Jump to ratings and reviews
Rate this book

কুমারসম্ভবের কবি

Rate this book
In this work of historical fiction, Sharadindu Bandopadhyay reconstructs the life of great poet Kalidasa, who composed epics like Meghadoota and Kumarsambhava.

Unknown Binding

7 people are currently reading
69 people want to read

About the author

Sharadindu Bandyopadhyay

179 books458 followers
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.

Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
53 (41%)
4 stars
52 (40%)
3 stars
20 (15%)
2 stars
2 (1%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 25 of 25 reviews
Profile Image for Titu Acharjee.
258 reviews35 followers
April 8, 2025
‘কুমারসম্ভবের কবি’ মূলত মহাকবি কালিদাসের জীবনের উপর ভিত্তি করে লেখা। কিন্তু এতে করে যে কালিদাসের ব্যাপারে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে তা নয়। কালিদাস ইতিহাসের এমন এক চরিত্র যার ব্যাপারে যত না Fact পাওয়া যায়, তারচেয়ে বেশি পাওয়া যায় Myths। এই দুটোর সাথে কয়েক চিমটি কল্পনা মিশিয়ে শরদিন্দু লিখেছেন কুমারসম্ভবের কবি। স্বাদু গদ্যের জন্য তড়তড়িয়ে পড়া গেছে।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,877 followers
August 23, 2023
একশো চল্লিশ কোটি ভারতীয়ের মতো আমিও রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা নিয়ে চন্দ্রযানের চলন দেখছিলাম। তারই ফাঁকে এমন একজনকে নিয়ে লেখায় নতুন করে ডুব দিতে চাইছিলাম, যাঁর কীর্তিকাহিনির সঙ্গেও জড়িয়ে আছেন আর এক চন্দ্র— দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
কালিদাসকে নিয়ে শরদিন্দুর এই অসামান্য রচনাটির সম্বন্ধে নতুন করে কিছু বলা একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। এটুকুই বলার যে ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও এটির ভিত্তি নানা কিংবদন্তি এবং বিশুদ্ধ কল্পনা। সময় ও সমাজের নানা চলনকে উপজীব্য করে শরদিন্দু (মানে শরতের চাঁদ!) এক্ষেত্রে যে কাহিনিটি নির্মাণ করেছেন, তাঁর মূলে রয়েছে একটিই ভাবনা: বেদনার আগুনে শুদ্ধ না হলে কি সৃষ্টি সম্ভব হয় না?
যদি তাই হয়, তাহলে বেদনার ভাগ কে বেশি পায়— সৃষ্টি, না স্রষ্টা?
সৃষ্টি বলতেও কি শুধুই কাব্য, নাকি স্রষ্টার আত্মপ্রকাশও এক সৃজন— যার পেছনে থেকে যায় নামহীন কেউ?
এর বেশি কিছু লেখা উচিত হবে না। যদি এখনও এই অতুলনীয় লেখাটি না পড়ে থাকেন, তাহলে অবিলম্বে ত্রুটি সংশোধন করুন।
Profile Image for Rizal Kabir.
Author 2 books45 followers
April 9, 2022
সহজ শব্দে বলতে গেলে, শরদিন্দু’র লেখা নিঃসন্দেহে সুখপাঠ্য। কিন্তু আরেকটা ব্যাপার আছে – সেটা হলো, তার লেখায় এক ধরণের মন ভালো করে দেয়া আবহাওয়া আছে – একদম প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত।
মন ভালো করে দেয়া আবহাওয়া বলতে শুধুমাত্র আনন্দময় কাহিনী বুঝাচ্ছি না। কাহিনী তার মত নিজ গতিতে সুখ-দুঃখ-রাগ-অনুরাগে মোড় নিয়েছে, কিন্তু গল্প বলার ধরণে অদ্ভুত এক প্রশান্তি – এমনটা খুব বেশি পাইনি। তুঙ্গভদ্রার তীরে পড়তে গিয়ে এমন বোধ হয়েছিলো, এবারও তাই।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কালিদাস যেমন পরিচিত, তেমন রহস্যময় একটা নাম। সেই কালিদাসকে নিয়েই এই উপন্যাস লেখা। উপন্যাস অনুযায়ী কালিদাসের আদ্যোপান্তের সঠিকতা যাচাই করতে যাবো না, তবে সব মিলিয়ে অপূর্ব এক দৃশ্যপট অঙ্কিত হয়েছে Sharadindu Bandyopadhyay এর কলমে। কুন্তলা থেকে শুরু হয়ে উজ্জয়িনীর কুঁড়েঘর পর্যন্ত ‘কুমারসম্ভবের কবি’র কাহিনী ব্যাপৃত। কাব্যিক ছন্দের মোড়কে প্রাচীন ভারতের সাম্রাজ্যে কালিদাসের মহাকবি হয়ে ওঠার গল্পটা খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

