যখন তিব্বতকে বলা হতো নিষিদ্ধ দেশ, তখন পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন গোপনে প্রচুর ঝুঁকি নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। সেটা ছিলো বিশ শতকের একদম শুরুর দিকে। তাঁর এই নিষিদ্ধ যাত্রার গল্প আজও পাঠকদের মুগ্ধ করে। রাহুল যখন তিব্বতে গিয়েছিলেন, তখন তিব্বতের নিকটতম প্রতিবেশী সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মঙ্গোলিয়া রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো, আর চীন তখন ছিলো ব্যাপক বিশৃঙ্খল অবস্থায়। রাহুল তখনো মার্কসবাদী হয়ে ওঠেননি; তিনি সেসময় ছিলেন স্রেফ বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি প্রবল আগ্রহী একজন ছাত্র। এই কারণেই তিনি তার ভ্রমণকাহিনীতে তিব্বতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেননি। তবে রাহুল তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, তিব্বত রাজনৈতিকভাবে চীনেরই একটি অংশ। রাহুল তাঁর ভ্রমণের সময় তিব্বতের যেরকম রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং নৈতিক অবস্থা দেখেছেন, তা আজ সন্দেহাতীতভাবে অনেক বদলে গেছে। তবুও, এই বইটি তিব্বতের সেই সময়কার ইতিহাস ও ঘটনাপরম্পরা জানার দিক থেকে এখনো প্রাসঙ্গিক।
राहुल सांकृत्यायन जिन्हें महापंडित की उपाधि दी जाती है हिन्दी के एक प्रमुख साहित्यकार थे। वे एक प्रतिष्ठित बहुभाषाविद् थे और बीसवीं सदी के पूर्वार्ध में उन्होंने यात्रा वृतांत/यात्रा साहित्य तथा विश्व-दर्शन के क्षेत्र में साहित्यिक योगदान किए। वह हिंदी यात्रासहित्य के पितामह कहे जाते हैं। बौद्ध धर्म पर उनका शोध हिन्दी साहित्य में युगान्तरकारी माना जाता है, जिसके लिए उन्होंने तिब्बत से लेकर श्रीलंका तक भ्रमण किया था। इसके अलावा उन्होंने मध्य-एशिया तथा कॉकेशस भ्रमण पर भी यात्रा वृतांत लिखे जो साहित्यिक दृष्टि से बहुत महत्वपूर्ण हैं।
२१वीं सदी के इस दौर में जब संचार-क्रान्ति के साधनों ने समग्र विश्व को एक ‘ग्लोबल विलेज’ में परिवर्तित कर दिया हो एवं इण्टरनेट द्वारा ज्ञान का समूचा संसार क्षण भर में एक क्लिक पर सामने उपलब्ध हो, ऐसे में यह अनुमान लगाना कि कोई व्यक्ति दुर्लभ ग्रन्थों की खोज में हजारों मील दूर पहाड़ों व नदियों के बीच भटकने के बाद, उन ग्रन्थों को खच्चरों पर लादकर अपने देश में लाए, रोमांचक लगता है। पर ऐसे ही थे भारतीय मनीषा के अग्रणी विचारक, साम्यवादी चिन्तक, सामाजिक क्रान्ति के अग्रदूत, सार्वदेशिक दृष्टि एवं घुमक्कड़ी प्रवृत्ति के महान पुरूष राहुल सांकृत्यायन।
Sankrityayan was a multilingual linguist, well versed in several languages and dialects, including Hindi, Sanskrit, Pali, Bhojpuri, Urdu, Persian, Arabic, Tamil, Kannada, Tibetan, Sinhalese, French and Russian. He was also an Indologist, a Marxist theoretician, and a creative writer. He started writing during his twenties and his works, totalling well over 100, covered a variety of subjects, including sociology, history, philosophy, Buddhism, Tibetology, lexicography, grammar, textual editing, folklore, science, drama, and politics. Many of these were unpublished.He translated Majjhima Nikaya from Prakrit into Hindi.
