What do you think?


জাপান কাহিনি #2
জাপান কাহিনি – দ্বিতীয় খণ্ড
- GenresTravel
96 pages, Hardcover
First published February 1, 2016
About the author
Ashir Ahmed
15 books10 followersআশির আহমেদ জাপানের কিয়ুশু বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহযোগী অধ্যাপক। গবেষণা করছেন তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে। গবেষণাগার খুলেছেন বাংলাদেশে। সামাজিক সমস্যা সমাধানের গবেষণাগার। গ্রামীণ কমিউনিকেশান্সের গ্লোবাল কমিউনিকেশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। জন্ম সিলেটে হলেও শৈশব আর প্রাইমারি স্কুল কেটেছে মতলব থানার এখলাসপুর গ্রামে। তারপর কুমিল্লা জিলা স্কুল আর ঢাকা কলেজ। বুয়েটে অল্প কিছুদিন ক্লাস করার পর ১৯৮৮ সালের অক্টোবরে জাপান শিক্ষামন্ত্রণালয়ের বৃত্তি নিয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কলেজ অব টেকনোলজি গ্রুপের প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে জাপানে আসেন। জাপানের ৪৭টি প্রিফেকচারের ৪৭টিই চষে বেড়িয়েছেন। বানিয়েছেন হাজারো জাপানি বন্ধু। প্রায় তিন দশকের জাপানের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাভাষীদের জন্য লিখেছেন বেশ কিছু জাপান-কাহিনী।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
July 5, 2022
অফিসের ডিরেক্টর জাহিদ হাসান স্যারের রিভিউ শুনে সিলেটে গিয়ে একসাথে ৫ খন্ড কিনে নিয়ে আসি, তবে দুঃখের বিষয় হলো প্রথম খন্ডটাই তাদের কাছে ছিল না। যাই হোক, দ্বিতীয় খন্ড থেকেই পড়া শুরু করে উপভোগের বিন্দু মাত্র কমতি হয়নি। ট্রেনে বসেই পড়ে ফেললাম একসাথে দুই খন্ড।
April 4, 2020
"জাপান কাহিনি" সিরিজটা আমার বেশ লাগে, এটা টিপিকাল কোন ভ্রমন কাহিনি না, এখানে জাপানের কালচার কি রকম তা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এর মানে এই না যে জাপান কে বড় করে নিজের কালচারকে ছোট করেছে লেখক। লেখকের দেশাত্মবোধ অনেক তিনি জাপানের সাথে সাথে আমাদের দেশের কালচারেও গুনোগান করেছেন। কিন্তু জাপান কেন এত উন্নত আর কি কি কারনে আমারা তাদের মত উন্নত হতে পারছি না তারও যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন লেখক। আর লেখকের সেন্স অফ হিউমার এই গল্প গুলোকে আরো উপভোগ্য করে তুলেছে।
September 1, 2025
বাংলা ভাষায় জাপান,জাপানের কালচার,সেখানকার অধিবাসী ও তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে "জাপান কাহিনী'' বইয়ের তুলনা নাই
ইস্ট ওর ওয়েস্ট, আশির ভাইয়ের জাপান কাহিনী ইজ বেস্ট।
ইস্ট ওর ওয়েস্ট, আশির ভাইয়ের জাপান কাহিনী ইজ বেস্ট।
August 20, 2022
তো এপ্রিল ২০২১ এর পর মাত্র এক বছর বা তার বেশি সময় পর, জাপান কাহিনি সিরিজের দ্বিতীয় খন্ডটি পড়া হল। খন্ড সব জমানো আছে, শুধু নামাবো আর গরম তেলে...
যাহোক, বইটা মজার। প্রথমটার চাইতে এটা মজা বেশি পেয়েছি। লেখকের হিউমার লেভেল হলো 'ড্যাড জোকস' টাইপের। কথার মধ্যে সুক্ষ্মভাবে দিয়ে ফেলেন, বুঝলে পেটের ভেতর চলে হিরোশিমা নাগাসাকি (বাজে জোক, স্যরি)!
আমার এভাবে কোনো দেশ নিয়ে পড়তে বেশ ভাল্লাগে। মনে হয় আড্ডা দিচ্ছি, কিন্তু লেখাপড়া ভেতর দিয়ে শেষ। জাপান তো জাপান, নিজের দেশের সাথে সমান্তরালে রেখে ভিনদেশী গল্প চালায় যেতে পারাটা একটা আর্ট। এই ব্যাপারটা হুমায়ুন আহমেদ পান্তাভাত খেতে খেতে করতেন। আশির আহমেদ করছেন।
এসব ছাড়া সিরিয়াস কারণ যদি বলি কেন পড়া উচিত এই সিরিজটা, কারণ জাপানের অদ্ভুতরকম ডিসিপ্লিন আর উন্নত চিন্তাভাবনার জন্য, নৈতিক শিক্ষার জন্য, উদ্যোক্তা হওয়া বা কিভাবে কিছু নিয়ে ভাবতে হয় জানার জন্য, কোয়ালিটির নমুনা বোঝার জন্য...ইত্যাদি ইত্যাদি।
জ্ঞান বিতরণ শেষ।
বই ভালো লেগেছে।
এইবার সত্যই টানা শেষ করা হবে বাসায় গিয়ে।
যাহোক, বইটা মজার। প্রথমটার চাইতে এটা মজা বেশি পেয়েছি। লেখকের হিউমার লেভেল হলো 'ড্যাড জোকস' টাইপের। কথার মধ্যে সুক্ষ্মভাবে দিয়ে ফেলেন, বুঝলে পেটের ভেতর চলে হিরোশিমা নাগাসাকি (বাজে জোক, স্যরি)!
আমার এভাবে কোনো দেশ নিয়ে পড়তে বেশ ভাল্লাগে। মনে হয় আড্ডা দিচ্ছি, কিন্তু লেখাপড়া ভেতর দিয়ে শেষ। জাপান তো জাপান, নিজের দেশের সাথে সমান্তরালে রেখে ভিনদেশী গল্প চালায় যেতে পারাটা একটা আর্ট। এই ব্যাপারটা হুমায়ুন আহমেদ পান্তাভাত খেতে খেতে করতেন। আশির আহমেদ করছেন।
এসব ছাড়া সিরিয়াস কারণ যদি বলি কেন পড়া উচিত এই সিরিজটা, কারণ জাপানের অদ্ভুতরকম ডিসিপ্লিন আর উন্নত চিন্তাভাবনার জন্য, নৈতিক শিক্ষার জন্য, উদ্যোক্তা হওয়া বা কিভাবে কিছু নিয়ে ভাবতে হয় জানার জন্য, কোয়ালিটির নমুনা বোঝার জন্য...ইত্যাদি ইত্যাদি।
জ্ঞান বিতরণ শেষ।
বই ভালো লেগেছে।
এইবার সত্যই টানা শেষ করা হবে বাসায় গিয়ে।
January 20, 2020
I think a reader's feeling about a book depends mostly on the first and the last chapter, specially the last page of that book. If the ending leaves you with a good feeling....the whole book becomes a good read! This book's ending left me teary! It was a good read! One extra point for the writer's clean sense of humour. Not many people are gifted with this quality, but Ashir Ahmed is! Kudos!
August 24, 2018
ভাষা প্রাঞ্জল...একবসায় পড়ে ফেলার মত বই
April 5, 2024
জাপান কাহিনি দ্বিতীয় খন্ড
প্রথম পার্টের মতনই অনুগল্প। পড়তে বেশিক্ষণ লাগেনি। লেখক গল্প গুলোতে কিছু ট্রিভিয়া দিয়েছেন। তার থেকে ইন্টারেস্টিং কিছু শেয়ার করছি:
প্রথম গল্পটাই ছিল জাপানের খাবার দাবার নিয়ে। খাবার দাবার জাপানে কাইন্ডা শিল্পের মতন দেখে থাকে। কিছু কিছু রেস্টুরেন্টে খাবারের কতগুলো পর্ব ও আছে। শুরু, মেইন ডিশ ইন্টার্ভাল আবার খাবার দ্যান ডেজার্ট।
গল্পের মাঝেই লেখক প্রশ্ন করেছেন গরুর মাংস কে আমরা কাও মিট বা ছাগলের মাংস কে খাসি মিট আইমিন গোট মিট বলিনা কেনো?
