভুল আছে কিছু কিছু যদিও তেমন চোখে পড়ার মত নয়। বিভিন্ন ঘটনার সাথে কাহিনীর যোগসূত্র মেলানোর জন্য যেই লজিকগুলো ব্যবহার করেছেন লেখক, সেগুলা মোটামুটি ছিল। আরো স্ট্রং হতে পারতো। . যা’ই হোক, লেখকের প্রথম বই হিসেবে প্রশংসা পাবার যোগ্য। আশা করি সামনে আরো ভালো ভালো লেখা পাবো লেখকের কাছ থেকে। আর যেহেতু এটি সিরিজের প্রথম বই সেই হিসেবে বলা যায় সিরিজের প্রথম বই একটু নরমাল টাইপেরই হয়, সিরিজের পরবর্তি বইয়ের ধামাকার জন্য অপেক্ষা করছি। শুভকামনা রইল লেখকের প্রতি।