One of his most famous books in Hindi is Volga Se Ganga (A journey from the Volga to the Ganges) — a work of historical fiction concerning the migration of Aryans from the steppes of the Eurasia to regions around the Volga river; then their movements across the Hindukush and the Himalayas and the sub-Himalayan regions; and their spread to the Indo-Gangetic plains of the subcontinent of India. The book begins in 6000 BC and ends in 1942, the year when Mahatma Gandhi, the Indian nationalist leader called for the quit India movement.
This book was translated by K.N. Muthiya-Tamilputhakalayam in Tamil as Valgavil irundu gangai varai and is still considered a bestseller. The Kannada translation done by B.N Sharma as "Volga Ganga" . The Telugu translation inspired many readers. Volga muthal Ganga vare, the Malayalam translation, became immensely popular among the young intellectuals of Kerala and it continues to be one of the most influential books of its times. The Bengali version is Volga Theke Ganaga [ভোল্গা থেকে গঙ্গা], which is still acclaimed by the critics.
More than ten of his books have been translated and published in Bengali. Mahapandit was awarded the Padmabhushan in 1963 and he received the Sahitya Akademi Award in 1958 for his book Madhya Asia ka Itihaas.
He maintained daily diaries in Sanskrit which were used fully while writing his autobiography. In spite of profound scholarship, he wrote in very simple Hindi that a common person could follow. He wrote books of varied interest. He was aware of limitations of Hindi literature and singularly made up the loss in no small measure.
The historian Kashiprasad Jaisawal compared Rahul Sankrityayan with Buddha. Rahul's personality was as impressive and memorable as are his achievements. He traveled widely and wrote in five languages — Hindi, Sanskrit, Bhojpuri, Pāli and Tibetan. His published works span a range of genres, which include autobiography, biography, travelogue, sociology, history, philosophy, Buddhism, Tibetology, lexicography, grammar, text editing, folklore, science, fiction, drama, essays, politics, and pamphleteering.
His travels took him to different parts of India, including Ladakh, Kinnaur, and Kashmir. He also travelled to several other countries includi
তিব্বত, সে এক নিষিদ্ধ দেশ। কৌতুহলী এবং জ্ঞানানুরাগীদের বরাবরই আকৃষ্ট করেছে হিমালয় ঘেরা চিররহস্যের এই দেশ। রাহুল সাংকৃত্যায়ন ও এই টান অগ্রাহ্য করতে পারেননি। তিনি ১৯২৮ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বো শহর থেকে তিব্বতের উদ্দ্যেশ্য যাত্রা শুরু করেন। দীর্ঘ আট মাস পর,কখনো পায়ে হেঁটে কখনো বিভিন্ন প্রাণীর পিঠে সওয়ার হয়ে তিব্বতের রাজধানী লাসায় পৌঁছান৷
তিব্বতে যাওয়ার অনুমতিপত্র না থাকার ফলে,রাহুল সহজ কোনো পথে তিব্বত যেতে পারেননি। কখনো হিমালয়ের গিরিশৃঙ্গ, কখনো আবার বন্ধুর পথ ধরে এগুতে হয়েছে। সীমান্তরক্ষীদের হাতে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় ছিল নিত্যসঙ্গী। তবুও লক্ষ্যে অবিচল রাহুল সাংকৃত্যায়ন, পথে সাময়িক বিরতি দিলেও কখনো লক্ষ্যচ্যুত হননি।
লাসায় পৌঁছে ভারতীয় আর তিব্বতী দর্শন, শাস্ত্র,সংস্কৃতি, ধর্ম সংক্রান্ত বই-পুস্তক এবং শিল্প নিদর্শনের খোঁজে তিব্বতের এ মাথা থেকে ও মাথা চষে বেড়িয়েছেন লেখক। তারই প্রামাণ্য দলিল ‘তিব্বতে সওয়া বছর’ নামক অমূল্য গ্রন্থখানি। মোটা দাগে এটিকে ভ্রমণ কাহিনী মনে হলেও,বইটি আসলে সে অর্থে কোনো ভ্রমণ কাহিনী নয়। একে বলা যায়,গবেষণাধর্মী ভ্রমণকাহিনী।
তিব্বত যাত্রার বিবরণ,সে দেশের রাজনৈতিক এবং ভৌগোলিক বিশ্লেষণ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিশ্বাস, রীতিনীতি সহ নানানকিছুর সম্মেলন ঘটেছে তিব্বতে সওয়া বছরে। উপরি পাওনা হিসেবে তিব্বতের পাশাপাশি ভুটান এবং নেপাল ভ্রমণের বর্ণনা পাওয়া যাবে। যাদের তিব্বত নিয়ে আগ্রহ আছে, তারা নির্দ্বিধায় পড়ে ফেলতে পারেন ‘তিব্বতে সওয়া বছর’।
যাত্রা শুরুর আগে প্রয়োজনীয় শীতের কাপড় পরতে ভুলে যাবেন না। তিব্বত যাত্রা শুভ হোক।
করোনাকালে বইটা হাতে পাই। প্রায় ৩ বছর বিরতি দিয়ে এই বছরের শুরুতে গোগ্রাসে পড়ে ফেললাম। উপমহাদেশের ভ্রমণ সাহিত্যে এটি নিঃসন্দেহে একটা রত্ন। ভ্রমণের থ্রিলার, বিবরণ, হালকা রসবোধ সব আছে এই বইয়ে৷ আর বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় জানতে পারলাম তিব্বত ভ্রমণ শেষ করেই তিনি আজকের রাহুল সংকৃত্যায়ন নামটি ধারণ করেন।
আচ্ছা একবার ভাবুনতো, চারপাশে উঁচু-নিচু পাহাড়ি চড়াই-উৎরাই , পায়ের নিচে ঘন সবুজ ঘাস,চারদিকে আকাশ সমান লম্বা দেবদারুর বন ,একটু পর পর পাহাড়ি হ্রদ, ঝর্ণার পানির মৃদু শব্দ , আবার মাঝেমধ্যে বরফ আচ্ছাদিত শুভ্র-সাদা পাহাড়ি জনপদ, কাঠের বাড়ি,পথের ধারে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চড়ে বেড়াচ্ছে ইয়াক(চামড়ি গাই),জংলী গাধা,লোমশ ভেড়া...যে পথ একদিন হেঁটে পাড়ি দিয়েছেন পন্ডিত অতিশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান,পন্ডিত শান্তরক্ষিতের মতো প্রাজ্ঞজনেরা... এরকম একটা পথ ধরে হেঁটে যেতে পারলে ব্যাপারটা কেমন হতো! উঁহু শুনতে বা কল্পনা করতে যতোটা রোমাঞ্চকর মনে হচ্ছে, বাস্তবিক অর্থে তিব্বতের রাস্তাঘাট পাড়ি দেয়া এতোটাও রোমাঞ্চকর নয়। অনেক ধৈর্য এবং কষ্টসহিষ্ণু না হলে এই পথ অল্প একটু এগিয়েই হাল ছেড়ে দেয়াটাই যেনো স্বাভাবিক। আর এসব প্রাকৃতিক দুর্গমতার জন্যই আজও বহির্বিশ্বের কাছে এক অজানা-অচেনা কৌতূহল উদ্রেককারি দেশ তিব্বত! . ইতিহাস,ঐতিহ্য,দর্শন, সাহিত্যে যে ভারতবর্ষ ছিলো তিব্বতের কাছে প্রবাদ তুল্য সেই ভারতবর্ষের মানুষ পন্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন ভয়ংকর, দূর্গম পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়ে ১৯৩০ সালের দিকে তিব্বত গিয়েছিলেন ভারতীয় বইপত্র, ঐতিহাসিক তথ্যাদি সংগ্রহের জন্য! সপ্তম শতাব্দীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগৎ বিখ্যাত আচার্য শান্তরক্ষিত থেকে একাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় বিক্রমশীলা বিহারের বিখ্যাত পন্ডিত আচার্য দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান নিজ দেশে মূল্যবান ধর্মীয়,ঐতিহাসিক শাস্ত্রাদি বিদেশি শক্তির কাছ থেকে সংরক্ষণ করতে পারেন নি সত্য কিন্তু তিব্বতে সেসকল মূল্যবান বই-পুস্তক, পুথি সযত্নে সংরক্ষিত হয়ে আছে,অবশ্যই তিব্বতি ভাষায় অনূদিত অবস্থায়। . বইয়ের নাম 'তিব্বতে সওয়া বছর' দেখে ভাবার কোনো কারণ নেই এটি একটি নিরেট ভ্রমণ গল্প! বরং তিব্বতি ভাষায় অনূদিত বৌদ্ধ ধর্মের এবং খ্রিষ্টীয় সপ্তম থেকে একাদশ শতাব্দীর ভারতীয় ঐতিহাসিক তথ্যসূত্র সংগ্রহের একটি প্রামাণ্য দলিল । তিব্বত পৌঁঁছে রাহুল সাংকৃত্যায়ন দেখতে পান দর্শন শাস্ত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র আর্যদেব,দিঙ নাগ,চন্দ্রকীর্তি এবং আচার্য চন্দ্রগোমীর চান্দ্র ব্যাকরণ পর্যন্ত অনূদিত অবস্থায় সংরক্ষিত হয়ে আছে তিব্বতি গূম্ফা, বিহার,মঠগুলিতে যেগুলোর অস্তিত্ব ভারত বর্ষে বিলীন! . রাহুল সাংকৃত্যায়ন তার অনুসন্ধান,গবেষণার পাশাপাশি তিব্বত ভ্রমণে যা কিছু দেখেছিলেন সবকিছু উঠে এসেছে বইটিতে। তিব্বতের সাথে ভারতবর্ষের যোগাযোগ সেই আদিকাল থেকে। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়,বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু ভিক্ষু ছাত্র ছিলেন যারা তিব্বতের অধিবাসী। . মূলত ভারতীয় পন্ডিতদের হাত ধরেই তিব্বতে বিস্তৃত হয় বৌদ্ধ ধর্মের। তিব্বতিরা মহাযান পন্থী এবং তান্ত্রিক মতবাদের অনুসারী। মঠ বা বিহারকে কেন্দ্র করে নগরের পত্তন হয়েছিল এ দেশে।তিব্বতিদের প্রধান দুইটি ধর্মীয় গ্রন্থ হলো তঞ্জুর এবং কঞ্জুর।কঞ্জুর হলো ত্রিপিটকের তিব্বতি অনুবাদ আর তঞ্জুর হলো কঞ্জুর সম্পর্কে আলোচনা, ব্যাখ্যা, ইত্যাদির সংগ্রহ। তিব্বতের প্রাচীনতমো বৌদ্ধ সম্প্রদায় হলো নিগ-মা-পা (পুরাতন)। এদের উদ্ভব হয় খৃষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে।চারটি প্রধান বৌদ্ধ সম্প্রদায় রয়েছে এ দেশে।অমিতাভ-বুদ্ধকে তারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।এ দেশে ভিক্ষুদের জীবন চলে দুটি ধারায়: ১.