সেবারে ছিল মিশর। এবারে আফ্রিকার গহন অরণ্য । সন্তু আর কাকাবাবুর অ্যাডভেনচার কাহিনীতে ক্রমশ বাড়ছে পরিধি, আর সেইসঙ্গে বাড়ছে আকর্ষণ। এই নতুন উপন্যাস, ‘জঙ্গলের মধ্যে এক হােটেল, তাে অসামান্য এক ভ্রমণকাহিনী। উপরি-পাওনা হল, মৃত্যুর মুখােমুখি অবস্থায় পৌঁছে-যাওয়া সন্তু কাকাবাবুর নিঃশ্বাস-থামিয়ে-দেওয়া দুর্ধর্ষ অভিজ্ঞতার গল্প। কথায় বলে, ঢেকি স্বর্গে গিয়েও ধান ভানে। তা, কাকাবাবুর অবস্থাও তাই। কোথায় নাইরােবির ন্যাশানাল পার্কে সন্তুকে নিয়ে ঘুরবেন, কোথায় মাসাইমারার গভীর জঙ্গলে তাঁবু দিয়ে তৈরি হােটেলে থেকে উপভােগ করবেন তাঁবুর গায়ে যাবতীয় হিংস্র বন্য জন্তুর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস, তা নয়, নাইরােবিতে পা দিতে না-দিতেই হুমকি : এক্ষুনি ফিরে যাও । কিন্তু যাও বললেই তাে ফিরে যাবার মানুষ নন সাহসী, জেদী, কাকাবাবু। তাই তিনি থেকেই গেলেন—শেষ দেখবেন বলে। সেই শেষ দেখার পরিণাম যে কত ভয়াবহ আর কত রােমহর্ষক, তাই নিয়েই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কুশলী কলমে এই দুর্দান্ত উপন্যাস।
Sunil Gangopadhyay (Bengali: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়) was a famous Indian poet and novelist. Born in Faridpur, Bangladesh, Gangopadhyay obtained his Master's degree in Bengali from the University of Calcutta, In 1953 he started a Bengali poetry magazine Krittibas. Later he wrote for many different publications.
Ganguly created the Bengali fictional character Kakababu and wrote a series of novels on this character which became significant in Indian children's literature. He received Sahitya Academy award in 1985 for his novel Those Days (সেই সময়). Gangopadhyay used the pen names Nil Lohit, Sanatan Pathak, and Nil Upadhyay.
Works: Author of well over 200 books, Sunil was a prolific writer who has excelled in different genres but declares poetry to be his "first love". His Nikhilesh and Neera series of poems (some of which have been translated as For You, Neera and Murmur in the Woods) have been extremely popular.
As in poetry, Sunil was known for his unique style in prose. His first novel was Atmaprakash (আত্মপ্রকাশ) and it was also the first writing from a new comer in literature published in the prestigious magazine- Desh (1965).The novel had inspiration from ' On the road' by Jack Kerouac. His historical fiction Sei Somoy (translated into English by Aruna Chakravorty as Those Days) received the Indian Sahitya Academy award in 1985. Shei Somoy continues to be a best seller more than two decade after its first publication. The same is true for Prothom Alo (প্রথম আলো, also translated recently by Aruna Chakravorty as First Light), another best selling historical fiction and Purbo-Paschim (পূর্ব-পশ্চিম, translated as East-West) a raw depiction of the partition and its aftermath seen through the eyes of three generations of Bengalis in West Bengal, Bangladesh and elsewhere. He is also the winner of the Bankim Puraskar (1982), and the Ananda Puraskar (twice, in 1972 and 1989).
Sunil wrote in many other genres including travelogues, children's fiction, short stories, features, and essays. Though he wrote all types of children's fiction, one character created by him that stands out above the rest, was Kakababu, the crippled adventurer, accompanied by his Teenager nephew Santu, and his friend Jojo. Since 1974, Sunil Gangopadhyay wrote over 35 novels of this wildly popular series.
