স্কুল কলেজের তুখোড় ছেলেটা/অপ্রতিরোধ্য মেয়েটা ভার্সিটিতে উঠতেই কোনো জানি চুপসে যায়।
হয়তো একটা কারণ থাকে- মেসের রান্না বাসার রান্নার মতো হয়না। পছন্দের সাবজেক্ট, পছন্দের ভার্সিটি না পাওয়া, ফ্যামিলি থেকে দূরে এসে থাকা বা হলে এসে নতুন নতুন ইংরেজি সিরিয়াল দেখতে শিখা। আবার প্রেম-ট্রেমও হতে পারে। তবে কারণ যেটাই হোক ফলাফল হচ্ছে হতাশা, সেই আগের নিজেকে হারিয়ে ফেলা।
অথচ এদের কারো ভিতরেই মেধা, বুদ্ধি, ট্যালেন্ট এর কোনো ঘাটতি নেই।
.
একটু পিছিয়ে পড়ার পর এদের দরকার একজন সিনিয়র ভাইয়া বা আপু যিনি একটু কাছ থেকে বলে দিবেন আরে এই সেমিস্টারে কম পাইছো তো কি হইসে- আমাদের ক্লাসের সুজন। সে প্রথম দুই বছর লাড্ডু মারছে। গত বছর ডিসিশন নিলো- যে করেই হোক, ওভারঅল সিজিপিএ ৩.৩০ এর উপরে তুলতেই হবে। তাই এক সেমিস্টার স্মার্টফোন বন্ধ রাখছে। ইন্টারনেটের কানেকশন ছেড়ে দিছে। শুধুমাত্র রেগুলার ক্লাস, ঠিক সময়ে এসাইনমেন্ট, ক্লাস টেস্ট আর পরীক্ষার আগে সিরিয়াসলি পড়ে সেই লাড্ডু মার্কা সুজনই গত সেমিস্টারে পাইছে ৩. ৪২। আর এই সেমিস্টারে পাইছে ৩.৫৭। ব্যস, কঠোর পরিশ্রম দিয়ে ট্যালেন্ট এর তকমা কিনে ফেলছে সে।
শুন, একটা কথা মনে রাখবি- দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বলতে কিছু নাই। পরিশ্রমী পোলাপান দিনের পর দিন সাধনা করে যে দক্ষতা, যে জ্ঞান অর্জন করে, আইলসা পোলাপান সেটাকেই ট্যালেন্ট বলে।
(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: বাকি অংশ বিজ্ঞাপন) এই রকম প্রতিভাবান ছেলেপুলে যারা একটু পিছিয়ে গেছে তাদের দরকার নিজেকে একটু রিচার্জ করা। দরকার হলে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করা। কনফিডেন্সগুলো ফিরে পাওয়া। সেজন্যই আমি একটা বই লিখছি। বইটার নাম- "রিচার্জ your ডাউন ব্যাটারি" বইটা প্রকাশিত হবে আদর্শ প্রকাশনী থেকে। পাওয়া যাবে বইমেলার প্রথম থেকেই।
ঝংকার মাহবুব. Studied in Department of Industrial and Production Engineering, BUET. Did Masters in Computer Science in North Dakota State University. Currently working as a web developer for Nielsen, Chicago.
এই পুরো মাস ধরে পড়ার মুড নাই, পুজো পুজো করে পড়ার মুড উবে গেছে। মাসের শুরুর দিকে বইটি শুরু করেছিলাম, মাস শেষ হতে চলেছে তখন কিছুটা জোর করেই শেষ করলাম।
📓 বইটি একটি মোটিভেশনাল বই। এটি স্টুডেন্ট লাইফে পড়ার জন্য আদর্শবই।এই একটি বইই যথেষ্ট ছাত্রছাত্রীদের চাঙ্গা করার জন্য। এমনকি বইএর শেষের দিকে লেখক একটি ছক করে দেখিয়েছেন আপনার ব্যাটারির কত % চার্জ আছে, আর আপনাকে কি কি করতে হবে চার্জ করার জন্য। খুব সহজ সরল ভাবে লেখা বইটি।বড়ভাই মাসুম ও ছোটভাই আবিরের কথোপকথনের মাধ্যমে লেখা বইটি।এটি ছোটো ছোটো পরিচ্ছেদে বিভক্ত , এবং প্রতিটি পরিচ্ছেদের শেষে একটি করে qoute দেওয়া আছে। বইএর প্রচ্ছদ আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। ছাত্র ছাত্রীরা এই বইটি পড়ে নিজেদের ডাউন ব্যাটারি চার্জ করার সুযোগ পাবে।
হিমু পরিবহনে কে জানি ক্ষমতা চায়, কি একটা পরীক্ষা দিয়ে। তার প্রতি উপদেশঃ প্রিমিয়ার লিগের খেলা, লম্বা লম্বা সিরিয়ালের সিজনগুলা, হিট খাওয়া মুভিগুলা এক একটা প্লাস্টিকের ফুল। এরা কখনোই মলিন হয়না। জিদান গেলে, রোনালদো আসে। রোনালদো গেলে, মেসি আসে। মেসি গেলে অন্য আরেক রোনালদো আসবে। সে গেলে আরেক রেকর্ড ব্রেকার আসবে। কিন্তু তোর জীবন থেকে যে সময় চলে যাচ্ছে, তা আর ফেরত আসবে না। জাস্ট ৫ স কাজ করলেই হবে। প্রথম স হচ্ছে সময়ঃ আড্ডা, মাস্তি, পার্টি, ঘোরাঘুরি, সব কমিয়ে লক্ষ্য অর্জনের পেছনে সময় দিতে হবে। তোর যেমন ২৪ ঘন্টায় এক দিন হয়, সফল মানুষদের ও ২৪ ঘন্টায় এক দিন হয়। তারপর ও তারা সফল। কারন সারা দিনের মধ্যে যতটুকু সময় পায় সেটা কাজের পেছনেই লাগায়। তোর মতো চৌত্রিশটা জিনিসে ঠুসা দেয় না। দ্বিতীয় স হচ্ছে স্কিল জীবনে যা ই করতে চাস না কেন তোকে স্কিল ডেভেলপ করতেই হবে। ইংরেজীতে কথা বলতে পারার স্কিল থাকবে সবচেয়ে উপরে। ইংরেজীতে রিপোর্ট এবং ইমেইল লিখতে পারা। অন্যের লেখা রিপোর্ট পড়তে পারা, বুঝতে পারা। তার পাশাপাশি বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলার চেষ্টা করতে হবে। ভদ্র ভাষায় যাকে বলে নেটওয়ার্কিং। এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস এর সাথে যুক্ত থাকতে হবে। বিভিন্ন ওয়ার্কশপ,সেমিনার, কম্পিটিশনের পার্টিসিপেট করতে হবে। কোনো একটা অর্গানাইজেশনের দায়িত্ব নিতে হবে। তৃতীয় স হচ্ছে স্টেপঃ তুই এক লাফে আসমানে যেতে পারবিনা। একটা একটা করে সিড়ি পার হয়েই উঠতে হবে। চতুর্থ স হচ্ছে সাহসঃ শুরু করলেই হোচট খাবি, ব্যার্থ হবি। লোকজন নাক সিটকাবে, টিটকারি মারবে, ফ্যামিলি বাধা দিবে, গার্লফ্রেন্ড মন খারাপ করবে। তারপরেও স্বপ্নের পিছনে ছোটার সাহস রাখতে হবে। পঞ্চম স হচ্ছে সাধনাঃ একবার দুইবার খোচা দিয়ে দুই একটা চার ছয় পিটানো যায়, কিন্তু সেঞ্চুরি করা যায় না। সাধনা করতে হবে। শ্রম দিতে হবে। শ্রমের দম যত বেশি হবে, শ্রমের দাম তত বেশি হবে। তবে দুই একবার ব্যার্থ হলেই টিভি সিরিয়ালের পুরা সিজন আর বৃষ্টির দিনে ভুনা খিচুড়ি নিয়ে বসলে, অলিল খলিল হইতে পারবে, মাগার অনন্ত জলিল হইতে পারবিনা। সো ছোট ছোট স্টেপ বের করে, সময় নিয়ে সাহসের সাথে সাধনা করতে পারলেই, সফলতা আসবে। লাইফটা ঝাক্কাস হয়ে উঠবে। রিচার্জ your ডাউন ব্যাটারি। পুংটা পুংটা পোলাপাইনদের জন্য দারুন একটা বই। হয়তো কথাগুলোতে তেমন গভীরতা নেই, দিনশেষে হয়তো মস্তিষ্কে তেমন পাকাপোক্ত হবেনা। মনে হবে-কি সব হালকা কথা। কিন্তু ঝংকার তুলবে মনে। একটু সাহস জাগাবে। বুক মিভিউ
