Kishor Pasha Imon is a famous Bangladeshi crime writer.
Musa Ibne Mannan, known by the pen name KP Imon, is an accomplished writer who initially gained recognition through his short stories on social media. Over the course of his career, he has written over 220 short stories, captivating his online audience with his vivid imagination and storytelling skills. Building on his success in the digital realm, Imon went on to establish himself as a prominent novelist, with his works being published in both Bangladesh and India.
His regular publishers are Batighar publications, Abosar Prokashona Songstha, and Nalonda in Bangladesh. Abhijan Publishers solely publish his books in India. He is the author of 13 novels and translated 9 books to Bengali till date (5/10/23).
He graduated from the Department of Mechanical Engineering at Rajshahi University of Engineering & Technology. Presently, he resides in Dallas, TX, focusing on his PhD studies in Mechanical Engineering at UT Dallas after completing his MS at Texas State University.
His other addictions are PC gaming, watching cricket, and trekking.
৪টা বড় গল্প নিয়ে বইটা লেখা। সাবলীল লেখা পড়তে বেশ আরাম লাগে। গালি-গালাজ আছে ভালই। তবে এটা গল্পেরই প্রয়োজনে। দেয়ার ইজ নো সেকেন্ড চান্স গল্পটা ভাল লাগল। এছাড়া বাকিগুলো খুব একটা দাগ কাটতে পারেনি।
৪টা মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। সবগুলোরই প্লট চমৎকার। তবে এক্সিকিউশন আর ফিনিশিং সম্ভবত আরো বেটার হতে পারতো। ২টি গল্পকে তো বেশ ইজিলি উপন্যাসিকাতেই ট্রান্সফর্ম করা যেত বলে মনে হয়েছে।
কেপি'র লেখার হাত তো বরাবরই দারুণ। তবে গল্পগুলো বোধ হয় লেখকের বেশ আগের লেখা। লেখকের "জাদুঘর পাতা আছে এই এখানে" এর সাথে প্যারালালি পড়েছি। তাই ন্যারেটিং এর পার্থক্য বেশ চোখে পড়েছে।
৩ তারা থেকে আরেকটু বেশি বোধ হয় বইটির প্রাপ্য ছিল।
"আইসোলেশন" এবং "ট্রুফেইস" গল্প দুটো বেশ ভাল লেগেছে, নতুনত্ব ছিল। বাকি গল্পগুলো অতটা টানেনি যদিও লেখনী বেশ ঝরঝরে এবং গল্পের প্রোটাগনিস্টদের স্লাইসেস অব লাইফ বলা যায়। স্ল্যাং এর ব্যবহার খানিকটা বেশিই হয়ে গেছে মনে হয়, আরো মার্জিত ভাষা ব্যবহার করলে সুখপাঠ্য হতো। লেখকের পড়া প্রথম বই "মিথস্ক্রিয়া" থেকে অন্তত অরিজিনালিটির দিক দিয়ে এই বইকে এগিয়ে রাখব, যদিও রিসার্চের দিকে "মিথস্ক্রিয়া" প্রথম।
এই বইটা মূলত পাঁচটি মনস্তাত্ত্বিক গল্পের সংকলন।প্রতিটি গল্পেই বেশ অদ্ভুত কিছু পরিস্থিতির দেখা মিলেছে,যেসব পরিস্থিতি অনায়াসে বদলে দিয়েছে চরিত্রদের গতিবিধি। বইয়ের শুরুতে গল্পগুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উল্লেখ করা ছিল,পরিচিতি দেখেই কৌতূহল আর বেড়ে গিয়েছিলো আমার !