Death: Sunil Gangopadhyay died at 2:05 AM on 23 October 2012 at his South Kolkata residence, following a heart attack. He was suffering from prostate cancer for some time and went to Mumbai for treatment. Gangopadhyay's body was cremated on 25 October at Keoratola crematorium, Kolkata.
Awards & Honours: He was honored with Ananda Award (1972, 1979) and Sahitya Academy Award (1984).
ভারতবর্ষের বাইরে ভিনদেশে কাকাবাবু যে কয়টা অভিযানে গিয়েছেন, তার মধ্যে এটি অন্যতম। আর তাই 'জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল' বইটিও 'কাকাবাবু ও সন্তু' সিরিজের অন্যান্য বইয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভিন্নধর্মী। কাকাবাবু আর সন্তুর এবারের অ্যাডভেঞ্চার আফ্রিকায়। প্লেনে চড়ে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে এসে নামল তারা।
রাজধানীতে পৌঁছুনোর পর থেকেই তাদের কাছে নানা রকমের হুমকি আসতে লাগল। একটা গাড়ি এসে তো কাকাবাবুকে প্রায় চাপাই দিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু কাকাবাবু তাতে ভড়কালেন না। তার গন্তব্য মাসাইমারা নামক স্থানে জঙ্গলের মধ্যে নির্মিত একটা হোটেল। সেই হোটেল যারা কিনে নিচ্ছে খুব শীঘ্রই তারা কাকাবাবুর কাছে এসে কাকাবাবুকে সেখানে যেতে নিষেধ করল। সেখানে নাকি অনেক বিপদ, কিছুদিন আগেই দুইজন ট্যুরিস্ট উধাও হয়েছে। এতেও পিছপা হলেন না কাকাবাবু। তার যে আসল উদ্দেশ্য ঐ দুই ট্যুরিস্টসহ মাসাইমারা এলাকায় সাম্প্রতিক সময় আরও যারা মারা গিয়েছে তার পেছনের রহস্য উন্মোচন করা। তো, জঙ্গলের ভেতরের হোটেলে পৌঁছল সন্তু আর কাকাবাবু। সেখানেই তারা জানতে পারল উধাও হওয়া দুই ট্যরিস্টের সম্পর্কে অভাবনীয় কিছু তথ্য। কাকাবাবু আন্দাজ করতে পারলেন, এই হোটেলকে ব্যবহার করে কোনো একটা বেআইনি কাজ হয়ে চলেছে। কিন্তু সেটা কি? সে প্রশ্নের উত্তর জানার আগেই শত্রুপক্ষ কাকাবাবু আর সন্তুকে নিয়ে ফেলে এল জঙ্গলের বাইরে ধু ধু আফ্রিকান মরুভূমিতে, সভ্যতার কোন চিহ্ন নেই যেখানে আর পদে পদে হিংস্র জীবজন্তুর ভয়। এমন কঠিন পরিস্থিতি থেকে কি বেঁচে ফিরতে পারবে তারা?