বইটিকে আমি আত্মউন্নয়নমূলক বই না বলে আমি একে "মোটিভেশনাল বই" বলব।
Self Development এর জন্য বিষয়গুলোর যত গভীরে যাওয়া প্রয়োজন, তা যাওয়া হয় নি। কিছুটা তাড়াহুড়ায় টপিকগুলো শেষ করা হয়েছে৷ প্রচুর উদাহারণ ব্যবহৃত হয়েছে, রসাত্মক ভাষায় সাবলীল ভঙ্গিতে লেখা হয়েছে। অনেক কথার পুনরাবৃত্তি মনে হয়েছে।
সফল হওয়ার পন্থা সবার ই জানা। কিন্তু কেউ সেই পথে চলে না। বইয়ে সেই কাজগুলি করার জন্যেই তাড়া দেওয়া হয়েছে।
নতুন আইডিয়াগুলোর মধ্যে "আত্মদিবস" এর আইডিয়া বেশ ভালো লেগেছে। শেষের অংশটুকুও বেশ আকর্ষণীয়।
বইটি হতাশায় ভোগা ডিপ্রেস মানুষের জন্য, মূলত যাদেত ব্যাটারি ডাউন কিছুটা তাদের জন্য ভালো বই হতে পারে।
এটি কোনো মোটিভেশনাল বা সেল্ফ ডেভেলপমেন্ট রিলেটেড বই কিনা আমি সন্দিহান ! বরং মানুষকে কিভাবে অসামাজিক,ঘরকুনো হতে হবে সে বিষয়ক কথাবার্তাই বেশি। টিভিতে খেলা দেখা,গল্প উপন্যাসের বই পড়া,গেম খেলা, মোবাইল/ফেসবুক চালানো,ইউটিউবে গান শোনা,বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া যেন মহা অন্যায় কাজ এরকম নেগেটিভটি দিয়ে ভরা। ১০ পৃষ্ঠার একটা বই কিভাবে টেনেটুনে ১০০ পেজ বানানো সম্ভব সেটা এই বই না পড়লে বুঝা সম্ভব না। ভিন্ন ভিন্ন শিরোনাম দিয়ে একই কথা ঘুরিয়ে পেচিয়ে বারবার লেখা।
এছাড়াও Self Contradictory অনেক বেশি। এক জায়গায় ফুটবল খেলা দেখতে নিষেধ করা তো আরেক জায়গায় একজন ফুটবলার কিভাবে সফল হয় তা বলা !!! আর বইয়ে অনেক উপদেশ দেওয়া হলেও কিভাবে তা বাস্তবায়ন করে সফল হওয়া সম্ভব বা কিভাবে কি করতে হবে সে বিষয়ে তেমন বিস্তারিত কিছু নেই।
বইটিতে মূলত তুই-তোকারি করা হয়েছে যা নিয়ে কোনো সমস্যা না থাকলেও গল্পের দুই চরিত্র ভার্সিটি পড়ুয়া এবং বইটিও ভার্সিটিগামী শিক্ষার্থীদের জন্য লেখা হলেও এর ভাষাশৈলী ক্লাস ৭-৮ এর বাচ্চাদের উপযোগী যা বিরক্তির উদ্রেগ করে।
বইটির একমাত্র ভালো দিক হচ্ছে প্রতিটি চ্যাপ্টার শেষে কিছু বিখ্যাত ব্যক্তির English Quote (যার জন্য লেখককে কোনো ক্রেডিট দেওয়া যায় বলে মনে হয় না)
বর্তমান সময়ের ছেলেমেয়েদের জন্য সত্যিই রিচার্জড হওয়ার মতো বই | ভার্সিটি লেভেলে হতাশ হওয়া ভ্রান্ত ছেলেটিকে বন্ধুর মতো চার্জ করে দিতে পারে একদম ফুললি | আর প্রতিটা অধ্যায়ের শেষে বিখ্যাতদের "Quote" গুলোও ছিলো চমৎকার |
সবসময়ে হাতের কাছে রেখে দেবার এবং যখন তখন খুলে দেখবার জন্য যথেষ্ট ভালো একটা বই। কিন্তু ওই যে নিজে থেকে কিছু না করলে কিছুই করা হবে না, যে গাড্ডায় পড়ে আছো সেখানেই পড়ে থাকবে এবং আর যত সময় অপচয় হয়েছে তারসাথে যুক্ত হবে এই বই পড়ার সময়টাও।
অনেক সময় হতাশা এমনভাবে চারিদিকে ঘিরে ধরে যে সেখান থেকে বের না হতে পারলে জীবনের অনেক সমস্যা তৈরী হয় এবং অনেক দরকারি সময় নষ্ট হয়। যা থেকে বের না হতে পারলে জীবনের অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।কারন কিছু কাজ সময়ের মধ্যে করা লাগে। সময় চলে গেলে সেসব কাজ তখন কোন কাজে লাগে না।
উদাহরণ হিসেবে যদি বলি ক্লাস নাইন, টেন এ যদি কেউ ঠিক মতো পড়ালেখা না করে তখন সময় চলে গেলে হাজার বার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হবে না। এসব হয় হতাশার জন্য। তাই হতাশা থেকে বের হওয়ার জন্য,আবার শক্তি পাওয়ার জন্য ঝংকার মাহবুব এই বইটি লিখেছে। বইটি এক কথায় অসাধারন।
দেশের লাখ লাখ তরুন যারা পিছিয়ে পরতেছে তাদের জন্য এই বইটি খুব দরকার। অনেকসময় একটু গাইডলাইন এর অভাবে হতাশা থেকে ঘুরে দাড়াতে পারে না। যা আসলেই নিজেরও ক্ষতি দেশেরও ক্ষতি।এই বইটির যেদিকটি সবাইকে আকর্ষণ করবে তা হলো এই বইয়ের ভাষা।
আবির ও মাসুম ভাই দুইজন কথা বলছে। আবির তার সমস্যাগুলো মাসুম ভাইকে বলছে। মাসুম ভাই তার সমস্যা গুলো শুনে সমাধান দিয়ে যাচ্ছে। এই বইটিতে বলা হয়েছে আয়েশ আর অর্জন এক পথে চলে না।
অপেক্ষা না করে অপশন ধরতে হবে,সাব্জেক্টে ক্যারিয়ারের জন্য বেরিয়ার হয় না, লেগে থাকাই অর্জন,ছেড়ে দিলে হেরে যাবে। এরকম আরও অনেক কিছু বলা হয়েছে। লেখক খুব সুন্দর করে প্রত্যেকটা বিষয় ব্যাখা করেছেন। লেখক এমন সব সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন যে গুলো সবারই হয়। বইটি পড়ে আমি অনেক মজা পেয়েছি। এর কারন হলো লেখক এমন ভাবে বইটি লিখেছেন যে কেউ পড়লে মনে হবে যেন নিজের কোন পরিচিত ভাই আমার সামনে বসে আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে। মনেই হয়না আমি বসে বসে বই পড়ছি। বইটি পড়লে ভালো কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়,সাহস পাওয়া যায়। যা আসলেই খুব দরকার যে কোনো হতাশাপূর্ন মানুষের জন্য। এই গুলো হতাশার সময় খুবই দরকার। এর কারন হলো যখন হতাশা হয়ে পরে মানুষ তখন ভালো কিছু আইডিয়ার জন্য দেখা যাইযে সে দাড়িয়ে উপরে উর্ঠে পারে না। তখন সে কিছু ভালো আইডিয়া পাওয়া গেলে হতাশা কাটিয়ে ভালো কিছু করা যায়। তখন এক ধরনের শক্তি দরকার।
ঝংকার মাহবুব ভাইয়ের লেখার ধরন সবথেকে বেশি আকর্ষণ করে বই পড়ার ক্ষেএে। মনেই হয়না কোনো বই পড়ছি। মনে হয় কোনো আড্ডা দিচ্ছি বড় ভাইয়ের সাথে।সে সময় নিজের কিছু সমস্যা নিয়ে কথা বলেছে বড় ভাইয়ের সাথে। যাতে ভাই ভালো করে সমস্যা গুলো শুনে ভালো সমাধান দিতে পারে। আমার পড়ার সময় মনেই হয়নায় আমি বই পড়তেছি। লেখক এমন সব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন যেগুলো সবারই জানার উচিত। কারন হতাশাতে সবাই পরে। তাই বইটি সবারই পড়া উচিত বলে আমি মনে করি।
This entire review has been hidden because of spoilers.
