Rizia Rahman was an Indian-born Bangladeshi novelist. She had a number of novels and short stories to her credit. Her works cut across all genres.
She wrote in various genres since the late sixties: novels, short stories, essays, literary criticism, belles-lettres, and juvenile fiction. Beginning with straight forward narratives, she moved on to magic realism and multilayered structures. She explored important human issues in a sympathetic and engaging manner.
সাহিত্যের ছাত্র-ছাত্রীরা কলোনিয়ালিজম-ইমপেরিয়ালিজম বুঝতে, ইংরেজি ভাষায় রচিত আফ্রিকানদের উপর সাদা চামড়ার মানুষের অত্যাচার সম্পর্কিত ফিকশন-নন ফিকশন প্রায় মুখস্থই করে ফেলে।
অথচ বাংলায় লেখা বৃটিশ শাসনামলের ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপট কিভাবে যেন তাদের চোখ এড়িয়ে যায়! বিষয়টা অদ্ভুত।।
সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন, বাংলা একাডেমী পুরষ্কার। সাথে আরও যুক্ত আছে দেশের প্রথম সারির কিছু সাহিত্য পুরুষ্কারও।
লেখকের, প্রথম সারির কিছু লেখার ভেতর 'অলিখিত উপাখ্যান' বিশেষ ভাবে আলোচিত।
সুন্দরবন তথা খুলনা অঞ্চল ঘেঁসা 'মোরেলগঞ্জ' এর অত্যাচারী ইংরেজ জমিদারদের কাহিনি উঠে এসেছে এই উপাখ্যানে। উপন্যাসের ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে আছেন 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়'। যিনি তখন ছিলেন খুলনার 'ডেপুটি'।
রিজিয়া রহমান দেখিয়েছেন, কিভাবে প্রতিবাদ করতে গিয়েও বঙ্কিমের 'মানুষসত্ত্বা' আর 'লেখকসত্ত্বা' পরাজিত হয়েছে 'ডেপুটি' বঙ্কিমের কাছে।
এছাড়া, লেখক এমন এক প্রশ্নও তুলেছেন যে, লেখক হিসেবে বঙ্কিম কি তার ঋণ শোধ করেছে? কলম ধরেছে কি ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে? তার দ্বায়িত্ব কি পালন করেছে বঙ্কিম? উত্তরটা হচ্ছে 'না'।
এ বিষয়গুলো লিপিবদ্ধ নেই আমাদের ইতিহাসে। সেই অলিখিত উপাখ্যানের কিছু অংশ লিখেছেন লেখক রিজিয়া রহমান।
রিজিয়া রহমান একজন প্রচার বিমুখ লেখক ছিলেন। একুশে পদক প্রাপ্ত হলেও অপরিচিত (আমার কাছে) ছিলেন। অথচ, তার লেখনি বেশ মুগ্ধকর।
তাঁর আরও কিছু পড়ার ইচ্ছা আছে। আর, আগ্রহী পাঠকরা পড়তে পারেন 'অলিখিত উপাখ্যান' উপন্যাস টি।