Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপরিণত পাপ

Rate this book

191 pages, Hardcover

First published July 1, 1968

Loading...
Loading...

About the author

Sheikh Abdul Hakim

113 books40 followers
শেখ আবদুল হাকিম জন্ম ১৯৪৬, পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। ৪ বছর বয়সে বাংলাদেশে আসেন। অসংখ্য গোয়েন্দা উপন্যাস লিখেছেন ও অনুবাদ করেছেন। কর্মজীবনের প্রায় পুরোটাই সেবা প্রকাশনীতে লেখালেখির কাজে ব্যয় করেছেন। মাসিক রহস্য পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন বহু বছর। নিজের রচনা আর অনুবাদ মিলিয়ে বইয়ের সংখ্যা কয়েক শ।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (7%)
4 stars
3 (23%)
3 stars
4 (30%)
2 stars
2 (15%)
1 star
3 (23%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Sumaiyah.
121 reviews30 followers
October 6, 2020
ওরে খোদা, এ কেমন কনফিউশন! বেচারা লাভ অফ লাইফ কতজনের মাঝে খুঁজে ফিরল!
বইটা ইতু প্রসংগে বেশ ফাস্ট পেইসড। কিন্তু বাকি সময় হাই তুলেছি।
কবিতার মত পুতুপুতু, আমার-স্বামীই-আমার-সব-ওরে-মানুষ-করে-তুলব টাইপের চরিত্র অসহনীয় লাগে।
আর এই শেখের মত ব্যাটাদের মুখে লাত্থি দেই।

লেখনী নিয়ে আসলে বলার কিছু নাই। বইটা অনেক আগের। পশ্চিমবঙ্গ influenced language. আমি পশ্চিমবঙ্গের বই পড়িনি বিশেষ। জ্ঞান কম, তবু বলছি ভাষাটা বেশ অন্যরকম লেগেছে, মন কেড়েছে। :)

বইটা পড়লে অনেকের ভালো লাগতেও পারে। আমি আসলে এরকম মন উড়ুউড়ু ক্যারেক্টার দের পছন্দ করতে পারিনা। তাই রেটিং কম
Profile Image for আবদুল মতিন সোহাগ.
44 reviews7 followers
July 19, 2025
বিয়ের মাত্র তিনদিন পর জুয়ার আসর থেকে এক বন্ধুকে পিটিয়ে আধ মরা করে সেখান থেকে আরেক বন্ধু রুহুলকে নিয়ে পালিয়ে যায় শেখ। আশ্রয় নেয় হুরী নামের এক পতিতার ঘরে। যার ঘরের নিয়মিত খদ্দের শেখ। আহত বন্ধুটি খুন হয়ে থাকতে পারে; সেই ভয়ে রাতের আঁধারে রুহুলের চাচার বাড়ি কোলকাতায় পালিয়ে যায়। একসময় শেখের মনে পড়ে যায় যে, এই কোলকাতাতেই ছিটপুকুর নামের একটি গ্রামেই ছিল তাদের জন্মভিটা। কিন্তু সেইসব স্মৃতির কোনটাই তার এখন আর মনে নেই।

এ সবকিছু স্মৃতিচারণ করতে গিয়েই শেখের জবানিতে উপন্যাসের চিত্রপট দৃশ্যমান হয়। শিরিন নামের সস্তা চরিত্রের একটি মেয়ের সাথে শেখের সখ্যতা গড়ে উঠে। সম্পর্কটা যতোটা'না হৃদয়ের, তার থেকে বেশি টাকার। শিরিন নানা সময়ে নানা বাহানায় শেখের কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকে। সেটাকা ফেরত পাবার আশা করেনা শেখ, তাই শিরিনকে ভোগ করতে চায়। শিরিনও খুব একটা বাধা দেয় না কারণ শিরিন শেখকে বিয়ে করবে বলে মনস্থির করে।

এভাবে একদিন শিরিনের সঙ্গে একটি বিয়ে বাড়িতে ইতুর সঙ্গে শেখের পরিচয় হয়। ইতুর ঘাড়ে একটা লাল জরুল আছে। কিশোরী ইতুকে দেখে শেখের দুনিয়াটা সহসাই বদলে যায়। মদ্যপ, নারীবাজী, জুয়া খেলা, খিস্তি- সব কিছু ছেড়ে শেখ নিজেকে নতুন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলে। ইতুকে গভীর ভাবে ভালোবাসে শেখ। ইতুও শেখকে ভালোবেসে ফেলে। খুনসুটি আর ভালোবাসাবাসি করে কেটে যেতে লাগলো দিন। শেখ বেকার, চাকরি নেই। ইতু বলেছে, কোন মতে একটা চাকরি জোগাড় করতে পারলেই বাড়িতে ইতু শেখের কথা পাড়বে। একদিন চাকরির একটা সুযোগও পেয়ে যায় শেখ। কিন্তু তার জন্য ইতুর একটু সহযোগিতা দরকার। শেখ কি তা চাইতে পারবে?

দীর্ঘ সাত মাস পর শেখ বাড়ি ফিরে দেখে তার বউ তার সন্তান পেটে ধারণ করে আছে। উত্তেজিত শেখ কিছুটা শীতল হয়ে আসে। কিন্তু বুকে বয়ে বেড়ানো ক্ষত কি কোন কিছুতে সাড়ে? খোঁজ নিয়ে দেখা যায় শিরিন মৃত্যু পথযাত্রী। শেখ আবারও অতীত জীবনে ফিরে যায়- মদ, নারী, জুয়ায় । কিন্তু স্ত্রী কবিতা তাকে আগলে রাখে পরম মমতায়। শেখকে ভালোবাসতে চায়। শেখের ভালবাসা চায়। মানুষ চাইলেই কি সব পায়, সব দেয়া যায?

আপাতদৃষ্টিতে “অপরিণত পাপ” বইটিকে প্রেম কিংবা ভালোবাসার কোন উপন্যাস মনে হতে পারে কিন্তু এর অন্তর্নিহিত বেদনার প্রতীকায়ন অন্য কোথাও, অন্য কোনো স্বরে। প্রেম-ভালোবাসা থেকেও এর ব্যাপ্তি অনেক এবং এর বাহিত বেদনা দেশবিভাগের দগ্ধ ও তাড়িত স্মৃতির।

উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রথম সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। বইটি দীর্ঘদিন ‘মার্কেট আউট’ থাকার পর গত একুশে বইমেলা ২০১৮তে সালমা বুক ডিপো থেকে পুনঃপ্রকাশ করা হয়। যার মূল্য রাখা হয়েছে মাত্র ২০০ টাকা। বইটি লেখকের প্রথম লেখা বই। গল্পটায় দারুণ একটা ব্যথা আছে, নিজেকে বদলে দেবার মতো একটা প্রেম আছে।

গল্পটায় আমি আরেকটু বেশি কিছু আশা করেছিলাম- আরেকটু থ্রিল, আরেকটু টুইস্ট, আরেকটু অঘটন- তবে হতাশ হইনি। আমি অনেকদিন চোখ বন্ধ করে ইতুকে কল্পনা করেছি। তার নাম ধরে ডেকেছি- ইতু, ইতু,ইতু!

কিছু-কিছু কন্টেন্ট অপ্রাপ্ত বয়স্করা এড়িয়ে যাবেন। তথাপি এ রকম ব্যতিক্রমধর্মী উপন্যাস আমাদের বাংলা সাহিত্যে খুব কম। শেখ আবদুল হাকিম এজন্য একটি বাহবা পেতেই পারেন।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews