প্রতিটি মানুষই সবকিছুর একটা নির্দিষ্ট ভান্ডার নিয়ে পৃথিবীতে আসে। সেই ভান্ডার শেষ হয়ে গেলে যেমন আর পাওয়া যাবে না। তেমনি শেষ না হলেও মৃত্যুর আগে যেভাবেই হোক শেষ হতে হবে। তাছাড়া মৃত্যু নেই।
মুগ্ধ তিতিরের দেখা হয়েছিল ভ্রমণপথে। হারিয়ে গিয়ে ঘটে রোমাঞ্চকর সব ঘটনা। অতঃপর গভীর প্রণয়। এরপর ভাঙনের দৈত্যের আবির্ভাবে দিশেহারা দুজনে! দুইপ্রান্তে ছিটকে পরা, হারানোর ভয়..
মাতাল আর ন্যাড়া দুই প্রকারের হয়,এক প্রকার মাতাল জাতে বেতাল হলেও তালে ঠিক হয়,আর ন্যাড়া একবার বেলতলায় যেয়ে শিক্ষা নেয়, উপরোক্ত দুই শ্রেণীর থেকে এখন নতুন এক শ্রেণীর উদ্ভাবন হয়েছে এরা মাতাল হয়ে টাল সামলাতে না পেরে ন্যাড়া হয়ে বেলতলায় যায় বারবারই যায়😏 লেখিকা বোধহয় পাঠকদের উক্ত বিভাগের অধিভুক্ত মনে করেছেন 😒না হলে এরকম অখাদ্য কিভাবে উনি মনে করেন লোকে রাজভোগ মনে করে গলাধঃকরণ করবে!!
প্রেমের অবশ্যই একটা আলাদা সৌন্দর্য অনুভূতি ভাষা আছে,এক একজনের কাছে এর অভিব্যক্তি এক এক রকম, কিন্তু আধুনিকতার নামে আপনি তো যাচ্ছেতাই গেলাতে পারেন না 😏 এতে বদহজম হয়.পাঠকদের মধ্যে ঐ জি জাহাঁপনা আপনার সব ঠিক ও যেমন আছে তেমনি এই ধরেন আমার মত কিছু কাঠখোট্টা কট্টর কিপটে বান্দাও ধরাতে বিদ্যমান যাদের শকুনির মত চোখ আর ভয়াবহ রকমের দোষ ধরা বাতিক আছে রন্ধ্রে রন্ধ্রে
শুধুমাত্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এমন নিখুঁত নিটোল বর্ননার জন্য একতারা দিলাম 😤 নাহলে আধুনিক লুতুপুতু প্রেমের নামে যা লিখেছেন তাতে আমার সাধ্য থাকলে এই বইয়ের প্রতিটি পাতা ব্ল্যাকহোলে পাঠায় দিতাম. It was enough of nonsense for this week 😣
আমার এক ফ্রেন্ড আছে। সে আমাকে কোত্থেকে খুঁজে খুঁজে অদ্ভুত সব বই রেকমেন্ড করে, আর আমি সেগুলো পড়ে ব্যাপক ক্রিঞ্জ খাই। বলা বাহুল্য, ক্রিঞ্জ খাওয়ানোর জন্যই সে আমাকে এসব বই দেয়। কতই আর ভালো-ভালো বই পড়বো। তো বেশ কয়েক মাস আগে আমার এই এক ফ্রেন্ড আমাকে বললো, "মামা, তোকে একটা মজার বই দিতেসি, পড়ে দেখ।" পড়াশুনার চাপে সেই বইটার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। হোয়াটসঅ্যাপের ফাইলে পিডিএফটা পড়েছিল। বেশ কয়েকদিন আগে 'বইপোকাদের আড্ডাখানা' গ্রুপটাতে এই বইটা নিয়ে বেশ হৈ-হুল্লোড় চলছিল। শত শত নেগেটিভ রিভিউ দেখে মনে হলো বইখানা আমার পড়ে দেখা উচিত। পড়ে দেখলাম, এবং বেশ হাসলাম৷ ইন্ডিয়ান ডেইলি সোপগুলোর মতন কাহিনী। আমি রিভিউ বেশি টানবো না, কারণ পড়ার পর আমার যা যা মনে হয়েছে তা অনেকেই লিখে ফেলেছেন৷ আমার বইটা বেশ খারাপই লেগেছে, লেখিকা অযথা টেনে লম্বা করেছেন। প্লট টুইস্ট নেই, অতিরিক্ত রসালো প্রেমের উপন্যাস, সদ্য প্রেমে পড়েছে এমন টিনেজার কিশোর-কিশোরীর কাছে ভালো লাগতেও পারে। কিন্তু আমার হাসি পেয়েছে।
অনেকে বলেছেন যে এখানে নাফাখুমের বর্ণনা ঠিকমতো দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমি নাফাখুমে যাইনি, তাই এটা সম্পর্কে কোনো ধারণা আমার নেই।
কিন্তু একটা ব্যাপার বুঝলাম না, নায়িকার বাসায় এত কড়াকড়ি, তবুও সে কীভাবে নায়কের সাথে দুই-তিনদিনের জন্য সিলেটে চলে গেল ;-;
কোন বই নিয়ে খারাপ কথা বলতে গেলে আমার কেন জানি অনেক কষ্ট হয়।এটা নিয়েও তাই কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না।সৌমেন এর কাছ থেকে এটার কপি যোগাড় করেছিলাম জিনিসটা কি তা দেখার জন্য।সত্যি কথা বলতে আমি পড়তে গিয়ে কিছু কিছু জায়গায় কেঁদে দিয়েছি।কেঁদেছি বর্তমান বাংলা সাহিত্যের দুঃসময়ের কথা ভেবে! আমি এমন হাজার হাজার বই পড়েছি যাদের ইন্টিমেট সিনের কাছে এই বইটার সিনগুলো কিছুই না।বাট তার পরও কিছু কিছু সিন বেশ বিশ্রী লেগেছে। চাকমা টাইপ চেহারা হলেও খুব সুন্দর কুকুরকে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু ছেলেদের না এই টাইপের sexist আর racist কথাতে বেশ বিরক্ত হয়েছি। এই যুগেও একজন মহিলা যে মেকআপ কে আটা ময়দা সম্বোধন করতে পারেন তা আমার চিন্তার বাইরে ছিল। এবার আসি তিতির এর লোমপ্রীতির দিকে।আচ্ছা বাবা বুঝলাম তোমার ছেলেদের লোম বেশ ভালো লাগে।তাই বলে সেটাতো বারবার লিখতে হবে না!বহুত গা গুলাচ্ছিল পড়তে!
এমন থার্ডগ্রেড লেখা আর সিনেম্যাটিক অতিরঞ্জিত গল্প যাদের ভালো লেগেছে,তাদের জন্য আমার বুকভরা সমবেদনা
একটা ফেসবুক পোস্টে দেখেছিলাম কেউ একজন বইটা পড়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে, "কেউ আমাকে ট্যুরে নিয়ে যাও😍"
নিছক ভ্রমণ কাহিনী ভেবে শুরু করি পড়া..