লাইফের ব্যাটারির চার্জ মাপতে পারি এই বইটার জন্য♥️❤️♥️
যখন মনে হয় আমি কিছু একটা কাজ করতে পারবো না ঠিক তখনই বইটা হাতে নিয়ে কয়েকটা পাতা উল্টাই আর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার ভিতর আলাদা কাজ করার মোটিভেশন খুঁজে পাই।
তাই বইটাকে সব সময় ঘরে বা বাইরে নিজের সাথে সাথে রাখি।
ঝংকার মাহবুবের লেখা আমার সবচেয়ে পছন্দের বই। ওনার বেশ কিছু বই পড়া হলেও কেন যেন এটা বেশি ভালো লেগেছে অন্য গুলোর থেকে।
এই বইতে লেখক দেখিয়েছেন কিভাবে ধারাবাহিক ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করে বড় সাফল্য লাভ করা যায়,পরিশ্রমের সার্থকতা কোথায়, কিভাবে যথাযথ পরিশ্রম করে সঠিক লক্ষ্য এ যাওয়ার পথ আস্তে আস্তে পাড়ি দেওয়া যায়। এই বইতে,একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই তার পিছিয়ে পড়া ছোট ভাইকে এভাবেই কথার মাধ্যমে এবং সেই ধারণাকে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে গেছেন।
বাংলায় যদি আত্নউন্নয়ন বা মোটিভেশন বই পড়া কম থাকে তাহলে এটাকে রিকমেন্ড করব। পড়ার সাথে সাথে আপনার মনে ,আপনার দেহে অনুপ্রেরণার আগুন ছড়িয়ে যাবে ।কিন্তু সেই আগুন কত দিন থাকবে তা বলা কঠিন।
শেষ কথা এটাই শুধু বই পড়ে মোটিভেট হলে চলবে না, নির্দেশনা মেনে কাজ করতে হবে। নিজের জীবনে এইসব ধারণা প্রোয়গ করতে পারলে ,তখনই বই পড়ার সার্থকতা পাবেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশে আত্মউন্নয়নমূলক বই প্রকাশের একটা ঢল নেমেছে। আমার মতে এই ধরনের বইয়ের একটা মৌলিক সমস্যা হলো আপনার নিজের সম্বন্ধে ধারণা যদি আগে থেকেই একটু উঁচু হয়ে না থাকে(অহংকার অর্থে বলছি না অবশ্যই), তবে এই বইগুলো পড়ে সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু হয় না। আপনি বইখানা পড়ে সাময়িকভাবে নিজের ব্যাপারে একটু ভাল অনুভব করেন, হয়তো পরবর্তী কয়েকদিন বই থেকে শেখা কিছু 'লাইফ হ্যাকস' নিজের জীবনে প্রয়োগও করে দেখেন। কিন্তু কয়েকদিন পর দেখা যায় সেই আগের জায়গাতেই ফিরে গেছেন। আমি 'সেল্ফহেল্প' ইন্ডাস্ট্রির প্রথম দিককার একজন ভিক্টিম হিসেবে নিজেকে লেভেল করে থাকি, তো পারতপক্ষে এই ধরনের আত্মউন্নয়নমূলক বই থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করি। তারপরও কী মনে করে আগেই পড়া এই বইটা আবার পড়লাম।
যেহেতু দেশি বাজারে প্রচলিত মোটামুটি সবগুলো আত্মউন্নয়নমূলক বইয়ের সাথেই কমবেশি পরিচয় আমার ঘটেছে, সেখান থেকে আবার মোটামুটি সাহস করে বলতে পারি ঝংকার মাহবুব ভাইয়ের কাজগুলো মানের দিক থেকে এই genre'র একেবারে প্রথমদিকে থাকবে। আদর্শ প্রকাশনীর এই বইটির প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে ভেতরের ফরম্যাটও বেশ সুন্দর, বানান ভুল থাকার মত ব্যাপারগুলোও বলতে গেলে তেমন চোখেই পড়লো না। সবগুলো লেখার শেষে সুন্দর সুন্দর সব উক্তি জুড়ে দেয়া৷ তবে আমার সবচেয়ে পছন্দ হয়েছে প্রত্যেক চ্যাপ্টারের পর পাঠকের নিজের উত্তর দেয়ার জন্য যে ফাঁকা জায়গা থাকে এটা। এই লেখকের অন্যান্য লেখার সাথে যারা পরিচিত তারা বলতে পারবেন ছোট ভাইকে উপদেশ দেয়ার ভঙ্গিতে এই লেখাগুলো পড়লেই মনে হয় যেন ছাপার অক্ষরে নিজস্ব কোন মেন্টর পাচ্ছি(কী দারুণ না ব্যাপারটা?)
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটা - যেহেতু ইংরেজি ভাষায় সেল্ফহেল্প বিষয়ে বেস্টসেলার মোটামুটি সব বইই আমি এককালে গিলে খেয়েছি - এই বই থেকে একটু মোটিভেশন বুস্ট ছাড়া নতুন কোন আইডিয়া পাবার আশা করছিলাম না(সব সেল্ফহেল্প লিটেরাচারই কি ঘুরেফিরে একই কিছু কথার নানা ঢঙের উপস্থাপন নয়?)। তবুও আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটের সাথে য���য় এমন কয়েকটা বেশ ভাল ভালো আইডিয়া পেয়ে গেলাম!
