Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপার্থিব

Rate this book
জন্মের সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক সুনিবিড়। যেদিন মাতৃগর্ভে জন্ম হয় আপনার তখন থেকেই সুনিশ্চিত হয়ে যায় মৃত্যু। এ এক চিরন্তন সত্য। কেবল কখন, কোথায়, কীভাবে হবে সেই মৃত্যু তা কেউ জানে না। যেমন জানে না এই আধিভৌতিক কাহিনির কোনও চরিত্রগুলো।
আবার এটাও সত্য যে মৃত্যু যখন এতটাই নির্মম হয়ে ওঠে যে তার বর্ণনা হয় এমন, “ছিঁড়ে নেয়া গলা দিয়ে এখনও একটু একটু রক্ত বের হচ্ছে, দেহের সর্বত্র রক্তাক্ত আঁচড়ের চিহ্ন, বুকের দু’পাশের রিব ভেঙ্গে দেবে আছে ভিতর দিকে, পুরষাঙ্গ আর অ-কোষ ছিঁড়ে নেয়া হয়েছে, গোটা পেট ফাঁড়া, নাড়িভুঁড়ির পুরোটা রাস্তায় লুটাচ্ছে...” তখন নিশ্চয় নড়েচড়ে বসবেন আপনি, পাঠক। ভাববেন, প্রভু, অনেকরকম মৃত্যুর কথাই তো জীবনে শুনেছি, তাই বলে এ কেমন মৃত্যু?
প্রিয় পাঠক, অপার্থিব’র নারকীয় জগতে আপনাকে স্বাগতম!

144 pages, Hardcover

First published February 5, 2018

30 people want to read

About the author

Sushmoy Sumon

23 books8 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (3%)
4 stars
13 (16%)
3 stars
29 (37%)
2 stars
22 (28%)
1 star
11 (14%)
Displaying 1 - 27 of 27 reviews
Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews222 followers
October 23, 2023
বই: অপার্থিব
লেখক: সুস্ময় সুমন
জনরা: হরর
প্রচ্ছদ: সেলিম হোসেন সাজু
প্রকাশনী: বাতিঘর প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৩
মুদ্রিত মূল্য: ১৫০/-

সে চোখে জিঘাংসা!
সে চোখে অতৃপ্তি!
সে চোখে খুব বেশি রক্তের নেশা!

রিটায়ার্ড বাংলার শিক্ষক মাহাতাব উদ্দিন সহজসরল, নির্বিবাদী মানুষ। এলাকার প্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তি তিনি। জীবন থেকে খুব বেশি চাওয়া-পাওয়া ছিল না কিন্তু আশা করেছিলেন একমাত্র সন্তান মেহবুব মানুষের মতো মানুষ হবে। কিন্তু নিজের ছেলের দিকে তাকিয়ে ঘৃণায় মন ভরে যায়। একজন মানুষ এতো নির্দয়, স্বার্থপর কীভাবে হয়! তারপরও মাহাতাব উদ্দিন ও সফুরা বেগমের ছোট সংসারটা ভালোই চলছিল। কিন্তু এলাকায় অদ্ভুত এক ছেলে দেখা পাওয়ার পর ও সফুরার ছেলের কাছে যাওয়ার ঘটনা সবকিছু বদলে দেয়... চারিদিকে মৃত্যুর দামামা বেজে ওঠে!!!