১.আইসোলেশন :নির্জন এক বিলাসবহুল দ্বীপে স্বেচ্ছা নির্বাসন নেয়া দুই তরুণ তরুণীর জীবন যাপনের গল্প। পড়তে গিয়ে অনুভব করেছি,জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ,অন্যদের অপ্রয়োজনীয় ইন্টারফিয়ারেন্স এবং আর যা কিছু প্রচণ্ড বিরক্তিকর-প্রত্যেকটিই ভীষণভাবে দরকার জীবনে।একাকিত্বের নতুন একটা সংজ্ঞা পেয়েছি এই গল্প থেকে।
পাঠপ্রতিক্রিয়া:যেই মুহূর্তে রিশান-রেজিন রাজি হয় নির্বাসনে যেতে,আমি ঠিক তখন থেকেই জেনে ফেলেছি শেষ পরিণতি কী হবে ওদের।একারণে পরবর্তী অংশ পড়তে আলাদা একরকম থ্রিল ফীল করেছি।উপভোগ্য এবং থট প্রভোকিং লেগেছে।
২. হোয়াই ডু দে ডু ইট:এই গল্পটা এক ব্যর্থ প্রেমিকের সেলফ রিয়ালাইজশন নিয়ে লেখা,যার আগে প্রেমে ব্যর্থ হওয়াকে খুবই স্বাভাবিক বলে মনে হতো,তবে যখন নিজে প্রেমে ব্যর্থ হয়,তখন অনুভব করে এটা কতটা আঘাত করতে পারে।
পাঠপ্রতিক্রিয়া :আমি গল্পের সাথে খুব একটা রিলেট করতে পারিনি,কাজেই এই গল্প আমার খুব একটা ভালোও লাগেনি। বিলো অ্যাভারেজ মনে হয়েছে।
৩.প্রথম পুরুষ:বদ্ধ ঘরে ডেকে একজন প্রতিভাবান ব্যক্তি ঘোষণা দিলেন তিনি আগামী ২০ মিনিটের মধ্যে কাউকে খুন করতে যাচ্ছেন,তবে খুন হতে যাচ্ছে কে তা জানেননা তিনি,শেষ পর্যন্ত কে হয় খুন,কেনই বা হয়?
পাঠপ্রতিক্রিয়া:পুরো সংকলনে এই গল্পটা সবচেয়ে প্রিয় আমার। বইয়ের শুরুতে কাহিনীসংক্ষেপ পড়ার সাথে সাথে বুঝে ফেলেছি,গল্প জুড়ে কি ঘটবে। পড়ার সময় মনে হয়েছে যেন কেউ আমার মাথার ভিতরে বসে আমার কথাগুলোই বলে যাচ্ছে একের পর এক,প্রত্যেকটা লাইন আমি খুব ভালো করে জানি,কোন চরিত্র কি করবে সব পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জানি,চোখের সামনে সবটাই ভাসছে। এতো গভীরভাবে রিলেট করতে পারা গল্প বোধ হয় অন্নেকদিন পর (নাকি এই প্রথম?)পড়লাম।
৪.দেয়ার ইজ নো সেকেন্ড চান্স:বন্ধুর সদ্য বিবাহিতা প্রেমিকাকে কিডন্যাপ করে ড্রাগ সংক্রান্ত ঝামেলায় জড়িয়ে যায় হাসান,হঠাৎই বুঝতে পারে সেখান থেকে ফিরে আসার দ্বিতীয় কোনো সুযোগ নেই। শেষে কী হয় হাসানের,আর কোনো সুযোগ পায়না কেন হাসান?
