Prafulla Roy was a Bengali author, lived in West Bengal, India. He received Bankim Puraskar and Sahitya Akademi Award for his literary contribution in Bengali.
একদম সিনেমার মত গল্প ,গরীব মেধাবী পরিশ্রমী বুদ্ধিমান মল্লিনাথ চৌধুরী নিজের সবটুকু উজাড় করে তিলতিল করে বাঁচিয়ে তুলেছেন প্রিয়তোষ বাবুর মৃতপ্রায় কোম্পানিটিকে.নিজের রক্ত পানি করা পরিশ্রম ও সততার পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন কল্পনাতীত সাফল্য.তার পর একদিন হঠাৎ রাজত্বের সাথে রাজকন্যা পাওয়ার মতো প্রিয়তোষ মশাই তুলে দিলেন নিজের একমাত্র কন্যা অনুরাধার হাত.
অনুরাধা যার রুপমুগ্ধ মল্লিনাথ পনেরো বছরের বিবাহিত জীবনে পেয়েছেন শুধু অবহেলা, বঞ্চনা আর এক নামসর্বস্ব অন্তঃসারশূন্য সম্পর্ক.মা চন্দ্রাবতীর মত নীল রক্তের আভিজাত্যের সাথে সাথে অনুরাধা পেয়েছে দীন দরিদ্রদের জন্য সেবামূলক কাজের বিনিময়ে দেবী খ্যাতি পাওয়ার এক অদম্য ক্ষুধা তার সাথে স্বামী মল্লিনাথের শুধু মাত্র নামখানা ছাড়া বাকি সবকিছু ছুড়ে ফেলে দেওয়ার এক শীতল অভিব্যক্তি.
কর্ম জীবনে সফল কিন্তু ব্যক্তিজীবনে চরম অসুখী মল্লিনাথ তাই রক্ত মাংসের মানুষের ভালোবাসা সঙ্গ পাওয়ার জন্য বেছে নেন বারবণিতাদের.ধূর্ত অবিনাশ নিপুণ ভাবে তার এই চাহিদা মিটিয়ে থাকে
হয়ত এভাবেই কেটে যেত তার জীবন কিন্তু হঠাৎ তীব্র দাবদাহের পর এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির মত জীবনে আসে মনিকা.সাতদিনের সঙ্গে বেশ বুঝতে পারেন প্রনয়ের প্রথম স্বাদ তাকে এনে দিয়েছে মনিকা,অল্প দেখার এই চেনাজানা কে চিরস্থায়ী করতে বদ্ধপরিকর মল্লিনাথের জীবনে হঠাৎ বের হয়ে আসে স্ক্যান্ডাল তাকে আর মনিকাকে ঘিরে
ছবির মত এই গল্পের শেষটা কি ছবির মত হবে? অতঃপর তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগলো এই আপ্তবাক্য কি সবসময় সত্যি হয়?
গুডরিডসেই এক বন্ধুর রিভিউ দেখে কৌতুহল হয়, পিডিএফ পাওয়া যাচ্ছে দেখে নামিয়ে পরে ফেললাম। স্বল্প পাতার বই, সাবলীল লেখা খুব তাড়াতাড়িই পড়া হয়ে গেল। ভালোই চলছিল কাহিনী। বর্তমানে কোটিপতি ব্যবসায়ী, মল্লিনাথ, নিজের মেধা ও পরিশ্রমে রাজত্ব ও রাজকন্যা দুইই পেলেন; কিন্তু পনের বছরেরও রাজকন্যা, অনুরাধার মনে জায়গা পেলেন না, উল্টে পেলেন তাচ্ছিল্য আর অবজ্ঞা। অতএব গেলেন বাইরের মেয়েমানুষের কাছেই। এইরকম ই একজন মণিকা। তার সাথে দেখা হওয়ার পর কোনদিকে মোড় নিল মল্লিনাথের জীবন, তাদের সম্পর্কের পরিণতিই বা শেষ পর্যন্ত কি হলো তা জানতে হলে পড়ে ফেলতে পারেন বইটি।