অতিপ্রাকৃত বা ভৌতিক বইয়ের প্রতি আপনার এক্সপেকটেশন কী থাকে? আমার অন্তত চাওয়া থাকে বইয়ের প্লট মানসম্মত হবে, সুন্দর একটা কাহিনী থাকবে। পড়ে ভয় পেতেই হবে এমন কোনো ভাবনা থাকে না। কিন্তু এই বইটা পড়ে শুধু হতাশই না বরং চরম বিরক্ত হয়েছি। হরর বই মানে কি শুধু লাশের বিভৎস বর্ণনা? একটা ডাইরি পাওয়া যাচ্ছে, ডায়েরি হাতে পেলে মানুষ হয়ে যাচ্ছে শয়তান আর খাওয়া শুরু করছে প্রাণী। শয়তানে পরিণত হওয়ার পর প্রতিশোধের কাহিনী দেখানো হয়েছে। ব্যাস এতটুকু!!! ডায়রি কোথা থেকে আসছে, কেন আসছে, ব্যাকস্টোরি কী, কেন অভিশপ্ত; কিছুই নায়। তবে একটা জিনিস প্রচুর পরিমাণে আছে। আর সেটা হলো- এডাল্ট কন্টেন্ট। পড়ার সময় কনফিউজড হয়ে যাচ্ছিলাম আসলে কীসের পরিমাণ বেশি, হরর এলিমেন্ট নাকি এডাল্ট কন্টেন্ট! শুরুটা ভালো মনে হচ্ছিল কিন্তু শেষে যেয়ে মনে হলো কি পড়লাম এটা!!! টপাটপ কয়েকটা খুন ছাড়া বলার মতো আর কিছু নেই। লেখা কিছুটা অগোছালো মনে হয়েছে। বইয়ের একমাত্র ভালো লাগার মতো হলো প্রচ্ছদ।
Profile Image for Deefbruh.
34 reviews5 followers
August 19, 2022
একদম জগাখিচুরি। কোথা থেকে কি আনলো। কতগুলো চরিত্র অহেতুক আনলো আর মারলো। কোন কিছুই বুঝলাম নাহ।
Profile Image for আহনাফ তাহমিদ.
Author 36 books81 followers
March 4, 2018
১) একবসায় বইটা শেষ
২) ওয়ান টাইমার হিসেবে চমৎকার পাস্ট-টাইম
৩) মনে রাখার মতো কিছু পাই নি বা বন্ধুদের সাথে আলোচনা করবার মতো তেমন কোনো হরর না
৪) যে ডায়েরী নিয়ে এত কাহিনী, সে ডায়েরী নিয়ে কিছু কথা থাকলে একটু ভালো লাগত।
৫) চরিত্রগুলোর ডিটেইলিং ভালো লেগেছে। লেখকের এই একটা দিকের তারিফ না করলে অন্যায় হয়ে যায়
৬) কাহিনীটা আরেকটু জমানো যেত। শেষটা বোধহয় একটু তাড়াহুড়ো করেই লেখা...
এই তো...
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৬.৫/১০
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
November 5, 2021
কিভাবে কি হলো, কিভাবে শেষ হয়ে গেলো বুঝলামই না!
এতো কিছু যা নিয়ে, মানে ডায়েরি নিয়ে। সে ডায়েরি সম্পর্কেও তেমন কিছু লেখা নেই। পুরোটা অগোছালো লেগেছে। মনে রাখার মতো কিছু না।
Profile Image for Ahmed Aziz.
389 reviews70 followers
June 30, 2018
চমৎকার একটা হরর গল্পের মতই শুরু হয়েছিল বইটা, কিন্তু হঠাৎ স্টার জলসার সিরিয়ালে মোড় নিল, গ্রামের সৎ, চরিত্রবান স্কুল শিক্ষক, তার টাকার লোভে অন্ধ মাতাল ছেলে, সুন্দরী চরিত্রহীন ছেলের বউয়ের পরকীয়া, ইয়ো ইয়ো নাতনীর বয়ফ্রেন্ডের সাথে মচ্ছব, ডিস্কোতে ঢিসটিং ঢিসটিং নাচ, বুড়ি দাদি কে দিয়ে কাজের মেয়ের কাজ করানো, কিছু চটাপট থাপ্পড় আর ইংরেজি বুলি। এরকম অবস্থায় বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে দেখে টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের শেষ ওভারগুলোর মত খলখলে হাসির সাথে লাশ পড়া শুরু হল, আফসোস শেষপর্যন্ত বইটা আর লাইনে আসলো না :(
Profile Image for Dr.Md.Tanvirul Islam Sajib.
41 reviews3 followers
May 29, 2018
ঈদে রংপুরে যে বইগুলো নিয়ে যাবো মনে মনে তার একটা খশরা করছিলাম। মানে বক্স থেকে বেড় করে করে দেখছিলাম আর-কি! পাবলিক হেল্থ এর কিছু বই দেখার পর দেখি ‘আরায়না’ দৌড় দিয়ে একটা খাতা নিয়ে আসছে। এক হাতে খাতা, অন্য হাতে রং পেন্সিল। কাছে এসে ‘পাপা, একটা ম্যাংগো এঁকে দাও’ বলে খাতাটা আমার দিকে এগিয়ে দিল। খাতাটা একবার দেখে হাত বাড়াতে গিয়ে আমি রিতিমত একটা ‘শক’ এর মতো খেলাম। অবাক হয়ে দেখলাম, কভার পুরোটাই ছিঁড়ে ঝুলে আছে, প্রথম পৃষ্ঠায় আম-জাম আঁকা আর প্রায় সবগুলো পাতা আলগা করা একটা বই। এবারের বই মেলায় যে ৩০/৩৫ টি বই কিনেছি তার মধ্যে ছিল বইটি! কখন যে বক্স থেকে বেড় করে নিয়েছে টেরই পাইনি।
বইটি সুস্ময় সুমনের ‘অপার্থিব।’
হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছিলাম না! তাড়াতাড়ি একটা প্যাড’এ ‘ম্যাংগো’ এঁকে বইটা নিয়ে নিলাম। পৃষ্ঠাগুলো ঠিকঠাক করে রেখে দিলাম রাতে পড়ার জন্য।

ছোট্ট সুন্দর গ্রাম ‘আলমডাঙ্গা’ য় একদিন আগমন ঘটে রহস্যময় এক আগন্তুকের। যুবকটি কারও সাথে কথা না বলে মজিদ মিয়াঁ’র চায়ের দোকানে বসে একমনে বিড়বিড় করে চলে। ব্যাপারটা চোখ এড়ায় না মাহাতাব মাস্টারের। খোঁজ নেবার জন্য ছেলেটার কাছে গেলে বোটকা গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসতে চায় তাঁর। ছেলেটির গায়ে হাত দিয়ে আঁতকে ওঠেন তিনি, প্রচণ্ড জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে পুরো শরীর! অবাক হয়ে যান, তাঁর দিকে তাকিয়ে যখন বিচিত্র ভাষায় কথা বলে ওঠে ছেলেটি। ওর জরাগ্রস্থ টকটকে লাল চোখ আর কুচকুচে কালো মুখের ভেতরটা দেখে ভয়ে গায়ের সব লোম খাড়া হয়ে যায় তাঁর।

“হে খোদা! কী এটা? মানুষ নাকি খোদ শয়তান!”

এভাবে এগিয়ে যেতে থাকে কাহিনী। প্রচণ্ড ঝড়ের রাতে রহস্যময় এক ছায়ার পিছনে বনের ভেতর ঢুকে আজব এক ডায়েরী খুঁজে পান তিনি। এদিকে ঢাকায় খুন হয় তাঁর ছেলে ও ছেলের বউ! আর স্ত্রী সফুরা বেগমের একই ফ্লাটে বাথরুম এ পিছলে পড়ে মারা যাবারই বা রহস্য কি? অস্পষ্ট স্বরে কার কণ্ঠ শুনতে পান তিনি?
এরকম আরও অনেক গল্প নিয়েই ‘অপার্থিব’। যা আপনাকে ভাবাবে, চিন্তা করতে বাধ্য করবে অজানা কারও অস্তিত্ব নিয়ে।

