ছায়াগ্রহ শব্দটির অর্থ আয়না। এই উপন্যাসে কোনও নির্দিষ্ট সুখ-দুঃখের গল্প নেই। এই উপন্যাস শুধু আমাদের সকলের সামনে একটি আয়না তুলে ধরে। প্রত্যেকটি মানুষই আসলে সমাজে এক এক ধরনের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। তাদের আসল মুখ ঢাকা পড়ে যায় রঙচঙে মুখোশের পেছনে। 'ছায়াগ্রহ' উপন্যাসের চরিত্ররাও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু যখন সেই মুখোশ খসে পড়ে, তখন ঠিক কী হয় ? তখন মানুষ নিজেই নিজের মুখ দেখে অবাক। স্তম্ভিত হয়ে ভাবে এই অচেনা মানুষটি কি আদৌ সে নিজে ? ইতিহাসের আয়নায় নিজেদের মুখ দেখ
সায়ন্তনীর গড়িয়ায় বাস। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও কলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির শখ। কবিতা ও গদ্য দুইই চর্চার বস্তু।ক্লাস সেভেনে প্রথম প্রকাশ সংবাদ প্রতিদিনের শনিবাসরীয় পাতায়'চশমা' ছোট গল্প। তারপর প্রতিদিন, বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, আর ছোটদের পত্রিকা সাহানা আর বাংলা দেশের পত্রিকা ভোরের কাগজে লাগাতার লিখে যাওয়া।
প্রায় ত্রিশ বছর আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া প্রফেসর রুদ্রের লকার থেকে একটি বহু পুরোনো চিঠি পান প্রফেসর মুখার্জী। চিঠির বিষয়বস্তু তাঁকে ভাবাতে এবং প্রফেসর রুদ্রের খোঁজ করতে বাধ্য করতে। তিনি চিঠি পড়ে নিশ্চিত হন যে প্রফেসর এর বহু বছর কোনো খোঁজ পাওয়া না গেলেও তিনি বেঁচে আছেন। অতএব তিনি তাঁর বন্ধুর ছেলে, বয়সে অনেকটাই ছোটো অর্কর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং অর্কর পরিচিত মহলের কয়েকজন তার মধ্যে তার স্ত্রী তিস্তা, বন্ধু সম্রাট, অভিজিৎ এবং প্রতিবেশী মিস্টার ও মিসেস দাস এবং তাঁদের একমাত্র কন্যা টুনিকে নিয়ে রওনা দেন গোলকোন্ডার উদ্দেশ্যে। সেখানে গিয়ে গাইড শিবাকুমারণ এর কাছে গোলকোন্ডার দেওয়ালে, ফটকে আলো আঁধারিতে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতা দখলের, প্রতিহিংসার, রক্তক্ষরণের ইতিহাস শুনে শুধু তাঁরাই নন পাঠকরাও শিহরিত হবেন। প্রফেসর রুদ্রকে অতি কষ্টে পাওয়া গেলেও দেখা যায় তিনি গোলকোন্ডায় ত্রিশ বছর আগে রিসার্চের জন্য এলেও মানসিকভাবে পুরোপুরি বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন, নিজের পরিচয় সম্পূর্ণভাবে ভুলে গেছেন এবং নিজেকে বারংবার পরিচয় দিচ্ছেন
এই অংশ পর্যন্ত পড়ে পাঠকদের মনে হতে বাধ্য যে উপন্যাসটি থ্রিলার এর মোড়কে লেখা, বা, আশা করতেও বাধ্য যে পরবর্তীতে নিশ্চয়ই ওরকম কিছু ঘটতে চলেছে। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে লেখিকা এরপর উপন্যাসের চরিত্রদের বিশ্লেষণে মন দেন। তাদের মুখেই তাদের পরিচয়, অতীত, ভাবনাচিন্তা পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন।
