Jump to ratings and reviews
Rate this book

দেবরাজ #1

মায়া ভিলা

Rate this book
প্রযোজক সৈকত সান্যাল সত্যি ঘটনা অবলম্বনে একটা ভৌতিক সিনেমার জন্য গল্প খুঁজছিলেন। তাঁকে সেই গল্পের সন্ধান দেন অসীম ব্যানার্জ্জী। ডায়মণ্ড হারবার থেকে একটু দূরে এক পরিত্যক্ত বাড়ি মায়া ভিলা।
মায়া ভিলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাস করত এক রহস্যময় পরিবার। স্থানীয়দের কাছে এই বাড়ির ইতিহাস আর অপ্রাকৃতিক লোককথা শুনে চিত্রনাট্য লিখতে গিয়ে আশ্চর্যজনক ভাবে উন্মাদ হয়ে যান অসীম ব্যানার্জ্জী।
তারপরে আরেক চিত্রনাট্যকার রমেন পোদ্দার বাকি কাজটুকু এগিয়ে নিয়ে যেতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান।
নিতান্ত ছোট কাগজের সাংবাদিক দেবরাজ তাদের কাগজের শেষ রিপোর্টিং লিখতে গিয়ে হাজির হন মায়া ভিলায়। সেখানে দেখা হয় কাগজের সাংবাদিক ঈশা সেনের সঙ্গে।
পরতে পরতে রোমাঞ্চ আর ভৌতিক অভিজ্ঞতায় শেষ পর্যন্ত উন্মোচিত হয় মায়া ভিলার বিচিত্র মর্মস্পর্শী ইতিহাস।vella