এক বসায় পড়ে ফেলার মত একটি বই ‘অপার্থিব’। চরিত্র গুলোর detailing ভালো ছিল। লেখকের গল্প বলা মুগ্ধ করেছে। তবে সেই গল্পের গাঁথুনিই যদি ভালো না হয়, plot দুর্বল হয়, তবে? এক্ষেত্রেও তাই। অস্থির একটা শুরু আশা দিচ্ছিল বেশ। হালকা ভয়ের আভাসও পাচ্ছিলাম। নড়েচড়ে বসে যেই মনোযোগ দিলাম, ছন্দপতন তখন থেকেই! গল্পের শুরু, মাঝের কাহিনীগুলোর সংশ্লিষ্টতা এবং ক্লাইম্যাক্স সবটাই অগোছালো মনে হয়েছে। লেখক শেষে এসে বেশ তাড়াহুড়ো করেছেন বোঝা যায়। আরও একটু সময় নিয়ে গল্পটা গুছিয়ে লেখা যেত। যা হোক, অনেক চেষ্টা করেও মাহাতাব সাহেবের পরিবারের সাথে অশরীরী জগতের লিংক বেড় করতে পারিনি। ডায়েরীটি নিয়েও তেমন কিছু লেখা হয়নি।
“কি? কেন? কি জন্য?” এ প্রশ্নগুলো সব সময়’ই দেখা দিয়েছে।

লেখকের ‘আঁধারের জানালাটা খোলা’ পড়া হয়���ি তাই ‘অপার্থিব’-ই প্রথম পড়া। হয়তো তাঁর লেখনী এমনই, আমি অনেকদিন হরর পড়ি না জন্য এলোমেলো মনে হতেও পারে! আর এমনটা হওয়া বিচিত্র না। তাই অন্যের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে পড়ে দেখার অনুরোধ করছি।

সেলিম হোসেন রাজু’র অসাধারণ প্রচ্ছদ সাথে বাতিঘরের ট্রেডিশনাল বাইন্ডিং, ভালো কাগজ আর পরিচ্ছন্ন কম্পোজ বেশ মানসম্পন্ন ছিল। বানান ভুল নেই বললেই চলে। ১৪৩ পৃষ্ঠার বইটির মুদ্রিত মূল্য ১৫০ টাকা মাত্র।

©️ ডাঃ তানভীর, নিপসম, ঢাকা।
Profile Image for শালেকুল পলাশ.
274 reviews34 followers
June 20, 2018
আচ্ছা এটা কি হরর বই? আমার কাছে কেন জানি এটা সামাজিক থ্রিলার টাইপের লাগছে। লেখক এখানে বর্তমান সময়ের উচুতলার সমাজের সমস্যা গুলো নিয়ে খুব খোলা মেলা করেই লিখছেন। তাদের উচ্ছন্নে যাওয়া জীবন যাপন, পারিবারিক ব্যবস্থার ধ্বসে পড়া অবস্থা ইত্যাদির সাথে দিন শেষে নিজের অপরাধবোধ কুরে কুরে খাওয়া। সব ভাল ভাবেই ফুটে উঠেছে। কয়েকটা সিনারিও বাদে পুরাটাই সাইকোলোজিকাল বলে চালায়ে দেওয়া যায়। লেখকের হরর বাদ দিয়ে মনে হয় ওই দিকেই মন দেওয়া উচিত। কারন ওদিকে তার লেখার হাত ভাল। হরর পড়তে যেয়েও মাঝে মাঝেই রাগে, ক্ষোভে, বিষন্নতা মনকে ছুয়ে গেছে।

কাহিনী সংক্ষেপঃ মেহেবুব, শায়লা আর মেয়ে সারিতাকে নিয়ে ছোট্ট সংসার, আল্লাহ ধন সম্পদ ঠিকই দিয়েছে তাদের কিন্তু পরিবারে কোন সুখ নেই। উচ্ছন্নে যাওয়া জীবন জাপন উপভোগ করে তারা। মেহেবুব এর বাবা গ্রামের স্কুল শিক্ষক মাহাতাব উদ্দিন আর মা সফুরা। ছেলে সন্তান থেকে দূরে গ্রামে নিরিবিলি সংসারে থাকেন। হঠাত গ্রামে এক পাগলের আবির্ভাব হল। একের পর এক ঘটনা ঘটতে শুরু করল যার কোন ব্যাখ্যা নাই। এক সময় ছেলেটা হারিয়ে গেল কিন্তু রেখে গেল তার ডায়ারি। ডায়ারি হাতে পরল মাহাতাব উদ্দিনের। আস্তে আস্তে পরিবর্তন আসতে থাকল তার মাঝে। ঘটতে থাকল আরো মারাত্তক সব ঘটনা।
Profile Image for Kowshik Debnath.
Author 1 book51 followers
May 28, 2019
ভালোই লেগেছে বইটা। রাইটিং খুবই চমৎকার। ডিটেইলিং, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব ভালো। গল্পটাও সুন্দর।
কিন্তু গল্পে যে ডায়েরির কথা লেখা, তার অরিজিন জানার আগ্রহ ছিল, সেটাই পাইনি। অথচ ঘটনার মূলে এই ডায়েরিটাই। শুধুমাত্র পুরান বইয়ের সাথে পেয়েছে বলে লেখক ব্যাপারটাকে পাশ কাটিয়েছেন।


কিঞ্চিৎ স্পয়লারঃ অপার্থিব জন্তুটা যার উপরে ভর করে, সে রক্ত চায়। যেকোনো কিছুকে খেয়ে ফেলে। কিন্তু মাহাতাব উদ্দিনের উপর ভর করার পর সে প্রতিশোধ নিলো অন্যভাবে৷ কেউ ট্রাকের নিচে, কেউ দড়িতে ঝুলে, অথবা কারো শরীর ছিন্নভিন্ন করে। কিন্তু এখানে কারো রক্ত বা মাংস খেল না কেন? এ ব্যাপারগুলো ঘোলাটেই রয়ে গেল।
নয়তো উপন্যাসটা আরো চমৎকার কিছু হতে পারতো।


