সামরিক জীবনের অনেক ভাবনা আর লেখাই অপ্রকাশিত আর ক্ষেত্রবিশেষে অসমাপ্ত রয়ে যায়। মনিকা রহমান মন আর নালন্দা প্রকাশক জুয়েল রেদোয়ান আমার তেমনি কিছু লেখা সযত্নে সংগ্রহ করে রম্য, ভ্রমন, মোটিভেশন, ইন্সপিরেশন ইত্যাদি আটটি ব্যঞ্জনে ভাগ করে ছেপেছেন। 'মেজর সাহেবের অষ্টব্যঞ্জন' এর জনৈক পাঠক আমার ইনবক্সে লিখেছে, 'আপনার লেখা পড়ার আগে মনে হয় রোলার কোস্টারে উঠতেসি। পড়াশেষে চুল মাথা আউলা ঝাউলা, রোলারকোস্টার রাইডের পরে যেমন হয় আরকি, এডভেঞ্চারের চূড়ান্ত😜
🅓Born as an army brat and joined Bangladesh Army to become a Gunner Officer. 🅓Dived into the Bay of Bengal as a FROGMAN and played with IEDs as Bomb Disposal Expert. 🅓Patrolled the Chittagong Hill Tracts to evict the insurgents and traversed African savanna to witness the birth of South Sudan. 🅓An Army Staff College Graduate. 🅓A writer since childhood and a book author since 2015. 🅓Authored books on Military History, Historical Fiction, War Studies and translations. 🅓A few of the books became bestsellers and received an Army Medal as a contributing military writer. 🅓Writes regularly for various journals and a social media savvy.
ব্রিটিশ শাসনের যুগে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অনেকেই ভারতবর্ষ সম্পর্কে মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করে গেছেন। পদায়ন হোক সিলেট অঞ্চলের মতন রাজধানী থেকে দূরের অঞ্চলে, রবার্ট লিন্ডসে লিখে গিয়েছিলেন সে-সময়ের শ্রীহট্টের আনুপূর্বিক আখ্যান। ডেল এইচ খানের যথাযথ সম্পাদক-অন্বেষণ জরুরি। লেখার সময় আবেগ আর প্রদর্শন আরেকটু কমানো উচিত বলে মনে করি। সেনাবাহিনী থেকে বাংলাদেশে যাঁরা অদ্যাবধি লিখেছেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়েই বেশি লিখেছেন: সেটাই হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু দেলোয়ার হোসেন খানের মতন নিয়মিতভাবে লেখাটা অনেকের কাছ থেকেই দেখি না। আশা করাটা তাই অনুচিত না। এটা সম্ভবত লেখকের প্রথম দিককার লেখা। তাই এতটা নভিস।
২৬ জুন, ২০২১
দুই বছর পর লেখকের কাছে চাওয়া, পূর্ণাঙ্গ বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস লেখা। এক্ষেত্রে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ৪৯ বাঙালি পল্টনের সিগনাল কর্পসের দায়িত্বে থাকা মাহবুব-উল-আলমের বাঙালীর সামরিক ঐতিহ্য বইটি সামনে রাখতে পারেন। সেই সাথে সংকলন করতে পারেন বাংলায় প্রথম সামরিক অভিধান।