96 pages, Hardcover

First published December 1, 2017

4 people are currently reading
80 people want to read

About the author

Krishnendu Mukhopadhyay

38 books19 followers
কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬৪, ব্যারাকপুরে। প্রথম জীবন কেটেছে শ্যামনগরে। ইছাপুর নর্থল্যান্ড বয়েজ হাইস্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা। স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। প্রথমে অনিয়মিতভাবে কিছু লিটল ম্যাগাজিনে লিখতেন। ২০০৫ থেকে নিয়মিতভাবে আনন্দবাজার পত্রিকার বিভিন্ন প্রকাশনায় ছোটগল্প লিখছেন। ‘খেজুর কাঁটা’ গল্পটি নিয়ে হয়েছে শ্রুতিনাটক। ছোটগল্প ‘ছবির মুখ’ আকাশবাণীতে বেতারনাটক হয়ে সম্প্রচারিত হয়েছে। লেখকের ‘ব্রহ্মকমল’ গল্পটি ২০০৬-এ ‘দেশ রহস্যগল্প প্রতিযোগিতা’য় প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে। ২০০৭-এ ‘পূর্বা’ শীর্ষক একটি কল্পবিজ্ঞান গল্পের জন্য ‘দেশ গল্প প্রতিযোগিতা’য় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন। রাধিকা লেখকের প্রথম উপন্যাস।পেশাদারি জীবনে ইঞ্জিনিয়ার, বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে কর্মরত। সাহিত্য ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে প্রবন্ধ লেখেন। ভারতীয় মার্গ সংগীতের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
11 (15%)
4 stars
20 (27%)
3 stars
24 (33%)
2 stars
13 (18%)
1 star
4 (5%)
Displaying 1 - 20 of 20 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 24 books1,868 followers
May 26, 2018
বাংলায় ভয়ের উপন্যাস লেখা হয় কি?
একদা শুকতারা-র পাতায় মানবেন্দ্র পাল যে ভূতের বা ভয়ের উপন্যাসগুলো লিখতেন, সেগুলো প্রায় প্রবাদপ্রতিম হয়ে গেছে। তার দীর্ঘদিন পর শারদীয়া কিশোর ভারতী-র পাতায় পাওয়া গেছিল সৈকত মুখোপাধ্যায়-এর লেখা উপন্যাস "ওরা থাকে পাতালে"।
কিন্তু এসবই তো কিশোরপাঠ্য।
প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য র‍্যামসে ব্রাদারদের প্রোডাকশন ছাড়া অন্য কোনো ধরনের ভৌতিক উপন্যাস কি বাংলায়, বিশেষত এপার বাংলায়, কেউ কখনও লিখেছেন?
এতদিন এই প্রশ্নের উত্তরে মাত্র কয়েকটা নাম বলা যেত: তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়-এর "অলাতচক্র", হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত-র "জীবন্ত উপবীত", অভীক সরকার-এর "এবং ইনকুইজিশন"...
এবং "মায়া ভিলা"!
অক্লেশে স্বীকার করি, হেঁজিপেঁজি জিনিস নয়, এমনকি ভিজুয়াল এফেক্ট সর্বস্ব হলিউডি মুভি নয়, বরং এক্স-ফাইলস এবং পূর্ব এশীয় হররের ধাঁচে, আবহনির্মাণে অনবদ্য কুশলতার মাধ্যমে, ধাপে ধাপে পাঠকের স্নায়ুর ওপর চাপ বাড়িয়ে তাকে ভয় পাইয়েছে এই উপন্যাস।
কী নিয়ে রচিত এই কাহিনিটি?
সুন্দরবনের কাছাকাছি এক পরিত্যক্ত বাড়ি "মায়া ভিলা"-কে শুধু পটভূমি নয়, বরং কাহিনির উৎস বানিয়ে সিনেমা করবেন নামি প্রযোজক। সেজন্য সব প্রস্তুত। অভিনেতারা তৈরি। কিন্তু...
গল্পটা নিয়ে স্ক্রিপ্ট লিখতে গিয়ে পাগল হয়ে গেলেন চিত্রনাট্যকার।
সেই অসম্পূর্ণ চিত্রনাট্য সম্পূর্ণ করার জন্য ওই বাড়ির পারিপার্শ্বিক দেখতে-বুঝতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন আরেকজন।
অনামি পত্রিকার সাংবাদিক দেবরাজ কিন্তু জড়িয়ে পড়ল এই সিনেমার গল্পে। সত্যিটা জানার জন্য সে অভিযান চালাল মায়া ভিলা-র উদ্দেশে।
তারপর কী হল?
রাত পৌনে একটার সময় এই উপন্যাস যখন শেষ করছি, তখন বাইরে থেকে ঠুকঠুক আওয়াজ ভেসে এলেও চাপ হয়ে যাচ্ছে। তাই বুঝতেই পারছেন, কেসটা লেখক সলিড জমিয়েছেন।
এই গল্পে কি কোনো ত্রুটি নেই? আলবাত আছে। সবচেয়ে বড়ো ত্রুটি তো এটাই যে শার্লি জ্যাকসন, রিচার্ড ম্যাথেসন, স্টিফেন কিং-এর মতো রাজাধিরাজ লেখকেরা এই শীর্ণকায় বইটিকে আরো হৃষ্টপুষ্ট করতেন, ব্যবস্থা করতেন যাতে লাইট জ্বালিয়েও আমি রাতে টয়লেট যাওয়ার রিস্ক না নিয়ে কুম্ভক করে থাকি। সেসব না করে আলোচ্য বইটির লেখক দুম করে গল্পটাই শেষ করে দিয়েছেন!
কিন্তু তবু আমি একে পাঁচতারা বই হিসেবে ধরব।
কেন?
(১) বাংলায় বড়োদের জন্য এমন একটা পরিচ্ছন্ন ভয়ের গল্প লেখার মতো চেষ্টার জন্য।
(২) এই আশায় যে কেউ এই গল্পটাকে নিয়ে সিনেমা বানাবে বলে।
ইতিমধ্যে, বইটি অবিলম্বে পড়ে ফেলুন।
Profile Image for Pranta Dastider.
Author 18 books327 followers
October 21, 2019
গল্পটা ভালই ছিল। যদিও শুরুর একটা-দুটো অধ্যায় বেশ খাপছাড়া লেগেছে লেখনীর কারণে। তবে সে জড়তা কেটে গেছে ক্রমশ। বাড়ির পেছনের রহস্য আর সিনেমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে দ্বন্দ্ব বেশ সামাঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। আধিভৌতিক ভাব, অস্থিরতা, আবেগ, আবেশ সবটুকুই কাজ করেছে সীমিত পরিসরে। ভাল লেগেছে লেখক গল্পটা অযথা টেনে লম্বা করেননি, বরং এক টানে শেষ করে ফেলেছেন।
Profile Image for Taznina Zaman.
251 reviews63 followers
May 21, 2021
ভালো, তবে আরো ভালো হতে পারতো।