স্পয়লার শেষ।

ডায়েরির অরিজিন, অপার্থিব জন্তুর কর্মকাণ্ডের যদি ব্যাখ্যাটা শেষে পেতাম, তবে আরো ভালো কিছু হতো এই উপন্যাসটা। এখানে আশাহত হয়েছি। তবে লেখকের লেখনী এবং ঘটনার বর্ণনা খুবই সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
Profile Image for Monika Ghosh.
183 reviews37 followers
March 5, 2018
আমি আমার সারা জীবনে এরকম ফালতু, গাঁজাখুরি বই পড়িনি। ' তার চোখ দিয়ে গলগল করে জল পড়তে লাগল!' একটু পড়াশুনা করে বই লিখলে ভাল হত। নাহ...বাতিঘরের মান দিন দিন কমছে।
Profile Image for Ananna Anjum .
191 reviews11 followers
June 6, 2021
একদম ভালো লাগল না।
Profile Image for Mohtasim Hadi Hadi.
Author 11 books53 followers
February 27, 2018
গতানুগতিক ধারার হরর বই যেমন হয় সেরকমই। রাতে বেশ আয়োজন করেই পড়তে বসেছিলাম কিন্তু সে তুলনায় কোন ভয়ই পাইনি। বইটার শুরুটা পড়ে মনে হয়েছিল দারুণ একটা এন্ডিং পাব। তবে সেরকম না হওয়ায় হতাশ হয়েছি বলা চলে।
ভাল দিক হিসেবে বলা যায় প্রচ্ছদটা অসাধারণ এবং বইটা এক বসায় শেষ করা যায়।
Profile Image for Wazedur Rahman Wazed.
Author 2 books23 followers
September 9, 2018
"সবার কপালে উপরঅলা সবকিছু দেয় না। এটা মেনে নিয়ে যারা চলতে পারে তারা ভাগ্যবান। আর যারা বিষয়টা মেনে না নিয়ে তড়পাতে থাকে, তারা দূর্ভাগা।"

পৃথিবীতে প্রত্যেকটা জিনিসের দুটো দিক আছে। যা একে অপরের বিপরীত। যেমন রাত-দিন, আলো-আঁধার, সত্য-মিথ্যা, জন্ম-মৃত্যু। জন্ম দিয়ে একটা মানুষের জীবন শুরু হলেও মৃত্যুতেই তা আচমকা শেষ। জন্মের ইতিহাস আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের জানাতে পারলেও মৃত্যুর পরের ইতিহাস আমরা আজো জানতে পারিনি। মৃত্যু নিজেই কেমন অদ্ভুত। হুট করে আসবে, কাউকে না জানিয়ে, কাউকে না বলে৷ হয়তোবা চলাচলের রাস্তায় কিংবা নিজের ঘরে বসে থাকা অবস্থায়। যুগ যুগ ধরে কৌতুহলপ্রিয় মানুষেরা জানার চেষ্টা করে আসছে মৃত্যুর পরে কি? আর একইসাথে একদল ক্ষমতালোভী চেষ্টা চালিয়ে আসছে অমরত্ব লাভের। আর সকল ধর্মমতে প্রত্যেক অমরত্বের দাবিদারই ঈশ্বর কর্তৃক শয়তান রূপে বিতাড়িত হয়েছে জাগতিক প্রচুর শক্তি নিয়ে। আর মানুষেরা অমরত্বের আশায় করে আসছে সেই শয়তানেরই পূজা। শয়তানের ইশারায় করেছে খুন, চালিয়েছে হত্যাযজ্ঞ। এমনকি শয়তানের অযাচিত এই বর্বরতা থেকে রেহাই পায় না ঈশ্বরের প্রিয় ইমাম, ব্রাক্ষ্মন পুরোহিত, বৌদ্ধ ভিক্ষু কিংবা চার্চের ফাদার। শয়তানকে ডাকার জন্যে বানানো হয় অদ্ভুত আকৃতির সব মূর্তি, অদ্ভুত সব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কেউ কেউ আবার পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে তা ডায়েরী আকারে লিপিবদ্ধও করে৷ একসময় শয়তানের সেই আঁধারের রাজ্যেও আলো প্রবেশ করে, তছনছ হয়ে যায় সব, এত এত বছর ধরে করা প্রার্থনাসব এক নিমেষেই ধুলিস্মাৎ হয়৷ শয়তান অভিশাপ দিয়ে পালায়। অনেক..অনেক বছর পর কেউ হয়তো সেই শয়তানের উপাসনার ডায়েরীটা খুঁজে পায়, কৌতূহলে ধুলো পড়া ডায়েরীটা খুলে পড়া শুরু করে। শয়তানও তখন ঈশ্বরকে বিদ্রুপ করে হাসতে হাসতে ফিরে আসে ধরনীর বুকে৷ শয়তানের ইশারায় আবার চলে খুন, হত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ। ভালোর অপর পিঠটাই খারাপ আর খারাপের অপর পিঠটাই ভালো।

"আগেকার যুগে বলা হত মেয়েরা নাকি কুড়িতেই বুড়ি, সে হিসেব এখন বদলে গেছে। অনেক মেয়ে-সন্তানও আজকাল পরিবারের কাছে শক্ত লাঠি।"

বইয়ের ব্যাক কাভার থেকেঃ জন্মের সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক সুনিবিড়৷ যেদিন মাতৃগর্ভে জন্ম হয় তখন থেকেই সুনিশ্চিত হয়ে যায় মৃত্যু৷ এ এক চিরন্তন সত্য। কেবল কখন, কোথায় আর কিভাবে হবে তা জানে না কেউ৷ আবার এটাও সত্যি যে, মৃত্যু যখন ভীষণ নির্মম হয়ে উঠে, তার বর্ণনা হয় এরকমঃ "ছিঁড়ে নেয়া গলা থেকে এখনো একটু একটু রক্ত বের হচ্ছে, দেহের সর্বত্র রক্তাক্ত আঁচড়ের চিহ্ন, বুকের দু'পাশের রিব ভেঙ্গে দেবে গেছে, পুরুষাঙ্গ আর অণ্ডকোষ ছিঁড়ে নেয়া হয়েছে, গোটা পেট ফাঁড়া, নাড়িভুঁড়ির পুরোটা রাস্তায় লুটাচ্ছে..." তখন নিশ্চয়ই আপনার পিলে চমকে যাবার কথা। প্রিয় পাঠক, অপার্থিবের নারকীয় জগতে আপনাকে স্বাগতম৷ সুস্ময় সুমনের অপার্থিব বইয়ের ব্যাক কাভার থেকে লেখাটা তুলে দিলাম। বাতিঘর থেকে প্রকাশিত বইটার পেইজ, বাইন্ডিং বরাবরের মতোই৷ ভেবেছিলাম প্রচ্ছদটা ডিলান সাহেবের কিন্তু পরে জানলাম সেলিম হোসেন সাজু নামে কারোর কথা৷ যাই হোক, প্রচ্ছদটা ভালো লেগেছে৷