শুরুর কথায় ফিরে আসি। বইটা পড়ার শুরুতে এখান থেকে একটু মোটিভেশান ছাড়া আর কিছুই পাওয়ার আশা করি নি। আর আশা করি নি দেখেই হয়তো দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসার মত কিছু আইডিয়া পেয়ে গেলাম(উদাহরণ দেই - অন্য কোন উপায় না দেখলে নিজের কয়েকজন আইডল বেছে নিয়ে এ টু জেড তাদের কপি করার ব্যাপারটা। কিংবা স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা বিজনেস শুরু করার ব্যাপারে সাথে সাথে কাজে লাগানোর মত কিছু আইডিয়া)। কেউ যদি বর্তমানে নিজের অবস্থা নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের অসন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে আত্মউন্নয়নমূলক ��ই পড়া থেকে বিরত থাকাই ভালো হবে। আপনার এতে থাকা ভালো ব্যাপারগুলো নিজের জীবনে কাজে লাগানোর চাইতে বরং নিজের জীবনে এই ভালো ব্যাপারগুলো ইতিমধ্যেই নেই কেন সেটা নিয়ে হা-হুতাশ বাড়ানোর সম্ভাবনা বরং বেশি।
আপনার কি কোনো কাজে মন বসে না? জীবনের ব্যাটারি কি ডাউন হয়ে গেছে??😂 তাহলে দেরি কেনো ! রিচার্জ ইউর ডাউন ব্যাটারি। সত্যি বলতে চারদিকে হাজারো বই পাওয়া যায় মোটিভেট হওয়ার জন্য। মোটিভেট হয়ে সব সময় মোটিভেট থাকতে পারাটাই সাফল্য। বইটাতে এ ধরনের কথাই বলা আছে।
বইটির "আয়েশ আর অর্জন এক পথে চলে না " টপিকটিই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে। সত্যিই তো আয়েশ আর অর্জন কি একসাথে পাওয়া আদৌ সম্ভব! কোনো কাজে সফল হতে হলে কাজটার সাথে মনে প্রাণে লেগে থাকতে হবে।
তবে একটা কথা শরীর টা সুস্থ থাকা চাই আগে। এই কথা কোনো বইতে লিখে না কেনো জানি নাহ।
বইটি অসাধারণ। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর উচিৎ বইটি পড়া এবং সংরক্ষণে রাখা।ঝাংকার মাহবুব ছাত্রদের বাস্তব সমস্যা এবং এর সমাধান গল্পের চলে তুলে ধরেছেন এই বইয়ে।
দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বলতে কিছু নেই। পরিশ্রমী পোলাপান দিনের-পর-দিন সাধনা করে যে দক্ষতা, যে জ্ঞান অর্জন করে, আইলসা পোলাপান সেটাকেই ট্যালেন্ট বলে। Only পরিশ্রম is real.
Hard work beats talent when talent doesn’t work hard. _Tim Notke
যে পড়ালেখার জন্য আজকে ১ ঘন্টা সময় বের করতে পারবে না। সে পরের সপ্তাহে বা পরের সেমিস্টারেও ১ ঘন্টা বা ৪ ঘন্টাও বের করতে পারবে না। যা করার আজকেই করতে হবে।
It always seems impossible until it’s done. _Nelson Mandela
Experience, Information, Courage & Combination এর মাধ্যমে কনফিডেন্স অর্জন করা যায়।
Each time we face our fear, we gain strength, courage and confidence in the doing. _Theodore Roosevelt
দুনিয়াতে এমন কোন কাজ নাই যেটা একাধিক উপায়ে না করা যায়। দুনিয়াতে এমন কোন কাজ তুই করবি না, যেটা তোর আগে কেউ করে নাই। তাই একটা উপায়ে কাজ না হলে অল্টারনেটিভ উপায় খুঁজে বের করবি।
Most of the important things in the world have been accomplished by people who have kept on trying when there seemed to be no hope at all. _Dale Carnegie
পড়ালেখা বাদ দিয়ে বার্সার উইনিং মোমেন্ট দেখার জন্য সারা রাত কাটিয়ে দিবি না। কারণ বার্সাকে তুই সময় দিলেও, বার্সা এসে তোর স্বপ্নপূরণের কাজগুলো করে দিবে না।
Never give up. Today is hard, tomorrow will be worse, but the day after tomorrow will be sunshine. _Jack ma
সাবজেক্টের সাথে পিরিত না জমার কারণে কেউ ফেল করে না; বরং সাবজেক্টের সাথে রিলেশনশিপের ঝামেলাকে অজুহাত দেখিয়ে আলতু ফালতু কাজে সময় নষ্ট করার কারণে ফেল করে।
All our dreams can come true if we have the courage to pursue them. _Walt Disney
যার প্রয়োজন বা ইমোশন যত তীব্র, তার অজুহাত, আলসেমি, ছুতা বা ভয় তত কম।
Don't wish it was easier, wish you were better. _Jim Rohn
রিস্ক মনে করলেই রিস্ক। ভয় পেলেই ভয়। আর সেটা ম্যানেজ করার জন্য নেমে পড়লে রিস্ক অর রিস্ক থাকে না, ইশক হয়ে যায়। সফল হতে হলে, রিস্ক নিতেই হবে।
If you are unwilling to risk the unusual, you will have to settle for the ordinary. _Jim rohn
The biggest risk is not taking any risk. _Mark Zuckerberg
যে রাস্তা কঠিন, সেই রাস্তায় চেষ্টার পরিমাণ চার গুণ করতে হবে। যে জিনিস বুঝতে পারস না, সে জিনিস চৌদ্দ বার পড়লে, না বোঝার মত কিচ্ছু বাকি থাকবে না।
There is one thing that 99% of failures and successful people have in common: they all hate doing the same things. The difference is successful people do them anyway. _Darren Hardy
চাকরি দেওয়ার সময় কোয়ালিটি দেখার আগে কোয়ালিফিকেশন দেখে। সেটা দেখে পছন্দ হলে তারপরে ইন্টারভিউতে ডাকে। অর্জনই গর্জন।
If your dream is amazing, it won’t be easy. If it is easy, it won’t be amazing. If it is worth, you won’t give up. If you give up, you’re not worthy. _Bob Marley
কোনো কাজে দুই বারের বেশি ব্যর্থ হলে মিনিমাম চার জনের সাথে পরামর্শ করে নতুন একটা স্ট্রাটেজি ডেভেলপ করবি। সেই ট্রাটেজি ট্রাই করার পরেও কাজ না হলে তখন চিন্তা করবি অল্টারনেটিভ কি করা যায়।
Our greatest lies in giving up. The most certain way to succeed is always to try just one more time. _Thomas Edison
মনে রাখবি, আমাদের লাইফ কন্ট্রোল করে তিনটা জিনিস। হয় অতীতের কষ্ট, না হয় বর্তমানের আনন্দ অথবা ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। আজকের সকালটা, আজকের দিনটা তোর নিজের জন্য ইফেক্টিভ বানাতে না পারলে, এই মাসটা, এই বছরটাও তোর জন্য ইফেক্টিভ বানাতে পারবি না। তাই প্রতিটা দিনের, প্রতিটা ঘন্টার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারলে তোর লাইফ তোর নিজের কন্ট্রোলে চলে আসবে। কারণ বাঁচতে হলে কন্ট্রোল করতে হবে।
Don’t let yesterday take up too much of today. _Will Rogers
পড়ালেখার চাইতে ফান, রিলাক্স্আড্ডাবাজি বেশি হলে, তাকে স্টুডেন্ট বলা যাবে না। বড়জোর প্রফেশনাল ফাঁকিবাজ বলা যাবে।