৯৪ পৃষ্ঠার ছোট একটা বই, কাজেই প্রিভিউয়ের বাইরে কিছু বলাটা ভালো দেখায় না। প্রথমেই যে জিনিসটা ভালো লাগেনি তা হলো চিরাচরিত ভৌতিক বাড়ির অবতারণা। বাংলাদেশি, ভারতীয় বা ইংরেজি প্রায় সব ভৌতিক গল্পেই একটা ভূতুড়ে বাড়ি থাকবে, সেই বাড়িতে অপঘাতে কিছু মানুষ মরবে, তাদের আত্মারা বাড়িটায় ঘোরাফেরা করবে এইগুলো হলো মুখস্থ উপাদান। মায়া ভিলাও এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম না। তাহলে ব্যতিক্রম কোন দিক দিয়ে? মায়া ভিলায় ঢোকার পরের আধিভৌতিক ঘটনাগুলো বেশ বিশ্বাসযোগ্য করে লেখা হয়েছে। বিশেষ করে চার দরজাওয়ালা ঘরের কনসেপ্টটা দারুন ছিল, পড়ে শিহরিত হয়েছি।

দ্বিতীয় যে জিনিসটায় বিরক্ত হয়েছি তা হলো মানুষরূপী প্রেতের আবির্ভাব। এক হলঘর ভর্তি মানুষের মধ্যে একটা প্রেত বসে আছে! এটা তো কল্পনা করতেও হাসি পায়। লেখকেরা কী ভেবে এইসব লেখেন জানি না।

মায়া ভিলার ভূতুড়ে হওয়ার পেছনের কারনটাও ভালো ছিল। আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। এজন্য লেখকের ধন্যবাদ পাওনা। সব মিলিয়ে খুব বেশি আশা না রেখে কিছুটা গা ছমছমে অনুভূতি পাওয়ার জন্য মায়া ভিলা পড়া যেতেই পারে।
Profile Image for Ësrât .
516 reviews86 followers
November 22, 2021
খুব ভয় পাইছি😒

রেটিং:
🌟⭐.৭৫
২২/১১/২১
Profile Image for Tiyas.
473 reviews132 followers
May 30, 2022
ধুর :'')

একখানা ভালো প্রাপ্তবয়স্ক ভয়ের গল্প পড়তে চাওয়াটাই যেন অপরাধ।
Profile Image for Susmita Dey.
19 reviews14 followers
June 22, 2021
লেখক এর পড়া তিন নম্বর বই। যদিও বই পড়ার পরিসর আমার অনেকটাই কম সেখানে ভৌতিক গল্প সানডে সাসপেন্স এ শোনা ছাড়া সেরকমভাবে কোথাও পড়িনি। এই গল্পটি পড়ার মধ্যে দিয়ে ভিজুয়ালাইজেশন করে অন্যরকম একটা অনুভূতি হচ্ছিল। যেখানে আলাদা করে কোন সাউন্ড এফেক্ট এর দরকার নেই এবং বর্ণিত ঘটনাগুলি খুবই পরিষ্কার ভাবে দেখা যাচ্ছিলো। যে বাড়িকে কেন্দ্র করে এই গল্প সেই বাড়ির সর্বত্র খুব সুন্দর ভাবে পরিস্ফুটিত হচ্ছিল।

