Jump to ratings and reviews
Rate this book

অতিথি

Rate this book

Unknown Binding

2 people are currently reading
39 people want to read

About the author

Rabindranath Tagore

2,587 books4,264 followers
Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."

Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.

The complete works of Rabindranath Tagore (রবীন্দ্র রচনাবলী) in the original Bengali are now available at these third-party websites:
http://www.tagoreweb.in/
http://www.rabindra-rachanabali.nltr....

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
34 (42%)
4 stars
35 (43%)
3 stars
8 (10%)
2 stars
3 (3%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,089 followers
June 20, 2019
আমার মনে হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কে ভালো বা অপূর্ব কোনো কিছুই বলার যোগ্যতা আমার নেই ।অসাধারণ এক কাহিনী। যা মুখে প্রকাশ করা নির্বুদ্ধিতার লক্ষন|
Profile Image for HR Habibur Rahman.
284 reviews55 followers
June 10, 2021
মানুষমাত্রেরই নিজের একটি স্বতন্ত্র অধিষ্ঠানভূমি আছে ; কিন্তু তারাপদ এই অনন্ত নীলাম্বরবাহী বিশ্বপ্রবাহের একটি আনন্দোজ্জ্বল তরঙ্গ – ভূত-ভবিষ্যতের সহিত তাহার কোনাে সম্বন্ধ নাই – সম্মুখাভিমুখে চলিয়া যাওয়াই তাহার একমাত্র কার্য।


রবীন্দ্রনাথের লেখা নিয়ে কিছু বলার যোগ্যতা আমার নাই। শুধু বলব এই ছোট্ট কাহিনি টাকে উপন্যাসও বানানো যেত। এই ছোট্ট গল্পটাকে আরও অনেক বড় করে লিখলেও, পড়ার আগ্রহ হারাতামনা। ছোট গল্প "ছোট" হলেও ভাবাবেগ অনেক "বড়"। আর এটা রবীন্দ্রনাথ ছাড়া আর কার দ্বারা সম্ভব!

ভেবেছিলাম এবার বুঝি তুমি স্থায়ী হবে 😐
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews18 followers
September 12, 2023
গল্পটা অনেকটাই নদীর মতো। ধীরস্থির ভাবে এগিয়ে গেছে। মূল চরিত্র তারাপদের মধ্যে কি যেন আছে, কি যেন একটা তার প্রতি প্রবল আগ্রহী করে তোলে। ক্ষনে ক্ষনে তারাপদের সাথেই যেন মিশে একাকার হয়ে নিরুদ্দেশ হতে মন চায়।
Profile Image for Ahmed Reejvi.
78 reviews5 followers
March 13, 2024
যার আসার কোনো তিথিই নেই, সেই "অতিথি"। অতিথি গল্পের প্রধান চরিত্র হচ্ছে তারাপদ। মানুষের সাথে কথা বলায় সে যেমন সিদ্ধহস্ত, তেমনি মানুষকে আপন করে নেয়ায়ও। তারাপদের কোনো নির্দিষ্ট বাসস্থান নেই, তরঙ্গের মত সামনে ভেসে চলাই যেন তার জীবনের উদ্দেশ্য। 'জীবনস্মৃতি'তে যে রবীন্দ্রনাথকে আমরা দেখেছি, জানালার সামনে বসে থাকা বালক, সমগ্র সময় প্রকৃতির সৌন্দর্য অবলোকন করে আনন্দ উপভোগ করে, ঠিক সেরকম একটি ভঙ্গিমা তারাপদ চরিত্রটির মধ্য দেখতে পাই। রবীন্দ্রনাথ যেমন সুদূরের পিপাসা দেখতে দেখতে পেয়েছিলেন, বিপুলের বাঁশরী শুনতে পেয়েছিলেন,ঠিক যেন তেমনি এক কিশোর তারাপদ। ঘরছাড়া কিশোর, বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে, বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি তার অমোঘ আকর্ষণ, বিভিন্ন বিষয় সে জানতে ভালোবাসে। সে সঙ্গীত, বাদ্যযন্ত্রে যেমন আকৃষ্ট হতো, তেমনি প্রকৃতির পাখির ডাক, নদীর শব্দ, বৃষ্টির শব্দ, দুপুর বেলার চিলের ডাক, শ্রাবণ ধারার ব্যঙের ডাক, সমস্ত কিছু তার ভালোলাগতো। সে সমস্ত কিছুর সাথে মিশে যেতে চাইতো, সে প্রকৃতির সন্তান, গৃহী নয়।
আবার চারুশশী হচ্ছে বালিকা নায়িকা, তার সেভাব বোঝা দুর্ভেদ্য প্রহেলিকার মতো। সে যেমন জেদ করতে জানে, তেমনি ভালোবাসতেও জানে৷ আবার তার ভালোবাসার সামগ্রীকে ভাগ করে নিতে জানে না। তাই বাবা মায়ের আদরের ভাগ যখন তারাপদ পাচ্ছিলো, তখন সে তারাপদকে সহ্য করতে পারছিলো না, আবার বান্ধবী সোনামণি যখন তারাপদের সাথে মিশতে আসতো তখনও সে আপত্তি জানাতো। তারাপদের পড়াশুনা করার সময় সোনামণি এলে সে বিরক্তি জানাতো যে কেন সে তারাপদের শিক্ষায় ব্যঘাত ঘটাচ্ছে, অথচ তারাপদকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করতো সে নিজেই।
জমিদার মতিলালবাবু আর স্ত্রী অন্নপূর্ণার মাঝে স্নেহপরায়ণ মাতা-পিতার সব গুণাগুণ দেখা যায়। তারা তারাপদকে স্নেহ করতো নিজের সন্তানের মতই, তার গুণে, গান শুনে মুগ্ধ হতো।
বিয়ের প্রায় ঠিক হয়ে যাবার প্রাক্কালে সবাইকে ছেড়ে তারাপদের নতুন অভিযাত্রা এই গল্পটির সবচেয়ে ট্রাজিক অংশ, মনে নাড়া দিয়ে যায়।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for سمية .
91 reviews61 followers
August 10, 2022
তারাপদ, সে আর পাঁচটা ছেলের মতো নয়—“যে-কোনো দৃশ্য তাহার চোখের সম্মুখে আসে তাহার প্রতি তারাপদর সকৌতূহল দৃষ্টি ধাবিত হয়, যে-কোনো কাজ তাহার হাতের কাছে আসিয়া উপস্থিত হয় তাহাতেই সে আপনি আকৃষ্ট হইয়া পড়ে। তাহার দৃষ্টি তাহার হস্ত তাহার মন সর্বদাই সচল হইয়া আছে; এইজন্য সে নিত্য সচলা প্রকৃতির মতো সর্বদাই নিশ্চিন্ত উদাসীন, অথচ সর্বদাই নিরাসক্ত।"