Surround yourself with people who remind you more of your future than your fast. _Dan Sullivan
ছুতা একটা শর্টটার্ম সান্ত্বনা। নিজের সাথে প্রতারণা। আজকে যে ছুতা ধরবে তার ফিউচারে হাহাকারের গুতা আসবে।
The time you spend being jealous of other’s success is time they spend working. Guess which one is more valuable. _John Westenberg
তোর সময়গুলো তাজা গোলাপের মতো। ঠিক সময়ে ফুলের ঘ্রাণ না নিলে, সঠিক সময়ে সঠিকভাবে কাজে না লাগালে, ফুল ঠিকই ঝরে যাবে। হারিয়ে যাবে।
মনে রাখবি, কোন কিছু করার জন্য পারফেক্ট টাইম, পারফেক্ট সুবিধা, আর পারফেক্ট ফ্যামিলি কন্ডিশন কোন দিনও কেউ পায় নাই, তুইও পাবি না। সো, জাস্ট ডু ইট।
Ordinary people think merely of spending time, great people think of using it. _Arthur Schopenhauer
জীবনে সফল হতে হলে 5’স কাজ করলেই হবে। সময়, স্কিল, শর্ট স্টেপ, সাহস ও সাধনা।
ছোট ছোট স্টেপ বের করে, সময় নিয়ে সাহসের সাথে সাধনা করতে পারলেই, সফলতা আসবে। লাইফটা ঝাক্কাস হয়ে উঠবে।
The journey of a thousand miles begins with one step. _Lao Tzu
Many of life's failures are people who did not realize how close they were to success when they gave up. _Thomas Addison
Repetition can be boring or tedious- which is why so few people ever master anything. Hal Elrod
The public sees only the thrill of the accomplished task; they have no conception of the tortuous preliminary self-training that was necessary to conquer fear. _Harry Houdini
তুই যদি স্টুডেন্ট লাইফে কয়েক দিন পরপর আত্নদিবস পালন করতে পারস, খুব সহজেই 95% পোলাপানের পিছনে ফেলে দিতে পারবি।
You pile up enough tomorrow, and you’ll find you are left with nothing but a lot of empty yesterdays. _Harold Hill
অনার্স করবি, মাস্টার্স করবি, চাকরি খোঁজে, বেশি বেশি পরিশ্রম করে সফল হওয়ার চেষ্টার চাইতে যৌবনের মেধা আর শ্রম দিয়ে এমন একটা কিছু কর, যাতে 10 বছর পরে অন্যদের শ্রম থেকে তোর ইনকাম হয়।
If you don't build your dream, someone else will hire you to help them build theirs. _Dhirubhai Ambani
সাধারণ চাকরিজীবী যে পরিশ্রম করে তার চাইতে দ্বিগুণ-তিনগুণ শ্রম, চেষ্টা, সাধনা করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে না পারলে, বিজনেস তোর জন্য না।
In the world of transactions, your idea/skill/knowledge brings as much value as you can sell. Everyone has a plan until they get punched in the face. The true entrepreneur is a doer, not a dreamer. _Nolan Bushnell
যেসব জিনিসের কন্ট্রোল তোর কাছে নাই, সেগুলো নিয়ে মন খারাপ করতে যাবি না। মন খারাপের দিনটাকে স্কিল ডেভেলপের দিন বানাবি। ভালো না লাগার সময়টাকে, সফলতার সিঁড়িতে রিপ্লেস করবি। কারন তোর মন কন্ট্রোল করার সুইচ তোর হাতে। অন্য কারো হাতে না। বাঁচতে হলে, মন খারাপ কন্ট্রোল করতে হবে।
A positive attitude gives you power over your circumstances instead of your circumstances having power over you. _Joyce Meyer
বিল গেটস, মার্ক জোকারব��র্গ সম্পদের জন্য ব্যবসা করে না, অর্থ যশ খ্যাতির জন্য কাজ করে না। বরং কাজের সাথে একটা ইমোশন এটাচমেন্ট আছে। একটা ভিশন, মিশন আছে। যেটা তাদের জীবনের চাইতেও বড়।
99% of people are convinced they are incapable of achieving great things, so they aim for mediocre. _Tim Ferriss
তুই কি পাইছোস আর কি পাছ নাই, সেটা নিয়ে টাল্টিবাল্টি না করে, যতটুকু পাইছস, ততটুকু দিয়ে কি করার চেষ্টা করতেছস, সেই দিকে ফোকাস কর।
The pessimist complains about the wind; the optimist expects it to change; the realist adjusts the sails. _William Arthur Ward
জীবনের লক্ষ্য, জীবনের সংগ্রাম, জীবনের সমস্যা যত কঠিন, সমস্যাকে তত বেশি ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে দেখতে হবে। চ্যালেঞ্জ যত বড় আর যত ভয়াবহ হোক না কেন, পুরা চ্যালেঞ্জটা কে একসাথে চিন্তা করা যাবে না। একসাথে সমাধান করতে যাওয়া যাবে না।
Success is no accident. It is hard work, perseverance, learning, studying, sacrifice and most of all, love of what you are doing. _Pele, Brazilian footballer
ছেলেটা ন্যাশনাল ভার্সিটিতে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে রাত জেগে প্রোগ্রামিং শিখে এখন আউটসোর্সিং করে অন্যদের চাইতে ভাল স্ট্যান্ডার্ডে চলাফেরা করে। অথচ তার চাইতে ভালো ভার্সিটিতে চান্স পাওয়া ছেলেগুলো মাসের পর মাস চাকরি খুঁজে বেড়াচ্ছে। জুতার তলা ক্ষয় করে যাচ্ছে।
I’ve missed more than 9000 shots in my career. I've lost almost 300 games. 26 times I’ve been trusted to take the game's winning shot and missed. I’ve failed over and over and over again and that's why I succeed. _Michael Jordan
একজনের কাছ থেকে কপি করলে হয় চুরি, আর দশ জনের কাছ থেকে কপি করলে হয় রিসার্চ।
You're the only person on earth who can use your ability. _Zig Ziglar
আকাশ ঠিক করল সে একটা জিনিস নিয়ে 20 ঘন্টা সময় দিবে। সেটা ভাল লাগলে কন্টিনিউ করবে। আর ভালো না লাগলে অন্য কিছু ট্রাই করবে। তাও কিছু না করে বসে থাকবে না।
Successful people don't see it as ‘free time’. They see it as the only time they to do the things they really want to do in life and they don't take a minute for granted. _Nicolas Cole
জীবন জাস্ট একটা খেলার মাঠ, এখানে সফল হতে চাইলে, লক্ষ্য অর্জন করতে হলে, তার অনেক প্রতিপক্ষ আসবে। ল্যাং মারবে, ধাক্কা দিবে, পা ভেঙে ফেলবে। সরকারি সংস্থা এসে তোকে হলুদ কার্ড, লাল কার্ড দেখাবে। যত কিছুই হোক না কেন, তাকে তার লক্ষ্যের পেছনে ছুটতেই হবে।
If I fail more than you, I win. _Seth Godin