গল্পের ঘটনা শুরু হয় একজন সাংবাদিককে নিয়ে, যে কিনা একটি ভৌতিক মুভির ব্যাপারে সাংবাদিকতা করতে গিয়ে এক রহস্যময় বাড়ির সত্য উন্মোচন করেন।

পরপর তিনটি বই পড়ে এটা বুঝতে পেরেছি যে লেখক পদার্থবিদ্যার ছাত্র হলেও তাঁর মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারে খুবই আগ্রহ রয়েছে এবং তাঁর লেখায় সেটা বারংবার ফুটে ওঠে, যেটা সত্যিই খুব ভালো লাগে।

সব মিলিয়ে পুরো বইটি তে একটি রোমহর্ষক ব্যাপার রয়েছে। ছোটর মধ্যে যথেষ্ট সুন্দর এবং গোছানো।
Profile Image for Ahmed Aziz.
386 reviews70 followers
November 23, 2021
খুব বেশি নাটকীয় হয়ে গেল কাহিনিটা। হরর গল্প নষ্ট করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল গল্পটাকে শেষমেশ একটা মানবিক সম্পর্কের গল্পে পরিণত করা, এতে গল্পের শেষে পাঠকের মনে ভয় বলে আর কিছু থাকে না। মায়া ভিলা এই হরর গল্পের এই মারা খাওয়া পরিণতির একদম ক্লাসিক উদাহরণ। শুধুমাত্র শুরুর অধ্যায়ের জন্য তাও দুই তারা দেওয়া গেল।
Profile Image for Sajol Ahmed.
56 reviews2 followers
May 16, 2021
১৯৪৩ সাল।
একদিকে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে, আরেকদিকে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের জন্য স্বাধীনতা সংগ্রাম। কলকাতা শহর একেবারে টালমাটাল।
ফোর্ট উইলিয়ামে তখন ব্রিটিশ আর্মির একজন বাঙালি কর্নেল ছিলেন। কর্নেল সোমেশ্বর গাঙ্গুলী। ধমনীতে বাঙালি রক্ত। চারদিকের স্বাধীনতা সংগ্রাম দেখে কর্নেল ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে ভেতরে ভেতরে ভীষণ উদ্বুদ্ধ হলেন। প্রাণ চাইছে দেশের জন্য কিছু করতে। কিন্তু ব্রিটিশ আর্মির মধ্যে থেকে এই কাজটা কিছুতেই করা সম্ভব নয়।
কর্নেল তবুও রিস্ক নিলেন। কর্নেলের এক বন্ধু, এক গ্রামের পোস্টমাস্টার, স্বাধীনতা সংগ্রামে ছোটখাটো নেতৃত্বস্থানীয় ছিলেন। অত্যন্ত গোপনে কর্নেল কিছু গোপনীয় তথ্য তার কাছে পাঠাতে লাগলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটা ঘটনা ঘটায় ফোর্ট উইলিয়ামের মিলিটারির বড়কর্তাদের সন্দেহ হতে শুরু করল।
কর্নেল গাঙ্গুলী সেটা আঁচ করতে পেরে ধরা পড়ার ভয়ে একরাতে পুরো পরিবার নিয়ে ফোর্ট উইলিয়াম থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন। পরিবার মানে স্ত্রী, কন্যা আর এক অবিবাহিতা শালি। তারপর সেই পোস্টমাস্টার বন্ধুর সাহায্যে কর্নেল নিজের পরিচয় আত্মগোপন করে এক গ্রামে সপরিবারে আশ্রয় নিলেন। কিন্তু বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত কর্নেল গ্রামের বাড়ির সাদামাটা ঘরে থাকতে গিয়ে ক'দিনেই হাঁপিয়ে উঠলেন। এরপর ওই পোস্টমাস্টার বন্ধুর সাহায্যেই জঙ্গলের মধ্যে নিজের বাড়ি তৈরি করলেন। বাড়ির নাম দিলেন 'মায়া ভিলা'!
গল্পটা কি সত্যিই এরকমই? নাকি প্রচলিত এ সত্যির আড়ালে লুকিয়ে আছে আরেক সত্যি?

