ধরুন আপনি চিকেন চাউমিন অর্ডার করেছেন। চাউমিন আসার পরে তাতে দেখলেন চিকেনের পিস মেরেকেটে ২-৩টে। সেটুকু বাদ দিলে বাকিটুকু ভেজ চাউমিন। তবে ভেজ চাউমিন হলেও খেতে দুর্দান্ত। ভালো জিনিস পেলেন শুধু এক্সপেকটেশনের সমতুল্য জিনিস হল না।
এই কিশোর উপন্যাসটির ক্ষেত্রেও তাই। বইয়ের নাম পড়ে যেমন দমফাটা হাসির গল্প মনে হবে তা একেবারেই কার্যকর নয় পড়ার বেলায়। কাহিনিটিতে ইচ্ছা করলেই অদ্ভুতুড়ে সিরিজের মতোন বিটকেল কীর্তিকলাপ ভরে দিয়ে একটা সুপার হাস্যকর কাহিনি বানানোর চান্স ছিল। কিন্তু কোন কারণে লেখক তার ধারেকাছে যাননি। স্ল্যাপস্টিকের আশ্রয় না নিয়ে বরং বেশ সিরিয়াস বাস্তবসম্মত পথেই কাহিনি গড়িয়েছে।
বিদেশ থেকে পড়ে আসা গজপতি কীভাবে চামড়া-বিহীন নিরামিষ জুতো বানানোর কারখানা বানিয়ে জুতো তৈয়ার করল তাই নিয়েই গল্প। সামারি করে বললে ৫ বাক্যেই সম্ভব। কাহিনির বেশিরভাগটাই জুতো তৈরীর প্রসেস নিয়ে কারবার। আশ্চর্যের বিষয় প্রসেসটা শুনে বাস্তবসম্মতই মনে হয়েছিল আগাগোড়া। হাসিমজার খোরাকি যে কেন দিলেন না লেখক! যা আছে তাতে কুতিয়েকাতিয়েও হাসি আসে না দু-এক জায়গা ছাড়া।