উপন্যাসটি সাধুভাষা এবং শব্দের অলংকরণে টইটুম্বুর। তবে আমরা যে দৃশ্যকল্প কিংবা আবেগ অনুভূতি চিনি – তার এমন কাব্যময় শব্দায়নও যে সম্ভব এই ধরণের লেখা না পড়লে জানা যাবে না আসলেই। বলাই বাহুল্য যে পড়তে গিয়ে প্রায়ই মাতৃভাষায় নিজের জ্ঞানের ক্ষুদ্রতার জন্য মন-মেজাজ খারাপ হচ্ছিলো।

হাজার বছর আগের গল্প – সেই প্রাচীনতাটুকু খুব সফলভাবেই রক্ষিত হয়েছে, কিন্তু তারপরেও গল্পটা অচেনা মনে হয় নি কোথাও। চপল মালিনীর ভাবাবেগ কিংবা হৈমশ্রীর ব্যাকুলতা – এর কোনোটিই আমাদের অজানা নয়। এমনকি লেখক খুব সাবলীলভাবেই ইঙ্গিতপূর্ণ কিন্তু অত্যন্ত উঁচুমানের কিছু রসিকতা করেছেন। কখনো চরিত্রদের সাথে, কখনো পাঠকের সাথেঃ
গুপ্তকথার বিচিত্র ভুজঙ্গপ্রয়াত গতিভঙ্গির সহিত আমরা সকলেই অল্পবিস্তর পরিচিত।

চরিত্রগুলো সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে, বিশেষ করে মালিনীর সরলতা বেশ উপভোগ্য ছিলো। হৈমশ্রী চরিত্রটিকে আরেকটু পরিপূর্ণতা দেয়া যেত। তবে উপন্যাসটিতে আরেকটু বক্রতা থাকা দরকার ছিলো মনে হয় – কাহিনী আরো দুয়েক জায়গায় বাঁক নিলে খারাপ লাগতো না।
এইরূপে এক বসন্ত পূর্ণিমার তিথিতে স্বয়ংবর-সভায় যে কাহিনী আরম্ভ হইয়াছিল, আর এক পূর্ণিমার সন্ধ্যায় শিপ্রাতীরের পর্ণকুটিরে তাহা পরিসমাপ্তি লাভ করিল।

