Jump to ratings and reviews
Rate this book

এক ডজন ময়ূখ

Rate this book
প্রচ্ছদ – রূপক ঘোষ

Paperback

Published January 1, 2018

2 people want to read

About the author

Mayukh Chowdhury

30 books3 followers
One of the most talented comics artists in India whose works were in Bengali language. He wrote under a pseudonym (real name Shaktiprasad Raychowdhury). He refused to take photographs of himself. He still has not recieved the recognition he deserves for his works. Much about him still remains unknown

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
3 (60%)
3 stars
2 (40%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
725 reviews12 followers
May 9, 2023
ছোটোবেলায় কলেজ স্ট্রিটের চক্রবর্তী অ্যান্ড সান্স থেকে ক্রীত সঙ্কর্ষণ রায় সংকলিত রোমহর্ষক শিকার কাহিনী পড়া হয়েছিল—এক ব্লগসাইটে পড়লাম তিনি ছিলেন এক ভূবিজ্ঞানীও, কোথায় হারিয়ে ফেললাম আমরা তাঁকে? এরপর বাংলাদেশে বইদস্যুতা-কৃত জিম করবেট রচনাসমগ্র থেকে অল্পবিস্তর পড়া। আমার শিকার কাহিনিপাঠ এতটুকুই। অন্য ভাষায় পড়া হয়ে ওঠে নি শিকার কাহিনি। বিশেষ করে আজকের দিনের বন্যপ্রাণি-সচেতন বাস্তবতায় শিকার কাহিনি পড়া হয় নি। সব প্রাণী যে শিকার নিষিদ্ধ হয়েছে, তা নয়, সচেতন বিশ্বেও না।
ময়ূখ চৌধুরীর শিকার-কমিকস এর আগে পড়া হয়েছে। অসাধারণ! বাঙালির নিজস্ব শিকারকাহিনি কম, ময়ূখও নানান ইংরেজ শিকারির কাহিনি বাংলায় রূপান্তর করেছেন তাঁর সুপাঠ্য ও মাঝেমাঝে তৎসম শব্দবহুল সাহিত্যিক গদ্যে। প্রত্যেকটা বইয়ের একটা মেজাজ থাকে, সে মেজাজ অনুসারে বিন্যস্ত হয় এর সাজসজ্জা, প্রচ্ছদ, হরফশৈলী আর বই-সংশ্লিষ্ট যাবতীয় খুঁটিনাটি। সে হিসাবে এ বইয়ের হরফেও নাটকীয়তা আশা করেছিলাম। হরফগুলো যদি অ্যান্টেলোপ, পুমা কি গন্ডারের সাথে জলকাদায় নেমে লড়াইয়ে নেমে ফোঁসফোঁস না করতে থাকে, নিরীহ সামাজিক উপন্যাসের মতন দাওয়ায় বসে ঝিমুতে থাকে, তাহলে ঠিক যায় না। ময়ূখ চৌধুরীর কমিকসের কথা-বুদবুদগুলো এ কারণে ভালো লাগত, আর বক্ষ্যমাণ বইটি এখানে কমতি প্রকাশ করেছে।
ময়ূখ বন্যপ্রাণীকে শয়তানীকৃত করতে পেরেছেন, মানুষের অন্ধকার রসে জারিত করতে পেরেছেন। এটা তাঁর কৃতি না মূল লেখকের কৃতি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বাঙাল মুল্লুকের প্রসাদ রায় ওরফে ময়ূখ চৌধুরী কস্মিনকালে শিকারে যান নি, তবে রাস্তাঘাটে অন্যায় দেখলে রুখে দাঁড়াতেন পেশিশক্তি দিয়েই। প্রিয়াংকা ঘোষ ‘ময়ূখ চৌধুরী: আশ্চর্য জীবন’ প্রবন্ধখানিতে জানাচ্ছেন:
১৯৪০-এর দশকে কলকাতায় আমেরিকান সৈন্যদের দৌলতে পাড়ায় পাড়ায় বক্সিং ক্লাব গজিয়ে উঠেছিল। ময়ূখও মুষ্টিযুদ্ধের অনুরাগী হয়ে এই খেলা অনুশীলন করে বেশ পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন। (কমিক্স ও গ্রাফিক্স ১ম বর্ষ ১ম সংখ্যা)

আর্ট কলেজে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের অনুপ্রেরণায় বুনো শরীরের রেখা আঁকতে থাকেন। প্রিয়াংকা লিখছেন, তিনি হেমেন্দ্রকুমার রায়ের গদ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। হেমেন্দ্রকুমার আমার ব্যাপকভাবে পড়া হয় নি; তবে যতটুকু পড়েছি, মন্দ নয়।

