রয়েল বেঙ্গল টাইগার যেভাবে আমাদের দেশকে সম্মানের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে, আমরা সবাই যেন সেই বাঘের মতো বাংলাদেশকে প্রতিটা ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করতে পারি। আমি বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হতে পেরেছি, তোমরাও চাইলে বিশ্ব জয় করতে পারবে। হালুম!!!
Shakib Al Hasan is a Bangladeshi international cricket player. Considered as the greatest cricketer to have ever played for Bangladesh, Shakib is acknowledged as the best all-rounder in the world with the highest current rankings in all formats of the game. In 2015, Shakib became the first and only cricketer in history to be ranked the No.1 all-rounder by ICC in its Player Rankings in all three formats of the game (Test, Twenty20 and One Day Internationals). Shakib married Umme Ahmed Shishir, a Bangladeshi American in December 2012. They had their first daughter Alaina Hasan Abri in November 2015.
বাচ্চাদের বেশ ভালো লাগবে বইটা। হঠাৎ বইটা হাতে পেয়ে ৫-৭ মিনিটে পড়ে ফেললাম। বাচ্চাদের উপযোগী বই এবং যেহেতু লেখক সাকিব আল হাসান, অবশ্যই বাচ্চাদের আগ্রহ থাকবে সবার আগে।
প্রথমেই বলতে হয় চমৎকার ইলাস্ট্রেশন এর কথা।এত সুন্দর ঝকমকে একটা বই!লেখনীও দারুণভাবে সাবলীল। শেষের দিকের পাতার লেখাগুলো ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে।শুধু সাকিব আল হাসানের জীবনকথা নয় এটি,আরো বেশি কিছু।দেশের একজন সুপার আইকন হিসেবে এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
বুক রিভিউ 📗✍ বই : হালুম লেখক : সাকিব আল হাসান পার্সোনাল রেটিং - ৫/৫
চমৎকার বই! ছোটদের জন্য দারুণ অনুপ্রেরণা যোগাবে বইটি। ফুটবল প্রেমিক পরিবারে বড় হয়ে ওঠা সত্বেও সাকিব-আল-হাসান একজন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার। সাকিবের শৈশব কেটেছে অনেক আনন্দময়। ছোটবেলায় তার কাছে ব্যাট বল কিনার টাকা ছিল না সেজন্য বেঞ্চের টুকরোকে ব্যাট বানিয়ে এবং লাটিম গাছের ফল কে বল বানিয়ে পাড়ার ছেলেদের নিয়ে সারাদিন টিকেট খেলায় মেতে থাকতেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে সাকিব ঘুমের মধ্যেও ক্রিকেট খেলতেন বলে উঠতেন "ছক্কা" "আউট" "হাউজ দ্যাট"! নতুন ব্যাটের খুঁজে একদিন সবাই মিলে গেলেন বনের ভিতর গাছের ডালের খুঁজে। গাছের ডাল খুঁজতে গিয়ে সাকিব একেবারে বনের ভিতরে ঢুকে পড়লেন এবং একটি বাঘের গর্জন শুনতে পেলেন সেই গর্জন শুনে ছুটে এলেন নদীর তীরে এবং একটি বাঘকে তার দিকে মায়া ভরা ও আত্মবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে থাকতে দেখতে পেলেন। সেই সুন্দর বাঘের মুখে ছিল বিশ্বজয়ের চাহনি এবং গর্জন। সেই গর্জন এবং আত্মবিশ্বাসের চাহুনি থেকে সাকিবের মনেও বিশ্বজয়ী করার স্পৃহা জাগলো। তারপর থেকেই মূলত সাকিবের বিশ্বজয়ের যাত্রা শুরু। শাকিব কিন্তু পড়ালেখা কে প্রথম প্রায়রিটি দিয়েছেন। লেখাপড়ায় ভালো না করলে কোন কিছুতেই ভালো করা যায় না আর তাকে ক্রিকেটও লেখাপড়া দুটোতেই ভালো করতে হবে। তাই সবকিছু তে ভালো করার প্রতিজ্ঞা করলেন। সাকিব মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন সে একদিন বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার হয়ে বাঘ যেমন দেশকে রিপ্রেজেন্ট করে সেও বাঘের মত বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের বুকে উচ্চতার আসনে অধিষ্ঠিত করবেন। আর সাকিব সবার উদ্দেশ্যে বলেছেন দেশ তোমাকে কী দিতে পারবে, সে চিন্তা না করে চিন্তা করো তুমি দেশকে কতটুকু দিতে পারবে। আর সব সময় চেষ্টা করবে নিজেকে সেরা করতে এবং তার জন্য প্রথমেই স্বপ্ন দেখতে হবে।মন দিয়ে পড়াশোনা আর কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। সাকিব আল হাসান তার সেই দেখা অনন্তর সুন্দর বাঘের চোখ আর সাহস আজও ভুলতে পারেনি। সেই রয়েল বেঙ্গল টাইগার যেভাবে আমাদের দেশকে সম্মানের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে আমরা সবাই যেন সেই বাঘের মত বাংলাদেশকে প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করতে পারি। সাকিল বলেছে আমি যদি বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হতে পারি তোমরাও চাইলে বিশ্বজয় করতে পারবে।
অল্প কথায় বইটা ভালোই লেখছে কিন্তু বইয়ের দামটা অনেক বেশি মনে হইছে আমার কাছে। বাচ্চাদের বই বলতে গেলে তাদের পড়াতে পারেন।
একটা উক্তি আসিলো এমনটাই মনে হয়। 'দেশ আমাকে কি দিসে সেটা না দেখে দেশকে আমি কি দিচ্ছি সেটাই আসল কথা'। ক্যান রে ভাই! আমি তো নিয়মিত ট্যাক্স দিচ্ছি দেশকে আর কি দিতাম? 😴
যত দূর মনে পড়ে ক্লাস এইট বা তার আশে পাশে থাকতে পড়েছিলাম কোন এক বন্ধুর কাছ থেকে নিয়ে। তখন নতুন বই পড়া শুরু। কেমন লেগেছিল তখন তা এখন এসে বলা মুশকিল। হঠাৎ চোখে পড়ল বিধায় যুক্ত করে নিলাম।
সাকিব ভাইয়ের জীবনের সংক্ষিপ্ত বললেও বেশি বলা হবে (বইটির জন্য) ।পুরো জীবনী নিয়ে বই লিখলে ভালো হতো । আশা করি পরের বইমেলায় পুরো জীবনী নিয়ে বই ছাপা হবে ।