কাহিনী পড়ে মুগ্ধ হতে হয়। কী অসাধারণ লেখনী! যেকোনো পাঠকই বান্দরবানের (১বছর আগে পড়ায় জায়গার নাম মনে পড়ছে না)উপস্থিত থেকে তার সৌন্দর্য অবগাহনের অনুভুতি পাবে। কাহিনী এগোনোর সাথে সাথে পাঠক সার্থক এক রোমান্স নভেল পড়ার স্বাদ পেয়ে তৃপ্ত হবে!
উপন্যাসের পাঁচটি উপাদান থাকে। ১. প্লট ২. বর্ণনারীতি ৩. স্থান ৪. সংলাপ ৫. জীবনদর্শন
কাহিনী যত এগিয়েছে আমরা লেখিকার জীবনদর্শনের পরিচয় পেয়েছি। কি সুন্দর করে অসাধারণ নৈপুণ্যের সাথে তিনি সাহিত্যের মোড়কে তার জঘন্য দর্শন ফুটিয়ে তুলেছেন।
তিতিরের মুখে আমরা অনেকবার শুনেছি বিস্ময়ে আবেগে, "মুগ্ধ এতো ভালো কেন!!"। ইয়েস! মুগ্ধের মতো ভালো বফ হতেই পারে না! সে তার প্রেমিকার পরিবারের অনুমতি মিলেনি বিধায় অপেক্ষা করেছে অনুমতি পেলে বিয়ের। তয় বিয়েটা কাগজে কলমেই বাকি ছিল। প্রেমিকাকে নিয়ে তার বাড়িতে বউ বানিয়ে রেখেছেন! হোটেলে গিয়েছেন, ******লেছেন, শুধু তিতিরের ভার্জিনিটিতে তিনি হাত দেন নি!! তো এই হলো আদর্শ প্রেমিক মুগ্ধ!
আচ্ছা আমাদের সমাজে কী অশ্লীলতার খুব কমতি আছে? বইয়ের সার্থকতা তার বিক্রি বা টাকাটাই নয়। বই পড়ে যদি আমাদের চিন্তা ভাবনা আরো বিকৃত হয় তাহলে বই পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করাই শ্রেয়।
পুরো উপন্যাসে কোনো একটা.. একটা চরিত্রের মাঝে আমরা উন্নত বা সামান্যতম মূল্যবোধের পরিচয় পাইনি। (তিতিরের বাবা-মা ই আমার কাছে যা একটু লেগেছে। )
যেসব পাঠকেরা এই বইয়ের মুগ্ধে মুগ্ধ তাদের কথা ভাবি! কত জঘন্য ফ্যান্টাসিই না তাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ! এই তিতিরেরা আজ বাবা-মার বাধা মানবে না। স্বাধীনতার স্বাদ নিতে তাদেরকে শত্রু মনে করবে। মুগ্ধর মা তাদের আদর্শ হবে, তিতিরেরা মায়েরা পিয়ারকে দুশমান!!
বিবাহিত কাপলের মত সবকিছু করিয়ে ( Correction: Titir's virginity was intact 💯) শুধু মাত্র পরিবারের সম্মতির জন্য দুই কপোত-কপোতির স্ট্রাগল দেখিয়ে আপনি চতুরভাবে এই জঘন্য বইটার জন্য পাঠকের রায় আপনার অনুকূলে নিয়ে নিজেকে সার্থক ভাবা আপনার উচিত হবে না।
আমার আর কিছু বলার ভাষাই নেই!! ইনফ্যাক্ট, ভাষা জানা নেই 😑কারণ বইটার অনুপাতে আমার ভাষা আমি নোংরা করতে পারি না।
জঘন্য জীবনভাবনা! জঘন্য!! 😑আজকের তরুণ সমাজের অধঃপতন এভাবেই হচ্ছে। এসব বিকৃত দর্শনের বই পড়ে নিজেদের যেন কলুষিত না করি।
This entire review has been hidden because of spoilers.
সত্যিই আমি চেষ্টা করেছিলাম। আমার রুচি এতটাই নিম্নমানের যে এত চেষ্টা করেও শেষ করতে পারিনি। পৃথিবীর সকল রিডার্স এর কাছে আমি আন্তরিক দুঃক্ষ প্রকাশ করছি!
লেখিকা অসাধারণ লিখেছেন হয়তো কিন্তু আমার কাছে রীতিমতো হাস্যকর লেগেছে তার প্রচেষ্টা। না ছিল চরিত্র চিত্রন, না ছিল সহ্য করার মত যৌক্তিক সংলাপ আর তেমনি ছিল দূর্বল গল্পের বুনন।
এক স্টার বই এর জন্য না। অনেক চেষ্টা করেছিলাম তার জন্য আমাকে এক স্টার!
বিভিন্ন গ্রুপে লেখিকার বইয়ের এত প্রশংসা দেখে ট্রাই করার ইচ্ছা হয়েছিল। হঠাৎ করে কোনো একটা বই ডাউনলোড করতে গিয়ে পাশে এই "প্রে-'মাতাল" বইটা পেলাম। তাই পড়ার সুযোগ হয়ে গেল। নাম একদম ঠিক আছে। নায়িকা ঘুমালেও মাতাল, জ্বরেও মাতাল মানে মাতাল হওয়ার মতো কিছু খাওয়ার আগেই মাতাল! Pre -মাতাল🐸🐸
শুরুর দিককার বান্দরবান যাত্রার কাহিনী দেখে ভাবলাম বোধহয় ভালোই হবে, তাই আর রিভিউ দেখতে ইচ্ছা করলো না। ১০০ পাতার পর গুড রিডসে এসে দেখলাম আসল কাহিনী।
বর্তমান সমাজের অস্বাভাবিক কাপলদের লুতুপুতু প্রেমের ডিটেইল্ড কাহিনী ,এত্ত বিশ্লেষণ!!!!! এর পরে আর ভালো করে পড়ার ধৈর্য্য পেলাম না। লাফিয়ে লাফিয়ে শেষ অধ্যায়ে গিয়ে দেখলাম এট লাস্ট এত কাহিনীর পরে এদের কি হয়। এর আগে তিনশোরও বেশি পেজের কোনো বই এত তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারি নি!
***এই বাস ভুল করে আমার স্টপেজে চলে এসেছিল।আর আমিও না দেখেই উঠে পড়েছিলাম😐
বেটার দ্যান অভিমানিনী। তবুও অতি আবেগ, অতি নাটকীয়তা, অতি প্রেম। লেখিকা ফিল্মি আবেগ ছাড়তে পারলে লেখায় আরো উন্নতি করতে পারবেন। বাস্তবতা থেকে আবেগ আর নাটকীয়তা অনেক বেশি! এই লেখিকার আপাতত আর কোনো বই নয়, এই সিদ্ধান্তে এসেছি।
সমস্যা হলো বর্তমানে কিছু লেখক-লেখিকার ফেসবুকে অদ্ভুত অন্ধ ফ্যানবেস তৈরি হয়েছে। মৌরি মরিয়ম এর ক্ষেত্রে এই ফ্যানবেস তিনি নিজেই ক্রিয়েট করেছেন 'মৌরি'স নভেলস' নামের ফেসবুক গ্রুপ ক্রিয়েট করে৷ সেখানে মানুষজন লেখকের নাম শুনতেই পাগল। বই বের না হতেই প্রি-অর্ডারের জোয়ার ডেকে আনে। বই পড়ার থেকে বইয়ের ফটোগ্রাফি হয় প্রচুর! লেখিকার "হৃদ মাঝারে রাখিব" বইটি প্রকাশ হওয়ার একমাসও হয় নি। তবে বইটি নিয়ে ইতিমধ্যে হাজারখানেক ফটোগ্রাফি হয়ে গেছে!