কাহিনীপ্রসঙ্গঃ শুরুটা বর্তমান সময়ের একটা হাইরেজ বিল্ডিং এর নবম তলা থেকে। ড্রয়িংরুমে বসে পেগের পর পেগ মদ গিলছে মেহবুব। মদটাই তার নিত্যসঙ্গী। মদ ছাড়া কোন গতি নাই৷ নিজের স্ত্রী যখন নিজের বেস্টফ্রেন্ডের সাথেই সম্পর্কে জড়িয়ে যায় তখন মদ ছাড়া উপায় থাকে না৷ মেহবুবের স্ত্রী শায়লা জামশেদের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে। এত কিছুর পরও কিভাবে যে সংসারটা টিকে আছে তাই ভাবছে মেহবুব। এমন সময় একটা খসখসে আর চাপা-হাসি মেহবুব শুনতে পায়। রুমটা হঠাৎই করে অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে গেছে৷ ওদিকে নিজের ঘরে বসে জামশেদের সাথে মোবাইলে ম্যাসেজ চালাচালি করছে শায়লা। শায়লার ঘরেও খসখসে একটা শব্দ হয় কিন্তু সেদিকে শায়লার মন নেই। মনটা পড়ে আছে জামশেদের কাছে৷ এমন সময় খসখসে আর চাপা-হাসির শব্দটা শায়লাকে ভয় পাইয়্যে দেয়। হঠাৎ করেই গেটটা খুলে যায় শব্দ করে। মেহবুব দাঁড়িয়ে আছে সেখানে কিন্তু চিরচেনা সেই মেহবুব নয় যেন কুৎসিত কোন জীব৷ শায়লার উপর ঝাপিয়ে পড়েই কামড় বসালো শায়লার টুঁটি লক্ষ্য করে।

শুরুটা বর্তমান সময়ে হলেও গল্পটা মূলত তিন মাস আগেকার। গল্পটা মাহাতাব উদ্দিনের। আলমডাঙ্গা নামক এক মফস্বলে থাকেন তিনি, সাথে থাকেন তার স্ত্রী সফুরা বেগম। অবসরপ্রাপ্ত বাংলার শিক্ষকের একজনই সন্তান যে কিনা ঢাকায় থাকে এবং পাইলট। মাহাতাব উদ্দিনের এমনিতেই ঢাকায় দমবন্ধ লাগে তার উপর ছেলের বউয়ের খড়খড়া ব্যবহার তাকে ব্যথিত করে৷ তাই ঢাকায় যাওয়ার নাম উঠলেই নাক সিটকায় মাহাতাব উদ্দিন। দরকারী কথা ছাড়া ছেলের সাথে তেমন একটা কথাও বলেন না তিনি৷ শুধুমাত্র সফুরা বেগম মা বলে প্রায় প্রায়ই ছেলের সাথে কথা বলেন। বাবা এবং ছেলে দুজনেই আত্মরম্ভী স্বভাবের। মাহাতাব উদ্দিনের বিকেলটা কাটে মজিদ মিয়ার হাতের এক কাপ চা আর এলাকার লোকেদের সাথে কথাবার্তা বলে। প্রতিদিনের মতো একদিন মাহাতাব উদ্দিন মজিদ মিয়া দোকানে যেয়ে এক উদ্ভট ছেলেকে দেখতে পায়। বেশভূষা ভালো হলেও গা-ভর্তি ধুলোবালি, ময়লা আর দুর্গন্ধ। মাথাভর্তি ঝাকড়া চুল আর মাথানীচু করে বিড়বিড় করে কি যেন পড়ছে। ঘটনার পরিক্রমায় ছেলেটার গা ছুঁয়ে দেখে গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে আর চোখদুটো টকটকে লাল। ছেলেটা বগলে থাকা একটা বেশ পুরানো ডায়েরী নিয়ে মুহুর্তেই জঙ্গলের দিকটায় দৌড়ে উধাও হয়ে যায়।

এক সন্ধ্যায় প্রদীপ স্যারের মেয়ে মালতির পোষা বিড়াল কুটমুট একটা অদৃশ্য শক্তির আকর্ষণে জঙ্গলে ছুটে যায়৷ মালতির প্রচণ্ড জ্বর আসে। আর সেদিনই মাহাতাব উদ্দিন স্বপ্নে দেখেন একটা ছেলে জঙ্গলে বসে একটা জীবিত বিড়াল কাঁচা চিবিয়ে খাচ্ছে। ঘুম ভেঙ্গে যায় মাহাতাব উদ্দিনের। ধড়ফড় করে উঠে বসে সে। এসব কি হচ্ছে তার সাথে, তাই সে ভাবে। তার স্ত্রী চলে গেছে ঢাকায় ছেলের কাছে৷ জানালায় চোখ পড়তেই দেখে কেউ একজন জঙ্গলের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। মাহাতাব উদ্দিন পিছু নেয় ছায়ামূর্তির। একটা সময় জঙ্গলের মাঝে ছায়ামূর্তিটা অদৃশ্য হয়ে যায়। মাটিতে একটা পুরানো ডায়েরী খুঁজে পায় মাহাতাব উদ্দিন। বাসায় চলে আসে সে। ডায়েরীটাতে অদ্ভুত সাংকেতিক ভাষায় কিছু লেখা। মুহুর্তেই একটা খসখসে আর চাপা-হাসি শোনা যায় মাহাতাব উদ্দিনের রুমে। ঘরের সামনেই কুকুরটা ডেকে উঠে। মাহাতাব উদ্দিনের কুকুরটাকে কাঁচা চিবিয়ে খাওয়ার লোভ জাগে৷