"এগুলো এসেছে ফ্রেঞ্চদের টেবিল ম্যানার থেকে। ফ্রেঞ্চরা খাবারের টেবিলে পশুর নাম নেয়াকে অশোভন মনে করতেন। পরে এই শব্দগুলো ইংরেজিতে ঢুকে পড়ে। বলা হয় পশুর নামগুলো এসেছে জার্মান থেকে (ইংরেজি ভাষা যেহেতু জার্মান থেকে আসা), আর খাবারের নাম এসেছে ফ্রেঞ্চ থেকে।"
ইন্টারেস্টিং জিনিস!
জাপানে অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এটা কার্যকর করা হয় ফাঁসির মাধ্যমে। বাট এখানে আমাদের দেশের মতন দাগী আসামির সাজা কমানোর বদলে জল্লাদ বানানো হয়না।
ফাঁসি গলায় দড়ি দিয়ে দাড়ায় পাটাতনে। এই পাটাতন সরিয়ে নেয়া হয় একটা অভিনব যান্ত্রিক উপায়ে। পাশে একটা কন্ট্রোলরুমে ৫টা বাটন থাকে। ৫ জন জল্লাদ একই সঙ্গে ৫টা বাটন টিপ দেবেন। একটা বাটন কাজ করবে। কোন বাটনটা কাজ করল তা কেউ জানেনা।
কারো হত্যা করার অনুশোচনা থাকেনা। সুইচ টিপার বিনিময়ে পাবেন বিশ হাজার ইয়েন ( বিশ হাজার টাকার মত) কচকচে টাকা।
অনলাইনে যখন জাপানের বিভিন্ন খাবারের ভিডিও দেখি, দাম শুনলে ভিরমি খেতে হয়। এত্ত দাম! ওখানে সব এত্ত দাম হলে জনজীবন চলে কিভাবে? দ্রব্যমূল্যের হানাহানি তে নিজেদের অবস্থাই কুপোকাত। এত দাম ক্যান?
দেশটা যেহেতু জাপান। কারণ ত অবশ্যই আছে!
তার আগে একটা প্রশ্ন দিয়ে বলি।
আমাদের দেশে একটা কোম্পানির কর্মচারীদের স্যালারি গ্যাপ কত?
বই থেকে জানা যায়, "জাপানে গড়ে ১০ গুণ। চায়নাতে ৪০ থেকে ২০০ গুণ আর আমেরিকাতে ১০০০ গুণ।"
আয়ের গ্যাপ যত কম হবে ধনী গরীব ডিফারেন্স তত কম হবার কথা। কিন্তু কমবে কীভাবে?
১) গরিবদের আয় বাড়ানো অথবা
(২) ধনীদের আয় কমানো।
কিন্তু কীভাবে?
জাপানিরা দেড়শো বছর আগে (১৮৬৮) যে সিদ্ধান্তটা নিলেন সেটা হলো- এই দেশে নিম্ন আয়ের কোনো লোক রাখবেন না।
*️⃣ এলগোরিদমটা হলো- "বেশি বেশি আয় করো, বেশি বেশি ব্যয় করো। টাকার গতি বাড়াও। অর্থনীতি চাঙা করো।"
জাপানে জুতা পালিশ করার খরচ? ১০-২০ ডলার। চুল কাটা? একজন নাপিতের গড় আয় মাসে ২,০০০ ডলার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়াতে যারা রান্না করে দিচ্ছেন- এদের গড় বেতনও ২,০০০ ডলার এর কাছাকাছি।
জাপান যেটা করেছে বেতন বৈষম্য টা মিনিমাল রাখার চেষ্টা করেছে। যার ফলে সবার বেতন হাই। খাবারের কোয়ালিটি হাই। দাম ও হাই। উইন উইন সিচুয়েশন।
এমন আরো অনেক ছোটখাটো তথ্য দিয়ে ভরপুর। দ্বিতীয় খণ্ড শেষ!
প্রথম পার্টের মতনই অনুগল্প। পড়তে বেশিক্ষণ লাগেনি। লেখক গল্প গুলোতে কিছু ট্রিভিয়া দিয়েছেন। তার থেকে ইন্টারেস্টিং কিছু শেয়ার করছি:
প্রথম গল্পটাই ছিল জাপানের খাবার দাবার নিয়ে। খাবার দাবার জাপানে কাইন্ডা শিল্পের মতন দেখে থাকে। কিছু কিছু রেস্টুরেন্টে খাবারের কতগুলো পর্ব ও আছে। শুরু, মেইন ডিশ ইন্টার্ভাল আবার খাবার দ্যান ডেজার্ট।
গল্পের মাঝেই লেখক প্রশ্ন করেছেন গরুর মাংস কে আমরা কাও মিট বা ছাগলের মাংস কে খাসি মিট আইমিন গোট মিট বলিনা কেনো?