যে রহস্যের সমাধানে তারা এসেছিল এতদূর, সে রহস্যের সমাধান তো হয়েছে কিন্তু আবার কি মাসাইমারা ফিরে তার প্রতিকার করতে পারবেন কাকাবাবু? সে প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়ে যেতে হবে এই বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা অব্দি। দারুণ রোমাঞ্চকর ও উত্তেজনাময় এক সত্যিকারের অ্যাডভেঞ্চার কাহিনী হল 'জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল'। কাকাবাবু আর সন্তু গেছে আফ্রিকায়, আর সেখানে গিয়েও তারা দুর্দান্ত অভিযানের সাথে জড়িয়ে পড়ছে, শুধু এটুক তথ্যই তো পাঠকের জিভে জল আনতে যথেষ্ট। তার সাথে সাথে এটাও যোগ করতে চাই যে, এই উপন্যাসের কাহিনীও দারুণ জমজমাট। কোথাও এতটুকু খামতি নেই।
একদম শুরু থেকেই পাঠক জড়িয়ে পড়তে পারবে এই অসাধারণ অভিযানের সাথে। কি রহস্যের খোঁজে চলেছেন কাকাবাবু আর বিপদে পড়ার পর কোন অলৌকিক উপায়ে তা থেকে পরিত্রান পেলেন, সেসব কিছু জানতে এই বইটা পড়তেই হবে। ভারতবর্ষের বাইরে ভিনদেশে কাকাবাবু যে কয়টা অভিযানে গিয়েছেন, তার মধ্যে এটি অন্যতম। আর তাই 'জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল' বইটিও 'কাকাবাবু ও সন্তু' সিরিজের অন্যান্য বইয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভিন্নধর্মী। তাহলে আর দেরি কেন? আগ্রহী পাঠকরাও কাকাবাবু আর সন্তুর সাথে নেমে পড়ুন আফ্রিকার শ্বাপদসংকুল পরিবেশে 'প্রাণ হাতে নিয়ে নামা' এই অভিযানে!
চাঁদের পাহাড় থেকে অনুপ্রাণিত? চাঁদের পাহাড় লাইট? তার সাথে বেশ একটুখানি রহস্য।আফ্রিকার সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা নাইরোবি ন্যাশনাল পার্কের চমৎকার বর্ণনা। বেশতো, খারাপ কি?
গল্পটা খুব সাধারণ টাইপের লেগেছে আমার। এর আগে একটি কাকাবাবুর গল্প পড়েছে। আগে জানিনা কেনো ভাবতাম কাকাবাবুর গল্প ভালো না, পড়ার ইচ্ছে হত না। এখন পড়ে সেই ভুল ধারণা ভেঙেছে। ফিলিপ যখন কাকাবাবু আর সন্তুকে জঙ্গলের মধ্যে ছেড়ে চলে এসেছিল খুব খারাপ লাগছিল আমার। সবথেকে খারাপ লাগছিল কাকাবাবুর অবস্থা দেখেও তার ক্রাচটা না দেওয়াতে।
কাকাবাবু ও সন্তুর এবারের অভিযান আফ্রিকা মহাদেশে। নিছক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গেলেও জড়িয়ে যান এক চক্রান্তের মধ্যে। নাইরোবিতে পৌঁছাতেই হুমকি বার্তা আসে, যে কাকাবাবু খুন হতে পারে। এরপরও কাকাবাবু পিছপা হন না। নাইরোবি থেকে লিটল ভাইসরয় হোটেলে গিয়ে ওঠেন। জঙ্গলের মধ্যে এক দামী হোটেল।কিন্তু গত তিন চার মাস ধরে সেখানে ট্যুরিস্টদের সংখ্যা কমে যায়। কেননা এখান থেকে দু জন ট্যুরিস্ট উধাও হয়ে গেছে। আর কাকাবাবু তো কোথাও রহস্যের গন্ধ পেলে দূরে সরে থাকতে পারে না।আস্তে আস্তে কাকাবাবু অনুমান করতে পারে যে এই হোটেলের নামে এখানে বেআইনি কাজ অর্থাৎ পশু নিধন চলছে। এখানে হোটেল থাকায় খুব সহজে পোচাররা পশুর চামড়া,মাংস ইত্যাদি বিদেশে পাঠাতে পারবে। কিন্তু অন্যদিকে পাচারকারীরা কাকাবাবু কে রাস্তা থেকে সরানোর জন্য ব্যবস্থা করে। এরপর কাকাবাবু কি নিজেকে বাঁচাতে পারবে ?যারা এই পশু নিধনের মূলে আছে তারা কি ধরা পড়বে ??