ফ্যানবেস থাকা কখনোই সমস্যা না। সমস্যা হলো অন্ধ ফ্যানবেসের। কারণ লেখক যাই লিখবে তারা বলবে "আপ্পি, ওয়াও!" লেখিকা নিজের লেখার ভুল ধরতে পারবেন না, উন্নতিও করতে পারবেন না। Superiority Complex এ ভুগতে শুরু করবেন।
ফেসবুকে হাইপ তোলা লেখকদের বই ভালো হবে এমনটা আমি আশা করি না। তবে গুডরিডসের রেটিং এর উপর আমার অগাধ বিশ্বাস। বিশাল হাইপ তোলা লেখক কিঙ্কর আহসানের বইগুলোর রেটিং ই প্রমাণ করে যে, গুডরিডস অন্ধ ভক্তদের দ্বারা চলে না। "প্রেমাতাল" আর "অভিমানিনী " এর রেটিং দেখে এই বিশ্বাসে নাড়া খেলাম।
আমি নিশ্চিত লেখিকা ছোটবেলায় প্রচুর হিন্দি সিরিয়াল দেখেছে, হয়ত এখনো দেখেন। আর গল্পে সেইসব অতি নাটকীয়তার প্রভাব স্পস্ট। যাইহোক, দূর ভবিষ্যতে লেখিকা এসব অতি আবেগীয় ফিল্মি লেখা বাদ দিয়ে ভিন্ন কন্সেপ্টে কোনো বই লিখলে তখন আবার মৌরি মরিয়মের লেখার সাথে সাক্ষাৎ হবে। ততদিন লেখিকার লেখার সাথে আলভিদা জানাই।
সাধারণত নতুন লেখকদের বই পড়তে গেলে প্রথমেই গুডরিডস এ একটু ঢুঁ মেরে নিই। লেখিকার অন্ধ কিছু ফ্যানবেজ আছে। যার ফলে গুডরিডসেও মোটামোটি ৪ এর কাছাকাছি রেটিং। অন্ধ ফ্যানবেজ থাকার সমস্যা হচ্ছে এরা রেটিং দিয়েই কেটে পরে, রিভিও দেয়াটা আর পারেনা। কিছুদিন ধরে ম্যান্টালি কিছুটা আনস্টেবল। দাঁতভাঙা কঠিন শব্দ আর হুমায়ূন পড়তে ইচ্ছে করছিলো না বলেই এটা ধরেছিলাম। পদফ এভেইলেবল! ৩৬০পেইজ! গতকালের না ঘুমানো আর আজ মিলে প্রায় ৪ঘন্টা নষ্ট।😞 প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনাটুকু ছাড়া বাকিটা আমার মনে হয়েছে লেখিকা তার আর তার বয়ফ্রেন্ডের কনভার্সেশন তুলে দিয়েছেন! কমপ্লিটলি সফট ১৮+, ১৪-১৮বছরের অকালপক্ব পোলাপানের জন্য এই লেখিকা পার্ফেক্ট আইডল। Idolatry বা false god এর প্রবলেম হচ্ছে আকাশে উঠতে উঠতে এরা একটা সময় হুট করে পরে যায়, এরপর আর উঠে দাঁড়ানোর এবিলিটি থাকে না। শুভকামনা আপনার জন্য। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয়টা হচ্ছে, এতো রোমান্টিকতা দেখালেও লেখিকা কিভাবে নূপুর আর চুড়ি নিয়ে আহ্লাদটুকু এড়িয়ে গেছেন সেটুকু আমার বোধগম্য হলো না। বিলিভ মি, যেই ছেলের নিজের গার্লফ্রেন্ডের চুড়ি আর নুপূরের প্রতি এক্সট্রা আকর্ষণ না থাকবে সেই ছেলে ঠিক ‘প্রেমিক' না। [বাইদাওয়ে যারা ১৮+ ট্যাগ দেখে পড়তে চাচ্ছেন, চুপিচাপি শুনেন পিডিএফ এভেইলেবল, লেখিকাই দিয়ে রেখেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত আশাহত হবেন কিনা সেটা না হয় আপাতত গোপনই থাক।]
এক তারা দিলাম কেবলমাত্র ভ্রমণ কাহিনী এর জন্য। এইটাই শুধু ভালো লাগসে আর এটার জন্যই বোধহয় বই টা শেষ করতে পারসি। বেশ আগে এই বইয়ের পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়া শুরু করসিলাম, হাইপ দেখে। আগাইতে পারি নাই। গুডরিডসে ঢুকে এই বই দেখে মনে পড়লো। তাই হসচ এক্সাম দিয়ে এসে এইটা পড়া শুরু করসি। পুরা একটা দিন আমার নষ্ট হইলো।
যেই পরিমান ক্রিঞ্জ খাইসি এইটা পড়ে......আশা করি নাই। লেখিকার কথায় কথায় "হুম" ব্যাবহার অতি জঘন্য লাগসে। তার সাথে কর্মকাণ্ডর বিস্তারিত বিবরন গুলো তো আছেই। ক্লাস সিক্সে পড়া কোনো মেয়ে নতুন নতুন প্রেমে পড়লে যদি গল্প লেখে তা যেমন হবে, এই লেখিকা তাই লিখসে। বুকের, পায়ের লোম দেখে কোন মেয়ে পাগল হয় আমার জানা নাই। সেল্ফ রেস্পেক্ট, কমন সেন্স লেফট দ্যা বুক । "দেখতে চাকমার মতো হলেও সুন্দর আছে" ভাইরেভাই রেসিজম। খুব চেষ্টা করসে মুগ্ধ কে মহান বানাইতে, ব্যর্থ হইসে। ১৭ বছরে আবার তিতির হসচ শেষ করে বাহ। লেখিকার শব্দ চয়নও খুবই বাজে (আমার নিজেরও বাজে কিন্তু আমি তো আর বই টই লিখতে যাচ্ছি না)। টেনে টেনে লেখা বড়ো করসে। যাইহোক শেষের দিকে ��সে খুব চাইসিলাম যেনো কোন একটা লিড মরে যায়। হলো না৷
বইয়ের প্রচ্ছদে নামের পাশে ১৮+ কথাটি লিখে দেওয়া ভালো ছিল। বইয়ে মাত্রাতিরিক্ত বিশ্লেষণের কোন প্রয়োজনটা ছিল? সাহিত্যের কোনো ছিঁটেফোঁটাও পাইনি এমন খোলামেলা আলোচনার কোনো কারণ দেখি না। বইয়ে শুধুমাত্র ভ্রমণ কাহিনীগুলো বাদে আর কিছুই ভালো লাগা তৈরি করেনি।
বাংলা সিনেমায় একটা যুগ ছিল যেটাকে অশ্লীল যুগ বলা হয়। লেখিকা সম্ভবত সেইসব সিনেমা দেখেই বড় হইছেন বা এই বই লিখছেন। বাংলা সিনেমার অখাদ্য কাহিনী আর বাংলা ১৮+ চটির এক গা গুলানো সংস্করণ হচ্ছে এই উপন্যাস।
এজন্যই শহীদুল্লাহ স্যার বলেছেন, আমি বেরসিক নই, আর্ট বুঝি। তাই বলে কি গণিকার উলঙ্গ অঙ্গভঙ্গিকে নাচ বলতে হবে? আমি সাহিত্যের স্বাধীনতা বুঝি, তাই বলে কি রসের বদলে প্রস্রাব বিক্রির লাইসেন্স দিতে হবে? তিনি বেচেঁ থাকলে কি বলতেন এই বই সম্পর্কে?