"এগুলো এসেছে ফ্রেঞ্চদের টেবিল ম্যানার থেকে। ফ্রেঞ্চরা খাবারের টেবিলে পশুর নাম নেয়াকে অশোভন মনে করতেন। পরে এই শব্দগুলো ইংরেজিতে ঢুকে পড়ে। বলা হয় পশুর নামগুলো এসেছে জার্মান থেকে (ইংরেজি ভাষা যেহেতু জার্মান থেকে আসা), আর খাবারের নাম এসেছে ফ্রেঞ্চ থেকে।"
ইন্টারেস্টিং জিনিস!
জাপানে অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এটা কার্যকর করা হয় ফাঁসির মাধ্যমে। বাট এখানে আমাদের দেশের মতন দাগী আসামির সাজা কমানোর বদলে জল্লাদ বানানো হয়না।
ফাঁসি গলায় দড়ি দিয়ে দাড়ায় পাটাতনে। এই পাটাতন সরিয়ে নেয়া হয় একটা অভিনব যান্ত্রিক উপায়ে। পাশে একটা কন্ট্রোলরুমে ৫টা বাটন থাকে। ৫ জন জল্লাদ একই সঙ্গে ৫টা বাটন টিপ দেবেন। একটা বাটন কাজ করবে। কোন বাটনটা কাজ করল তা কেউ জানেনা।
কারো হত্যা করার অনুশোচনা থাকেনা। সুইচ টিপার বিনিময়ে পাবেন বিশ হাজার ইয়েন ( বিশ হাজার টাকার মত) কচকচে টাকা।
অনলাইনে যখন জাপানের বিভিন্ন খাবারের ভিডিও দেখি, দাম শুনলে ভিরমি খেতে হয়। এত্ত দাম! ওখানে সব এত্ত দাম হলে জনজীবন চলে কিভাবে? দ্রব্যমূল্যের হানাহানি তে নিজেদের অবস্থাই কুপোকাত। এত দাম ক্যান?
দেশটা যেহেতু জাপান। কারণ ত অবশ্যই আছে!
তার আগে একটা প্রশ্ন দিয়ে বলি।
আমাদের দেশে একটা কোম্পানির কর্মচারীদের স্যালারি গ্যাপ কত?
বই থেকে জানা যায়, "জাপানে গড়ে ১০ গুণ। চায়নাতে ৪০ থেকে ২০০ গুণ আর আমেরিকাতে ১০০০ গুণ।"
আয়ের গ্যাপ যত কম হবে ধনী গরীব ডিফারেন্স তত কম হবার কথা। কিন্তু কমবে কীভাবে?
১) গরিবদের আয় বাড়ানো অথবা
(২) ধনীদের আয় কমানো।
কিন্তু কীভাবে?
জাপানিরা দেড়শো বছর আগে (১৮৬৮) যে সিদ্ধান্তটা নিলেন সেটা হলো- এই দেশে নিম্ন আয়ের কোনো লোক রাখবেন না।
*️⃣ এলগোরিদমটা হলো- "বেশি বেশি আয় করো, বেশি বেশি ব্যয় করো। টাকার গতি বাড়াও। অর্থনীতি চাঙা করো।"
জাপানে জুতা পালিশ করার খরচ? ১০-২০ ডলার। চুল কাটা? একজন নাপিতের গড় আয় মাসে ২,০০০ ডলার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়াতে যারা রান্না করে দিচ্ছেন- এদের গড় বেতনও ২,০০০ ডলার এর কাছাকাছি।
জাপান যেটা করেছে বেতন বৈষম্য টা মিনিমাল রাখার চেষ্টা করেছে। যার ফলে সবার বেতন হাই। খাবারের কোয়ালিটি হাই। দাম ও হাই। উইন উইন সিচুয়েশন।
এমন আরো অনেক ছোটখাটো তথ্য দিয়ে ভরপুর। দ্বিতীয় খণ্ড শেষ!