এই বিশ্লেষণ করতে গিয়েই দেখা যায় গোলকোন্ডার ইতিহাস এবং চরিত্রেরা মিলেমিশে যাচ্ছে। তাদের চরিত্রের অন্ধকার যে দিকগুলো কবরে চাপা ছিল, ইতিহাস জানতে গিয়ে, প্রফেসর রুদ্রের মানসিক ভারসাম্যহীনতায় নিজেকে অসহায় পিতা সুলতান কুলি খাঁ ভেবে বলে সন্তান জামশেদের বিশ্বাসঘাতকের মতো পিতাকে খুন করা ― এসব ভেবে ক্রমান্বয়ে বলে চলা প্রলাপ শুনে কেউ যেন সযত্নে খুঁড়ে তুলে আনে প্রচারের আলোয়। সবার দুর্বলতা, ধূসর রং সবাই জেনে যায়, কেউ কখনও আলো ছেড়ে চলে যেতে চায় অন্ধকারে, আবার কখনও বর্তমান বাস্তব জীবন থেকে অব্যাহতি নিয়ে শান্তির জন্য ছুঁতে চায় অকৃত্রিম প্রেমকে। চরিত্রেরা একে অপরকে শারীরিক মিলনে আহ্বান যেমন দেয়, তেমনই সুযোগ খোঁজে একে অপরের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কাটাছেঁড়া করার। গোলকোন্ডার ইতিহাস সবাইকে নতুন দিনের ডাক দেয়; সবাই জানে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কিন্তু তবুও তারা বর্তমানকে অস্বীকার করতে পারে না। প্রফেসর রুদ্র এবং এই ট্যুরকে কেন্দ্র করে জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয় তাদের - এটাও যেমন তারা অস্বীকার করতে পারে না, তেমনই নিজের অন্ধকারের কাছে ধরা দিতেও তারা আর ভয় পায় না, পিছপা হয় না। আলো-ছায়ার এই মিশেলে বুঁদ হয়ে থাকে সূর্যাস্তের লাল আকাশ।
_________________________
লেখিকা সমকামী প্রেমকে যেমন সাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, আপাতভাবে নিন্দনীয় মনে হতে গিয়েও চরিত্রগুলোকে ভালোবাসতে শিখিয়েছেন, গোলকোন্ডার প্রতি আকর্ষণ বোধ করিয়েছেন - তা সত্যিই প্রশংসনীয়। কিন্তু তবুও বলব প্রেম, ইতিহাসের যুগলবন্দীতে রহস্যের ছোঁয়া আর একটু থাকলে ভালো লাগত, সামান্য একটু উঁকি দিয়েই যেন সে পালিয়ে গেল। আশাহত হয়েছি সেটা উপলব্ধি না করতে পারায়।
"ইতিহাস সবসময় ফিরে আসে। অতীতের হাত থেকে আজ পর্যন্ত কেউ পালাতে পারেনি। ইতিহাস সবসময় চাবুক মেরে মনে করিয়ে দিয়েছে অতীতের কথা।... History repeats itself." অতীত ইতিহাসের প্রবাহমান ঘনঘটায় ঘটমান বর্তমানের চরিত্রসমূহের (নিজে-কে?) আবিষ্কার এর সাথে-সাথে কৌতুক ও রসবোধ এর সম্মিলনে ঘনীভূত হয়েছে গল্পটির মূল পটভূমি। গল্পটির চরিত্রগুলি বারবার নিজেদের ধরা দেয় নানান ভঙ্গিমায়। কখনো বা 'সুলতান কুলি' সেজে, কখনো বা সমকামী সেজে আবার কখনো বা যৌনমিলনে অতৃপ্ত আত্মার আদিম গহ্বরে নিজের তৃপ্তির প্রাণভ্রমরা কে খুঁজে পাওয়ার অদম্য ইচ্ছায়। সেই ইচ্ছেই কখনো-কখনো গল্পের নায়িকা শান্ত-শ্রান্ত 'তিস্তা' কে করে তোলে খরস্রোতা, যে বারেবারে নিজের অস্তিত্ব যাচাই করে নিতে চায় 'সম্রাট' এর কাছে যে নিজেকে 'জামশেদ' ছাড়া আর কিছুই মনে করেনা, সে খুনি, বর্বর, লম্পট, যোনিসন্ধানী, কা-পুরুষ। উল্টো দিকে 'প্রফেসর কৌশিক