Jump to ratings and reviews
Rate this book

যাত্রা

Rate this book

112 pages, Hardcover

First published January 1, 1976

27 people want to read

About the author

Shawkat Ali

46 books65 followers
Shawkat Ali (Bangla: শওকত আলী) is a major contemporary writer of Bangladesh, and has been contributing to Bangla fiction for the last four decades. Both in novels and short stories he has established his place with much glory. His fiction touches every sphere of life of mass people of Bangladesh. He prefers to deal with history, specially the liberation war in 1971. He was honored with Bangla Academy Award in 1968 and Ekushey Padak in 1990.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (6%)
4 stars
9 (56%)
3 stars
4 (25%)
2 stars
2 (12%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,672 reviews441 followers
Read
March 15, 2024
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম এক সপ্তাহের গল্প " যাত্রা," মানুষ প্রাণভয়ে পালাচ্ছে, সহায়হীন সম্বলহীন হয়ে পালাচ্ছে, নিরুপায় হয়ে পালাচ্ছে। চারদিকে প্রবল অনিশ্চয়তা, শংকা আর চাপা ভয়; কী করতে হবে ঠিকভাবে জানে না কেউ। আমার নিজের এলাকা রুহিতপুর উপন্যাসে "রুইতপুর" নামে উপস্থিত। সম্ভবত লেখকের বাস্তব অভিজ্ঞতা এ উপন্যাসের পেছনের অনুপ্রেরণা।শওকত আলী খুব জীবন্তভাবে সেই সময়টাকে "যাত্রা"য় ধারণ করেছেন। যখন পালাবার পথ নেই, তখনই রুখে দাঁড়ানোর শ্রেষ্ঠ সময়।
Profile Image for DEHAN.
278 reviews80 followers
October 15, 2025
যাত্রা নামটা হুট করে শুনলে অনেকেই বিভ্রান্ত হবে। এ কিসের যাত্রা? শোভা যাত্রা? বিবাহ যাত্রা? তীর্থ যাত্রা? অনন্ত যাত্রা? নাকি কাঠের মঞ্চে উঠে RGB পোশাক গায়ে দিয়ে বিকট ভঙ্গিতে চিল্লাচিল্লি করা?
যাত্রা উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ''পলায়ন'' । একদল মানুষ ঢাকা থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পালিয়ে এসেছে পাকিস্তানীদের হাত থেকে বাঁচার আশায় । এদের মধ্যে একজন আছে যিনি মুক্তিযুদ্ধ ভালো মতো শুরু হওয়ার আগেই পায়ে গুলি খেয়ে একেবারে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে , আরেকজন আছে মাঝবয়সী প্রফেসর যে দেশ আর যুদ্ধ নিয়ে যতটা চিন্তিত তারচেয়ে বেশি চিন্তিত ব্যাংক থেকে টাকা উঠাবে কিভাবে সেটা নিয়ে। আর আছে একটি ভার্সিটি পড়ুয়া মন খারাপ করা মেয়ে যার প্রেমিক সম্প্রতি ''পুর্ব পাকিস্তানে ফিউচার নাই'' ডায়লগ দিয়ে রাওয়ালপিন্ডি তে চলে গেছে (শালা পাষন্ড!)
দেশে যুদ্ধ লাগলে আমজনতা একটা বিব্রতকর দোটানাটানির মধ্যে থাকে। যাত্রা উপন্যাসটি দোটানাটানির গল্প। ওরা ঢাকা থেকে পালিয়ে রোহিতপুর নামক এক জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার পর সেখানকার গ্রামের মানুষদের দ্বারা তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা হয়। আপ্যায়ন প্রক্রিয়া চলমান অবস্থাতেই গ্রামের এক আত্মবিশ্বাসী তরুণ, রাওয়ালপিন্ডিতে ভেগে যাওয়া ঐ পাষন্ডের শোকে জর্জরিত তরুণীর প্রেমে পড়ে যায় এবং তাকে নিজের মায়ের সাথে দেখা করার জন্য বারবার অনুরোধ করতে থাকে। ওদিকে আবার শোকগ্রস্থা তরুণী সদ্য গুলি খাওয়া শয্যাশায়ী যুবকের প্রতি একটা নামগোত্রহীন আকর্ষণ অনুভব করতে শুরু করলে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি কিম্ভূতকিমাকারে পরিণত হয়।
রক্তক্ষয়ী জীবনমরন যুদ্ধের মধ্যে বেহুদা প্রেম প্রীতির অতিরঞ্জিত মিশ্রণ ভালো লাগে নাই।
'শুরুতে জান নিয়ে পালানোর' যাত্রাটা শেষের দিকে কিভাবে যেন 'প্রাণ দিয়ে থেকে যাওয়াতে' রূপান্তরিত হয়েছে…
যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
287 reviews23 followers
October 1, 2024
" সব কটা জানালা, খুলে দাও না
আমি গাইবো, গাইবো বিজয়েরই গান
ওরা আসবে, চুপি চুপি
যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে
দিয়ে গেছে প্রাণ"