August 9, 2023
জাপানা কাহিনী বইয়ের লেখক স্যার আশির আহমেদ বহু বছর আগে ১৯৮৮ সালে জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট করার জন্য পাড়ি জমান জাপানে। বর্তমানে তিনি কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক। তার দীর্ঘ জাপান জীবনে বসবাসের অভিজ্ঞতা থেকে মূলত বইটি লিখেছেন। কলেজ জীবনের প্রথম দিন থেকে এখন অব্দি যাবতীয় ঘটনা তিনি মলাটমন্দী করছেন। উঠে এসেছে জাপানি ভাষা, শিক্ষা, সমস্যা, জাপানি কালচার, কুসংস্কার, উন্নয়ন সহ যাবতীয় দিকগুলো।
লেখক বইয়ে ছোট ছোট গল্প আকারে জাপানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। গল্পের ভিতর দিয়ে একটা দেশ সম্পর্কে সামগ্রিক তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
আপনি জানলে অবাক হবেন জাপানে প্রতি বছর প্রায় ৩৩হাজার মানুষ আত্নহত্যা করেন। তথ্যটা হয়তো অনেক আগের তাই গুগল করলাম, ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ২১৮৮১জন। এভারেজ প্রতিদিন ৯০ জন। বিষয়টি আমাকে অনেক ভাবিয়েছে। জাপানে আত্নহত্যার ট্রেনিং করানো হয়। আরো জানলে অবাক হবেন জাপানে একজন মানুষ মারা গেলে তার ফিউনারেল সোজা বাংলায় দাফন কার্য সম্পন্ন করতে খরচ হয় ২৫ হাজার ডলার, যা প্রায় বাংলাদেশী টাকায় ২৫ লাখের বেশি ।
জাপানি ঘটকালি ,জাপানি প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে অধ্যায় বেশ ইন্টারেষ্টিং লেগেছে (এস এ সিঙ্গেল:p)। কিছু গল্প পড়ে যেমন হেসেছি তেমনি কিছু অধ্যায় পড়ে মন খারাপ হয়েছে , বিশেষ করে 'ভাইয়ের আদরের ছোটবোন' অধ্যায় পরে অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছি। প্ৰতিটি অধ্যায়েই কিছু টুইস্ট রয়েছে। বইয়ের প্ৰতিটি অধ্যায় পড়ে এরকম অজানা কিছু জানতে পারবেন।
লেখকের লেখার ভাষা একদম ঝরঝরে আর সহজবোধ্য । বইটি ছোট থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষ পড়তে পারবেন।
ছোটবেলা থেকে শুধু সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন থেকে জেনে এসেছি সূর্যোদয়ের দেশ জাপান , এছাড়া জাপান সম্পর্কে কিছু জানতাম না কিন্তু সবসময় একটা কিউরিসিটি কাজ করতো জাপান দেশ নিয়ে। জাপান কাহিনী পড়ে মনে হচ্ছে জাপানের সবকিছু খুব কাছ থেকে দেশে আসলাম।
জাপান কাহিনী বইটির সাথে পরিচিত বেশ কয়েক বছর আগে, ২০১৮ সালের দিকে। পড়ার খুব ইচ্ছে ছিল। এবার লাইব্রেরি তে গিয়ে দেখতে পেয়েই দুই খন্ড নিয়ে আসলাম। এপর্যন্ত নয়টি খন্ড বেরিয়েছে। বাকিগুলো খুব তাড়াতাড়ি সংগ্রহ করবো।
জাপান কাহিনি পড়ুন , জাপান থেকে ঘুরে আসুন।
জাপান দেশটির নাম শুনলে সর্বপ্রথম কোন কথাটি আপনার মাথায় আসে ??