কোনো বাঁধনে সে বাঁধা পড়ে না। যখন তার মন যেদিকে ভিড়ে, সকল বন্ধন চুকিয়ে সে পথের পানে সে ছুটে চলে। আজ বিদেশি কোনো যাত্রাদলের সঙ্গী তো কাল জিমনাস্টিক দলের কর্মী, নয়তো কোনো পাঁচালি গানের দলের গায়ক। খুঁটিনাটি সকল কাজে সে ইতোমধ্যে হাত পাকিয়ে রেখেছে। বড্ড মিশুক গোছের ১৫-১৬ বছরের এ কিশোরের প্রতি সকলের বড্ড মায়া। যেখানেই সে পা রাখে সকলের একেবারে চোখের মণি হয়ে উঠে।

ব্যতিক্রম ছিল যেন মতিলাল বাবুর মেয়ে চারু শশী। এক অপার রহস্য হয়ে সে যেন তারাপদের কাছে উপস্থিত হয়। তার সহজাত গুণের বলে সক্কলের মন আজীবন জয় হয়ে আসলেও দুর্বোধ্য চারু শশীকে সে বুঝেই উঠতে পারছিল না। তাকে জয় করবার কৌতুহলী প্রচেষ্টাই হয়ত দুই বছর মতিলাল বাবুর গৃহে তাকে আটকে রেখেছিল। এত দীর্ঘ সময় সে কখনো কিছুতে মন স্থির ইতোপূর্বে করে নাই।
কিন্তু সকল স্নেহ প্রেম বন্ধুত্বের ষড়যন্ত্র ‘বন্ধন’ কে ছিন্ন করে সবার অলক্ষে এক বর্ষার রাত্রে বেরিয়ে পড়ে নাগবাবুদের রথযাত্রার উদ্দেশ্যে। পিছনে পড়ে থাকে মতিবাবু অন্নপূর্ণার সাধবাসনা আর চারুশশীর জীবনের প্রথম প্রণয়। যাদের কাছে তারাপদ চিরকালের আপন জন হয়ে বিরাজ করতে পারতো তাদের কাছে কেবলমাত্র ‘অতিথি' হিসাবে সে চিহ্নিত হয়ে রইল।


গল্পের ভাষাশৈলীর কদর করে শেষ করি। উপমার যে কি দারুণ ব্যবহার এ গল্পে হয়েছে!! একরাশ অভিমান নিয়ে তারাপদ মনে থেকে যাবে বহুকাল।
1 review
Want to read
December 13, 2020
ধন্যবাদ
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Toma.
14 reviews32 followers
January 14, 2022
এইভাবে যদি অর্থ না খুঁজে, জীবনটাকে উপভোগ করতে পারতাম।
Displaying 1 - 10 of 10 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.