নয়তলার সেই বিল্ডিং এ এমন কি ঘটেছিল? মেহবুবের উপর কি কিছু ভর করেছিল? শায়লাকেই বা কেন কামড় বসালো মেহবুব? জঙ্গলের দিকে দৌড়ে পালানো সেই ছেলেটা কে? ওর হাতের ডায়েরীটা কিসের? মালতির পোষা বিড়াল কুটমুটকে সত্যিই কি কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া হয়েছিল? আর মাহাতাব উদ্দিনই বা সেইরকম একটা স্বপ্ন কেন দেখলো? আর কেনইবা এতদিনের পোষা কুকুরটাকে তার হঠাৎ কাঁচা চিবিয়ে খাওয়ার লোভ উঠে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে সুস্ময় সুমন রচিত অপার্থিব বইটা পড়তে হবে আপনাকে।

লেখকপ্রসঙ্গঃ লেখকের সাথে অনেক আগে মিরপুরের ডিওএইচএসে এক শুটিং এর সময় কথা হয়েছিল। সজলকে নিয়ে কোন একটা নাটকের শুটিং ছিল। তখন আমিও মিডিয়াতে টুকটাক কাজ করতাম এক বড় ভাইয়ের সাথে সেই সুবাদেই পরিচয়৷ কিন্তু জানা ছিল না যে উনি লেখেন৷ আর তাছাড়া ২০১৪,১৫,১৬ টানা তিনবছর রিডার্স ব্লকে থাকার ফল হচ্ছে অনেককেই চিনি না কিংবা চিনি অথচ জানিও না। যাই হোক, প্রাথমিক বেড়ে উঠা আর পড়াশুনাটা চট্রগ্রামে হলেও পরবর্তীতে কলকাতা থেকে পড়াশুনা করেন। চাকরি পছন্দ নয় তাই ফ্রিল্যান্সিং দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন। বর্তমানে নাটক নির্মান পেশায় যুক্ত আছেন৷ লেখালেখির প্রতি প্রবল টান থাকাতেই লেখালেখি করেন৷ বাতিঘর থেকেই আরেকটা বই আছে উনার যার নাম 'আঁধারের জানালাটা খোলা'।

"মেয়েরাই কেবল মেয়েদের সাইকোলজি বুঝতে পারে।"

লেখালেখিটা যদি লেখকের ধর্তব্যের মধ্যে না থাকে তাহলে পাঠককে চুম্বকের ন্যায় আকর্ষনের ক্ষমতা সে লেখকের লেখায় থাকে না। সুস্ময়দা'র সুবিধাটা হচ্ছে উনি একজন লেখকের পাশাপাশি পরিচালকও৷ তাই বর্ণনাগুলো এমনভাবে লেখা হয়েছে অকপটে তা চোখের সামনে ভেসে উঠে৷ হরর বই পড়ি আবার মুভিও দেখি কিন্তু ছমছমে ভাবটা আমার ক্ষেত্রে তখনই কাজ করে যখন অনস্তিত্বের কিছু ঘটনাটা ঘটায় এবং যার কোন ব্যাখ্যা থাকে না কিংবা পাওয়া যায় না। আছে না অনেক মুভিতে বা গল্পে ভুতের সাথে মারামারি হয় কিংবা অদ্ভুতদর্শন ভুত দেখিয়ে খামাখা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয় সেরকম না৷ সুস্ময়'দা যা লিখেছেন তা একেবারেই অনস্তিত্বের কিছু একটা৷ ধরাও যাবে না আবার ছোঁয়াও যাবে না কিন্তু আপনার অনুভূতিতে স্পন্দন জাগাবে৷ হরর হিসেবে গা-ছমছমে উপভোগ্য একটা বই৷ এখন কথা হচ্ছে বইটা কি শুধুই হরর? না বইটা হররের পাশাপাশি কিছুটা থ্রিলারও বটে৷ থ্রিলিং পার্ট যদিও জমতে জমতেও জমতে পারেনি (প্রেডিকেটেবল ছিল-আমার কাছে) কিন্তু সেটা বুঝে উঠার সুযোগ হরর পার্টটা আপনাকে দিবে না৷ তবে হ্যা, সাইকোলজিক্যাল বেশ কিছু ব্যাপার খোলামেলা ভাবেই দেখানো হয়েছে। সমাজের উঁচু শ্রেণীর জীবনযাত্রা, উচ্ছনে যাওয়া জীবনযাপন, দিন শেষে অপরাধবোধের বোঝার ভার বয়ে বেড়ানো এসবই চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়েছেন লেখক। পাশাপাশি গ্রাম্য আর শহরের অতি উঁচু শ্রেণীর ভেদাভেদ দেখিয়ে কিছুটা সামাজিকতার ব্যাপারগুলো বুঝিয়েছেন৷ গল্প, চরিত্র গঠন, গল্পের পটভূমি, গল্পের আবহ তৈরী মোটামুটি লেগেছে। তবে লেখনী সবচাইতে বেশী ভালো লেগেছে৷ পড়তে বসে একেবারে প্রথম লাইন থেকে শেষ লাইন অবধি ধৈর্য্যহারা হতে দেননি লেখক। আমি মনে করি এটাই লেখকের সফলতা। জ্বি অবশ্যই কিছু অসঙ্গতি আছে। বেশকিছু ইংরেজী শব্দের ব্যবহার যদিও অহেতুক মনে হয়নি তবুও চোখে লেগেছে। আর ২টা কি ১টা শব্দগত ভুল ছিল। গল্পটা একদমই সাদামাটা। শুরুটা যতটা দুর্দান্ত শেষটা ঠিক ততটা নয়। কিছু জায়গায় নাটকীয়তা দৃশ্যমান৷ আর তাছাড়া সবার মূলে থাকা ডায়েরীটা সম্পর্কে কিছুই জানানো হয় নি তবে যদি প্রিক্যুয়াল বা সিক্যুয়াল করার ইচ্ছা লেখকের থেকে থাকে তাহলে সাধুবাদ জানাই নয়তো বেশ কিছু প্রশ্ন রয়েই যায়। প্রচ্ছদ আর গল্পের শুরুর ন্যায় দুর্দান্ত না হলেও হরর হিসেবে মোটামুটি উপভোগ্য একটা বই। পড়তে পারেন।

বাদবাকি ভালো লাগা কিছু উক্তিঃ

"ভালো মানুষের শত্রুর অভাব হয় না।"

"অন্যের জন্য নিজেকে উজাড় করে দেয়ার নামই মনুষ্যত্ব।"

"জন্মালে যেমন মরতে হয় চাকরীতে জয়েন করলে সেভাবেই রিটায়ার্ড করতে হয়।"

"শুধু পড়লেই একজন মানুষ 'মানুষ' হয়ে উঠে না। তার জন্য তাকে স্বশিক্ষিত হতে হয়৷"

Profile Image for Atik Yasir.
9 reviews3 followers
July 31, 2020
গল্পটা পড়তে তেমন একটা সময় না লাগলেও গল্পটার মূলকথা বুঝতে একটু বেশিই সময় নিয়ে ফেললাম।

যাইহোক,ভৌতিক বিষয়টির কথা বাদ দিলে গল্পটাতে ফুটে উঠেছে বর্তমানের শহুরে সমাজের প্রতিচ্ছবি।সারাক্ষণ প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে থাকা,পরিবারকে সময় না দেওয়া,নিজের কষ্টগুলোকে বাবা-মা কিংবা কারো সাথে শেয়ার না করে নিজের ভেতরে কষ্টকে পুষে রাখা,ভালোবাসাকে তুচ্ছ করে দেখা প্রভৃতি।

বইটিতে যে বিষয়গুলো ভালো লেগেছেঃ
১.একবসায় শেষ করে ফেলার মত।
২.একই কথা বারবার না লিখে পেজ না বাড়ানো।
৩.প্রত্যেকটি চরিত্রকে লেখক খুব সুন্দরভাবে রিপ্রেজেন্ট করেছেন,কোনো খাপছাড়া চরিত্রের দেখা মেলেনি।

যে জিনিসগুলো তেমন একটা ভালো লাগেনাইঃ
১.EXTREME BRUTALITY!!!হ্যাঁ,এই জিনিসটা আমার কাছে এক্টু বিরক্তিকর লাগছে।আমার কাছে মনে হয়,অতিপ্রাকৃত জিনিস্টা নিরব হওয়াই শ্রেয়। Silence Can Be Killer!
২.গল্পটিতে একটি বিরাট অংশ যুক্ত আছে একটি ডায়েরির সাথে।কিন্তু,ডায়েরিটা নিয়ে লেখক তেমন কিছু বলেন্নি।আমার মতে,ডায়েরিটির উৎপত্তির পেছনের আসল ঘটনাটি বইটতে উল্লেখ করলে ভালো হত।

এককথায়,পড়ার মতো একটি গল্প।
Profile Image for Tama Rashid.
35 reviews26 followers
June 18, 2021
" অপার্থিব " বই নিয়ে কিছু কথা :

** নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এটা একটা ভৌতিক বই | অনেক দিন ধরে অ্যাডাল্ট হরর খুজছিলাম | এই বইয়ে আমার তৃষ্ঞা কিছুটা মিটেছে |

** বইটাতে প্রতিটা মৃত্যুর ভয়ানক অবস্থা এমন ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে যে একটু কল্পনা করতে বসলেই পেট খিচে বমি আসবে |

** বইটার গল্পগুলো আমার কাছে সামান্য এলোমেলো লেগেছে | মানে ঠিক গল্পটা মিলাতে পারলাম না | যদিও শেষের চার পৃষ্ঠায় মেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে | তবুও আমার মনে হয়েছে ঠিক মিলাতে পারেনি | আপনারা যারা বইটা পড়েছেন আপনাদের মতামত দিবেন |

** অতিরিক্ত বড়োলোকের জীবনের দুঃখ অনেকাংশে বইটাতে ফুটে এসেছে | সমাজের অবস্থার একটা চিত্র ফুটে উঠেছে |


সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত | আপনারা চাইলে আমার লেখা " কর্পোরেট হিরো " বইটা পড়তে পারেন |
Profile Image for Masuma Tasnim L.
17 reviews1 follower
October 1, 2020
‘সাসপেন্স /হরর থ্রিলার’ আমার বর্তমানে সবচেয়ে পছন্দের জনরা।বইটি সে হিসেবে ভালো লাগার কথা আমার কিন্তু প্রথম কয়েক অধ্যায় পড়ে মনে হয় সাসপেন্স রাখতে গিয়ে লেখক বেশি টেনে ফেলেছেন কাহিনী।তবে বইয়ের মাঝখানে গিয়ে গল্প জমতে থাকে।কয়েকটি ক্যারেকটার বিল্ডাপ দারুণ লেগেছে।মাঝে দিয়ে কাহিনীকে ভালোই এগিয়ে নিয়েছেন লেখক।এর অশুভ আজানা শক্তি তছনছ করতে থাকে মানুষের জীবন।তার থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায় মৃত্যু।চলতে থাকে একের পর এক নৃশংস মৃত্যু শেষ পর্যন্ত।এক বসায় পড়ে ফেলার মত ফাস্টরিড হিসেবে মোটামোটি একটি ভালো বই।হরর জনরা যাদের পছন্দ তাদেরকে বিশেষভাবে রেকমেন্ড করবো বইটি।
Profile Image for Fahad Islam.
55 reviews1 follower
December 29, 2024
বইয়ে (বীভৎসতা) ছাড়া আর কিছুই পেলাম না।
না আছে কোনো প্লট বিল্ডিং, না আছে কোনো ধরনের চরিত্রায়ন। কিছু কিছু সময়ে লেখক একটু বেশিই নাটকীয় বানিয়ে ফেলেছেন, যেগুলো পড়ার সময় রীতিমতো cringe লাগছিলো।

এছাড়া আর কোনো কমপ্লেইন নেই। দারুন লিখনশৈলীর কারণে কোনো অসুবিধা ছাড়াই একটানা পড়ে যেতে পারছিলাম। এছাড়া লেখকের বর্ণনার কৌশলটা আমার ভালো লেগেছে বেশ।

একবার পড়ে ভুলে যাওয়ার জন্য চলনসই বলা চলে...👍🏼
Profile Image for Auyon.
18 reviews3 followers
March 3, 2024
Rating: a large sized duck egg!