If you don't make mistakes, you are not working on hard enough problems. And that's a big mistake. _Frank Wilczek
আজকের দিনটা চলে গেলে, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে গেলে, পাওয়া না পাওয়ার হিসাব কিন্তু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।
সে দৌড়ে20 তম হলে তার কম্পিটিশন হবে 19 তমর সাথে। তাকে পেছনে ফেলতে পারলে 18 তমর সাথে টেক্কা দেবে।
Winners never quit, and quitters never win. _Vince Lombardi The ones who win at the ones who keep going after everyone else has quit. _Billy Cox
দুনিয়াতে এমন কোন সফল মানুষ দেখা যায় না, যে অতীতকে নিয়ে পড়ে আছে। সফল এবং সিরিয়াস মানুষেরা সবসময়ই ফিউচার নিয়ে বাঁচে। 10 জন হতাশ ফ্রেন্ডের সাথে থেকে হতাশ হওয়ার চাইতে বন্ধুহীন থাকা শ্রেয়।
If you want to live an exceptional and extraordinary life, you have to give up many of the things that are part of a normal one. _Srinivas Rao
অপশন যত বেশি, ডিস্ট্রাকশন তত বেশি। সময় নষ্ট করার অপশন যত সহজ হবে, প্রোকাস্টিনেশন তত বেশি বাড়বে। ফোকাস থাকাটা যত বেশি টাফ হবে পিছিয়ে পড়া তত দ্রুত হবে। ফ্রাস্ট্রেশন ততো দ্রুত আসবে।
All around you is an environment that is trying to pull you down to Second-Class Street. _David Schwartz
সুখ হচ্ছে আনন্দদায়ক মুহূর্তের ধারাবাহিকতা। 100 % সুখী হওয়া লাগবে না। শুধু কষ্টের চাইতে আনন্দের পরিমাণ বেশি হতে হবে।
অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করলে শুধু তাদের মুখে হাসি ফুটবে না, তোর মুখেও হাসি ফুটবে। তখন দুজনেরই ভালো লাগবে। এই ভালো লাগার সংখ্যা যত বেশি হবে। জীবনে তত বেশি সুখী হবি।
The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched; they must be felt with the heart. _Helen Keller
আমাদের লাইফের 90% সমস্যাই সমস্যা হিসেবে থেকে যায়, সমস্যার আসল কারণ খুঁজে বের করে অ্যাকশন না নেওয়ার ফলে।
কাজটা করে ব্যর্থ হওয়ার চাইতে, ব্যর্থ হওয়ার ভয়ে বসে থাকাটা অনেক অনেক বেশি লোকসানের।
Just as established products and brands need updating to stay alive and vibrant, you periodically need to refresh or reinvent yourself. _Mireille Guiliano
মনে রাখবি, প্রতিদিন মিনিমাম এক পা হলেও স্বপ্নের পথে এগোতে হবে। কোন দিন একটু বেশি সময় লেগে গেলে, সেদিন একটু বেশি সময় দিবি। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই গ্যাপ দেওয়া যাবে না। তাহলেই স্বপ্ন জোড়া লাগবে আর কনফিউশন গুলো খান খান হয়ে দূরে সরে যাবে।
Life isn't about finding yourself. Life is about creating yourself. _George Bernard Shaw
পরিশ্রম কিন্তু গাধাও করে। তবে পরিশ্রমের সাথে বুদ্ধি যোগ করে না বলেই গাধা আজীবন গাধায় থেকে যায়। স্ট্রাগল অনেকেই করে। কিন্তু স্ট্রাগলের সাথে নিজের সিচুয়েশন ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করে না বলে বেশিরভাগ মানুষের স্ট্রাগল কোনো দিনও শেষ হয় না।
A comfort zone is a beautiful place, but nothing ever grows there. _Unknown Author
স্বপ্ন দেখবি না, চেষ্টা করার শপথ করবি। কনফিউজড হবি না, কিউরিয়াস হয়ে কাজে নামবি। নতুন নতুন জিনিস করার ট্রাই করবি। নিজেকে পুড়িয়ে, গলিয়ে, পিট্টুনি খেতে খেতে লেগে থাকবি।
Give me 6 hours to chop down a tree and I will spend the first four sharpening the axe. _ Abraham Lincoln
আপনার কি কোনো কাজে মন বসে না? জীবনের ব্যাটারি কি ডাউন হয়ে গেছে? তাহলে দেরি কেনো ! রিচার্জ ইউর ডাউন ব্যাটারি! সত্যি বলতে চারদিকে হাজারো বই পাওয়া যায় মোটিভেট হওয়ার জন্য। মোটিভেট হয়ে সব সময় মোটিভেট থাকতে পারাটাই সাফল্য। বইটাতে এ ধরনের কথাই বলা আছে। এখন বলেন না, যে ভাই ২০২১সালে এসে কেনো এই বইয়ের রিভিউ দিচ্ছেন। তো সেটা যদি বলতে হয় তাহলে আমি বলবো আমি এই বইটা ২০১৮সালে কিনেছি।জ্বি হ্যাঁ আপনি একেবারেই সঠিক শুনেছেন। অনেকদিন পর এখন আবার বইটা পড়লাম, তো আগে যেহেতু ভিডিও করার চিন্তা মাথায় ছিলোনা সেজন্য তখন ভিডিও বানাইনি।ভেরি সিম্পল, এখন আপনাদের বইটি সম্পর্কে জানানোর আগ্রহ জাগলো তাই জানাতে চলে এলাম ।
প্রথমেই এই বইয়ের কিছু ভালো লাগার অংশ বলিঃ আমি এই বইটিকে অন্যরকম বলব কেননা বইটি গল্পের মতো করে কথোপকোথন আকারে লেখা হয়েছে। একজন বড় ভাই তাঁর ছোট ভাইকে বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন, সেটা শুনে তার কী প্রবলেম হচ্ছে আবার সেটা কিভাবে সল্ভ করা যায় - এরকম ভাবে বইটি এগিয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের স্টুডেন্টদের মধ্যে যাদের কোনোকারণে ব্যাটারি ডাউন বা লো হয়ে গেছে তাদের জন্য আাবির নামের চরিত্রটি উত্তম মডেল হতে পারে এবং মাসুম ভাই হতে পারে উত্তম কাল্পনিক মেন্টর। ঝংকার ভাইয়া তাঁর আগের বইয়ের মতো কয়েক অধ্যায় পর পর প্রশ্ন করেছেন , অ্যানসার দেওয়ার জন্যে জায়গাও রাখা হয়েছে। . আরেকটি বিষয় আমার কাছে ভালো লেগেছে সেটা হলো -সঠিক জায়গায় সঠিক ব্যক্তিদের উক্তি ব্যবহার। সর্বপ্রথম উক্তিটি আমার কাছে খুব উপযুক্ত মনে হয়েছে। . বইটির শেষে একটা চমত্কার জিনিস আছে। নিজের অবস্থানটা কোথায় সেটা মাপার জন্যে বিশেষ বিশেষ প্রশ্ন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে নিজের ব্যাটারির কতটুকু চার্জ আছে সেটাও মাপা যাবে। এখানেই শেষ না, ব্যাটারি ডাউন হলে কিভাবে রিচার্জ করতে হবে সেটাও আছে। পড়লেই বইটির কেরামতি বোঝা যাবে! এবার বইটির ভালো লাগার কিছু টপিকে আসি- বইটির "আয়েশ আর অর্জন এক পথে চলে না " টপিকটিই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে। সত্যিই তো আয়েশ আর অর্জন কি একসাথে পাওয়া আদৌ সম্ভব! কোনো কাজে সফল হতে হলে কাজটার সাথে মনে প্রাণে লেগে থাকতে হবে।
আমরা ভাবি আমাদের ট্যালেন্ট আছে। তবে ট্যালেন্ট দিয়ে সব হয়ে গেলে যে ফার্স্ট হয় তাকে ক্লাসে যাওয়া লাগত না। এক সপ্তাহ হাসপাতালে ঘোরাঘুরি করে ডাক্তার হওয়া গেলে, পাঁচ-ছয় বছর ধরে মোটা মোটা বই কেউ পড়ত না। তিন-চারবার ব্যর্থ হয়ে ছেড়ে দিলে একটা বাংলাদেশের জন্ম হতো না। দুনিয়ার কেউই শর্টকাটে সফল হতে পারে নাই। আমি এবং আপনিও সেটা পারবোনা।