হ্যাপি রিডিং 📖🇯🇵🌸
লেখক বইয়ে ছোট ছোট গল্প আকারে জাপানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। গল্পের ভিতর দিয়ে একটা দেশ সম্পর্কে সামগ্রিক তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
আপনি জানলে অবাক হবেন জাপানে প্রতি বছর প্রায় ৩৩হাজার মানুষ আত্নহত্যা করেন। তথ্যটা হয়তো অনেক আগের তাই গুগল করলাম, ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ২১৮৮১জন। এভারেজ প্রতিদিন ৯০ জন। বিষয়টি আমাকে অনেক ভাবিয়েছে। জাপানে আত্নহত্যার ট্রেনিং করানো হয়। আরো জানলে অবাক হবেন জাপানে একজন মানুষ মারা গেলে তার ফিউনারেল সোজা বাংলায় দাফন কার্য সম্পন্ন করতে খরচ হয় ২৫ হাজার ডলার, যা প্রায় বাংলাদেশী টাকায় ২৫ লাখের বেশি ।
জাপানি ঘটকালি ,জাপানি প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে অধ্যায় বেশ ইন্টারেষ্টিং লেগেছে (এস এ সিঙ্গেল:p)। কিছু গল্প পড়ে যেমন হেসেছি তেমনি কিছু অধ্যায় পড়ে মন খারাপ হয়েছে , বিশেষ করে 'ভাইয়ের আদরের ছোটবোন' অধ্যায় পরে অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছি। প্ৰতিটি অধ্যায়েই কিছু টুইস্ট রয়েছে। বইয়ের প্ৰতিটি অধ্যায় পড়ে এরকম অজানা কিছু জানতে পারবেন।
লেখকের লেখার ভাষা একদম ঝরঝরে আর সহজবোধ্য । বইটি ছোট থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষ পড়তে পারবেন।
ছোটবেলা থেকে শুধু সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন থেকে জেনে এসেছি সূর্যোদয়ের দেশ জাপান , এছাড়া জাপান সম্পর্কে কিছু জানতাম না কিন্তু সবসময় একটা কিউরিসিটি কাজ করতো জাপান দেশ নিয়ে। জাপান কাহিনী পড়ে মনে হচ্ছে জাপানের সবকিছু খুব কাছ থেকে দেশে আসলাম।
জাপান কাহিনী বইটির সাথে পরিচিত বেশ কয়েক বছর আগে, ২০১৮ সালের দিকে। পড়ার খুব ইচ্ছে ছিল। এবার লাইব্রেরি তে গিয়ে দেখতে পেয়েই দুই খন্ড নিয়ে আসলাম। এপর্যন্ত নয়টি খন্ড বেরিয়েছে। বাকিগুলো খুব তাড়াতাড়ি সংগ্রহ করবো।
জাপান কাহিনি পড়ুন , জাপান থেকে ঘুরে আসুন।
জাপান দেশটির নাম শুনলে সর্বপ্রথম কোন কথাটি আপনার মাথায় আসে ??
হ্যাপি রিডিং 📖🇯🇵🌸
December 13, 2021
লেখক বুয়েটে ভর্তি হওয়ার কিছুদিন পর মনবুকাগাশো বৃত্তি নিয়ে জাপানে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়তে চলে যান ১৯৮৯ সালে৷ বৃত্তির প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। সেই সময়ের জাপানে তার টুকরো টুকরো অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। হুমায়ূন আহমেদ স্টাইলের লেখা, ধুপধাপ পড়ে শেষ করে ফেলা যায়।
টোটাল ৭ টা খন্ড আছে।
টোটাল ৭ টা খন্ড আছে।
March 15, 2026
A really nice book for knowing Japan from an Bangladeshi's experience. Author's witty & relaxed writing made the a perfect choice for light & cozy reading. Love how he kept the quality of good storytelling. Highly recommended.
May 2, 2021
বেশ ভাল লেগেছে দ্বিতীয় খণ্ডটি। কিছু কিছু গল্প ছিল পুরপুরি কোন জাপানি মুভি কিংবা গল্প নিয়ে, যা না করলে ভাল হত বলে আমার মনে হয়।
October 5, 2022
Excellent like first part. The more I'm reading this book the more I'm getting to know Japan. Ashiru San is portraying Japan dramatically in this series.
August 8, 2023
জাপানকে জানার জন্য এই সিরিজের সবগুলোই বই পড়তে হবে। অসাধারণ লেখনী।
March 12, 2024
প্রথমটার চেয়ে আমার এটা বেশি ভালো লেগেছে। গল্প বোধহয় সবারই সাধারণ হয়। আমাদের গল্প বলার ডংয়ে ও অন্য থেকে আলাদা হয়ে যায়।
April 19, 2019
অতিরিক্ত তথ্য বহুল হয়ে গেছে। আমি ভ্রমণ কাহিনির মতো চাচ্ছিলাম।
March 16, 2020
সুপাঠ্য
Displaying 1 - 16 of 16 reviews

