One of the worst book I have ever read. No synchronisation in the story, nor the writing style is of any attraction. Total waste of time. Should have given a negative rating if that was possible.
Profile Image for Rafsan Riyadh.
28 reviews25 followers
March 7, 2018
3.5 stars to be exact. কাহিনি আহামরি কিছু না, তবে লেখার ধরণটা দারুণ। পিওর হরর, গোর-ইশ! মার মার কাট কাট। ভাল লেগেছে।
Profile Image for Ashraful Mahim.
7 reviews2 followers
April 23, 2018
একদমই ভালো লাগলো না। শুধু প্রচ্ছদটাই দুর্দান্ত।
Profile Image for Shafin Ahmed.
81 reviews8 followers
May 8, 2020
হরর বরাবরই আমার প্রিয় জনরা।
তবে extreme brutality আমার কখনোই ভালো লাগে না। তাই ব্যক্তিগতভাবে বইটি আমার কাছে ভালো লাগে নি খুব একটা।
Profile Image for Nasrin Mehzabeen Anindita.
25 reviews19 followers
March 4, 2021
একদম নিখাদ আবর্জনা।পড়ে মনমেজাজ বিগড়ে গেছে।সনি এইটে জাম্প স্কেয়ার দিয়ে ভয় দেখানো আলতু ফালতু সিরিয়ালের মতো হয়েছে।
Profile Image for Rashikur Rahman.
Author 4 books32 followers
February 15, 2018
জীবন ও মৃত্যু একে অপরের পরিপূরক। আলো আঁধার, সাদা কালোর মতই এরা একসাথে থাকে। যেন একটা ঘটলে অপরটা ঘটবেই। হয়তো আজ বা কাল বা অনেক অনেক দিন পরে। কিন্তু ঘটবেই। কিছু কিছু বই থাকে যেগুলার গল্প সারাংশ আকারে তুলে ধরা যায় না। সাধারণ গল্পগুলো থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়। কিংবা অল্পতে তুলে ধরতে গেলে আসল ব্যাপারটা বোঝানো যায়না। এই বইটিও তেমন। গল্পটা অবসর প্রাপ্ত এক স্কুল শিক্ষক ও তার পরিবারের। গল্পটা একজন অশরীরী। গল্পটার মুল উপজীব্য ভয় নয়। মৃত্যু। যেন মৃত্যুই এক মাত্র সমাধান।

পাঠ পতিক্রিয়া- হরর বই আমি আগে তেমন একটা পড়তাম না। ইদানীং শুরু করেছি। তাই বইটা কেমন সে ব্যাপারে খুব বেশী কিছু বলতে পারবো না। আমার সে জ্ঞান নেই। শুধু নিজের ভালো লাগা বা মন্দ লাগা বলতে পারবো। কাহিনীটা খুব সুন্দর ছিল। বেশ ভালোও লাগছিল। কিন্তু শেষে কিছু জায়গায় উত্তর খুঁজে পাইনি। হালকা অসামঞ্জস্য আর কি। সুস্ময় ভাই বলছে এই বইয়ের প্রিকুয়েল আসবে এরপর। তখন উত্তর পেয়ে যাবো সম্ভবত।
November 21, 2018
অপার্থিব
- সুস্ময় সুমন

"জন্মের সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক সুনিবিড়। যেদিন মাতৃগর্ভে জন্ম হয় আপনার তখন থেকেই সুনিশ্চিত হয়ে যায় মৃত্যু। এ এক চিরন্তন সত্য। কেবল কখন, কোথায়, কীভাবে হবে তা কেউ জানে না। যেমন জানে না এই আধিভৌতিক কাহিনির চরিত্রগুলো।" বইয়ের ফ্ল্যাপের এই কথাগুলো বাদে আর কিছু পাচ্ছিনা রিভিউ হিসেবে লিখার জন্য। সব বই এর রিভিউ লিখা যায়না। এটা তেমন একটা বই। ছোট্ট একটা বই, ছোট্ট একটা কাহিনী অথচ কত নৃশংস! একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে উঠার উপায় নেই। পড়া শেষ হলে মনে হবে আবার শুরু থেকে পড়ি।....
Profile Image for Sheikh Ahmmed Nazirul Bashir.
50 reviews11 followers
April 3, 2018
হরর উপন্যাস। ভালো লিখেছেন। পুরোটাই এনজয় করেছি। মেহেবুব, শায়লা, সারিতা, মাহাতাব উদ্দিন, সফুরা, আজিম, অজিফা, রাসেল, মুহিব, জামশেদ, আসীম গোমেজ, আব্দুল করিম, মালতি রাণী, মিনতি, প্রদীপ স্যার, মজিদ মিয়া, জুবায়ের আর তার চিনির শরবতের মত চা আর...আর...সেই নাম না জানা ছেলেটা...যার গায়ে খুব জ্বর...

না...আর বলবো না...বাকীটা পড়ে নিন...

#হ্যাপি_রিডিং
Profile Image for Tasnia Khan.
5 reviews1 follower
March 9, 2018
এলোমেলো & লজিক বিহীন প্লট। লেখার ধরন সুন্দর, ভয় পাবার যথেষ্ট উপাদান আছে। তবুও জমলো না।
Profile Image for Rakayet Alam.
9 reviews1 follower
April 11, 2018
দুর্দান্ত প্রচ্ছদ। লেখক লিখতে জানেন, কিন্তু প্লটটা ঠুনকো মনে হয়েছে। কিছু জায়গায় গোরের বর্ণনা একটু ফোর্সড ছিল। গুড টাইম পাস।
Profile Image for Yeasin Reza.
522 reviews89 followers
June 26, 2018
ভয়ের আবহ ঠিক ছিলো কিন্তু গল্প আজাইরা ও খাপছাড়া। কোন মা-বাপ নাই,আসমান থিক্কা টপকানো গল্প
Displaying 1 - 27 of 27 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.