পাঠপ্রতিক্রিয়া:এই গল্পে অ্যাকশন,থ্রিল এবং কিছুটা প্রেমও ছিল,তিনটার ঠিকঠাক মিশ্রণে দারুন উপভোগ্য হয়ে উঠেছিল গল্পটা।আমার পড়তে ভালোই লেগেছে।
৫.ট্রুফেইস:অনিয়ন্ত্রিত এবং অস্বাভাবিক ক্ষমতা এবং প্রতিপত্তি মানবকে কিভাবে দানবে রূপান্তর করে গল্পের মাধ্যমে সেটাই তুলে ধরা হয়েছে।
পাঠপ্রতিক্রিয়া: বিশালাকৃতির গল্প ছিলোনা এটা, কিন্তু রূপান্তরের ধাপগুলো ফুটে উঠেছে কোনো তাড়াহুড়ো ছাড়া। পড়তে বেশ ভালো লেগেছে।
স্বাভাবিকভাবে যে সব চিন্তা করতেও আটকায়, পরিস্থিতির কল্যাণে সেসব করাও খুবই সহজ হয়ে ওঠে অনেকসময়,বইয়ের প্রতিটি গল্পই বিশেষ সেইসব পরিস্থিতির সাথে দেখা করানোর চেষ্টা করেছে। কল্পনা চোখে নিজেকে চরিত্রের ভিতরে বসিয়ে দেখা ভীষণভাবে উপভোগ করেছি
পাঠ্য প্রতিক্রিয়া : প্রত্যেকটা গল্পই মনস্তাত্বিক গল্প। প্রথম কাহিনীটা নিয়ে তো উপন্যাসও করা যেতে পারতো অনায়াসে। ভেবে অবাক হয়েছি মানুষ মোবাইল আর ইন্টারনেট ছাড়া থাকতেই পারে না বেশিদিন। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের সাথে এখন মোবাইল আর ইন্টারনেটও যোগ করার সময় এসে গেছে। "প্রথম পুরুষ" এর কাহিনী টা ঠিক জমেনি, অনেক ভালো হতে পারতো কিন্তু হলোনা।সত্যি বলতে বিরক্ত বোধ করেছি। "ট্রুফেইস" গল্পটা বেশ ভালো লেগেছে, মনে হচ্ছিল আমারও যদি এরকম একটা কার্ড থাকতো।"দেয়ার ইস নো সেকেন্ড চান্স" গল্পটা মোটামুটি।
♨️আইসোলেশন : (৪🌠) কিরিনমতো সাইকির মনস্তাত্বিক গবেষণার জন্য রিশান কে বেছে নেওয়া হয়। শর্ত হল তিনবছর একটা নির্জন দ্বীপে থাকতে হবে। থাকবে না কোনো মোবাইল, ইন্টারনেট বা মানুষজন।তবে সঙ্গে নেওয়া যাবে প্রেমিকাকে। তার পরিবর্তে দেওয়া হবে তিরাশি কোটি টাকা।এই গবেষণার পরিণতি কি হবে ? রিশান কি পারবে তিন বছর আইসোলেশনে কাটাতে ? ♨️হোয়াই ডু দে ডু ইট : (২🌠) গল্পটার মাথামুন্ডু কিছু বুঝতে পারিনি, তাই সারসংক্ষেপও কিছু গুছিয়ে লিখতে পারলাম না। ♨️প্রথম পুরুষ : (২🌠) একজন তরুণ পরিচালককে নিয়ে গল্পটি, যাকে বলা চলে সাইকোপ্যাথ।মানসিক ভারসাম্যহীন। জীবনে অনেক পাপকাজ করেছেন, তবে একবারই।প্রতিটা পাপ একবার করে আরকি।এবার তিনি ঠিক করেছেন খুন করবেন। তবে তাকেই করবেন যাকে তিনি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করেন।সেরকম তিনজনকে ডেকে পাঠান। কাকে খুন করবেন তিনি শেষপর্যন্ত ? ♨️দেয়ার ��স নো সেকেন্ড চান্স : (৩🌠) বন্ধুর সদ্য বিয়ে হওয়া গার্লফ্রেন্ডকে তুলে আনতে সাহায্য করে হাসান। এরপর জড়িয়ে যায় ড্রাগ রিলেটেড সমস্যায়। এরপর ? নিজেদের কি উদ্ধার করতে পারে এই সমস্যা থেকে ? ♨️ ট্রুফেইস : (৪ 🌠) ছাপোষা সাধাসিধে এক ডাক্তারের জীবনের কাহিনী।ঘটনাচক্রে তার হাতে একটা কার্ড আসে, যেটাকে বলে ট্রুফেইস কার্ড। ট্রুফেইস দারুন এক সেবা প্রদানকারী সংস্থা। যার হাতেই এই কার্ড থাকবে, তাকেই এরা সেবা দেবে।সমস্তরকম ঐশ্বরিক চাহিদা মেটাতে এরা সক্ষম। তবে এর পরিবর্তে মূল্যও চোকাতে হবে সময়মত। কি হবে সেই মূল্য ?