বর্তমান।
প্রযোজক সৈকত সান্যাল সত্যি ঘটনা অবলম্বনে ভৌতিক সিনেমা তৈরির জন্য গল্প খুঁজতে গিয়ে মায়া ভিলার এই প্রচলিত লোককাহিনী খুঁজে পান।
সে গল্পকে চিত্রনাট্যে রূপ দিতে গিয়ে আশ্চর্যজনক ভাবে উন্মাদ হয়ে যান সিনেমার চিত্রনাট্যকার অসীম ব্যানাজ্জী। তারপরে আরেক চিত্রনাট্যকার রমেন পোদ্দার বাকি কাজটুকু এগিয়ে নিতে যেতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান।
কিন্তু কেন? কোন অপশক্তি চায় না মায়া ভিলার গল্প নিয়ে সিনেমা হোক? নাকি চায় মায়া ভিলার মিথ্যে কাহিনী না জেনে আসল সত্যিটা সবাই জানুক?
নিতান্ত ছোট কাগজের সাংবাদিক দেবরাজ তাদের কাগজের শেষ রিপোর্টিং লিখতে গিয়ে হাজির হন মায়া ভিলায়। সেখানে দেখা হয় অন্য এক কাগজের সাংবাদিক ঈশা সেনের সঙ্গে। একত্রে কাজে নামে মায়া ভিলার রহস্য উদঘাটনে।
তাড়া কি পারবে মায়া ভিলার এতশত ঘটনার পিছনে লুকিয়ে থাকা সত্যিকারের মর্মস্পর্শী ইতিহাস খুঁজে বেড় করতে? জানতে পড়তে হবে 'মায়া ভিলা'।

>>পাঠ প্রতিক্রিয়া<<
ছোট কলেবরের উপন্যাসিকা "মায়া ভিলা", গল্পের শুরু থেকেই ভৌতিক এক আবহ তৈরি করে। গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলে গিয়েছে একই গতিতে। কোথাও গতির কমতি হয়নি। এক বসায় পড়ে শেষ করার মতো গল্পটা মোটামুটি মানের বলা চলে। তবে শেষটা অনেকটা প্রেডিক্টেবল ছিল।
সহজ-সাবলীল ভাষায় লেখা গল্পের প্লট ছিল খুবই চমৎকার। পুরানো ভৌতিক বাড়ির গল্প পড়তে কার না ভালো লাগে? তবে এই প্লটে গল্পটা আরো সুন্দর কলমে সাজানো যেত।
গল্পে বিশেষ কোন অলংকরণ নেই। সাদামাটাভাবে লিখে চলা। তবে সরল ভাষায়। যে কারো পড়তে বা বুঝতে কোথাও সমস্যা হবে না।
>>প্রচ্ছদ<<
মানস বাগ'র করা বইয়ের প্রচ্ছদটা খুবই দুর্দান্ত। শরীরে শিহরণ জাগানোর মতো। গল্পের সাথে একদম পারফেক্ট।
বইয়ের পেইজ-বাঁধাইও বেশ ভালো ছিল। বানান টানান ভুল তেমন চোখে পড়েনি।
সবমিলে বইটা মোটামুটি লেগেছে। একবার পড়াই যায়। খুব একটা খারাপ লাগবে না আশা করি।

