Jump to ratings and reviews
Rate this book

কল্পবিজ্ঞানের রংমশাল

Rate this book
Collection of three science fiction novellas

202 pages, Hardcover

First published January 1, 2006

Loading...
Loading...

About the author

Adrish Bardhan

131 books28 followers
জন্ম: ১ ডিসেম্বর, ১৯৩২ | কলকাতায় | একটি শিক্ষক পরিবারে
ছোট থেকেই অজানার দিকে দুর্নিবার আকর্ষণ | অ্যাডভেঞ্চারের টান জীবনে, চাকরিতে, ব্যবসায়, সাহিত্যে | চোদ্দবার চাকরি বদল | নামী একটি প্রতিষ্ঠানের পারচেস-ম্যানেজার পদে ইস্তফা দিয়ে পুরোপুরি চলে আসেন লেখার জগতে | গোয়েন্দাকাহিনী দিয়ে লেখালেখির শুরু |
' রচনারীতি র দিক থেকে শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায় এর উত্তরসুরী ' - অভিনন্দন জানিয়েছে একটি নামী সাপ্তাহিক | সেরা বিদেশী গোয়েন্দাকাহিনীকে পরিবেশন করেন বাংলায় | বিজ্ঞান, কল্পবিজ্ঞান, অতীন্দ্রিয় জগৎ, অতিপ্রাকৃত, অনুবাদ - প্রায় সব ক্ষেত্রেই পেয়েছেন স্বীকৃতি |
ভারতের প্রথম কল্পবিজ্ঞান পত্রিকা 'আশ্চর্য'র ছদ্দনামী সম্পাদক | এবং সম্পাদনা করেন 'ফ্যান্টাস্টিক' | সত্যজিত রায়ের সভাপতিত্বে প্রথম 'সায়ান্স ফিকশন সিনে ক্লাব' এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক | পত্রিকা, রেডিও, ফিল্মক্লাবের মাধুঅমে কল্পবিজ্ঞানকে আন্দোলন-আকারে সংগঠিত করেন |
একাধিক পুরস্কার | কিশোর জ্ঞানবিজ্ঞান ও পরপর দু-বছর 'দক্ষিণীবার্তা'র শ্রেষ্ঠগল্প পুরস্কার | অনুবাদের ক্ষেত্রে 'সুধীন্দ্রনাথ রাহা'-পুরস্কার |
ভালবাসেন: বই | গানবাজনা | দেশভ্রমণ

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (100%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 45 books1,922 followers
May 17, 2018
"হে বঙ্গ, তব ভাণ্ডারে বিবিধ রতন!" কথাটা বোধহয় সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য অদ্রীশ বর্ধন-এর লেখার ক্ষেত্রে। এই মানুষটির কত লেখা যে কত জায়গায় ছড়িয়ে আছে, তা লেখক নিজেও জানেন বলে মনে হয় না। এদের মধ্যে এই বইয়ের তিনটি নভেল্লাও আছে।
১. বইয়ের প্রথম লেখা "প্রাচীন আতঙ্ক"।
এক অভাবনীয় বিপদের আভাস পেয়ে প্রথমে পাখিদের, এবং তারপর নিঃসীম আতঙ্কে তাড়িত হয়ে একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু হতে থাকে। এই মৃত্যুগুলো আপাতদৃষ্টিতে স্বাভাবিক বা পরিষ্কার আত্মহত্যা। কিন্তু প্রফেসর নাট বল্টু চক্র এর পেছনে অন্য কিছু দেখতে পেলেন।
অতঃপর শুরু হল তাঁর অনুসন্ধান, এবং বেরিয়ে এল এক দুর্ধর্ষ দুশমন, সৃষ্টির আদিকাল থেকে যাদের ক্রীড়নক হয়ে থেকেছে মানুষ, এবং যাদের 'দেখতে' গিয়েই যত বিপদ।
তারপর কী হল?
দুম করে শেষ না হওয়া অবধি এই নভেল্লাটি চমৎকার ভাবে এগোচ্ছিল, কিন্তু হয় লেখক আর আগ্রহী ছিলেন না কাহিনি নিয়ে, নয় সংঘাতের জন্য প্রয়োজনীয় পটভূমি নির্মাণ করতেই লেখক ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন।
২. দ্বিতীয় কাহিনিটি হল "ভয়ানক রঙ"। লাভক্র‍্যাফটের অবিস্মরণীয় "দ্য কালার আউট অফ স্পেস"-এর এই সুললিত ভাবানুবাদটি পড়লে বোঝা যায়, কেন অদ্রীশ বর্ধন আজও 'রিস্তে মে' অন্য সব অনুবাদকের 'বাপ লগতে হ্যায়'!
৩. তৃতীয় কাহিনিটি হল "কলির শেষ"। এমন একটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক কাহিনি বাংলায় অভূতপূর্ব। দর্শনের কচকচি বা হার্ড সায়েন্সের কাঠিন্য বর্জন করে এই কাহিনি জোর দিয়েছে এক বিভীষিকাময় পৃথিবী নির্মাণে। সূর্য যখন লাল দানব, মানবিক সভ্যতা যখন জলের তলায়, তখনও যে মানুষেরা বেঁচে আছে, তাদের বাঁচার লড়াইয়ের থ্রিলিং গপ্পো এটি।
সব মিলিয়ে এটাই বলার যে নিউ বেংগল প্রেস থেকে প্রকাশিত এই নাতিস্থূল স্বল্পমূল্য বইটি থেকে যে ভরপুর বিনোদন পাওয়া যায়, তা এখনকার দিনে পেতে আপনাকে বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হবে। তার তুলনায় জোগাড় করে ফেলুন এই বইটা, এবং কিছুক্ষণের জন্য পঞ্চায়েত ভোট, কর্ণাটক, আই.পি.এল, ডি.এ প্রভৃতি জাগতিক ব্যাপারস্যাপার ছেড়ে ঘুরে আসুন পাল্প ফিকশনের রঙিন জগতে।
Displaying 1 of 1 review