“দূরে সারা বাংলাদেশ জুড়ে তখন হত্যা আর অত্যাচার। হয়তো অন্য কোন গ্রামের আকাশে তখন ঘর জ্বালানো আগুনের শিখা আকাশমুখী লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে কিংবা কে জানে, হয়তো আরেক শহরের আকাশে ধবল জোসনা, নীল তারা আর দক্ষিণের বাতাস আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। ”

ঢাকা শহর ছেড়ে মানুষ পালাচ্ছে নানা দিকে। বুড়িগঙ্গা নদী দিয়ে নৌকা করেও নিজস্ব শহর ছেড়ে সরে পড়ছে উপদ্রুত মানুষ। আদিঅন্তহীন যাত্রাপথে কেউই জানে না, তারা কোথায় যাবে! অনিশ্চিত গন্তব্যের পথে ধাবমান সেই জনস্রোতে উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রায়হান সপরিবারে যুক্ত হয়েছেন। আক্রান্ত ঢাকা শহরে অধ্যাপক তাঁর স্ত্রী বিনু ও দুই সন্তান নিয়ে দুইদিন আত্মগোপনে থেকে অবশেষে জনস্রোতে ভেসে নদী পেরিয়ে অসংখ্য মানুষের সঙ্গে মিশে আশ্রয় নিয়েছেন অচেনা এক গ্রামের স্কুলঘরে।

অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী লীলা, ইকবাল হলে প্রতিরোধ করতে গিয়ে আহত ছাত্র হাসান, সখিনা, ফার্নান্ডেজসহ অনেকেই এসে আশ্রয় নিয়েছেন দুঃসহ স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে।

যে মানুষগুলো আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে, তাঁরাই এক অস্থায়ী আশ্রয়ে আক্ষেপ, তাড়না ও যন্ত্রণার তাগিদে ঘুরে দাঁড়াবার মন্ত্রে দীক্ষা নিচ্ছে। যা হয়ে উঠেছে সংকটকে সামনে রেখে মানুষের প্রতিরোধের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার প্রতিফলন। একই সঙ্গে বাঙালি মধ্যবিত্ত চরিত্র ও ব্যক্তির মনস্তত্তেরও নিগূঢ় প্রকাশ হয়ে উঠেছে ‘যাত্রা’।

"যাত্রা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক আক্রমণ থেকে প্রাণরক্ষার জন্য ঢাকাবাসীর অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ছুটে চলার কাহিনিই যাত্রা। প্রত্যহিক দিনপঞ্জি বা ডায়েরির আদলে লেখা যাত্রা উপন্যাসের কাহিনি,মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালের ঘটনার রূপ।

যাত্রা উপন্যাস মূলত যুদ্ধে আক্রান্ত নগরবাসীর আত্মরক্ষার্থে পলায়ন এবং আশ্রয়ের শেষ গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই তাঁরা প্রতিরোধের চেতনায় উজ্জীবিত। এই প্রতিরোধী পরিবেশ অঙ্কনে শওকত আলী সিদ্ধহস্ত। আখ্যানবিন্যাস, পরিবেশ-কল্পনা ও ভাষা ব্যবহারে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অনবধ্য উপন্যাস এই "যাত্রা"

উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অধ্যাপক রায়হান মধ্যবিত্ত চরিত্রের সমগ্র সত্তাকেই ধারণ করেন। তিনি রাজনীতি সচেতন রাজনৈতিক কর্মী। যুদ্ধের ভয়াবহতার ভেতরেও তাঁর অন্তরাত্মায় যে মধ্যবিত্ত সুলভ স্বার্থান্ধতা কাজ করেছে, তাও যথার্থভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন শওকত আলী। বিবেকের চঞ্চলতাকেও যে পিছুটানে চাপা দিতে হয়, চলিষ্ণু মধ্যবিত্তের সব আবেগকে যে প্রশ্রয় দেওয়া যায় না, তারই উদাহরণ অধ্যাপক রায়হান।

তাই পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে যুদ্ধের নেতৃত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। নেতৃত্ব ফিরিয়ে দিতে যুক্তির আশ্রয় খুঁজে তাই বলেন, ‘ভালো লোক খুঁজে বের করেছো তোমরা- আমি বন্দুক ছুঁয়ে দেখিনি জীবনে- আর আমি দেবো মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব? তোমাদের মাথা খারাপ নিশ্চয়ই।’