#হ্যাপি_রিডিং
*************
বই : মায়া ভিলা
লেখক : কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
Profile Image for Saugata Sengupta.
20 reviews4 followers
May 8, 2020
মায়া ভিলা বইটার কথায় সরাসরি চলে আসি। প্যারানর্মাল অ্যাকটিভিটি নিয়ে বাংলায় লেখালেখি অনেকদিন ধরে চলছে এবং আরো অনেকদিন ধরে চলবে। এই তালিকায় মায়া ভিলা অন্যতম সংযোজন। এর আগেও কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় এরকম চমকপ্রদ কাহিনী আমাদের উপহার দিয়েছেন।

বিধাননগরের সুধন্য চৌধুরী আর তার মেয়ে রিংকির ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা এই সপ্তাহের একমাত্র রিপোর্টার দেবরাজ। বাইপাসের ডিস্কোথেকে গিয়ে তার সঙ্গে পরিচয় হয় মায়া নামে এক রহস্যময়ী নারীর সঙ্গে। তার বাড়ির ঠিকানা মায়াভিলা। এরপরেই দেবরাজের হাতে আসে এক আমন্ত্রণপত্র যেখানে জানা যায় প্রযোজক সৈকত সান্যাল প্যারানর্মাল অ্যাকটিভিটি নিয়ে বাংলায় মায়াভিলা নামে একটা সিনেমা করছেন যার শুটিং হবে ডায়মন্ড হারবারের কাছে মায়াভিলা নামের এক পোড়োবাড়িতে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, মায়াভিলা সিনেমার স্ক্রিপ্ট সত্যি ঘটনা অবলম্বনে লেখা। কিন্তু সেই স্ক্রিপ্ট লিখতে লিখতে ঘটে গেছে একের পর এক অঘটন। ওদিকে এই সপ্তাহ পত্রিকা উঠে যাওয়ার আগে শেষ সংখ্যায় মায়াভিলা নিয়ে একটা ব্রেকিং নিউজ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেবরাজ মায়াভিলা অভিযানে রওনা দেয়। সেখানে তার সঙ্গে দেখা হয় নামী সংবাদ পত্রের সাংবাদিক ঈশার সঙ্গে। এরমধ্যে দেবরাজের সঙ্গে বহির্জগতের সব যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়।

বাকি অংশ রূপালী পর্দায় দে...ইয়ে মানে বাকিটা জানতে হলে বইটা পড়ে ফেলতেই হবে।‌ মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত 96পাতার বইটার দাম মাত্র একশো টাকা। গতানুগতিক প্রচ্ছদ ও অলংকরণে মানস বাগ। লেখকের নাম যখন কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় তখন বইটা পড়ে ফেলুন, ঠকবেন না। আর হ্যাঁ, দিনের বেলা সব ঠিকঠাক, রাতের বেলা যদি কেমন যেন ইয়ে ইয়ে ঠেকে, এক সিটিং-এ শেষ করে দিন, ফেলে রাখবেন না।
1 review
August 3, 2025
সচরাচর ভুতের গল্প বা উপন্যাস পড়া হয় না। অবাস্তব কাহিনি হাওয়ায় এসবের প্রতি আগ্রহ আসে না। তবুও, কিছুদিন ধরেই ভৌতিক কিছু পড়ার জন্য মনটা ছটফট করতে থাকে। মায়া ভিলাটা একারণেই হাতে নেওয়া। ক্ষুদ্র পরিসরের বড়দের জন্য লেখা পরিচ্ছন্ন একটা ভৌতিক উপন্যাস মায়া ভিলা। লেখকের পড়া আমার প্রথম বই ছিল এটা।

কাহিনি সংক্ষেপ হলো, মায়া ভিলা কে কেন্দ্র করে একটা সিনেমা বানাতে চান প্রযোজক সৈকত স্যানাল। সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখতে গিয়ে স্ক্রিপ্ট রাইটার অসীম ব্যানার্জি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরেকজন স্ক্রিপ্ট রাইটার নিখোঁজ হয়ে যান। ঘটনাচক্রে দেবরাজ নামক একজন সাংবাদিক পৌঁছে যান মায়া মিলার রহস্য উদঘাটন করতে। তারপর...?

