What do you think?
Rate this book


Paperback
Published January 1, 2018
১৯৪০-এর দশকে কলকাতায় আমেরিকান সৈন্যদের দৌলতে পাড়ায় পাড়ায় বক্সিং ক্লাব গজিয়ে উঠেছিল। ময়ূখও মুষ্টিযুদ্ধের অনুরাগী হয়ে এই খেলা অনুশীলন করে বেশ পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন। (কমিক্স ও গ্রাফিক্স ১ম বর্ষ ১ম সংখ্যা)
‘গাছে ঢুঁ মারা বন্ধ করে ফিরে তাকাল রক্তচক্ষু হরিণ [পড়ুন অ্যান্টেলোপ]’—তাদের চোখ কি উত্তেজিত হলে রক্তাভ হয়ে যায়?
লেপার্ডের ঊর্ধ্বতন চোদ্দো পুরুষ কেউ কখনো এমন ব্যবহার সহ্য করেনি। আকারে ছোটো হলেও লেপার্ড হচ্ছে লেপার্ড; তুচ্ছ মানুষের আছাড় খেয়ে মুখের গ্রাস ফেলে পালিয়ে যেতে সে রাজি হল না।
‘দুই বন্ধু দেখল তীরবর্তী নক্রুকুলের চোখে চোখে জ্বলে উঠেছে হিংস্র ক্ষুধিত দৃষ্টি।’…‘খুব সম্ভব তার উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না, হয়তো নবাগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে চেয়েছিল সে, কিন্তু দুই বন্ধু আতিথ্যের মর্যাদা রাখল না, এত জোরে তারা মোটরবোটটি ছুটিয়ে দিলে যে প্রাণপণে সাঁতার কেটেও কেম্যান তাদের নাগাল পেল না…’
পুমার দেহ নিস্পন্দ। বার বার কামড় খেয়েও তার সাড় হল না। মখমলের মতো থাবা দুটোর ভিতর থেকে প্রতিহিংসার উদগ্র আগ্রহে একবারও বেরিয়ে এল না নয়টি বাঁকা বাঁকা নখ, ওয়েবের গুলি খেয়ে মরণ-ঘুমে ঘুমিয়ে পড়েছে নয়টি ছুরির মালিক।
‘রেড কিলার’-এর উদ্দেশে পাতা ফাঁদের মধ্যে ধরা পড়ল ক্যাঙারু, ওয়ালবি প্রভৃতি জানোয়ার।
অবশেষে ডিংগো পরাজয় স্বীকার করল, লৌহময় স্প্যানারের সুকঠিন অভ্যর্থনা আর সহ্য করতে না পেরে জন্তুটা ঝোপের ভিতর ঢুকে অদৃশ্য হয়ে গেল।
সেই কর্কশ ধ্বনি-তরঙ্গ স্তব্ধ হওয়ার আগেই জলার অন্য দিক থেকে ভেসে এল আর এক ভৈরব-কণ্ঠের হুংকার সংগীত।
আর একটা জাগুয়ার।
হঠাৎ কুকুরগুলির গলার আওয়াজ বদলে গেল। সে কী উৎকট শব্দ! ভাষা দিয়ে সেই বীভৎস স্বর-লহরীর বর্ণনা দেওয়া যায় না—রুদ্ধ আক্রোশের প্রচণ্ড আস্ফালনে ডেন কুকুরগুলো সমস্ত দুনিয়াটাকেই ছিঁড়ে ফেলতে চাইছে।
পরক্ষণেই বংশ-নির্মিত যবনিকার তলদেশ দিয়ে আলোকিত কুটিরের ভিতর প্রবেশ করল ভয়ংকর—ভয়ংকর মস্ত বড়ো এক থাবা!বংশ মানে বাঁশ আর যবনিকা হলো পর্দা। রহস্যরোমাঞ্চকথা তো প্রচুর লেখা হচ্ছে এখন, লেখকরা শিকারকাহিনি না লিখলেও এই তৎসম-প্রেরণা নিতেই পারেন। অবশ্য পারলে মৌলিক বইয়ের শিরোনামই ইংরেজিতে রেখে দিতে উৎসাহী যাঁরা, তাঁরা এ পরামর্শ কতটুকুই-বা নেবেন!