"যাত্রা’ উপন্যাসে ঢাকা শহর, বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সংঘটিত গণহত্যা, প্রাথমিক প্রতিরোধ, স্বাধীনতার স্পৃহা ইত্যাদি বাস্তবতা ধরা আছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক আঘাত ও প্রত্যাঘাতের সলতে পাকানোর প্রহরগুলো ফুটে উঠেছে। আক্রান্ত অথচ মুক্তিকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষার যথার্থ প্রতিফলন বলা যায় শওকত আলীর ‘যাত্রা’ উপন্যাসকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি উপন্যাসের মূল সম্পদ, তা হলো মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তীকালের বিরুদ্ধ পরিবেশে ১৯৭১-এর সংগ্রামী ঘটনাপ্রবাহের পুনরুচ্চারণ।

শুধু উপস্থাপনের সাহসিকতাই নয়, তিনি পাকিস্তানি আক্রমণের মধ্যেও বিজয়ের সুপ্ত স্বপ্নটিকে অঙ্কন করেছেন তাঁর নির্মিত চরিত্রের মাধ্যমে। অবরুদ্ধ ও আক্রান্ত সময়ে নতুন সূর্যের উদয়ের প্রতীক দিয়ে বিজয়ের স্বপ্ন-দেখা কথাকার শওকত আলী।

সাবলীল বর্ণনাভঙ্গি ও চরিত্রায়নে বেশ উপভোগ্য করে তুলেছে "যাত্রা" উপন্যাসটিকে। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর চালানো হত্যাযজ্ঞের ব��্ননাগুলো চমৎকার উপস্থাপনার সাথে, পালিয়ে যাওয়া মানুষের সেই অনিশ্চিত যাত্রার বর্ণনা রয়েছে। নিজেকে হয়তো কল্পনায় আমিও সেই যাত্রার যাত্রী হিসেবে কল্পনা করতে পারি। জানি না বইটি নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা কেনো নেই তবে মুক্তিযুদ্ধের বই হিসেবে নিঃসন্দেহে চমৎকার একটি বই।

🔹বইয়ের নামঃ যাত্রা
🔹লেখকের নামঃ শওকত আলী
🔹প্রকাশনীঃ ইত্যাদি গ্ৰন্থ প্রকাশ
🔹পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২
🔹মলাট মূল্যঃ ২০০ টাকা
Profile Image for Zihad Saem.
125 reviews6 followers
September 9, 2024
'যাত্রা' শওকত আলীর একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক আক্রমণ থেকে প্রাণরক্ষার জন্য ঢাকাবাসীর অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ছুটে চলার কাহিনীই যাত্রা উপন্যাসের ভিতরে উঠে এসেছে।
প্রাত্যহিক দিনপঞ্জি বা ডায়েরির আদলে লেখা 'যাত্রা' উপন্যাসের কাহিনী, মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালের আখ্যান।
'যাত্রা' উপন্যাস মূলত যুদ্ধে আক্রান্ত নগরবাসীর আত্মরক্ষার্থে পলায়ন, সমস্ত কিছু ফেলে অনিশ্চিত পথে নেমে পড়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই প্রতিরোধের চেতনায় ঘুরে দাঁড়ানোর কথামালাই বিবৃত হয়েছে এই উপন্যাসে।
এই প্রতিরোধী পরিবেশ শওকত আলী সিদ্ধহস্তে অঙ্কন করেছেন।
Profile Image for Tahsin Ahmed.
5 reviews
April 3, 2024
যাত্রা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। বইটি লেখক তার ৭১-এ শহিদ হওয়া বাবাকে উৎসর্গ করেছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের রাতে অপ্রত্যাশিত ভাবে ঢাকাবাসীর উপর পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত বর্বর আক্রমণ এবং কিংকর্তব্যবিমুঢ় ঢাকাবাসী পরক্ষণেই প্রাণরক্ষার জন্য অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ছুটে চলার কাহিনি নিয়ে ১৯৭৬ সালে রচিত উপন্যাস 'যাত্রা'।
প্রত্যহিক দিনপঞ্জি বা ডায়েরির আদলে লেখা যাত্রা উপন্যাসের কাহিনি মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালের ঘটনার শিল্পরূপ। জীবনকে তুচ্ছ করে করে হাতে গুলি খাওয়ার পরেও হাসানের প্রতিশোধ স্পৃহার গল্প এটি। বাংলার কিশোররা কীভাবে ধীরে ধীরে লড়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে তার বর্ণনা। এবং ঢাকায় পড়তে এসে ২৫শে মার্চে আটকে যাওয়া লীলার ও তার নির্মম সময়ের ওপর রাগ উঠার গল্প।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.