গল্পটার প্লট কিছুটা গতানুগতিক ধারার ভুতের গল্পের মতো। পরিত্যাক্ত ভুতুড়ে বাড়ি, সেখানে ঘটে যাওয়া অতিপ্রাকৃত ঘটনাবলি, ভয়ে বাড়ির ধারে কাছে না যাওয়া, এসব উপাদান যেকোন ভূতের গল্পেই পাওয়া যায়। তবে মায়া মিলার আসল রহস্যটা অপ্রত্যাশিত ছিল। আগে থেকে কল্পনা করা যায় না। কিন্তু মনে হচ্ছে লেখক গল্পটা খুব দ্রুত হুট করেই শেষ করে ফেলেছেন। বিশেষত শেষের পার্ট গুলো আরো বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে লিখলে ভালো লাগতো। চরিত্রগুলোরও ডিটেইলিং কম ছিল।

যাইহোক, গল্পের সেটিংটা গা ছমছম করা অনুভূতি দেবে। বিশেষ করে রমেন পোদ্দারকে রেখে শ্যামল বড়ুয়া এবং ড্রাইভারের চলে যাওয়ার অংশটা যথেষ্ট রোমাঞ্চকর।

শেষ কথা, বাংলা ভাষায় ভূতের গল্প হিসেবে মোটামুটি ভালো বোধ হয়েছে। ডিটেইলিং এবং ঘটনার গভীরতা আরো বিস্তৃত হলে পাঁচ তারকা দিতে পারতাম।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews23 followers
January 20, 2022
✨📖উপন্যাসের নাম - মায়া ভিলা📖✨
✍️লেখক - কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়

💫📚প্রযোজক সৈকত সান্যাল সত্যি ঘটনা অবলম্বনে একটা ভৌতিক সিনেমার জন্য গল্প খুঁজছিলেন । তাঁকে সেই গল্পের সন্ধান দেন অসীম ব্যানার্জ্জী । ডায়মণ্ড হারবার থেকে একটু দূরে এক পরিত্যক্ত বাড়ি মায়া ভিলা । মায়া ভিলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাস করত এক রহস্যময় পরিবার । স্থানীয়দের কাছে এই বাড়ির ইতিহাস আর অপ্রাকৃতিক লোককথা শুনে নাট্য লিখতে আশ্চর্যজনক ভাবে উন্মাদ হয়ে যান অসীম ব্যানার্জ্জী । তারপরে আরেক চিত্রনাট্যকার রমেন পোদ্দার বাকি কাজটুকু এগিয়ে নিয়ে যেতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান । নিতান্ত ছোট কাগজের সাংবাদিক দেব রাজ তাদের কাগজের শেষ রিপোর্টিং লিখতে গিয়ে হাজির হন মায়া ভিলায় । সেখানে দেখা হয় কাগজের সাংবাদিক ঈশা সেনের সঙ্গে । পরতে পরতে রোমাঞ্চ আর ভৌতিক অভিজ্ঞতায় শেষ পর্যন্ত উন্মোচিত হয় মায়া ভিলার বিচিত্র মর্মস্পর্শী ইতিহাস ।📚💫