আসলে দুনিয়াতে ট্যা���েন্ট বলতে কিছু নেই। পরিশ্রমী মানুষেরা দিনের পর দিন সাধনা করে যে দক্ষতা, যে জ্ঞান অর্জন করে, আইলসা মানুষেরা সেটাকেই ট্যালেন্ট বলে।
একটা উদাহরণ দিয়েছেন তিনি ,যেটা আমি এখানে হুবহু তুলে দিলাম- এই দেখ আমাদের ক্লাসের সুজন। সে দুই বছর ধরে রেজাল্টে লাড্ডু মারছে। গত বছর ডিসিশন নিল, যে করেই হোক, ওভার অল সিজিপিএ ৩.০–এর ওপরে তুলতেই হবে। তাই আগের লাইফ স্টাইল ছেড়ে দিয়ে ধুমাইয়া পড়ালেখা শুর��� করছে। শুধুমাত্র রেগুলার ক্লাস, ঠিক সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট, ক্লাস টেস্ট আর পরীক্ষার আগে সিরিয়াসলি পড়ে সেই লাড্ডু মার্কা সুজনই গত সেমিস্টারে পাইছে ৩.৫২। আর এই সেমিস্টারে পাইছে ৩.৬৪। ব্যস, কঠোর পরিশ্রম দিয়ে ট্যালেন্টের তকমা কিনে ফেলছে সে।
অন্যদিকে আমাদের কলেজের মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্ট ভার্সিটিতে গিয়ে চার সাবজেক্টে রেজাল্ট খারাপ করে ট্যালেন্টের মেডেল হারিয়ে ফেলছে। সো, ট্যালেন্ট কিচ্ছু না। ট্যালেন্ট বলতে কিচ্ছু নাই। অনলি পরিশ্রম ইজ রিয়াল।
আজকের পর থেকে মেধা আছে, ট্যালেন্ট আছে, ব্যাকআপ আছে মনে করে ঘুমিয়ে থাকবি না। এগুলা সোজা, আগে কত করছি বলে ঢিলামি করতে যাবি না। পিছলামির কথা মাথায়ও আনবি না। তাহলে দেখবি অল্প কয়দিনেই তোর চাইতে কম ট্যালেন্টের পরিশ্রমী পোলাপানরা তোকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেছে।
মনে রাখবি, আয়েশ আর অর্জন এক পথে চলে না। অলসতা সফলতার বন্ধু হতে পারে না। একটু বেশি আয়েশ করার নাম ভাঙিয়ে আলসেমি করতে যাবি না। ট্যালেন্টের দোহাই দিয়ে ফাঁকিবাজি করলে, অর্জন আসবে না। বরং অর্জন তোকে বর্জন করবে।
তাই শ্রম, সাধনা দিয়ে নিত্য নতুন ট্যালেন্টের তকমা জোগাড় করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বি। তাহলেই ভালো রেজাল্ট তোকে ফলো করবে। Hard work beats talent when talent doesn't work hard. —Tim Notke নতুন আইডিয়াগুলোর মধ্যে আরেকটা আইডিয়া যেটা হলো- "আত্মদিবস" এটা বেশ ভালো লেগেছে। শেষের অংশটুকুও বেশ আকর্ষণীয়। ১। আত্মদিবস 📑: নিজের পছন্দের কাজগুলোর জন্য সপ্তাহে অন্তত একদিন সময় বের করি ২। ক্যারিয়ার ব্যারিয়ার 🎯: এক লাইনে আছি তার মানে এই না, যে অন্য লাইনের কিছুই করতে পারবো না ৩। হাতি খাওয়া 🐘: যেকোনো কাজ টুকরো টুকরো করলে, কোনও কাজই খুব একটা অসম্ভব থাকে না ৪। বনের বাঘে খায় না 🦁, মনের বাঘে খায় 🧠: বেশী চিন্তা করে যেন সহজ বাস্তবকেও গুলিয়ে না ফেলি আপনি নিজেকে উদ্যমী করতে কী করেন 🔥? পারলে কমেন্টে জানাবেন 😄 বইটি হতাশায় ভোগা ডিপ্রেস মানুষের জন্য, মূলত যাদেত ব্যাটারি ডাউন কিছুটা তাদের জন্য ভালো বই হতে পারে। তবে একটা কথা শরীর টা সুস্থ থাকা চাই আগে। এই কথা কোনো বইতে লিখে না কেনো জানি নাহ। সবশেষে বলা যায় জীবনে পথ চলার সময় হোঁচটও খেতে হয়। হোঁচট খেলেই তার পরাজয় হয় না, তার জীবন থেমে থাকে না। চৈনিক প্রবাদেই তো আছে, "পতন কখনো পরাজয় নয়, পরাজয় তখন যখন কেউ উঠে দাড়াতে চায় না"। আমাদের সবারই কোনো না কোনো কারনে ব্যাটারি ডাউন হতে পারে। তাই বলে বসে থাকব? নিজেকে চেইঞ্জ করতে হবে, সামনে এগিয়ে যেতে হবে। যেরকম আমি একটু একটু করে এগোচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার মনে হয় সকল স্টুডেন্টদের বইটি পড়া উচিত। আমার মতোদেরতো মাস্ট। ব্রিলিয়ান্টরাও পড়তে পারে। সবশেষে নেলসন মেন্ডেলার একটা কথা বলি- It always seems impossible until it’s done. —Nelson Mandela. Copyright: Ananda Mohan Host: AM Club
রাত ১টা বাজে। আমার মতো হতাশাগ্রস্ত পাঠকের জন্য এ আর এমন কি রাত? আব্বুর মৃত্যুর পর থেকে তার মতো করে আমাকে আগলে রাখে এই হতাশা। যাক, এখন সস্তা সংলাপ বাদ দিয়ে পাঠ প্রতিক্রিয়ায় লাফ দেই। বেশ উত্তেজিত আছি। এখনই না লিখলে লেখক ও লেখা উভয়ের সাথে অন্যায় করা হবে।
ঝংকার মাহবুব বিছিয়ে বিছিয়ে কাঁথার মতো মেলে কথা কওয়া মানুষ। শুরুতে ইউটিউবে তার ভিডিও আসলে "স্কিপ" করতাম। বারবার আসার পর একদিন বিরক্ত হয়ে দেখতে গিয়ে বুঝলাম আসলে এই "হাবলুদের প্রোগ্রামারে"র কথায় যাদু আছে। তারপর থেকে তাঁর প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া শুরু। তার সম্পর্কে ভালো ধারণা জন্মাতে থাকে। কোরা, ফেবু আর ইউটিউবে লেখা ও ভিডিও দেখে ভয়ানকরকমের ফ্যান হয়ে যাই। এতো মজা করে, এতো সবিস্তরে, এতো এতো রিসোর্সের সন্ধান আর কেউ দেয়না।
যাইহোক, তিনি যে বই লেখেন সেটা আমার জানা ছিলোনা। গুড রিডসে এসে বই পড়ার প্রতি মনোযোগী হলাম। আর খুঁজতে খুঁজতে তার নাম সামনে আসলো। আগের কৌতূহল থাকাতে খুব সহজে সস্তা ক্লিক করে তার বইয়ের নাম দেখে কৌতূহলের রাস্তা প্রশস্ত হলে। " প্যারাময় লাইফের প্যারাসিটামল" বইটা অনলাইনে খুঁজে পড়লাম। সত্যি বলতে এতো মজা নিয়ে, টেনশনহীন হাসতে হাসতে আনন্দচিত্তে কোনো বই পড়িনি। এবার এটা পড়লাম।
আসলে ঝংকার মাহবুব ভাইকে কোন ক্যাটাগরীতে রাখবো ভেবে পাচ্ছিনা। এই বইটা আসলে কার জন্য লেখা? বই পড়লে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় ছাত্রদের জন্য লেখা। একজন ব্যবসায়ীর চোখ দিয়ে পড়লে মনে হয় ব্যাবসায়ীদের নিয়ে লেখা। উদ্যোক্তার দৃষ্টি দিলে মনেহয় তাদের জন্য গাইডলাইন। চাকুরীজীবির চোখে পড়লে মনে হয় তার জন্য, হতাশাগ্রস্ত ব্যাক্তি পড়লে ভাববে এটা তার আবার যদি কেউ "টাইম ম্যানেজমেন্ট" মাইন্ড নিয়ে পড়ে তবে সে ভাববে তার ক্ষুধা নিবারণ হয়েছে।
আসলে ঝংকার মাহবুব তুমি কার? এতোলোক শুধু তোমার দাবীদার।
ঝংকার ভাইকে আপনি নির্দিষ্ট কোনো গণ্ডিতে ফেলতে পারবেননা। ঝংকার ভাই (নির্দিষ্ট) কারোর না, তিনি সবার।
ভালো থাকো বস, এতো ভালো লিখলে তোমার উচিত হাতধুয়ে লিখা নিয়ে পড়ে থাকা। তুমি কখনো আমার অপ্রিয় হবেনা। তবে আমি যদি তোমাকে টপকে যাই তাহলে ভিন্ন কথা...