রুদ্র' ইতিহাস এর কবলে জর্জরিত হয়ে নিজেকে 'সুলতান কুলি খাঁ' ভেবে সপে দেন ষোড়শ শতকের 'কুতুব শাহী রাজবংশ' এর 'সুলতানি শাসন'-এ এবং নিজেকে আবদ্ধ করে নেন নিজের অসচেতন মনের অন্ধকূপে, 'গোলকোন্ডা'-র চার-দেওয়াল এর অতীতের স্মৃতিবিজড়িত বর্বর কারাগার এ। এবং শুরু হয় তারই ছাত্র 'বিদ্যুৎ মুখার্জি'-এর নিজের মানস পুরুষ, তার শিক্ষক 'প্রফেসর রুদ্র' কে তার অসচেতন মনের ভগ্নস্তুপ থেকে নগ্ন করে বর্তমানের আলোতে, প্রযুক্তির কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার যাত্রা এবং লড়াই। 'অভিজিৎ' বারেবারে নিজেকে ধরা দেয় প্রাহসনিক ছন্দে যা গল্পের উষ্ণতাকে প্রশমিত করে বারেবারে আবার গগনচুম্বি করে তোলার জন্যে। 'অর্ক' সমস্ত উপন্যাস জুড়েই থেকে যায় স্ত্রী 'তিস্তা' এর আঁচলে বাঁধা চাবির গোছা হয়ে। যে ভালো স্বামী, প্রেমিক, বন্ধু, বড়োলোক হয়ে উঠতে পারলেও হয়ে উঠতে পারেনি তার স্ত্রী এর অতৃপ্তির যথার্থ পরিষেধক যা 'তিস্তা' কে বাধ্য করে 'সম্রাট' এর রোমশ বুকে ত্রিস্রোতা হয়ে আছড়ে পড়তে। যে বুক হাজার-হাজার নারীকে যৌনসুখের আশ্রয় দিয়েছে বারেবার শুধুমাত্র সামান্য ভালোবাসার আশায় তা 'বন্দনা'-র বুকে নিজের অস্তিত্ব প্রায় হাতের মুঠোয় খুঁজে পেলেও অবশেষে বিধি-বাম হয়ে অধরাই থেকে যায়। "ছায়াগ্রহ" নামটি তার আক্ষরিক অর্থ, "আয়না" কে প্রতিমুহূর্তেই সঠিক বলে প্রমাণিত করে। এই আয়নাই দেখায় উপন্যাস এর প্রতিটি চরিত্রের আসল রূপ, আসল সত্ত্বা। এই আয়নাই কখনো বা পাঠকের সামনে ফুটিয়ে তোলে 'প্রফেসর বিদ্যুৎ মুখার্জি' এর সমকামী ঝোঁক, আবার কখনো বা 'সম্রাট' এর খালি ছোটবেলা থেকে বঞ্চিত ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্খা যা তাকে ধীরে-ধীরে বানিয়ে তোলে স্বেচ্ছা যৌনকর্মী , আবার কখনো বা 'তিস্তার' মতন গৃহলক্ষীর মুখোশের আড়ালে শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকা তৃপ্তি শিকারী বাঘিনীর আদল কে, আবার কখনো বা 'অর্ক' এবং 'অভিজিৎ' এর মতন আদ্যপ্রান্ত ভালো মানুষের মনের লুকোনো কিছু কষ্ট, কিছু অজানা কথাকে আবার কখনো বা 'বন্দনার' মতন ভালোবাসার ভান করে কার্যসিদ্ধি করা মুখোশধারী মানুষদের, আবার 'প্রফেসর রুদ্রের' নিজেকে সমাজের আড়ালে হারিয়ে ফেলে অবিনশ্বর হয়ে ওঠার গল্পে যা উপন্যাস এর শেষে গিয়ে কি আদেও সম্পূর্ণ হয়?? পূর্ণতা পায়?? ✍🏼অনিক গোস্বামী
বইটি এক বন্ধুর কথায় বইমেলা থেকে কিনেছিলাম। এর আগে সায়ন্তনী পূততুন্ড এর লেখা কেবল পূজাবার্ষিকী বা শারদীয়া সংখ্যা গুলোতেই পড়েছি। ফলে খুব গভীরে গিয়ে লেখিকা কে জানার সুযোগ হয়নি বললেই চলে। যদিও এই বইটি পাঁচদিন শেষ করেছি। 