#BengaliNovel #Ananda #books #bengalibook #readingbooks #reading #booklover #readingchallenge�� #bengaliromanticnovel #drama #boipoka #bookrecommendations #bookworm #GoodRead
Profile Image for Saimon.
10 reviews
Read
November 7, 2024
প্রযোজক সৈকত সান্যাল সত্যি ঘটনা অবলম্বনে একটা ভৌতিক সিনেমার জন্য গল্প খুঁজছিলেন। তাঁকে সেই গল্পের সন্ধান দেন অসীম ব্যানার্জ্জী। ডায়মণ্ড হারবার থেকে একটু দূরে এক পরিত্যক্ত বাড়ি মায়া ভিলা। মায়া ভিলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাস করত এক রহস্যময় পরিবার। স্থানীয়- দের কাছে এই বাড়ির ইতিহাস আর অপ্রাকৃতিক লোককথা শুনে চিত্রনাট্য লিখতে গিয়ে আশ্চর্যজনক ভাবে উন্মাদ হয়ে যান অসীম ব্যানার্জ্জী। তারপরে আরেক চিত্র নাট্যকার রমেন পোদ্দার বাকি কাজটুকু এগিয়ে নিয়ে যেতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। নিতান্ত ছোট কাগজের সাংবাদিক দেবরাজ তাদের কাগজের শেষ রিপোর্টিং লিখতে গিয়ে হাজির হন মায়া ভিলায়। সেখানে দেখা হয় কাগজের সাংবাদিক ঈশা সেনের সঙ্গে পরতে পরতে রোমাঞ্চ আর ভৌতিক অভিজ্ঞতায় শেষ পর্যন্ত উন্মোচিত হয় মায়া ভিলার বিচিত্র মর্মস্পর্শী ইতিহাস।
Profile Image for Huesofwords (Bandita).
65 reviews3 followers
October 4, 2023
একটা বেশ ভালো ভূতের গল্প হয়েও হল না। গল্পের শেষে সেই মানবিক দরদি ভূত আর ভালো লাগে না। সব ভূতেদের কি গল্পের শেষে মুক্তি পেতেই হবে!? কিছু ভূত কি চিরকাল ভূত হয়ে থাকতে পারে না ভয় দেখানোর জন্য!? ভূতের মূল কাজ‌ই তো ভয় দেখানো, এটা আজকালকার লেখকরা ভুলে যান কেন? ভূতেরা এই যবে থেকে ভালো মানুষ, খারাপ মানুষ বুঝে ভয় দেখানো শুরু করেছে তবে থেকে আর ভূতের গল্প পড়তে ভালো লাগে না। ভূত হবে নিরপেক্ষ। ভালো মানুষ-খারাপ মানুষের বাছ বিচার তারা করবে কেন? হাতের কাছে যাকে পাবে তাকে ভয় দেখাবে।

ব‌ই পড়ে ভয়ে দু-তিন রাত ঘুমোতে না পারি যদি, তাহলে আর কি ভয় পেলাম!? অনেক আশা নিয়ে শুরু করেছিলাম ব‌ইটি। ক্লাইম্যাক্সে এসে সেই থোর বড়ি খাড়া-খাড়া বড়ি থোর।
Profile Image for Sreya Mukherjee.
126 reviews7 followers
December 28, 2023
I have read the novel Diner Sheshe by Krishnendu Mukhopadhyay and I absolutely loved it. Hence, I had high regard for the author and wanted to explore more of his works. This novel, 'Maya Villa' is a paranormal novel. The plot revolves around the eponymous Maya Villa, which is purpotedly haunted. A movie is all set to be shot in the Maya Villa based on its history, but the veracity of the history the movie will present is questionable. It falls on the shoulders of a young journalist, Debraj to uncover the actual history of the house and present it before the world. It is a well-written novel but somehow the ending felt bland, too simplified.
My Rating: 3.5 stars
Profile Image for Arijit Saha.
77 reviews1 follower
September 14, 2018
The Story is quite intriguing and suspenseful and most importantly very well paced. According to me, a few bits of more character details were needed to truly connect with the characters. Other than that, it's a fairly good suspenseful read.
46 reviews2 followers
January 2, 2022
খারাপ না, আবার খুব ভালো ও না, মোটামুটি
Profile Image for Dr X.
37 reviews
January 2, 2025
কম পাতায় অত্যন্ত ভালো উপন্যাস পড়লাম | মনস্তাত্ত্বিক+ভৌতিক পরিবেশ
দারুন সুন্দর 🔥
Displaying 1 - 20 of 20 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.