>>>> একটা সাধারন মোটিভেশন বই এর মত লেগেছে। আমরা লাইফের ব্যাটারী বিভিন্ন ভাবে ড্রেন করি। যদি আপনার লাইপের ব্যাটারী ড্রেন হতে হতে down হয়ে গেছে 😟😟 তাহলে বই টি আপনাকে সাহায্য করবে সেটাকে আবার রিচার্জ করতে 😀😀। যাই হোক এই বইয়ে সবগুলো টপিকের মাঝে যেই টপিকটা আমার কাছে ভালো লেগেছে সেটা হলো 'হাতি খাওয়া' টপিকটা।
>>>> আপনাকে যদি কেউ বলে একটা সমগ্র হাতি 🐘 খেয়ে পেলতে তাহলে সেটা শুরুতেই মনে হবে অসম্ভব। কিন্তু এটা সম্ভব। আমি আজ পর্যন্ত যত খাওয়া খেয়েছি সেগুলো যদি একত্র করি তাহলে হাতির থেকে বড় পাহাড় হয়ে যাবে। ঠিক সেভাবে আপনি যদি হাতিকে কেটে পিস পিস করে প্রতিদিন একটু একটু খেতে থাকেন তাহলে আপনি একটা সময় সমগ্র হাতিকেই খেয়ে পেলতে পারবেন 😋 😋। হাতি কেনো এভাবে আপনি চাইলে ডাইনোসরও খেয়ে পেলতে পারবেন🦕 🦕। এখানে মূল বিষয় হাতি বা ডাইনোসর খাওয়া নিয়ে নয়। আমাদের লাইফে মাঝে মাঝে বিশাল একটা কাজ এসে পরে তখন সাথে সাথে চিন্তা পরে যায় কীভাবে কাজটা শেষ করবে। শুধু কাজ নয় বিষয়টা কোনো কিছু শিখতে গেলেও আসে। যেমন প্রোগ্রামিং, পিয়ানো, গিটার, ব্যবসা ইত্যাদি। আমি চাইলে আমার কাজ কে পিস পিস করে ভাগ করে নিতে পারি। এতে চিন্তা অনেক কমে যায়। এবং কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। ঠিক তেমনেই আমি যা শিখতে চায় সেটাকেও আমি অনেক গুলো ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নিতে পারি। এতে বিষয় আমার শিখাটা একটা গতি পাবে। আমরা শুরুতেই গোটা একটা হাতি এক বসাই খাওয়ার চিন্তা করি। যেটা একদমই করা উচিত না । তা ছাড়া হাতি খেতে কেই বা চায় । 🙄 🙄 🙄 🙄 🙄
বইয়ের নাম থেকেই বোঝা যায় এটি একটা মোটিভেশনাল বই। পুরোটা বই ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া দুই জনের কথোপকথন দিয়ে সাজানো হয়েছে। দুইজনের একজন জুনিওর (আবির) আরেকজন সিনিওর ভাই (মাসুম)। বইয়ের বিভিন্ন প্লটে জুনিওর আবির তার জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সিনিওর মাসুম ভা��য়ের সাথে শেয়ার করে। ইউনিভার্সিটি তে ওঠার পর অথবা কয়েক সেমেস্টার পার করার পর বেশিরভাগ মানুষ যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয় সেইসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্স বইটিতে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কথোপথনে বড় ভাই মাসুম তুই তোকারি করে কথা বলে জন্যে বইটি পড়লে মনে হবে সত্যিই কোনো বড় ভাই আপনাকে বোঝাচ্ছে। আর বইটির প্রতিটি অধ্যায় শেষে নিজের অবস্থা যাচাই করার জন্যে কিছু এক্টিভিটিস দেয়া আছে সেগুলো দিয়ে নিজের অবস্থা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন সাথে কি করতে হবে তার দিক নির্দশনা ও পাবেন। যাদের গাইডলাইন দেয়ার মত বড় ভাই নেই অথবা ইউনিভার্সিটি জীবনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারছেন না কিংবা পথ চলতে চলতে খেই হারিয়ে ফেলেছেন তারা বইটি বইটি পড়ে ফেলুন।
এটি একটি আত্মউন্নয়নমূলক বই যেখানে আপনি আপনার জীবনকে কীভাবে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলবেন তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এটি একটি ইনফরমাল বই বলা যেতে পারে যেখানে একজন বড় ভাই আপনাকে উপদেশ দিচ্ছে। এখানে প্রধান চরিত্র হলো আবির এবং মাসুম ভাই। প্রথম দু'একটি প্যারা গল্পের আকারে হলেও পরে সরাসরি মোটিভেশনাল কথা বলা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন কৌশল বলা হয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার অলস জীবনকে আরো প্রফুল্ল করতে পারবেন বা কাজে লাগাতে পারবেন তার সম্পর্কে বলা হয়েছে। আত্ম দিবস সম্পর্কে একটি দারুন থিওরি রয়েছে যেটি আপনি পড়লে বুঝতে পারবেন। ধন্যবাদ
এই বইটা পড়ার পরে নিজের মাঝে এক অন্য রকম অনূভুতি মনে হলো । বই এর প্রতিটি কথা যা নিজের মাঝে এক ধরনের শক্তি যোগায় । বই পড়ে আসলেই আপনার নিজের মনের যে ব্যাটারি আছে তা রিচার্জ হবে । আপনার জীবনের লক্ষ সেট করতে পারবেন । বইটা তে এক বিসবিদ্যালয় এর বড় ভাই ছোট ভাই কে নানা বিষয়ে গাইট লাইন দেয় । পড়ার সময় মনে হয়ে ছিলো যেন প্রতিটা লাইনে নিজে কল্পনা আমি ছিলাম গল্পের সেই ছোট ভাই।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Some great quotes, inspiring talks, harsh truths about what we are doing and what we should be doing to make something better out of ourselves. Wish I'd read it a few years ago, but better late than never.
মোটামুটি ভালো আছে। কলেজ স্টুডেন্টদের জন্য ভালো কাজে দিবে। কিন্তু আমার মতো পাব্লিক যাদের মোটিভেশন তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাই তাদের খুব বেশি লাভ হবে না। প্রতি চাপ্টারের শেষে একটা করে লাইন আছে যেগুলো আসলেই জোস লেভেলের
স্পৃহা হারিয়ে ফেলা মানুষগুলোর জন্য রিচার্জ Your ডাউন ব্যাটারি বইটা খুবই কাজে দিবে। আমি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে বইটা অনেক পছন্দ করেছি। অনেকদিন থেকেই পড়ার ইচ্ছা ছিল, কার্টেও রেখেছিলাম, অতঃপর এখন পড়া হলো। যদি কখনো ১০ টা আত্মদিবস পালন করতে পারি, তাহলে ঝংকার মাহবুব-কে অবশ্যই ই-মেইল করবো, ইনশাআল্লাহ।