মূল চরিত্র যখন কালিদাস – আর হারানো ইতিহাসের লাগাম যেখানে লেখকের হাতে, পূর্ণিমা তিথির আবর্তন নিশ্চয়ই আরো কিছুর সাক্ষী হতে পারতো… অধম পাঠক হিসেবে তাই আরেকটু আশা করতে দোষ কি?
Profile Image for Shaila Shaznin.
76 reviews9 followers
May 9, 2025
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এর ঐতিহাসিক উপন্যাস আমার বরাবর পছন্দের। উনার উপন্যাস এর রাজারা সবসময় বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান।
কাঠুরে কালিদাস থেকে মহাকবি কালিদাস হয়ে উঠার কাহিনী নিয়েই এই উপন্যাস। প্রেমে দুজনের মিলন হলে সবসময় তৃতীয় একজনকে কেন কষ্ট পেতে হয়? মালিনীর জন্য খারাপ লাগা আর কালিদাস এর জন্য ভালো লাগা দিয়েই শেষ করলাম।
Profile Image for Arif  Raihan Opu.
227 reviews7 followers
February 24, 2022
কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। ইংরেজ কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের মতো দেখা হয় তাকে সংস্কৃত ভাষার সাহিত্যে। যদিও তথ্যটি উইকি থেকে নেয়া তাই এর সত্যতা যাইচ কিছুটা কষ্টকর। তার কবিতা ও নাটকে হিন্দু পুরান ও দর্শনের প্রভাব আছে। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি।
.
তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তার জীবনকাহিনি সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি প্রথম জীবনে মূর্খ ছিলেন এবং বিদুষী স্ত্রী বিদ্যাবতী কর্তৃক অপমানিত হয়ে আত্মহত্যা করতে গেলে দেবী সরস্বতীর বরপ্রাপ্ত হন। এই তথ্যও উইকি থেকে নেয়া। কারণ ওনার সম্পর্কে কোথাও তেমন কোন কিছু লেখা নেই। এমনকি তখনকার লেখক কবিরাও তার সম্পর্কে তেমন কিছু লিখে জাননি। আর এখনেই আমাদের কিছুটা স্বল্পতা বলা যায়।
.
“কুমারস্মভব” তার রচিত একটি কাব্য। এই কাব্যের মূল উপজীব্য তারকাসুর বধের নিমিত্ত শিব ও পার্বতীর পুত্ররূপে কার্তিকেয়ের জন্মবিবরণ। কাব্যটির রচনাকাল সঠিক জানা না গেলেও এটিকে গুপ্তযুগের রচনা বলে মনে করা হয়।
.
গুপ্ত যুগের কথা যখন এসেই গেল কিছুটা তথ্য এখানেও যুক্ত করা যাক। অনেক পন্ডিতের ও গবেষকদের মতে কালিদাস ছিলেন গুপ্তযুগের কবি। আর গুপ্তযুগের রাজাদের মাধ্যমেই তার বিকাশ ঘটেছে। গুপ্ত সাম্রাজ্���ের সময়কাল ছিল ৩০০ থেকে ৬৫০ সাল পর্যন্ত। সংস্কৃত ভাষা এবং শিল্পের স্বর্ণ সময় এটি। ভিনসেন্ট স্মিথ তাঁর Early History of India গ্রন্থে দেখানোর চেষ্টা করেন যে, গুপ্ত বংশের তিন রাজা দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত (৩৫৭ -৪১৩), দ্বিতীয় কুমারগুপ্ত (৪১৩ -৪৫৫) এবং স্কন্দগুপ্ত (৪৫৫ – ৪৮০), এঁদের যে কোনো একজন বা একাধিক জনের সময়ে কালিদাস খ্যাতি অর্জন করেছেন।
.
তিনি বলেন যে, কালিদাসের প্রথম দিককার রচনা ঋতুসংহার এবং মেঘদূত রচিত হয়েছে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময়ে। শেষের দিকের রচনাগুলো রচিত হয়েছে দ্বিতীয় কুমারগুপ্তের সময়ে। এই তিন সম্রাটের মধ্যে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত এবং দ্বিতীয় কুমারগুপ্ত দুজনেই বিক্রমাদিত্য উপাধি নিয়েছিলেন। কাজেই, এটা নিশ্চিত যে, বিক্রমাদিত্যের পৃষ্ঠপোষকতাতেই কালিদাস বিকশিত হয়েছিলেন, তবে কোন বিক্রমাদিত্যে সেটা বলাটা একটু মুশকিলই।
.
এখন আসা যাক “কুমারসম্ভবের কবি” শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বইতে। মুলত বলা যায় এই বইটি কালিদাসের জীবনীকে দেখানো হয়েছে। তিনি কিভাবে অপমানিত হয়ে শেষে স্বরস্বতী বর প্রাপ্ত হন এবং এরপর তার লেখা কাব্যের নাম ছড়িয়ে পরে সেটার একাংশ তুলে ধরা হয়েছে। বলা যায় কালিদাসের কালিদাস হয়ে ওঠার একটা ছোট গল্প।
.
বইটি প্রথম দিকে পড়ার সময় একটু কষ্ট হয়েছে কারণ এই ধরনের লেখার সাথে আমি তেমন পরিচিত নই বা সচরাচর পড়াও হয় না। তবে প্রথম দিকের হাস্যরস বেশ উপভোগ করেছি। একা পড়েছি আর হেসেছি। যদিও ঐতিহাসিক ভাবে এই বইটি সেভাবে ভিত্তি নেই বলে এর সব কিছুই সত্য নয়। তবে বইটি যে সময়ে লেখা হয়েছে সেই সময় এমন হাস্যরসে ভরপুর লেখা খুব কম ই ছিল।
Profile Image for Rehan Farhad.
254 reviews14 followers
January 2, 2026
কবিতাপ্রেমি পাঠক হিসেবে এই উপন্যাস আমার অনেক পছন্দ হবার কথা। কিন্তু সেভাবে টানলো না। সম্ভবত কালিদাসের প্রেম-বিরহ থেকে কবি হয়ে উঠার গল্পে আরো বেশি কিছু আশা করেছিলাম।
Profile Image for Rajib Majumder.
140 reviews5 followers
January 23, 2021
মহাকবি কালিদাসের জীবনের একখন্ড নিয়ে অসাধারণ একটি উপন্যাস।
Profile Image for Tonushree Mohonto.
12 reviews3 followers
April 17, 2025
সানডে সাসপেন্স এর কল্যাণে এত দারুণ দারুণ গল্প শুনতে পেয়েছি তা আর বলার নই। এই গল্পটাও সেমন, শোনার পর শুধু মনে হচ্ছে এই বইটা আমাকে আবার পড়তে হবে। মহাকবি কালিদাস যার কথা যার লেখা আমরা এতদিন ইতিহাস বইতে পড়ে এসেছি তাকে নিয়ে এত সুন্দর একটা উপন্যাস। মনে হচ্ছিল, কালিদাস এর সত্যিকারের জীবনী পড়ছি যদি সত্যি এমন হতো.....
সবশেষে,শরদিন্দু 'র লেখা পড়ব আর সেটা ভালো লাগবে না এটা অসম্ভব এখনো পর্যন্ত।
Profile Image for Lubaba Marjan.
128 reviews51 followers
August 5, 2025
মহাকবি কালীদাস, হৈমশ্রী, মালিনী কি যে সুন্দর মুগ্ধতা ছড়িয়ে আছে এতে! মনে হয় আবার ডুব দিই ' কুমারসম্ভবের কবি ' তে।
Profile Image for DEHAN.
280 reviews84 followers
January 12, 2019
ওরে ভাষা রে !
এই উপন্যাস না পড়লে জানতুম ই না যে কলা রে কদলী বলে । আরো অনেক শব্দ আছে যা দেখে এক্কেবারে আক্কেল গুড়ুম হয়ে গেছে । তা থাকাটা অস্বাভাবিক নয় হাজার হউক মেঘদূতের মতো জিনিসের লেখকের জীবনকাহিনী বলে কথা !
অবশ্যই পড়ে দেখতে পারেন । অনেক অজানা শব্দ চামেচুমে জানা হয়ে যাবে । ভালো কথা এক জায়গায় পড়লুম -
'' হস্তীর পৃষ্ঠের মহার্ঘ কারুখচিত আসনের উপরে বসিয়া ঘোষক পটহ বাজাইতেছে''
পটহ কি জিনিস কে জানে!
Profile Image for Fahad Ahammed.
387 reviews45 followers
November 21, 2019
কালিদাসের নামটা ছাড়া প্রায় কিছুই জানতাম না, গল্পের ছায়ায় কিছু টা জানা হলো।
Profile Image for Kishore.
108 reviews
August 29, 2025
This passage begins with the announcement in the kingdom of Kuntala that Princess Haimashri will hold a swayamvara (a ceremony where the princess chooses her husband), open to men of all castes and classes. Hearing this, princes, nobles, and commoners start traveling toward the capital to participate. Meanwhile, in a forest, a simple and naïve young woodcutter named Kalidasa encounters Prince Makaravarma of Saurashtra. While the prince is bathing in a pond, Kalidasa playfully tries on his royal clothes, ornaments, and helmet, and—by accident—ends up riding off on his horse in full royal attire.
Kalidasa, still wearing the Saurashtra prince’s attire and clinging desperately to the runaway horse, unintentionally arrives at the royal gates. Mistaking him for the prince due to the helmet and dress, the royal record-keeper respectfully escorts the bewildered Kalidasa inside to the swayamvara hall.
Princess Haimashri asks him her three questions. Though confused and distracted, Kalidasa’s spontaneous gestures and innocent remarks are interpreted as profound answers. Consequently Princess married Kalidasa.
Meanwhile, the real prince Makaravarma arrives in the capital, disheveled and enraged, only to find no one believes him. He confronts the Kuntala king and ministers, producing his royal seal as proof.
On their wedding night, in the palace chamber filled with books, Haimashri slowly discovers the truth—that Kalidasa is not a prince but an illiterate village woodcutter.
the real Prince Makaravarma of Saurashtra, humiliated and furious, demands justice.
Kalidasa is heartbroken by her rejection but does not fully understand his fault. That night, he is escorted out of the kingdom and wanders through forests and deserts in misery, praying desperately to the gods for knowledge and wisdom.
Five years pass after Kalidasa’s exile. In Kuntala, Princess Haimashri, still unable to forget him, reads Meghaduta with deep emotion, unaware it is authored by her lost husband. Meanwhile, Kalidasa, now transformed by divine blessing, travels and eventually settles by the banks of the Shipra near Ujjayini, choosing a humble hermit-like life over royal patronage. There he meets a young, cheerful flower-girl, Malini, who helps him decorate his new hut. Their innocent exchange reveals Kalidasa’s poetic heart, while Malini becomes both charmed and curious about the mysterious, gentle poet.
Kalidasa recites Kumarasambhavam, leaving her enchanted as if in heaven. Overwhelmed, Malini insists his poetry must be shared with Queen Bhanumati, believing only she can truly appreciate it.
In Queen Bhanumati’s palace, Malini convinces her to secretly hear Kalidasa’s poetry, and with cunning she smuggles him past the guards. The Queen is deeply moved by the Kumarasambhavam recital, but a suspicious maid alerts the chief eunuch Kanchuki, who then reports to King Vikramaditya. Sword in hand, the king storms into the chamber, but instead of punishing, he reveals playful jealousy—reprimanding Bhanumati for enjoying such divine poetry alone. He declares Kalidasa the new court poet, promising to present his genius at the upcoming royal poets’ assembly, while teasing Malini for her secret aid. Kalidasa humbly refuses wealth or luxury, saying he desires nothing beyond serving divinity and the inspiration granted to him.
Kalidasa goes to the royal assembly, delivers Kumarasambhava to a roaring ovation, and garlands rain down on him; from the women’s gallery, Malini’s garland also lands on his head. Princess Haimashri recognizes him as her husband during the recital and, after the assembly disperses, asks Malini where he lives. She confides “he is my husband” and urgently begs Malini to take her to his hut by the Shipra, offering a bracelet; Malini refuses the reward but agrees to lead her there.
Haimashri goes to Kalidasa’s hut on the Shipra’s bank, meets him after the royal assembly, and declares herself his wife; he hesitates about his poverty, but she insists on staying with him.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Md Abdul Kayem.
189 reviews3 followers
December 25, 2025
আজ আমার মন বিষন্ন রকম ভালো, এই অনূভুতিটা কেমন! কখনো মনে হচ্ছে এক সহজ সরল কাঠুরের জন্য মনটা বিষন্ন হয়ে উঠেছে তো কখনো মনে হচ্ছে এক রাজসভা মাতিয়ে দেওয়া কবির উচ্ছাস দেখে মন ভালো হয়ে গেছে। এ এক অদ্ভুত যন্ত্রণা বলতে পারেন। আসুন আপনাদের বরং সেই কাঠুরিয়ার গল্পটা বলি, এই গল্প কিন্তু সেই গল্প নয়।

একদিন এক কাঠুরিয়া মনের আনন্দে কাঠ কাটার সময় দেখে পাশের এক জলাশয়ে স্নান করতে নেমেছে এক রাজপতর। সে যাচ্ছে এক সুন্দরী রাজকন্যার স্বয়ংবর সভায়, যেখানে রাজকন্যার তিনটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই রাজকন্যা বরণ করে নিবে সেই লোককে পতি হিসেবে, হোক সে রাজপুতর কিংবা সাধারণ কেউ। এদিকে জলাশয়ে নামার আগে রাজপুতর নিজের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট রাজ পোশাকের দায়িত্ব দিয়েছে সদ্য যুববয়সে পা দেওয়া ���াঠুরিয়াকে, সাথে তাঁর অশ্বটাকেও দেখে রাখতেও বলেছে। কাঠুরিয়া সহজ সরল মানুষ, আর তাই সেই পোশাকই কৌতুহল বসত পরে বসলো নিজেই।

তারপর! সেই রাজপোশাকেই সে শুরু করলো গাছের উপর উঠে গাছ কাটা, আর এই গাছ কাটতে গিয়েই বাঁধালো আরেক বিপত্তি। গাছ ভেঙে পড়লো তো পড়লো গিয়ে পড়লো একেবারেই ঘোড়ার পিঠে! ঘোড়াও ভয়ে এমন দৌড় দিলো, গিয়ে হাজির হলো একেবারে রাজকন্যার স্বয়ংবর সভায়।

রাজকন্যাও স্বয়ংবরসভার এক প্রতিযোগি মনে করে প্রশ্ন করে বসলো সেই কাঠুরিয়াকে, কাঠুরিয়ারও কপাল বলতে হবে এক অদ্ভুত ভাবে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জয় করে নিলো রাজকন্যাকে। কিন্তু সবকিছু কী এতোই সহজ!! সহজসরল মূর্খ এক কাঠুরিয়ার পরিচয় জানার পর রাজকন্যা কী তাকে আর মেনে নিবে বলে মনে হয়!!

তারচেয়ে বরং সেই সময়েরও বহুবছর পর সেই রাজ্যের পাশের রাজ্যেই আবির্ভূত হওয়া এক ধন্যহীন কবির কথাই বলি, যে কবি একের পর এক কাব্য রচনা করে বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলেন, যার সুনাম সেই সময়কে ছাড়িয়ে আজও প্রবাহমান হয়ে রয়ে গেছে। বলছি সেই কুমারসম্ভবের কবি কালিদাসের কথা।

'কুমারসম্ভবের কবি' মূলত শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটা উপন্যাস, যেখানে বিখ্যাত কবি কালিদাসের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা হয়েছে। এই উপন্যাসটি কালিদাসের জীবনকে নিয়ে যে নানান কিংবদন্তি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তা একত্র করে তার সাথে কল্পনার মিশ্রনে লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন 'কুমারসম্ভবের কবি'।

সানডে সাসপেন্সের উপস্থাপনায় এই উপন্যাস শুনে একদিকে যেমন মুগ্ধ হয়েছি আরেকদিকে প্রেম, বিরহ, ভালোবাসা, পন্ডিত্ত আর নানান কিংবদন্তি মহাকাব্যের রচনার মিশ্রণে গল্পের প্রতিটা অংশ হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।

সময় হলে সানডে সাসপেন্সের শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই উপন্যাসের উপস্থাপনাটা শুনবেন, এতো চমৎকার এতো চমৎকার গল্প আর উপস্থাপনা যে হৃদয়কে নাড়িয়ে দিবে, শেষ করে তার রেশ রেখে যাবে আরো বহু মুহূর্ত পর্যন্ত।
Profile Image for Edward Rony.
94 reviews10 followers
June 19, 2021
নামকরন :
'কুমারসম্ভবম্' বিশিষ্ট সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার কালিদাস বিরচিত একটি কাব্য। এই কাব্যের মূল উপজীব্য তারকাসুর বধের নিমিত্ত শিব ও পার্বতীর পুত্ররূপে কার্তিকেয়ের জন্মবিবরণ।

আর এই কাব্যের নাম অনুসারেই 'শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়' রচনা করেছেন 'কুমারসম্ভবের কবি'
কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। সংস্কৃত ভাষার সাহিত্যে কালিদাস কে দেখা হয়ে থাকে ইংরেজ কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের মতো।

যদিও তার জীবনকাহিনি সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি প্রথম জীবনে মূর্খ ছিলেন এবং বিদুষী স্ত্রী বিদ্যাবতী কর্তৃক অপমানিত হয়ে আত্মহত্যা করতে গেলে দেবী সরস্বতীর বরপ্রাপ্ত হন।
তার সময়কাল নিয়ে দুটি মত প্রচলিত। প্রথম মতে, তিনি খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতকে বিদ্যমান ছিলেন। তার মালবিকাগ্নিমিত্রম্ নাটকের নায়ক অগ্নিমিত্র ছিলেন শুঙ্গবংশীয় রাজা, যাঁর শাসনকাল ছিল খ্রিষ্টপূর্ব ১৮৫-৪৮ অব্দ।
অপর মতে, তার সময়কাল খ্রিস্টীয় চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতকের মধ্যে। বিক্রমাদিত্য নামে পরিচিত গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সভাকবি হিসাবেই তার খ্যাতি সমধিক। কালিদাসের বহু রচনায় দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজ্য, রাজধানী উজ্জয়িনী ও রাজসভার উল্লেখ পাওয়া যায়। সপ্তম শতাব্দীতে বাণভট্ট রচিত হর্ষচরিত গ্রন্থে কালিদাসের সপ্রশংস উল্লেখ আছে।
আর, এই দ্বিতীয় সময়কালে ও ব্যক্তিজীবনের উপর ভিত্তি করে শরদিন্দু রচনা করেছেন 'কুমারসম্ভবের কবি'।
রচনাটির ঐতিহাসিক কোন ভিত্তি নেই।
তৎকালীন সময়ের ভাষার রচিত এমন হাস্যরসাত্মক, উপভোগ্য আর সরল রচনা সত্যিই দুর্লভ।
নোট:
তথ্য-উপাত্ত উইকিপিডিয়া থেকে গৃহীত
Profile Image for Old_Soul_Reads.
112 reviews10 followers
April 28, 2025
"কহেন কবি কালিদাস পথে যেতে যেতে
নাই তাই খাচ্ছো, থাকলে কোথায় পেতে?"
বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই এই জনপ্রিয় ধাঁধা মনে মনে আওড়াতে আওড়াতে বুকশেল্ফ থেকে তুলে নিলাম মহাকবি কালিদাসের জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে লেখা ঐতিহাসিক উপন্যাস কুমারসম্ভবের কবি। জীবনবৃত্তান্ত বলা বোধহয় কিঞ্চিৎ অত্যুক্তি। যদিও লেখক নিজেই এ দায় স্বীকার করেছেন। কারণ কালিদাসকে নিয়ে প্রচলিত ঘটনাগুলোর কতটা যে Fact আর কতটা যে Myth তা বুঝা দুষ্কর! ফ্যাক্ট মিথ আর কল্পনার গরম মশলা মিশিয়ে শরদিন্দুবাবু পরিবেশন করেছেন এই অতি উপাদেয় বইখানা।
শরদিন্দুবাবুর লেখা যে কতটা সুখপাঠ্য তা বলাই বাহুল্য। তড়তড়িয়ে পড়া এগিয়ে যায়। কী যে প্রশান্তির ছোঁয়া থাকে উনার সব লেখায়।

