Dwijen Sharma was a Bangladeshi naturalist and science writer. He was awarded Bangla Academy Literary Award in 1987 and Ekushey Padak in 2015 by the Government of Bangladesh for his contribution in language and literature.
Sharma was born in Shimulia village of Barlekha Upazila of Moulvibazar District in Sylhet Division. His father Chandrakand Sharma was a "Kobiraj" or rural doctor and his mother Mognomoyi Debi was a social worker. During his childhood, he was fond of visiting the forest of Patharia hill which is situated in Barlekha Upazila.
Sharma received his bachelor's degree from City College, Kolkata. He earned his master's degree in Botany in 1958 from the University of Dhaka. He then joined Brojomohun College, Barisal. In 1962 he left Barisal to join the faculty of Notre Dame College, Dhaka and worked until 1974. Then, he moved to Moscow to work for Progress Publishers as a translator.
He moved back to Bangladesh in 2000 and joined Banglapedia (National Encyclopedia Of Bangladesh) Project, Asiatic Society of Bangladesh as an editor and translator of biology. He served as vice president of Asiatic Society for 3 years. An encyclopedia of the flora and fauna of Bangladesh in 56 volumes was published by the Asiatic Society of Bangladesh while he was the president of the publishing committee.
কি ভীষণ হাহাকার জাগলো মনে! মনে হল, কি ভীষণ ভাবে আমরা বঞ্চিত করছি আমাদের সন্তানদের! ইট, কাঠ, ধোঁয়া এই এই তাদের শৈশব?! মনে পড়ে, কোন এক দুপুরে হেটে ফিরছিলাম ক্যাফেটেরিয়ার সামনে দিয়ে। হঠাত দেখি এক বিশাল নীল প্রজাপতি বসে আছে পথে। থমকে যেয়ে তাকাই, এদিক ওদিক। আর কেউ কি দেখবে না? এ বিস্ময় শুধু আমার!! লাল পোস্টবক্সটা এখনো আছে। নেই শুধু কদম গাছটা। বর্ষায় মেয়েটিকে মুগ্ধ করার জন্যে লাফিয়ে ঝাপিয়ে ফুল পাড়তো তরুণ কিশোর। এখন বোধহয় ফুলের ছবি send করে। এক হাটু পানিতে ঝাপাবে না মেয়ে? গাছ থেকে আম পেড়ে দৌড় দিবে না ধরা পড়বার ভয়ে!! এ কেমন শৈশব!! তরুপল্লব এর আয়োজনে পদ্ম কে নিয়ে গিয়েছিলাম রমনায় গাছ চিনতে। পদ্ম তখন ৪। সেদিন গল্প শুনেছিলাম গাব গাছের স্যারের মুখে। গাবের শিকড় গভীর এমন যে বন্যায় সে আশ্রয় দেয় সবাই কে। প্রতিটি গল্প বেদনা জাগায়।গাছ চিনতে গিয়েছি কার্জন হল। দু হাতে গাছ জড়াতে শিখালো সজীব। হয়তো এই খ্যাপার দল ভরসা আমাদের।
"রাতে অদ্ভুত সব স্বপ্ন দেখি: আকাশে উড়ছি, কিংবা নেমে এসেছি ধরিত্রীর গর্ভে, শুনছি তার হৃৎস্পন্দন। পৃথিবীও মানুষের মতো শ্বাস ফেলে। প্রথমে নিঃশ্বাস পরে প্রশ্বাস, কখনো শ্লথ কখনো দ্রুত। মনে হতে থাকে বাস্তবেও আমি যেন পৃথিবীর শ্বাস-প্রশ্বাসের আওয়াজ শুনছি। কখনো স্বপ্নের উড়ালে শূন্যে বহুদূরে চলে যাই, সেখান থেকে পৃথিবীকে দেখি। পৃথিবীর তখন আরেক রূপ: সে জীবন্ত, প্রাণবন্ত নদীগুলো তার ধমনী সাগর ও মহাসাগর তার শ্বাসযন্ত্র বনবনানী তার নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস বাতাস তার আত্মা সে অ্যাডাম ও ইভের অভিন্ন প্রতিমা। অতঃপর যা কিছু বাস্তব, পৃথিবীতে তাদের আসা-যাওয়া দেখা সহজ হয়ে যায়। তবে আমার স্বপ্নের শরিক হলে এবং পৃথিবীর বাস্তব রূপ দেখতে শিখলেই কেবল তা সম্ভব। আর আকাশ? পৃথিবীর অস্তিত্বে বিশ্বাস করি বলেই আকাশের অস্তিত্বেও বিশ্বাসী হতে হয়। অধিকন্তু আমরা যেমন পৃথিবীর অংশ, পৃথিবীও তেমনি আকাশেরই অংশ। তুমি হয়ত আমার শরীরের অবস্থার কথা ভাবছ। আজ একটি গাইয়ে পাখি আমার ডালে বসে এমন মধুর গান শোনালো যে হার্টের ব্যথা বেমালুম ভুলে গেলাম। এই এলাকার বনে আমি হলাম একমাত্র পাইন। পাহাড়ের ওপরের জঙ্গলে খানিকটা খালি জায়গা আছে, আমি সেটার প্রেমে পড়ে গেছি, ছেড়ে আসতে পারি না। প্রত্যেক রাতে মনে হতে থাকে যেন আমার শিকড়গুলো মাটিতে ঢুকে পড়ছে। তোমাকে দেখতে বড় ইচ্ছে হয়।
গল্পটির নাম “বৃক্ষমানব”। একজন মানুষ ও একটি পাইন চারা – দুটি আপাতভিন্ন সত্ত্বার ঐকতানের গল্প। মূল লেখাটি জর্জিয়ান সাহিত্যিক গোদের্দজি চোখেলির, আর এ অনুবাদটি দ্বিজেন শর্মার, যিনি নিজেই আমার কাছে ছিলেন “বৃক্ষমানব”। মনে পড়ে, তাঁর “গাছের কথা ফুলের কথা” বইটাতে প্রথম পড়েছিলাম এক দুঃখী রাজকন্যার গল্প, যে পরিণত হয়েছে এক বিষাদিনী বৃক্ষে— তাকেই আমরা ভালোবেসে ডাকি শিউলি বলে। তখনও বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতির সাথে আমার সরাসরি পরিচয় হয়নি, Nyctanthes arbor-tristis এর মতো একটি খটমটে শব্দের পেছনেও যে এমন মায়াভরা গল্প লুকিয়ে থাকতে পারে এ তখন ভাবনারও বাইরে। সেদিন থেকে বৈজ্ঞানিক শব্দগুলোর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিটাও তাই অনেকটাই পালটে গেল, শব্দগুলোর শক্ত খোলস ছাড়িয়ে ভেতরে উঁকিঝুঁকি দেয়াটা পরিণত হল অভ্যাসে। তারপরে তাঁর যতগুলো বই পড়েছি, প্রত্যেকটাই তার সারল্যের মাঝেও নতুন ভাবনার বীজ বুনে দিয়েছে। জীবনের শেষ নেই, বিগল যাত্রীর ভ্রমণকথা— কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি! তারচেয়ে বরং যার কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম, তার কথাটাই শেষ করি। “প্রকৃতিমঙ্গল” বইটি প্রাণ ও প্রকৃতির গল্প, লেখা নবীনপ্রাণদের জন্যে। বর্তমান সংস্করণটির প্রকাশকাল ফেব্রুযারি ২০১৮, এটা দেখার পরে বারবার একটা কথাই মনে হচ্ছিল, এতো দেরি কেন করে ফেললাম! অবশ্য হাতে পাবার পরে পড়ে ফেলতে দেরি করিনি। ছোট্ট পরিসরের সবুজে মোড়া একটা বই— প্রথম অংশের লেখাগুলো কিছুটা স্মৃতিচারণ, কিছুটা কল্পকাহিনির ধাঁচে লেখা। আর শেষ তিনটি বিদেশি গল্পের অনুবাদ। কিন্তু সবগুলো লেখার মূল সুর একই, এক তাদের অব্যক্ত ভাষাও — যাকে রবিঠাকুর বলেছিলেন জীবজগতের আদিভাষা, যা তিনি শুনতে পেয়েছিলেন গাছের পাতার স্পন্দনে, অরণ্যের বাণীতে। আমরা কী তা শুনতে পাই?
This entire review has been hidden because of spoilers.
এ সময়ের শিশুদেরকে চুম্বকের মতো আটকে ধরবার মতো চমকপ্রদ কি বইটি কিংবা গল্পগুলো? নিঃসেন্দহে উত্তর হবে- না। এতে তো কোনো চমক নেই। আছে কিছু অনুভূতির সঞ্চারণ। এই অনুভূতির নির্যাস যদি কোনো শিশুমন ধারণ করতে সক্ষম হয় তাহলে নিশ্চয়ই পৃথিবীটা স্বপ্ন দেখবার খড়কুটো খুঁজে পাবে।