ওয়াক থু:!!! করুণা হয় তাদের উপর যারা এই বইকে ৫ স্টার দিছে। থু: থু:!!!
অনেকেই বলে এটা নাকি "চটি" কিন্তু তারা কীভাবে বলে জানি না!🙂 মুগ্ধ আর তিতিরের মধ্যে যে ভালোবাসাটুকু দেখেছিলাম তা আমার কাছে একটু বিরলই!কারণ মুগ্ধ একটু একগুঁয়ে,জেদী,চাপা স্বভাবের,রাগী আর অসভ্য হলেও তিতিরের কাছে ধরা দিয়েছিল অন্য রুপে! হ্যাঁ গল্পে অনেএএক ১৮+ কথাবার্তা আছে কিন্তু তাই বলে অপছন্দ না বরং সেটা একটা জনরা হিসেবেও নজর কেড়েছে।খালি ভাবি বইটা যে কবে কিনবো?!🥺
মুগ্ধর নাম শুনে তিতির পাখির সেই এক্সপ্রেশন টা এখনও মনে পড়ে!🙂
আসলে ওরা আস্ত একটা ভালোবাসা।কিন্তু আজও মুগ্ধর সেই কথাটাঃ "তুমি হয়তো আমার বা পাঁজরের হাড় নও!🙂" আজও কথাটা মনে পড়লে কেঁদে ফেলি।ইকরা কে নিয়ে ভীষণ ভয়ে ছিলাম কিন্তু লেখিকা নিজের কলমে যে পরিমাণ সাসপেন্স রেখেছে আমি বলে বোঝাতে পারবো না 🤐
সত্যি কথা বলতে মনে হচ্ছিল কোনো বাংলা সিনেমার কাহিনি পড়ছি। ঘুরতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া, ফ্যামিলির মেনে না নেওয়া। কোনো টিনেজারের হয়ত এই গল্প অনেক ভালো লাগবে। কিন্তু আমার সবই অতিরিক্ত লেগেছে। দুই স্টার দিলাম শুধু ভ্রমণ এর বর্ণনা গুলোর জন্য আর সেটা পড়ে আমার সেই জায়গা গুলো দেখতে যাওয়ার ইচ্ছে হওয়ার জন্য!
বাংলা সস্তা 'সিনেমা' বানানো যায় এমন উপন্যাস পরলাম। সিনেমা বানানোর সব উপকরণই এখানে বিদ্যমান। তবে, প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা বেশ ভাল ছিল, বোঝা যায় যে লেখক নিজে একজন ভ্রমণ প্রেমিক।
Title: প্রেমাতাল [ Lovesick ] ( 2 Stars for the Hills, 0 for the plot ) Rating: ★★☆☆☆
From the name, Prematal (which literally means "lovesick"), you'd expect a fiery, passionate, soul-wrenching love story, right? Wrong. What you actually get is a travel blog accidentally hijacked by an awkward teenage fantasy and sprinkled with tropes we’ve all outgrown.
This book was so hyped it infected my feed like a virus. People comparing it to classics. Classics, I repeat. Naturally, I had to see what the hell made this book worthy of breathing in the same space as real literature. Spoiler: it’s not.
---
The Setup
Our heroine is Titir, a 17-year-old who just graduated college (and no, I don’t know how that timeline works either). She joins a travel group going to the hills, hoping for an adventure.
Enter Mugdho, a guy who’s 8–9 years older than her (already a red flag). He's broody, slightly arrogant, and basically the local "I don’t talk much" type.
They don’t get along at first (because of course they don’t—it’s a cliché love story checklist after all). But suddenly, the group disappears, leaving Titir behind in her hotel. Travel agency? Trash. Management? Nonexistent. Trip? Wasted.
Who else gets left behind? Mugdho. Because obviously fate is working overtime with zero creativity.
---
The Journey
Now Mugdho, being an experienced traveler, tells Titir the next phase is dangerous. He suggests she turn back. Logical, right? But Titir, being the stereotypical I'm-not-like-other-girls heroine, insists on going forward.
So they go. Just the two of them. Cue forced proximity trope.
Surprisingly, this part was the book’s only saving grace. The natural descriptions? Stunning. Vivid. Peaceful. The author knows how to write landscapes better than love scenes, honestly. Mugdho talks about the difference between a tourist and a traveler, and for a second, I forgot I was reading a romance.
But of course, the author suddenly decides to go full Deshi Action Drama.
---
Cue the Ridiculousness
Enter robbers. Yes, actual bandits who apparently wait in the jungle just to attack girls. (Because subtle danger and tension would be too boring.)
Do we get an action scene? A thrilling chase? A clever escape?
Nope. Mugdho just hides with Titir, and somehow this makes him a hero. She’s impressed. Why? Because the bar for men is somewhere near sea level in this book, apparently.
---
Romance? What Romance?
There’s zero emotional connection built between them. Just some light sexual tension, awkward moments, and silence. But the moment they return to the city, literally seconds after saying goodbye, Mugdho suddenly has a brain glitch and decides: "I LOVE HER."
Except, guess what? No number, no address. The 2000s called and said “really?”
Both of them start looking for each other like it's some Bangladeshi version of Serendipity. They find each other. He confesses. End of tension. Beginning of even bigger mess.
---
The Plot Twist That Nobody Asked For
Titir introduces Mugdho to her family. Big mistake.
Because plot armor fails, and her brother recognizes Mugdho as a street thug who once beat the crap out of him. Suddenly Mugdho is branded a criminal. Zero marriage prospects. One giant misunderstanding. And just like that, we're back to square one.
---
Let me make it clear: This wasn’t a love story. This was a car crash of clichés, written on a landscape of beautiful hills and wasted potential. If you stripped this book of its “romance,” it would be a solid 4-star travel memoir. But sadly, the love story exists. And it’s so dumb, so frustrating, so painfully cliché that by the end, I was actively rooting for them to never end up together.
---
Where do I start?
So this half of the story is all about Titir and Mugdho’s earth-shattering, spine-twisting struggle to win over her family (because his family is apparently sipping tea and vibing). And listen—I don’t mind slow-burn love stories. I don’t even need plot twists. But if you're going to give me basic, at least don’t make it stupid.