প্রথম গল্পে দুই জাতের অ্যান্টেলোপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু নাম দেওয়া হয়েছে ‘হরিণ কত ভয়ংকর’। হরিণ (deer) কিন্তু চেরভিদে (Cervidae) গোত্রের প্রাণী আর অ্যান্টেলোপ বোভিদে (Bovidae) গোত্রের প্রাণী; গোরু-মহিষ-ছাগলের নিকটাত্মীয়। আন্তর্জাল ঘেঁটে ইয়াংসে নদীর তীরে তিব্বত মালভূমিতে ঘুরে বেড়ানো অ্যান্টেলোপ খুঁজে পেলাম বটে, তবে তার একটাকে মান্দারিনের রোমান প্রতিবর্ণীকরণে Zeren, আরেকটাকে Chiru বলে ডাকা হয়; সেরাও বোধ করি ‍চিরু বা সিরুই হবে। সাম্পান যে চীনজাত নৌবাহন, তা জানা গেল এখান থেকে। একখানা সচিত্র যানবাহন অভিধানের অভাব বোধ করি বাংলায়।

‘গাছে ঢুঁ মারা বন্ধ করে ফিরে তাকাল রক্তচক্ষু হরিণ [পড়ুন অ্যান্টেলোপ]’
—তাদের চোখ কি উত্তেজিত হলে রক্তাভ হয়ে যায়?

দ্বিতীয় গল্পে চার্লস কটারের সাথে লেপার্ডের মোলাকাতে এ কথাটা হাস্যোদ্রেককারী:

লেপার্ডের ঊর্ধ্বতন চোদ্দো পুরুষ কেউ কখনো এমন ব্যবহার সহ্য করেনি। আকারে ছোটো হলেও লেপার্ড হচ্ছে লেপার্ড; তুচ্ছ মানুষের আছাড় খেয়ে মুখের গ্রাস ফেলে পালিয়ে যেতে সে রাজি হল না।


‘মরণ-ফাঁদ’ গল্পে আজকের গায়ানার নদীটির নাম এসেকিবো (Rio Esequibo) হবে। আর গায়ানায় সোনালি দোরাদো (এসপানঞলে দোরাদো মানে সোনালি, এ মাছের নাম সোনালি সোনালি কেন কে জানে!) মাছের খবর পাচ্ছি না। তবে এক সময় থাকলেও থাকতে পারে, যেহেতু দক্ষিণ আমেরিকায় মাছটি আছে। আর রেড ইন্ডিয়ান শব্দটা এখন অপমানসূচক অভিধা, আমেরিকান ইন্ডিয়ান বলে তাদেরকে ডাকা হয়, বা আদিবাসী আমেরিকান।

‘দুই বন্ধু দেখল তীরবর্তী নক্রুকুলের চোখে চোখে জ্বলে উঠেছে হিংস্র ক্ষুধিত দৃষ্টি।’…‘খুব সম্ভব তার উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না, হয়তো নবাগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে চেয়েছিল সে, কিন্তু দুই বন্ধু আতিথ্যের মর্যাদা রাখল না, এত জোরে তারা মোটরবোটটি ছুটিয়ে দিলে যে প্রাণপণে সাঁতার কেটেও কেম্যান তাদের নাগাল পেল না…’


শিকারকাহিনির গদ্য বোধহয় এমন ইষদ্ধাস্য-বক্রোথিকার সম্মিলনই হওয়া উচিত।

কেইম্যানরা (Caiman) আলিগাতোরিদে (Alligatoridae) গোত্রের প্রাণী। বড়োজোর ১৫ ফুট হতে পারে লম্বায়, কিন্তু ময়ূখের এক অলংকরণে তার চেয়ে বড়ো লাগছে।
‘দানবের ক্ষুধা’ গল্পের কথা বলছি। ‘দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যামেরুন প্রদেশ’ বলতে ময়ূখ কী বুঝিয়েছেন? ক্যামেরুন তো আফ্রিকার দক্ষিণে না। আর দক্ষিণ আফ্রিকায়ও ক্যামেরুন বলে কোনো অঞ্চল দেখছি না। আর সেখানে যে বুলা জাতির কথা বলেছেন, তারা কারা, তা-ও উদ্ধার করতে পারছি না। ‘শ্বেতাঙ্গদের প্রতি বুলাদের অসীম শ্রদ্ধা’—ধরে নিচ্ছি ময়ূখ যা পড়েছেন, তা-ই অনুবাদ করে রেখেছেন। ‘জলহস্তীর কর্ণমূলে অব্যর্থ সন্ধানে গুলি চালাতে পারলে তার মৃত্যু নিশ্চিত’—এটা সত্যি? টিক পাখি, বুফাগুস (Buphagus) গণের দুই প্রজাতি, যারা খুরধারীদের শরীরে বসে এঁটুলি পোকা (টিক) বা মাছি বসলে বন্ধু গবাদি, জেব্রা বা গণ্ডারকে সতর্ক করে দেয়, তার কথা পড়লাম।
ফেলিদে (Felidae) গোত্রের গণ পুমা কি আদতেই ভীরু-নিরীহ? ‘নয়টি ছুরির মালিক’ নামের শুরুতেই এই প্রশ্নের উদয় হয়। জম্পেশ এক কুকুর-মানুষ-পুমা ত্রৈরথের পর
পুমার দেহ নিস্পন্দ। বার বার কামড় খেয়েও তার সাড় হল না। মখমলের মতো থাবা দুটোর ভিতর থেকে প্রতিহিংসার উদগ্র আগ্রহে একবারও বেরিয়ে এল না নয়টি বাঁকা বাঁকা নখ, ওয়েবের গুলি খেয়ে মরণ-ঘুমে ঘুমিয়ে পড়েছে নয়টি ছুরির মালিক।

মারহাবা!
সবচেয়ে ভালো যে গল্পটা লেগেছে, তা ‘পলাতক গুন্ডা’। ফাকোচোয়েরস ইথিয়োপিকুস (Phacochoerus aethiopicus) বা ওয়ার্ট হগ সুইদে (Suidae) গোত্রের শূকর বাঙালি গৃহিণী শান্তার যে প্রশ্রয় পেল মৃত্যু অবধি, তা ময়ূখের নিজস্ব ভাবনা বলেই মনে হয়। তাঁর সমকালে পশুপ্রেমের পশ্চিমা বয়ান না পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। আর শুরুতে চিতাবাঘ মা-পোলার কী অসাধারণ মৌন বাতচিত!
‘অস্ট্রেলিয়ার লাল আতঙ্ক’ গল্পে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার যে ওয়ারুনা উপত্যকার কথা বলা হয়েছে, সে নামে কোনো উপত্যকা পেলাম না। যা-ই হোক, ৩২৫০ বছর আগে থেকে অস্ট্রেলিয়ার অধিবাসী কানিস লুপুস (Canis lupus), মানে দাঁড়ায় নেকড়ে কুকুর, সাধারণ নামে ডিংগো, তার লাল শয়তানি বেশ উপভোগ করলাম। তবে এক জায়গায় আছে,
‘রেড কিলার’-এর উদ্দেশে পাতা ফাঁদের মধ্যে ধরা পড়ল ক্যাঙারু, ওয়ালবি প্রভৃতি জানোয়ার।


উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে আপাত-অপরিচিত বিদেশি শব্দ দেওয়াটার রীতি বিরক্তিকর। তাছাড়া, প্রাণীগুলোর নাম ওয়ালাবি, ওয়ালবি নয়। ওয়ালাবি হলো মাক্রোপিদিদে বা ক্যাংগারু পরিবারের উপপরিবার। অর্থাৎ ক্যাংগারু (ক্যাঙারু নয়) বললে ওয়ালাবিকে কমার পরে কিউ ধরে দাঁড়ানোর দরকার পড়ে না।
অবশেষে ডিংগো পরাজয় স্বীকার করল, লৌহময় স্প্যানারের সুকঠিন অভ্যর্থনা আর সহ্য করতে না পেরে জন্তুটা ঝোপের ভিতর ঢুকে অদৃশ্য হয়ে গেল।

তবে ডিংগো বা কানিস লুপুস মারা যায় গ্রাউন্ড সায়ানাইড সেবনে। গ্রাউন্ড সায়ানাইড কী জিনিস, তা বুঝলাম না।

