অজস্র শিকার করেছেন হান্টার। মানুষকে হিংস্র প্রাণীর কবল থেকে রেহাই দেয়ার জন্য অনেক অঞ্চল হিংস্রপ্রাণীমুক্ত করেছেন। আবার, চোরাই শিকারির হাত থেকে বন্যপ্রাণীকে রক্ষা করতে জীবনের ঝুঁকি নিতেও পিছ-পা হননি। কারণ, আজন্ম শিকারি হলেও তার পাশাপাশি বন্য প্রাণীদের জন্য তাঁর ছিল অপরিসীম এক মমত্ববোধ। হান্টারের শিকারকাহিনি তাই শিকারের মহাকাব্য।
Apparently this is a 2000 reprint of the 1957 book I own. This is another group of stories by J. A. Hunter, the big game hunter and Kenya Game Department official, detailing mor of his life adventures hunting big game and poachers in the first half of last century. More startling and true adventures written well and enjoyed by me as a young man and now again as a much older man. Good reading.
"....ভালো করে ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন, সবচেয়ে সভ্য যুগের মানুষেরাও প্রাচীন অসভ্য মানুষের চেয়ে খুব একটা উন্নত নয়। আগে, যখন সবার সামনে ফাঁসি দেয়ার প্রচলন ছিল, মানুষ সে দৃশ্য দেখে খুব আনন্দ পেত। আমার মনে হয়, ওরকম ফাঁসি আবার চালু করলে মানুষ এখনও আনন্দ পাবে..."
জন হান্টারের বিখ্যাত স্মৃতিচারণ কাহিনী 'Hunter's Tracks' এর বঙ্গানুবাদ খসরু চৌধুরীর কলমে 'অনুসরণ'। এবার জন হান্টার প্রাণী শিকারীর পরিবর্তে মানুষ শিকারীর ভূমিকায়। তাঁর টার্গেট কুখ্যাত হাতির দাঁত পাচারকারী রমল নামের এক ভারতীয়। পুরো কাহিনী জুড়েই রমল আর হান্টারের চোরপুলিশ খেলা চলেছে, যদিও শেষে জিতেছেন হান্টারই, রমলকে ধরা সম্ভব হয়েছে।
বইটিতে পাচারকারী ধরার পাশাপাশি নিজের শিকারী জীবনের স্মৃতিচারণও করেছেন হান্টার। সেখানে স্থান পেয়েছে তৃষ্ণার্ত সিংহ মোকাবেলার গল্প, কুমির শিকার, কুমিরের মুখে গিয়ে ফিরে আসার গল্প, রাতের বেলা আর্মি অ্যান্টের সাক্ষাৎ, বন্য কুকুরের সিংহ শিকার, হাতির দলের কাছ থেকে বাঁচার জন্য গুহায় আশ্রয় নেয়ার গা শিউরে উঠা অভিজ্ঞতা ইত্যাদি। কিছু বিখ্যাত ব্যতিক্রম ব্যক্তি যেমন চার্লস কটার, স্যান্ডি, গ্লেন কিডস্টন ও দক্ষিণ ভারতের এক বিলাসী মহারাজার শিকার কাহিনীর বর্ণনাও আছে।
সব মিলিয়ে বইটি 'হান্টার' এর মতই আকর্ষণীয়। রেটিং ৫/৫।