যারা শরদিন্দু বলতেই ব্যোমকেশ বুঝেন, তারা অবশ্যই উনার ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর স্বাদ আস্বাদন করে দেখবেন। ঠকবেন না বলে দিচ্ছি!
Profile Image for Yeasmin Nargis.
209 reviews3 followers
January 4, 2026
‘কুমারসম্ভবের কবি’ উপন্যাসটি মহাকবি কালিদাসের জীবন এবং তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি ‘কুমারসম্ভবম্’ মহাকাব্যের রচনাকালীন প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত একটি অনন্য সৃষ্টি।

উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো ভারতের শ্রেষ্ঠ সংস্কৃত কবি কালিদাস। তবে এটি কেবল কবির জীবনী নয়, বরং একজন সৃষ্টিশীল মানুষের মনের টানাপড়েন, রাজসভার রাজনীতি এবং তৎকালীন ভারতের (গুপ্ত সাম্রাজ্য) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আবহের এক জীবন্ত চিত্র। সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বা বিক্রমাদিত্যের রাজত্বকালে উজ্জয়িনী নগরীর পটভূমিতে কাহিনীটি আবর্তিত হয়েছে।

ভালো তবে আরো ভালো এবং বিস্তারিত আশা করেছিলাম
Profile Image for Shamiul Islam.
6 reviews13 followers
July 16, 2023
সুখপাঠ্য, যদিও সাধু ভাষা এবং অনেক অপ্রচলিত শব্দ থাকায় পড়ার গতি কিছুটা কমে যাচ্ছিল, কিন্তু শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এর লেখা বলেই বোধ হয় শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে তেমন বেগ পেতে হয়নি।
কালিদাস এর ব্যপারে এইটাই পড়া প্রথম কোন বই। ইতিহাসগত ভাবে কতটা সঠিক তা জানি না, কিন্তু উপন্যাস হিসেবে বেশ ভালো।
Profile Image for Saimun Siddiq.
194 reviews3 followers
June 20, 2025
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ঐতিহাসিক কাহিনির অন্যতম উপন্যাস কুমারসম্ভবের কবি। মূলত মহাকবি কালিদাসের জীবনীর উপর ভর করে ইতিহাস থেকে যা পেয়েছেন তা নিয়েই উপন্যাসটি লিখেছেন। শরদিন্দু বাবুর অন্য ঐতিহাসিক কাহিনী গুলোর তুলনায় এটি আমার তেমন ভালো লাগে নি। যদিও অনেকের থেকে ভালো লেগেছে।
Profile Image for Sushanto Kumar Saha.
93 reviews9 followers
April 16, 2020
মহাকবি কালিদাসকে নিয়ে লেখা ঐতিহাসিক কাহিনী। বেশ সুন্দর।
Profile Image for Amjad Hossain.
196 reviews1 follower
October 23, 2021
এইরুপে এক বসন্ত পূর্ণিমার তিথিতে স্বয়ংবর-সভায় যে কাহিনী আরম্ভ হইয়াছিল, আর এক পূর্ণিমার সন্ধ্যায় শিপ্রাতীরের পর্ণকুটিরে তাহা পরিসমাপ্তি লাভ করিল।
Profile Image for Gain Manik.
383 reviews4 followers
June 20, 2024
খুবই মজাদার কাহিনী
Profile Image for Raisul Rana.
5 reviews1 follower
July 15, 2025
কালীদাসের জীবনী নিয়ে দারুণ এক ঐতিহাসিক উপন্যাস। খুব ভালো লাগলো।
Displaying 1 - 25 of 25 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.