---
Reasons why this story deserves a trophy for Worst Decisions in Fiction History:
1. Let’s faint at the most dramatic moment! While hiding from robbers (you know, actual criminals), Titir doesn’t fight, doesn’t panic—she faints. Because nothing says romance like dropping unconscious on a man in the middle of potential assault. Wow. Disney princess realness.
2. The Tent Scene™️ They’re camping, and there’s one tent. Mugdho, the "gentleman", steps outside to let her change. Sweet, right? Wrong. Because right after, he walks back in and changes in front of her. Sir, being a gentleman doesn’t mean not looking. It also means not flashing your junk in a shared tent. Pick a struggle.
3. Iqra, the walking pick-me mess This girl is Mugdho’s cousin and has a crush. That’s fine. But then she goes full madness: sexts him, shows up naked in his room. Girl, is your personality just skin? Obsession is not love, and nudity isn’t a love language.
4. Mugdho’s past relationships – red flag buffet Apparently, he’s had tons of exes. Why did he dump the last one? Because she wore lipstick, and he didn’t like kissing colored lips. I’m sorry, WHAT? How did we go from Tarzan to Lipstick Police?
5. Mugdho’s mom is... wild. She tells her son to “take” Titir forcefully if she doesn’t agree. Or, better yet, get her pregnant. You read that right. This is what we're calling "good parenting" now? And why is Iqra suddenly “sweet and innocent”? She was literally naked two scenes ago.
6. House arrest, but make it romantic? After the family finds out, Titir is apparently under strict rules: home and university only. Except somehow she magically attends a three-day trip, goes to his hometown, stays in a hotel, gets drunk on hill alcohol, bakes him a cake, and meets him every other day. Strictness? WHERE.
7. Titir’s logic? Missing. She keeps preaching about family blessings and how she won’t marry without it. Meanwhile, she’s busy ripping clothes, spending nights, getting physical every chance she gets. What’s the point of waiting for marriage if you’re already doing everything that comes after it? This isn’t traditional. This is just hypocrisy.
8. The dumbest plot move in the entire book Titir, in her genius brain, decides: “Let’s lie about being pregnant. Then they’ll marry me off to Mugdho!” Excuse me, WHAT? Girl, pregnancies are not fever. You can’t just pretend and walk away. Did she think her mom would just clap and say “Aww, how sweet”? No. In real life, they abort and force you to marry someone else. And when the lie falls apart, she STILL tells the doctor to tell her family she’s pregnant. HOW WILL YOU EXPLAIN THE MISSING BABY BUMP, EINSTEIN?
9. The breakup scene? Comedic trash. They break up because of family. Cry. Say they’ll never talk. Then call each other three hours later like nothing happened. Where is the block button? Where is the logic?
---
Characters? Oh, you mean the trash pile:
Titir – A walking, talking bad decision. Dumbest FL I’ve read in a long time. No growth, no self-respect, just straight-up disaster.
Mugdho – The king of ewww. Creepy energy. Red flag collector. For someone who travels so much, he really hasn’t learned anything from life.
Tanna – Trash. Sure, the story's garbage, but what he did was still worse.
Iqra – Pick-me behavior in HD. Desperate doesn’t even cover it.
Mugdho’s Mom – Sorry, but telling your son to impregnate someone to win her is not a mom move. It’s a villain origin story.
---
Anything good?
Yes. The travel descriptions. That’s it.
The author clearly loves the mountains and knows what real traveling looks like. You can tell this part was written from the heart. I even thought of my cousin, a traveler who glows when he talks about his adventures. Mugdho (the travel part, not the man) felt real.
If the book stuck to that, this could’ve been 4 stars. But the “romance” dragged it down like an anchor made of nonsense.
---
Final Verdict:
📍Want to read for the travel vibes? Sure. 📍Want a meaningful love story? Run. 📍Want to see the dumbest decision in romantic fiction? Be my guest. Otherwise, throw both Titir and Mugdho off a metaphorical mountain and save yourself the brain cells.