পৃথিবীতে অনেক জাতি গোত্রের লোক আছে, তাদের নিজস্ব ভাষা আছে সংস্কৃতি আছে। কিছু মানুষ এখনও আদিম প্রকৃতির সাথে বসবাস করছে।সভ্য জগতের থেকে বহুদূর পিছিয়ে আছে তারা।কিন্তু তাদের মধ্যে আছে ঐক্য বেঁচে থাজার লড়াইয়ে তারা একে অন্যকে সহায়তা করে।সভ্য মানুষের মত হিংসা বিদ্বেষ নেই তাদের।
কাকাবাবুর এবারের অভিযান "আফ্রিকা" বেশ রোমহষর্ক একটি অভিযান, জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেলে কিছু লোক টাকার জন্য নির্বিচারে পশু হত্যা করছিল,পেচারা এই সব জন্তুদের মেরে চামড়া,হাতির দাত, নখ ইত্যাদি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্রয় করছিল। হোটেল ব্যাবসার আড়ালে প্রভাবশালী কিছু লোক মার্সিনারি "ভাড়াটে সৈনিক দ্বারা পশু হত্যা করাত। এবং দোষ চাপাত নিরীহ আদিবাসী "মাসাই" জাতির উপর। কাকাবাবু এই অভিযানে মাসাই জাতির কাছ থেকে বীরের সন্মান লাভ করে।
উপন্যাসটি প্রথম পড়েছিলাম ছোটবেলায়, বাবার কিনে দেওয়া অনেক পুরনো এক শারদীয়া আনন্দমেলায়। ভুলতে পারিনি, তাই এত বছর বাদে আবার খুঁজে পেতে যোগাড় করলাম উপন্যাসটি, আনন্দ পাবলিশার্সের বই আকারে। প্রচ্ছদটি যতদূর মনে পড়ে আনন্দমেলার উপন্যাসটির থেকেই রাখা হয়েছে। এক সুদীর্ঘ মাসাইয়ের ছবি, যাকে দেখেই উপন্যাসটি পড়ার এক অদম্য ইচ্ছা জাগে।
উপন্যাসটির মূল সৌন্দর্য শুরু হয় প্রায় অর্ধেকটা পড়ার পর। কাকাবাবু আর সন্তুর অসহায় কিছু মুহুর্ত সত্যি ভাবতে বাধ্য করায় যে প্রকৃতির সামনে মানুষ কতটা তুচ্ছ, কতটা অসহায়। কিন্তু শেষের দিকটা এটাও ভাবায় যে সভ্যতা মানুষকে কতটা হিংস্র করে তুলেছে বন্যতার তুলনায়।
অপূর্ব এক প্রাকৃতিক বর্ণণায় মোড়া কাকাবাবু-সন্তুর অ্যাডভেঞ্চার। অবশ্যপাঠ্য।
Late Sunil Gangopadhayay is accredited for creating such a positive and confident detective, researcher and historian Raja Roy Chowdhury aka Kakababu who sets for an expedition to solve mystery on various cases irrespective of awaiting dangers[...] According to the book A Hotel in the Jungle translated from Bengali origin 'Jongoler Modhe Ek Hotel', Kakababu was invited to Africa where a terrifying mystery was leading to the death and disappearance of tourist[...] . . . For complete review visit my instagram page @kala.e.kitaabi
রহস্যময় গল্প আমার সব সময় ভালো লাগে কিন্তু এখানে রহস্যের থেকে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে পশু পাখির বর্ণনা, নানান ধরনের জীবজন্তু কখনো শুনিনি সরাসরি দেখতে না জানি কতই সুন্দর আমার বরাবরই সাফারি পার্কের ঘোড়ার একটা ইচ্ছা ছিল যদিও ইচ্ছাটা এখনো পূরণ হয়নি তবে এই গল্পের মাধ্যদিয়ে সেই স্বাদ কিছুটা পাওয়া গেল বৈকি ।মাসাইমারীর লোকজনের সাহসিকতা ও দয়ার কোন তুলনাই নেই।
OMG! I have no words to describe the book! The storyline, plot, characterization, everything is just so perfect. I just completed the book in one sitting. With every page the story becomes more interesting and above all the author describes the African forest and its animals in perfect narration and proper details. It is a must read book!