‘বাঘিনী’ গল্পে বলা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জুলুরা বারবার বীরত��বের সাথে শ্বেতাঙ্গদের সাথে লড়েছে, য়ুরোপেও নাকি নিতান্ত দুর্লভ ছিল তাদের মতন সাহসী বীর। বিষয়টা কি সত্যি? ১৮৭৯ সালে চেতশোয়ায়েয়োর নেতৃত্বে জুলুদের একটা যুদ্ধের কথাই জানতে পারি, ব্রিটিশদের ‍বিরুদ্ধে।
গল্পে দাবি করা হয়েছে, ‘মাংসাশী পশুদের মধ্যে হায়নাই একমাত্র জীব যে মাংসহীন অস্থি থেকে খাদ্যরস সংগ্রহ করার ক্ষমতা রাখে।’ এটা সত্যি নয়। হাড় চিবানোর জন্য হায়েনারা বিখ্যাত বটে, কিন্তু ‍তার চেয়ে বেশি হাড় সাবাড় করতে পারে শকুন (৯০%)। তিমির হাড়গোড় চাবায় অজেদাক্স (Osedax) প্রজাতির হাড়কৃমি, সেটা অবশ্য মাংসাশী নয়!
‘মার্জারের অপমৃত্যু’ গল্পে সিনেগা গ্র্যান্ডি বলে পশ্চিম মেহিকোর এক বিশাল জলাভূমির কথা বলা হয়েছে। সিনেগা গ্রান্দে (Ciénega Grande) বলে আদতে এক পৌর এলাকার খবর পাওয়া যায়, যার পাশে আছে এক হ্রদ। মেহিকোর আজকিস্ত্রোদন পিশিভোরুস (Agkistrodon piscivorus) বা মোকাসিন সর্পের কথা ঠিকই লেখা আছে গল্পে। ফেলিদে গোত্রের সবার বড়ো ভাই হলেন জাগুয়ার বা পানথেরা ওনকা, তাঁকে ঘিরেই এই গল্প। এসপানঞলে সম্ভ্রম করে ডাকা হয় এল তিগরে বা ব্যাঘ্ররাজ। গল্পে অন-হা গর্জন (এভাবে গর্জন করে পানথেরা ওনকা?) করার পর লেখক লিখছেন
সেই কর্কশ ধ্বনি-তরঙ্গ স্তব্ধ হওয়ার আগেই জলার অন্য দিক থেকে ভেসে এল আর এক ভৈরব-কণ্ঠের হুংকার সংগীত।
আর একটা জাগুয়ার।

শিকারিরা যখন এগুচ্ছে তাদের কুকুরদের পশ্চাদ্ধাবন করে:
হঠাৎ কুকুরগুলির গলার আওয়াজ বদলে গেল। সে কী উৎকট শব্দ! ভাষা দিয়ে সেই বীভৎস স্বর-লহরীর বর্ণনা দেওয়া যায় না—রুদ্ধ আক্রোশের প্রচণ্ড আস্ফালনে ডেন কুকুরগুলো সমস্ত দুনিয়াটাকেই ছিঁড়ে ফেলতে চাইছে।

বা পরের ‘দুঃস্বপ্নের রাত’ গল্পে
পরক্ষণেই বংশ-নির্মিত যবনিকার তলদেশ দিয়ে আলোকিত কুটিরের ভিতর প্রবেশ করল ভয়ংকর—ভয়ংকর মস্ত বড়ো এক থাবা!
বংশ মানে বাঁশ আর যবনিকা হলো পর্দা। রহস্যরোমাঞ্চকথা তো প্রচুর লেখা হচ্ছে এখন, লেখকরা শিকারকাহিনি না লিখলেও এই তৎসম-প্রেরণা নিতেই পারেন। অবশ্য পারলে মৌলিক বইয়ের শিরোনামই ইংরেজিতে রেখে দিতে উৎসাহী যাঁরা, তাঁরা এ পরামর্শ কতটুকুই-বা নেবেন!
‘বিভীষিকার দ্বীপ’-এ ময়ূখ দাবি করছেন, আমেরিকায় আর প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপমালায় rattlesnake (ভিপেরিদে গোত্রের একটা উপগোত্র, লেজের শেষে যাদের ঝুনঝুনি থাকে)-এর উৎপাত থামাতে স্পেনীয়রা শূকর এনেছিল, তারপর সেগুলো কৃতবন্য হয়ে যায়। কৃতবন্য শব্দটা হতে পারে feral কথাটার বাংলা পরিভাষা, wild আর feral এক জিনিস না। বন্য (ওয়াইল্ড) জন্তুকে পোষ মানিয়ে আবার বনে ফিরিয়ে দিলে সে ফেরাল হয় না, কৃতবন্য হয় না। স্পেনীয়রা এনেছিল, এমন কোনো তথ্য আমি পাচ্ছি না।
আফ্রিকা ‘আবিষ্কার’ করতে-যাওয়া য়ুরোপীয়দের শিকার-প্রমোদ বাংলা করেছেন প্রসাদ রায় ওরফে ময়ূখ চৌধুরী। আফ্রিকীদের নিয়ে কদর্য কথাবার্তা স্বভাবতই এসেছে। ‘বাঘিনী’ গল্পে যে জুলু নারীর অন্তরশক্তি ফুটিয়ে তোলা হয় নি, তা নয়। সুসম্পাদিত হয়ে ময়ূখ চৌধুরী বের হবেন পুনরায়, এই আশা রাখি বুক ফার্ম ও লালমাটি প্রকাশনের কাছে।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.