ভ্রমণ কাহিনীর অংশটুকু সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে। ট্যুরে গিয়ে মুগ্ধ-তিতিরের পরিচয় পর্ব আর তাদের খুনসুটিগুলো ভালোলাগা বাড়িয়ে দিয়েছে। লেখকের লেখা সাবলীল। একটানে পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল আমি নিজেই যেন ওদের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। যা কিছু, সব আমার চোখের সামনে ঘটছে। পরে সম্পর্কের টানাপোড়েন কিছুটা একঘেয়ে লেগেছে। পড়তে গিয়ে মুগ্ধ-তিতিরের উপর বিরক্ত লাগছিল খুব। তিতিরের বাবা-মায়ের উপর রাগ হচ্ছিল। বাবামায়েরা ছেলেদের প্রতি যে পক্ষপাতিত্ব করে, তাদের ছেলেই সবসময় ঠিক আর বাকিরা খারাপ, এমন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন খুব দরকার। কোনো অভিযোগ আসলে বাবামায়ের উচিত নিজ থেকেই দুই পক্ষকে যাচাই করা, এরপর সিদ্ধান্ত নেয়া। তান্না যেমন তাদের ছেলে, তেমনি তিতিরও তাদের মেয়ে। কেউ কোনো অংশে কম নয়। তবু ছেলে-মেয়ের প্রতি যে দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছি তাদের, সেটা খুব খারাপ লেগেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বাবামায়েদের এমন অন্ধ নীতির কারণে তান্নারা বদমাইশি করতে আরো বেশি সাহস পায়। আর তিতিরদেরও জীবন নষ্ট হয়। গল্পে নাহয় লেখক দেখিয়েছে মুগ্ধর বিয়ের ঠিক আগে তিতির পৌঁছে গেছে তার বাবাকে নিয়ে। বাস্তবে কী আদৌ এমন হয়? হতেও পারে, আবার নাও পারে। আবার এমনও হতে পারে তিতির পৌঁছেছে বিয়ের ঠিক পরেই। এই যে একটু উনিশ-বিশ ছেলেমেয়েদের জীবন উলটাপালটা করে দিতে পারে, এটা বাবামায়েদের অনুধাবন করা উচিত। এবং ছেলেমেয়েদের খেলনা না ভেবে তাদের ভাল চাইলে অবশ্যই এরকম অন্ধ নীতি অবলম্বন না করে কিংবা একাধারে ছেলেকে সাপোর্ট না করে ছেলেমেয়ে দুজনকেই সমান চোখে দেখা উচিত। যদি তিতিরের বাবা তান্নার কথায় সবকিছু বিচার না করে নিজে খতিয়ে দেখতেন, তাহলে কিন্তু তান্না ভয় পেয়ে যেত। সে বুঝত, সে ধরা পড়ে যাবে। কারণ সে যা করছিল সেটা অন্যায়। মুগ্ধদের বাসায় কে না কে আসছে, সেটা দেখার দায়িত্ব মুগ্ধর বাড়িওয়ালার। তান্না কেন এর মধ্যে জড়াবে? কেন এলাকার বখাটেদের সাথে অন্যের বাসায় গিয়ে চড়াও হবে। আমি মানছি মুগ্ধর বন্ধু কাজটা ঠিক করেনি। কিন্তু সেটা বিচার করার জন্য তাদের বাড়িওয়ালা আছে। খুব বেশি হলে তাকে অবজেকশন দেয়া যেতে পারে যে, এইসব ব্যাচেলর ভাড়াটিয়াদের তুলে দেন। তা না করে আরেকজনের বাসায় গিয়ে হামলা! ভাড়াটিয়াদের প্রাইভেসি নষ্ট করার অধিকার কী তান্নার? তান্নার বাবা যদি ছেলের এইসব কাজকর্ম সম্পর্কে অবহিত থাকতেন, তাহলে এর গ্যাঞ্জাম হত না। তিনি ছেলেকে ছেড়ে রেখেছেন খোলা ময়দানের মত। ছেলে কুকর্ম করে বেড়ালেও তার কান নড়ে না। এমনকি ছেলে যেখানে ঘরের বউকে বারবার এবরশন করাচ্ছে, অথচ বাবামা কিছুই টের পাচ্ছেন না। বাবার কথা বাদ দিলাম, তান্নার মায়ের তো উচিত ছিল এদিকটা খেয়াল রাখা। চোখ-কান খোলা রাখলেই কিন্তু একই বাসায় থেকে সবকিছু টের পাওয়া যায়। এই জিনিষগুলো খুবই বাস্তব আর লেখক এটা খুব ভালোভাবে তুলে এনেছেন বইয়ের পাতায়। একই সাথে, মুগ্ধর বাবামায়ের বন্ধুসুলভ দৃষ্টিভঙ্গিও তুলে এনেছেন ভালোভাবেই। ছেলেমেয়েদেরকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে বাবামায়ের এমন বন্ধুসুলভ আচরণ করা উচিত। তাতে করে ছেলেমেয়েরা সবকিছু শেয়ার করবে তাদের সাথে। কাউকে পিটিয়ে এলেও বাবামাকে বলবে। এবং বাবামা তখনই ছেলেকে বুঝিয়ে শুধরে দিতে পারবেন। এবং ছেলেমেয়েদের চাওয়া-পাওয়াকে নেগেটিভলি না নিয়ে সুন্দরমতো হ্যান্ডেল করতে পারবেন। এভাবেই ছেলেমেয়েদেরকে লালন-পালন করা উচিত। ভালো লেগেছে বইটা। তবে সম্পাদনার ব্যাপারে কমপ্লেইন আছে। প্রকাশক খুবই ধুরন্ধর। সে বই বিক্রি করে ব্যবসা করবে অথচ বইয়ের সম্পাদনা করতে টাকা খরচ করবে না। তার উচিত ছিল একজন প্রফেশনাল এডিটরকে দিয়ে বইটা ভালোভাবে সম্পাদনা করানো। যদিও এই দায়টা লেখকের না, তবু এই ভুল সম্পাদনা লেখকের উপরও নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। আশা করি, প্রকাশক এবং লেখক দুজনই এই দিকে একটু নজর রাখবেন।
বেশ কয়েকমাস আগে কেনা হলেও মিশ্র কিছু অনুভূতির কারণে বইটা পড়া হচ্ছিলো না, কিছুদিন আগেও পড়ার প্ল্যান ছিলো না।রাতে শুয়ে যখন দেখলাম মোবাইলেরও ডাটা শেষ সাথে ঘুমও আসছে না, তখনই অল্প কিছুক্ষন পড়লে হয়তো ঘুম আসবে এ চিন্তা নিয়েই বইটা পড়া শুরু করা।
বইটির লেখিকার নাম 'মৌরি মরিয়ম' ভদ্রমহিলা তার উপন্যাসে এত সুন্দর করে যাত্রাবিবরণীগুলো বর্ণনা করেছেন যার খানিকটা অংশ পড়ে দিন দুনিয়ার কথা ভুলে বইয়ে ডুব দেই। উনার লেখার মাঝে এতটাই মাদকতা বিরাজ করছিলো যে পড়ার সময় মনে হচ্ছিলো আমিও বুঝি 'তিতির' আর 'মুগ্ধ' এর সাথে থানচি যাচ্ছি যেখানে তারা পথের মাঝেই শহরের নানান সৌন্দর্যগুলো উপভোগ করছিলো।লেখিকার লেখনীর গুণে আমার কল্পনায়ও সে সৌন্দর্য আর মুহূর্তগুলো ধরা দিচ্ছিলো।বইটার বেস্ট পার্টই হচ্ছে এর প্রথম অংশটুকু যা পড়ে যে কেউ পড়ায় বুদ হয়ে থাকবে। বইয়ের প্রথম অংশটুকু যেটুকু শিহরণ তুলেছিলো মনে, তা তা আস্তে আস্তেই উতকণ্ঠায় পরিণত হতে থাকে। মাঝের অংশ থেকে যতই শেষের দিকে যাচ্ছিলাম ততোই চিন্তা হচ্ছিলো এর শেষ অংশটা নিয়ে। বার বার ভাবছিলাম শেষ অংশে না জানি কি ঘটে। মজা নস্ট হবে ভেবে শেষ পৃষ্ঠাগুলো খুলে পড়ারও ইচ্ছা হচ্ছিলো না।লেখিকার বর্ণনাগুলো এতই সুন্দর ছিলো পড়ার সময় বইয়ের কিছু পৃষ্ঠা একের অধিকবার পড়ে ফেলি।