🍂 ছায়াগ্রহ বইটি কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে লেখা নয়। বরং অনেকগুলি বিষয়ের একটি পাঁচমিশালি রান্না বলাই শ্রেয়। বইটি মোট ন'টি প্রধান চরিত্রের উপর দিয়ে বয়ে চলেছে। সমগ্র গল্পটাই এই ন'টি চরিত্রের হায়দ্রাবাদ বেড়াতে যাওয়ার ঘটনার উপর দাঁড়িয়ে। এই বইয়ের বেশ খানিকটা জুড়ে রয়েছে ইতিহাসের স্পর্শ ও আদর, যা বেশ মনোরম লেগেছে আমার। ইতিহাসের খানাখন্দের গল্পগুলি রোম খাঁড়া করতে সক্ষম। বইটিতে কোনো রাখ-ঢাক নেই, যা সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। যৌনতাকে যৌনতার মতোই তুলে ধরা হয়েছে, অতিরিক্ত ঢাকা দিয়ে সেটিকে একটি সামান্য ঘটনা হিসেবে দেখানো হয়নি। এছাড়াও প্রত্যেকটি চরিত্রকে আলাদা আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়েছে কোনো একটি লেখিকার সিদ্ধান্তকেই সর্বশেষ বলে ন্যায্য করা হয়নি। বইটি, বর্তমান সমাজ, সমকামিতা, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, ইতিহাস, আবেগ, যৌনতা, বিবাহের হিসেবনিকেষ সবকিছুকে মিলিয়ে তুলে ধরেছে দুই মলাটের ভেতর। 🍂 বইটির মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র প্রফেসর বিদ্যুৎ মুখার্জী, তিনি হলেন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মূর্ত প্রতীক। এছাড়াও সম্রাট চরিত্রটিও আমার বিশেষ পছন্দের। বইটি শেষ হয় একটি অসমাপ্ত শেষ দিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে আমার এরকম শেষ ভালো লাগে কারণ এক্ষেত্রে পাঠকের কল্পনার জায়গা থাকে অনেকটা বেশি। ফলে এরকমভাবে শেষ দেখে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। তবে কেউ যদি happy ending পড়ে পড়ে অভ্যস্ত হন, তাহলে তার ভালো নাও লাগতে পারে। শেষে যেটা না বললেই নয় সেটা হল, লেখিকার অসাধারণ টানটান উপস্থাপনা, যার জন্য বইটি হাত থেকে নামিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। 🍂 অবশ্যই এই বই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। সুতরাং ১৮ বছরের আগে এই বই পড়া বোকামো। আর প্রাপ্তবয়স্করা, যদি একটি টানটান ইতিহাস কেন্দ্রিক বই পড়তে চান, যা সম্পর্কের বিভিন্ন আঙ্গিক দিয়ে আরো সুস্বাদু করে তোলা আছে, তবে নিশ্চয়ই এই বইটি পড়তে পারেন। নির্দ্বিধায় বইটি 5 star পাওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গা আমার অতিনাটকীয় লাগায় এবং কিছু কিছু যৌন দৃশ্য খানিকটা জোড় করেই ঢোকানো বলে মনে হওয়ায় 4star দিলাম। (সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত)
🍂📚বইয়ের নাম - ছায়াগ্ৰহ📚🍂 ✍️ লেখিকা - সায়ন্তনী পূততুণ্ড 🖨️প্রকাশক - সাইত্যম 📄পৃষ্ঠা সংখ্যা - ৩৪৪ 💰মূল্য - ২৫০₹
♡✨📖📚💫📚📖✨♡