একদল বিহারে বিদ্যাচর্চা, পূজার্চনায় রত থাকে ২. আরেক দল ব্যাবসা-বাণিজ্য,গৃহি,এবং চাকরিজীবী। তাদের বিশ্বাস মতে,যখনই কেউ দালাই-লামা পদে অভিষিক্ত হন,তখনই ভগবান অবলোকিতেশ্বরের আত্মা তার মধ্যে ভর করে। তিব্বতের স্থানীয়দের মোটা দাগে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: সাধারণ জনগণ এবং ভিক্ষু! . ধর্ম সম্পর্কে তো অনেক হলো এবার কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট বলা যাক।তিব্বতের মানুষ-জন অবলীলায় উকুন খেয়ে থাকে।অতিরিক্ত ঠান্ডার দেশ হওয়ায় মোটা কাপড়, লোমশ পোশাক পরিধান করায়,এবং দীর্ঘ দীর্ঘ দিন গোসল না করায় তাদের প্রত্যেকের শরীরের সাথে থাকে উকুনের বাসা।আর এই উকুন গুলোকে তারা মটর দানার মতো করে ধরে ধরে খেয়ে নেয়।তাদের ভাষায় উকুন খেতে একটু টক টক লাগে! . চা আর ছঙ( স্থানীয় কাচাঁ মদ) ব্যাতিত তিব্বতিদের জীবনে তো কল্পনাই করা যায়না! তবে তারা আমাদের ভারতীয়দের মতো দুধ,চিনি দিয়ে চা খায়না।লবণ, চা পাতি,আর মাখন দিয়ে তারা চা বানায় যা দেখতে আমাদের দুধ চায়ের মতো! যদিও তাদের দেশে মোটামুটি গমের চাষ হয় কিন্তু তাদের প্রধান খাবারই হচ্ছে চা,সত্তু,শুকনো মাংস। . ভিক্ষু থেকে সাধারণ জনগণ সকলেই ছঙ পান করে, রক্ষিতা রাখে! ও হ্যাঁ তিব্বতে কিন্তু বহুপত্নীক বিবাহ প্রচলিত, এক ফ্যামিলিতে যতোগুলোই ভাই থাকুক না কেনো সকলের ক��ন্তু একজনই মাত্র স্ত্রী! পঞ্চপাণ্ডবদের মতোন! আবার যারা ঘর-জামাই হিসেবে থাকে এক পরিবারের সকল বোনের একজন'ই স্বামী! . তিব্বত বর্তমান সভ্য পৃথিবী থেকে কতোটুকু পিছিয়ে আছে সেটা বইয়ে বর্ণিত একটি ঘটনা থেকে খুব সহজে অনুমেয়। ১৯৩০ সালের দিকে আকাশ পথে বিমান চলাচল যখন সভ্য জগতের কাছে স্বাভাবিক, সে-সময়টাতে রাহুলজি একজন তিব্বতিকে ট্রেন ব্যাপারটি কি বুঝাতে গিয়ে ব্যার্থ হয়ে বলেছিলেন, ট্রেন হলো চলন্ত ঘর-বাড়ি, যা এক জায়গা থেকে আরেকজায়গায় চলাচল করে! . লিখতে লিখতে বোধহয় অনেক বড় করে ফেলেছি তাইনা ! থাক আজকে আর না বাড়াই! তিব্বত, নেপাল,ভূটান,মঙ্গোলিয়া, সাইবেরিয়া দেশগুলো একটা আরেকটার সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে লাগোয়া হওয়ায় তিব্বতিদের পাশাপাশি মঙ্গোলিয়া, ভূটান, নেপালের সামগ্রিক জীবনযাত্রার একটি ধারণাও পাওয়া যায় বইটি থেকে।ও হ্যাঁ! 'তিব্বতে সওয়া বছর' কিন্তু হিন্দি সাহিত্যে লিখিত প্রথম ভ্রমণ সংক্রান্ত বই। তিব্বতিদের সমাজ,সংস্কৃতি, ধর্ম,আচার-আচরণ এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মাঝ দিয়ে ঘুরে আসতে চাইলে বইয়ের এই অনুবাদটি স্বচ্ছন্দে পড়ে ফেলা যেতে পারে!
It is travelogue by a pilgrim . He highlighted the difficulties a traveler face to reach Tibet during British era from India. Some of those may be still true. I am giving it a four because the history he informed us may be myth. He even acknowledged it but did not say what is the true story.