বইটা নিয়ে বসি রাত ১২টার পর। লেখনীতে এতটাই মাদকতা ভর করছিলো যে বইটার যখন আর কিছুটা অংশ পড়ার বাকি তখন মোবাইলে ৫:৪০এর এলার্মে সময়ের ব্যাপারে হুশ আসে।বইটার রেশ এখনো মাথায় রয়ে গেছে।সমকালীন প্রেমের উপন্যাসের মাঝেই এটাই হয়তো আমার পড়া শেষ উপন্যাস।
এয়ারফোন কানে লাগিয়ে যদিও বইটা পড়ি নাই কিন্তু তারপরও যেহেতু ফুলের চাষাবাদ করি না তাই এয়ারফোনগুলারই শো অফ🤣 করে দিলাম।
আমার সচরাচর এধরনের রোমাঞ্চ বই পরা হয় না। এটাকে আপনি কিভাবে ক্যাটাগোরাইজড করবেন? অ্যাডভেঞ্চার নাকি রোমাঞ্চ? সে যাই হোক, শুরুটা এমন ভাবে হয়েছিলো যেনো এটা কোনো আধুনিক ছ্যাকা খাওয়া প্রেমের গল্প (ফেসবুক গ্রুপগুলোতে এসব অহরহ দেখতে পাওয়া যায়), ওসবে আমার ধৈর্য হয়না। কিন্তু তারপরেই মোড় নিলো এক রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার, ভালো লাগতে শুরু করল, তার জোড়েই ৩০৪ পেজের বইয়ের একটা একটা করে পাতা উল্টাতে থাকি। তারপর আবার শুরু হলো আবার তাদের ছ্যাকা খাওায়া প্রেমের ইতিহাস। লেখকের বর্ণনা করার ধরন আমার খবই ভালো লেগেছে। অনেক আনসেন্সরড সিচুয়েশন তিনি অনেক সহজ ভাষায় বর্ণনা করেছেন। লাভ স্টোরিটা আসলেই খুব খুব খুব ডিস্টারবিং ছিলো। তারপরও পাঠকের কৌতূহল ধরে রেখে চোখের অশ্রু ঝরাতেও সক্ষম ছিলো। এই গল্পে আমার কাছে একটা ব্যাপার ভালো লাগে নি আর সেটা হলো লেখক নিদ্রিষ্ট কিছু চরিত্রকে এমনভাবে কল্পনার রাজকুমার হি���েবে গড়েছেন যা কিছুটা অদ্ভুত লাগে। সবশেষে একটা কথা বলব যা আমার কাছে অদ্ভুত লেগেছে, লেখকের বর্ণনার ভঙ্গি, চরিত্রগুলোর ডায়ালগের মধ্যে সবসময় একটা আভাস দেওয়া ছিলো যে শেষে ঠিক কি ঘটবে আর ঘটলও তাই। কিছু ফিলিংস আরো রিয়েলিস্টিক হলে হজম করতে সুবিধা হতো।
ভ্রমণ কাহিনীটার বর্ণনা খুবই ভালো ছিলো। মনে হচ্ছিলো, আমিই যেন গল্পের চরিত্রদের সাথে ভ্রমণে চলে গেছি। আমার নিজেরই ট্যুরে যাওয়ার ইচ্ছা অনেক বেড়ে গেছে। গল্পটা পড়ে গল্পের মধ্যে একদম ডুবে গেছিলাম। শুরুর দিকটা অনেক ভালো ছিলো। কিন্তু তিতির আর মুগ্ধর মধ্যে প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে ন্যাকামি আর অশ্লীলতা একটু বেশিই ছিলো। বিয়ের আগেই তাদের মধ্যে হাসবেন্ড ওয়াইফের মতো সব কিছু ঘটেছিলো। মুগ্ধ শুধু ভার্জিনিটি নষ্ট না করে একদম সাধু হয়ে যায়নি। এসব বই বর্তমান জেনারেশনকে আরো অশ্লীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। আবেগের ছড়াছড়ি ছিলো অনেক। এই ধরনের বই ১৫-১৯ বয়সের ছেলেমেয়েদের অনেক ভালো লাগবে। কিন্তু বইটা তাদের উপকার না করে অশ্লীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। শুধু ভ্রমণের এবং আশেপাশের পরিবেশের সুন্দর বর্ণনার জন্য বইটা ভালো লেগেছে। তাই রেট ভালো দিলাম।
এক খাপছাড়া প্রেমের পাগলামির গল্প। নামটা থেকেই কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। রোমান্স, অ্যাডভেঞ্চার, আর ট্রাজেডি। আমার এই বই এর অ্যাডভেঞ্চার পার্ট টি সবচেয়ে ভালো লেগেছে। কারন রোমান্স অংশটা একটু বেশিই মাতলামি ছিলো। সবশেষে বলবো, খুবই উপভোগ করেছি।
প্লেবয় মুগ্ধ আর ন্যাকাকুইন তিতির গ্রুপ ট্যুরে যাচ্ছে পাহাড়ে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস গ্রুপের সবাই তাদের রেখেই চলে গেল! এত জনপ্রিয় ট্যুর ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ অথচ দুইজন মেম্বার ছাড়াই গেল এবং থানচিতে গিয়ে পৌঁছানোর পরেও তারা খেয়াল করলোনা যে আসলে দুইজন মেম্বার নেই। টুইস্ট ত অন্য জায়গায়। সাফি আর দোলা জানতো যে মুগ্ধ প্লেবয়। তাই তাকে প্ল্যান করেই তিতিরের সাথে রেখে গিয়েছিল। যা হবার তাই হলো। মুগ্ধ তার মুখের মধু দিয়ে পটিয়ে নিল তিতিরকে। সরি পটিয়ে নিল বলে ফেললাম, উলটো পটে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিল তিতির। তিতিরের পটে যাওয়ার বিশ্বাসযোগ্য কারণ হিসেবে গল্পে ভিলেনের ভূমিকা নিল একদল ডাকাত। ডাকাতের দাবড়ানি খেয়ে মুগ্ধর বুকে জায়গা করে নিল তিতিরপাখি। যতই আমরা চাচ্ছি মুগ্ধ আর তিতিরের মাঝে কিছু না হোক! তবুও যেন ভাগ্য তাদের একসাথে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। কটেজে রুম পাওয়া যায়না, যেখানে সেখানে রাত হয়ে যায় আর আমাদের প্রেমিক পুরুষ মুগ্ধ তিতিরকে পটানোর সুযোগ পায়। কয়েকদিনের ট্যুরেই দুইজন দুইজনকে শারীরিক মানসিক উভয় দিক থেকেই পটিয়ে নিয়েছে। যা ভাবছেন তা না, তারা অনেক সংযমী, এখনো কিছু করেনি।
ঘুরেটুরে ঢাকায় ফেরত চলে আসছে তারা। কিন্তু তাদের ত বান্দরবানে থেকে কামনা চরিতার্থ হয়নি। তাই আবার ঘুরতে যাওয়ার নাম করে তিতিরকে মুগ্ধর ফ্যামিলি বাসায় নিয়ে উঠে চট্টগ্রামে। মুগ্ধর ফ্যামিলির মতো ফ্যামিলি ঘরে ঘরে থাকলে আর লিটনের ফ্ল্যাট মার্কেট পেত না। যাইহোক সেখানেও কাবাব ভালোমত সিদ্ধ হল না। আবার গেল পাহাড়ে। সেখানে ত মুগ্ধ তিতিরকে স্বর্গে উড়িয়ে নিয়ে গেল। কীভাবে নিল তা বুঝতে পারলাম না তেমন একটা! কারণ পরেই আবার মুগ্ধ বলছে, তিতিরের বয়স ১৭ তাই ১৮+ কিছু বিয়ের আগে করবেনা। এই সেই করতে করতে কয়েক বছর চলে গেল। তিতিরের বাসায় মানবেনা। তাহলে কি তাদের মিলন হবেনা?
