কলকাতায় ইন্দো-মায়ানমার মৈত্রী সংসদের অনুষ্ঠান কভার করতে গিয়ে সুন্দরী বার্মিজ ডেলিগেট। মা শােয়ে-কে দেখে প্রেমে পড়ে সাংবাদিক নীল।। দু-জনের মধ্যে এমন ঘনিষ্ঠতা হয়ে যায় যে, তা শারীরিক মিলন পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু, সােশ্যাল । অ্যাক্টিভিস্ট শােয়ে দেশে ফিরে যাওয়ার পর থেকেই নীলের সঙ্গে তার যােগাযােগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অনেক পরে নীল জানতে পারে, মায়ানমারে বার্মিজ। ও রােহিনজ্যাদের মধ্যে জাতিবিদ্বেষে শােয়ে জড়িয়ে। পড়ায় তাকে জেলে পাঠানাে হয়েছে। ঠিক এই সময় নীল জানতে পারে, তার ঠাকুরদা। ললিতমােহন পঞ্চাশ বছর আগে চাকরিসূত্রে বার্মার। পেগুতে গিয়ে এক বার্মিজ মহিলাকে বিয়ে করেন। সাড়ে চার বছর সুখে সংসার করার পর তিনি বাধ্য। হন কলকাতায় ফিরে আসতে। মৃত্যুর আগে । ললিতমােহন চিঠি মারফত শুধু নীলকেই জানিয়ে যান, তাঁর সিন্দুকে একটা সােনার বাক্সে বৌদ্ধদের অমূল্য একটা জিনিস রাখা আছে। নীল যেন সেই বাক্সটা পেগুর প্যাগােডায় পৌছে দেয়। না হলে। সর্বনাশ হয়ে যাবে। সেইসঙ্গে যেন নীল খুঁজে বের। করে তার বার্মিজ ঠাকুরমাকে। ইতিমধ্যে নীলের সামনে অভাবনীয় সুযােগ। এসে যায় ইয়াঙ্গনে যাওয়ার। সে কি সােনার বাক্স। পেঙর প্যাগােডায় পৌছে দিতে পারবে? খুঁজে বের করতে পারবে তার ঠাকুরমাকে? ইয়াঙ্গনে । যাওয়ার পর নীল কি আর মা শােয়ের দেখা পাবে? তাদের প্রেমের সম্পর্কের পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ? না কি তাকেও ললিতমােহনের মতাে। সারা জীবন অনুতাপে দগ্ধ হতে হবে ?
Rupak Saha Started his journalistic career as a freelance journalist in “AnandaBazar Patrika”, before shifting to the sports section. He later became the sports editor for” Ananda Bazar Patrika”. After serving as a sports editor for twelve years he was transferred to their films oriented magazine called “Anandalok”. In 2004 he became the editor of “Anandalok”. Here his tenure was for few years. At present he is the sports Editor of the newspaper “Sakalbela”
As a sports editor he had to cover World Cup Football, World Cup Cricket, Olympic Games and Asian Games for which he had widely traveled abroad. He is also seen as an authority on football and cricket in the panel of experts he was associated with various news channel.
In 1994, he wrote his first novel “Juwari”, when this was published in “Ananda Bazar Patrika” it brought him instant fame two of his novels “Juwari” & “Lal Ranger Prithivi” were made into films. He wrote sixteen novels the last one titled “Reality Slow” which was recently published. This new concept was well received by his fans. Even in the small screen he made his presence felt in the form of two serial “Sada Patay Kalo Daag” and Football in Zee TV. There were several telefilms and also another serial “Chorapothey Chiriakhana”. Rupak Saha also had contributed to several books on football. He was the proud recipient of the “Best Sports Journalist” award by the Govt. of West Bengal.
সর্বপ্রথমে বলে নিই, রেটিং ৩.৫; কিন্তু ৪ বা ৩ এর মধ্যে বাছাই করতে গিয়ে ভারী মুশকিলে পরে গিয়ে শেষে ৪ দেওয়াই মনস্থ করলাম। বিষয়বস্তু উপরেই দেওয়া আছে, তাই রিভিউ লিখতে বসে মায়ের কাছে মাসীর গল্প ফাঁদা বাদ দিচ্ছি। এখন যেটা আমায় সবচেয়ে বেশী ভাবাচ্ছে ও ক্রমশ বিরক্ত করছে লেখকের আপাততঃ পড়ে ফেলা উপন্যাসগুলোয়, তা হল, কোন না কোন ভাবে উনি প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অলৌকিকত্ব এনে ফেলেন। রোহিঙ্গা ও বাঙালীর শারৎচান্দ্রিক বার্মা যে কি হারে ঘেঁটে আছে এই মুহুর্তে, আমরা খবরের কাগজ ও টেলিভিশন বদৌলতে মোটামুটি সবাই জানি। লেখক বরাবরের মতই মোক্ষম একটা বিষয় বেছেছেন। অবশ্যই সংবাদজগতের লোক হওয়ায় উনি খুব ভালো করেই জানেন পাঠক কি পড়তে চাইবে (পড়ুন, খাবে)। আর ফ্রেডরিক ফোরসিদ ও অন্যান্য বিখ্যাত লেখকদের গুনমুগ্ধ পাঠক উনি মোটামুটি আমার পড়া তিনটে গল্পেই রাজনীতি এনেছেন, খুব স্বাভাবিকভাবেই। এই বইটি তো আদ্যান্ত political issue নিয়েই লেখা। কিন্তু কিন্তু কিন্তু.... অলৌকিক ব্যাপারটা (পুনর্জন্ম) কি না টানলে গল্পের শেষ অন্যভাবে লেখা সম্ভব হত না? অনেকেই হয়তো বলবেন, ঐটুকুর জন্য ছাড় দেওয়াই যায়। ভাই আমি লিখি না, আমি পড়ি; পাঠক হিসেবে মনে করি 'ঐটুকু' বাহুল্যই ছিল; অবশ্যই চরিত্রটি দামী, কিন্তু ওভাবে আনা বোকামী বা অতি-চালাকি। এটা বেনহার নয়, ঐ পর্যায়ের লেখাও নয়। বৌদ্ধরা জন্মান্তরে বিশ্বাস করেন, খুব ভালো; কিন্তু লেখকের তো ফুঙ্গিদের মন রাখার দায় নেই। ব্যক্তিগতভাবে, বুদ্ধের এই একটা আত্মদ্বন্দ্বী ব্যাপার আমিও মানতে পারি না, যেখানে উনি অলৌকিকত্বে বিশ্বাস করতেন না, সেখানে রিইনকার্নেশন নিয়ে কত কিছু! কাহিনীতে উল্লেখিত চরিত্রটি আরও স্ববিরোধী; উনি এক দিকে নিজেই এগুলো মানেন না, অন্য দিকে দিব্যদৃষ্টিতে ভবিষ্যত দেখতে পান, রেইকি বা ফেথ হিলিং এর সমগোত্রিয় কিছু করেন, এদিকে আর্মির হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতেও পারেন না। এক্কেবারে গ্র্যান্ডফাদার প্যারাডক্স! ও আর একটা ব্যাপার, বইটা বেশ ভালো কিন্তু একটা সময় একটু একঘেয়েমি আসতে পারে।