🌟〽️ছায়াগ্রহ শব্দটির মূল অর্থ আয়না এই উপন্যাসে কোনও নির্দিষ্ট সুখ-দুঃখের গল্প নেই। এই উপন্যাস শুধু আমাদের সকলের সামনে একটি আয়না তুলে ধরে। প্রত্যেকটি মানুষই আসলে সমাজে এক এক ধরনের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায় । তাদের আসল মুখ ঢাকা পড়ে যায় ৷ রঙচঙে মুখোশের পেছনে। ছায়াগ্রহ উপন্যাসের চরিত্ররাও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু যখন সেই মুখোশ খসে পড়ে, তখন ঠিক কী হয়? তখন মানুষ নিজেই নিজের মুখ দেখে অবাক। স্তম্ভিত হয়ে ভাবে এই অচেনা মানুষটি কি আদৌ সে নিজে? ইতিহাসের আয়নায় নিজেদের মুখ দেখতে পেয়ে তেমনই টানাপোড়েনের মুখোমুখি হয় চরিত্ররা !প্রায় ত্রিশ বছর আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া প্রফেসর রুদ্রের লকার থেকে একটি বহু পুরোনো চিঠি পান প্রফেসর মুখার্জী। চিঠির বিষয়বস্তু তাঁকে ভাবাতে এবং প্রফেসর রুদ্রের খোঁজ করতে বাধ্য করতে। তিনি চিঠি পড়ে নিশ্চিত হন যে প্রফেসর এর বহু বছর কোনো খোঁজ পাওয়া না গেলেও তিনি বেঁচে আছেন। অতএব তিনি তাঁর বন্ধুর ছেলে, বয়সে অনেকটাই ছোটো অর্কর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং অর্কর পরিচিত মহলের কয়েকজন তার মধ্যে তার স্ত্রী তিস্তা, বন্ধু সম্রাট, অভিজিৎ এবং প্রতিবেশী মিস্টার ও মিসেস দাস এবং তাঁদের একমাত্র কন্যা টুনিকে নিয়ে রওনা দেন গোলকোন্ডার উদ্দেশ্যে। তারপর কি হলো? বারবার উঠে আসে একটাই প্রশ্ন—আমি কে? জানতে হলে অবশ্যই উপন্যাস টি পড়তে হবে!!〽️🌟
I felt awkward about the descriptions of numerous sex scenes. The plot of the story is, I dunno, maybe okayish. Individuals can possess different perspective about anything, right? If you have enough time, you can have a glimpse of it, whether it suits you or not :)
A psychological thriller, verging on a bold-take about today’s circumstances. Mirroring events from age-old history of Golconda fort, we get six characters, entwined within, as well as among themselves. Researched and crafted in great detail with utmost care, this book unmasks bitter truths, betrayals and the ugly face residing in the most interior places of a human mind. Lost between hope, circumstances, greed, lust, ambition, terror and revenge, every line in this book you read traces a definite path to the conclusion it metes out at the end. Intelligent use of history would definitely be a plus point in this story. This book itself is so different from others, and yet tales a story so familiar, that each of us ourselves carry with us in day to day life. Shock and awe comes to the reader, in every verge of “What if?”. The name ‘Chayagraha’ : means Mirror, and in every way justifies itself to be one of the most memorable books I have ever read, in every front. One of the best reads ever! Definitely, go for this! Kudos to the author.