একটা বইতে ভালো-মন্দ উভয় দিকই থাকে। যে দিকটা বেশি থাকে আমরা বইটাকে সেদিকেই ভোট দিই। তবে এই বইটিতে একমাত্র কলমের কালি ছাড়া ভালো কিছু চোখে পড়েনি। অনেকেই বলেছেন বইটাতে নাকি প্রাকৃতিক দৃশ্যের অসাধারণ বর্ননা আছে। 'বাংলাদেশের প্রকৃতি' রচনাতেও এর চাইতে ভালো বর্ননা থাকে। বইটি মূলত সংলাপনির্ভর। অনেকটা ফেসবুকে চ্যাটিং এর মতো। কিন্তু সংলাপ নির্ভর বইতেও কাহিনী ভালোভাবে উপস্থাপন করা যায়। মুগ্ধ তার আগের প্রেমের কথা বলছে তখন তিতির কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে। আবার যখন বলছে সে প্রেমিকাদের সাথে কিছু করেনি তখন তিতির যেন হাঁপ ছেড়ে বেঁচে যাচ্ছে। মোটকথা মুগ্ধ মেয়ে পটাতে ওস্তাদ। এত এত মধুর কথা আর পুরনো প্রেমের সিমপ্যাথি নেওয়া, তিতিরের সামনে হিরো সাজা ইত্যাদি নিব্বি বালিকা তিতিরকে একেবারে ফিদা করে দিয়েছিল। তাই পরিচয়ের প্রথম দিনেই মুগ্ধ'র পায়ের লোম দেখেই তার শিহরণ বয়ে যায়।
যৌনতা মানবজীবনের অংশ। অশ্লীলতা আর যৌনতার পার্থক্য ততখানিই যতখানি তার স্থান বিবেচনায় উপস্থাপন। প্রয়োজন অনুযায়ী একটা মানানসই ব্যাপার আছে। প্রজনন মৌসুমে ত কুকুর-বিড়ালও কামড়াকামড়ি করে। এদিকে মুগ্ধ তিতির কামড়াকামড়ি ত করেই আবার সেগুলোর রগরগে বর্ননা দেন লেখিকা। সেই কামড়ের দাগ দেখলে আবার তাদের মধ্যে শিহরণ বয়ে যায়। মুগ্ধকে পছন্দ করে তার কাজিন ইকরা। এতটাই পছন্দ করে যে চড় খেয়েও নিজের জামাকাপড় খুলে মুগ্ধকে ডাকে ভোগ করতে। তিতির তাবুর ভেতর ড্রেস চেঞ্জ করে সেটা মুগ্ধ দেখতে চায়না তার বিবেকে বাঁধে বলে। অথচ একই তাবুর ভেতরে সে নিজের ড্রেস চেঞ্জ করে তিতিরের সামনে। তখন কি তার বিবেকে বাঁধলোনা?
পাহাড়ে গিয়ে প্রকৃতি দেখার চাইতে তিতিরকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোতেই বেশি আগ্রহ। আবার পাহাড়ে গিয়ে কয়বার কোলে নিয়ে ঘুরেছে সেসব বর্ননাতেও খুব আগ্রহ তাদের। অচেনা অপরিচিত মানুষের সাথে একদিনের পরিচয়ে এমন সব কথা বলে তা বখাটে ছেলেরাও বলবে কিনা সন্দেহ! আসলে এটাকে কারা এত ইতিবাচকভাবে জনপ্রিয় করলো? উত্তরটা সহজ, ফেসবুকের নিব্বি পাঠকরা। তিরি যেমন মুখের মধুতেই গলে যায়, সেসব বর্ননা পড়ে এই পাঠকেরাও গলে যায়। অন্ধভক্তগুলা মনে হয়না অন্য কোনো বই পড়ে। নাইলে এটাকে রোমান্টিক ভ্রমণকাহিনী বলার চাইতে ভ্রাম্যমাণ লুতুপুতুর বই বলা যায়। বইটা আমি কিনে পড়িনি। বইটা পড়েছি মূলত লেখিকার লেখার মান দেখতে। যারপরনাই হতাশ। প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে লেখা বইও একটা সাহিত্যকর্মের অংশ কিন্তু এখানে তার ছিটেফোটা নেই। হ্যাপি রিডিং।
একটা মানুষের মনে ঠিক কি পরিমাণ রসকষ থাকলে এরকম একটা বই লিখতে পারে!
আমি জানতাম, 'পুরুষ মানুষ বলতেই মাথা ভর্তি স্নাক্স'। কিন্তু আমাকে ভূল প্রমাণ করলেন আমার মৌরি খালা। তিনি আমাকে দেখালেন শুধু পুরুষ না নারীদেরও মস্তিষ্ক ভর্তি স্নাক্স থাকতে পারে। তবে গল্পের মুগ্ধ আর তিতিরের বান্দরবনের মফস্বলি থেকে নাফাখুম পৌঁছানোর এডভেঞ্চার আপনাকে অবশ্যই সুন্দর অনুভূতিতে গ্রাস করবে। এডভেঞ��চারটা পড়ে অবশ্যই মজা পাবেন; তবে ইটিসপিটিস সাইডে রেখে পড়বেন। এরপর ওরা ঢাকায় ফিরে আসার পর কিছুদিন এদিক-সেদিক প্রেম করে বেড়ায়। পরে একদিন হুট করেই চট্টগ্রামে মুগ্ধদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় মুগ্ধ আর তিতির। বাসের ভিতর ওদের কাহিনী আমার সহ্যসীমার বাইরে চলে যাওয়ায় আমি বইটা পড়ার রুচি হারিয়ে ফেলি। মোটামুটি আরও অর্ধেক বাকি ছিল পড়ার। কিন্তু মন টানে নি। আপনার মনে যদি অত্যাধিক রস থাকে তবে বইটা আপনি পড়ে দেখতে পারেন। জ্বি আমি বলছি মৌরি মরিয়মের লেখা 'প্রেমাতাল' বইটির কথা। কিন্তু আমি ভেবেই পাচ্ছি না একটা লেখিকা কিভাবে এমন একটা বইটা লিখলো, আর পাঠকই বা কিভাবে এটা নিয়ে এতোটা হাইপ ক্রিয়েট করলো! যদি রেটিং এক এর নিচে দেওয়ার উপায় থাকতো তাহলে আমি তা-ই করতাম। অখাদ্য লেখিকার অখাদ্য লেখা
আপনার হাতে যদি সারাদিন করার কিছুই না থাকে তাহলে এই বইটি আপনার জন্য।
কাহিনীর শুরুতেই হতাশার একটা ক্লান্তিকর গন্ধ। কেন এই হতাশা এটা জানান জন্য আপনি বইটা পড়া শুরু করবেন৷
শুরুর একটু পর, প্রধান দুই চরিত্র মুদ্ধ আর তিতিরের পরিচয়ের গল্প। ট্রাভেল দিয়ে গল্পের শুরু।মাঝে আবার ডাকাতও আসে।কিন্তু হিরোর বুদ্ধির জন্য বেঁচে যায়। এর পরের সব কাহিনীগুলো আমাদের জানা ঘটনা গুলোর মতোই। কোন একটা কারণে পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে নেয় না।মুদ্ধ আর তিতির একে অপরের জন্য অপেক্ষা করে। শেষে দুজনের ঠিকই মিল হয়।কিন্তু অন্য সব বাঙালি পরিববনের মতো ওনারাও একটু ঝামেলা করে আর কি! আর এই কাহিনীগুলোর মাঝেও উপ-কাহিনী গুলো মাঝের পর্বগুলোগে দেখা যাবে।
সমালোচনাঃ(এটা না পড়লেও চলবে) বইয়েন নাম দেখেই বুঝা যায় প্রেম কাহিনী। তারপরেও ঠিক ছিলো কিন্তু এই কাহিনী লিখলে এতো পেইজ কেন খরচ করা হয়েছে? বুঝলাম না। অনেক কষ্টে ১১ পর্ব পর্যন্ত পড়ার পর আর ধৈর্য্য পোলাম না পড়ার।কাহিনির দামের তুলনায় বইয়ের দাম অনেক বেশি।
This entire review has been hidden because of spoilers.