Jump to ratings and reviews
Rate this book

কিনু গোয়ালার গলি

Rate this book
A bengali novel ( Translation )

120 pages, Hardcover

Published January 1, 1996

Loading...
Loading...

About the author

Santosh Kumar Ghosh

16 books2 followers
সন্তোষকুমার ঘোষের জন্ম ২৩ ভাদ্র ১৩২৭ বঙ্গাব্দ (৯ সেপ্টেম্বর ১৯২০), অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার রাজবাড়ি নামের মহকুমা শহরে। বাবা সুরেশচন্দ্র। মা সরযূবালা।রাজা সূর্যকুমার ইনস্টিটিউশন থেকে বাংলা ও গণিতে লেটার মার্কসসহ প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় (১৯৩৬) উত্তীর্ণ হন।বঙ্গবাসী কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বি এ (১৯৪০) পাশ করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এম এ (অর্থনীতি)-তে ভর্তি হলেও পড়া অসমাপ্ত থেকে যায়।১৯৪১-৪২ নাগাদ ‘প্রত্যহ’ নামের কাগজে সাংবাদিক জীবনের সূত্রপাত। তারপর ‘যুগান্তর’ পত্রিকায় যোগদান। ১৯৪৬-এ বিবাহ। স্ত্রী নীহারিকা। ১৯৫০-এ সাব-এডিটর হিসেবে ‘স্টেটসম্যান’-এ যোগ দেন, ১৯৫১-তে আনন্দবাজার প্রতিষ্ঠানের পত্রিকা ‘হিন্দুস্থান স্ট্যান্ডার্ড’-এর চিফ-সাব-এডিটরের দায়িত্ব নিয়ে দিল্লি যান। ১৯৫৮-তে কলকাতায় ফিরে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬৪-তে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ ও ‘হিন্দুস্থান স্ট্যান্ডার্ড’-এর সংযুক্ত সম্পাদক। ১৯৭৬-এ ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র যুগ্ম-সম্পাদক ।প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘পৃথিবী’ (নবশক্তি, ১৯৩৭), প্রথম প্রকাশিত গল্প ‘বিলাতী ডাক’ (ভারতবর্ষ, ১৯৩৭)। ‘কিনু গোয়ালার গলি’ উপন্যাস ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশের সময়েই পাঠক ও সাহিত্যিক মহলে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দেয়।পুরস্কার: আনন্দ পুরস্কার (১৯৭১), বিশেষ আনন্দ পুরস্কার (১৯৭২), আকাদেমি পুরস্কার (১৯৭২)।‘তাইওয়ান কবি সংঘ’ থেকে ১৯৮৪-তে সাম্মানিক ডি লিট উপাধি-প্রাপ্তি। মৃত্যু: ১৪ ফাল্গুন ১৩৯১ (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫)।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (9%)
4 stars
21 (51%)
3 stars
10 (24%)
2 stars
5 (12%)
1 star
1 (2%)
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,821 reviews548 followers
November 15, 2025
উপন্যাসটা পড়ে ভালো লেগেছে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর অবক্ষয় আর অবসাদ নিয়ে এমন গল্প আগেও পড়েছি বা সিনেমায় দেখেছি। তাই নতুন কিছু খুঁজে পেলাম না। এর চাইতে লেখকের "নানা রঙের দিন", "শেষ নমস্কার শ্রীচরণেষু মাকে" বা "রেণু, তোমার মন" অধিকতর পরিণত ও উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
Profile Image for Shotabdi.
852 reviews236 followers
August 15, 2022
যে জীবন এখন যাপন করি, হুট করে যদি তার চেয়ে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক দিক দিয়ে নেমে আসতে হয় অনেক নীচে তখনকার আমি আর এই এখনকার আমার ব্যক্তিত্ব কি একই থাকবে? বন্ধু-বান্ধব কি একই থাকবে? একই থাকবে পরিবেশ, মানুষ? নাহ।
অর্থ সামাজিক অবস্থানের পাশাপাশি একটা আড়াল ও সৃষ্টি করে রাখে, আপাতদৃষ্টিতে কলুষতা থেকেও অনেকখানি দূরে রাখে। যেমনটি হয়েছিল এই কিনু গোয়ালার গলির মানুষগুলোর জীবনে।
কানা গলি, দারিদ্র্য, অপুষ্টতায় ঘেরা, যেখানে ঠিকমতো আলোবাতাস পৌঁছে না। অর্থসম্পদের শেষ ছিঁটেফোঁটাটুকু সম্বল করে এখানেই এসে উঠে নীলার পরিবার। বনেদি ধনী পরিবারটি আজ ভাগ্যদোষেই প্রায় পথে। কলেজপড়ুয়া নীলার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে অনেককিছু, হারায়নি মেয়েলি অহংকার, প্রতিহিংসার ভাবনাটুকু ছাড়া।
কিনু গোয়ালার গলিরই আরেক বাসিন্দা শান্তি এবং মণীন্দ্র দম্পতি। দম্পতিটি ভারি অদ্ভুত। মণীন্দ্র সাহিত্যিক, তার স্ত্রী শান্তি। এই শান্তি ঘরকন্নার পাশাপাশি স্বামীর বন্ধুবান্ধবদেরও সঙ্গ দেয়৷ নীলার চোখে বিসদৃশ ঠেকলেও পরবর্তীতে বেরিয়ে আসে অন্য এক সত্য। উদাসীন স্বামীকে ফিরিয়ে আনার বাঁকা পথ ধরে হাঁটতে গিয়ে পাঁকে ডুবতে শুরু করলেও নিজের বিবেচনা, স্বার্থ এবং বুদ্ধির মাধ্যমে শান্তি এবং মণীন্দ্র দুজনেই বেরিয়ে আসে একরকম তা থেকে।
ইন্দ্রজিৎ। এক ব্যক্তিত্বহীন অদ্ভুত কবি। অবশ্য নীলাও কি তাকে ভালোবেসেছিল সত্যিই? ইন্দ্রজিৎকে মোহগ্রস্ত করে রাখা শান্তি আর শান্তিকে পরাস্ত করতে চাওয়া নীলার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব পুরো উপন্যাসটা জুড়েই বিরাজমান ছিল।
অন্যদিকে এক সেবিকা শকুন্তলা যে নিজের উদ্যোগে সেবাসত্র খুলতে চেয়েছে। কিন্তু এই সমাজে একজন নারীর একা লড়াইটুকু যে কতটা কঠিন তা কে না জানে। নারীর গায়ে কলঙ্ক ছোঁয়ানো খুব সহজ, কারণ কালির দোয়াতটুকু যে এখনো পুরুষদেরই হাতে। কিন্তু শকুন্তলার মতো জেদী নারীরা ভাঙে তবু মচকায় না। নিজস্ব সততা এবং চারিত্রিক দৃঢ়তাকে সমুন্নত রেখেই তারা দেখতে থাকে ভবিষ্যতের স্বপ্ন৷ বারবার।
কিনু গোয়ালার গলিতে থাকে প্রমথ পোদ্দারের মতো শকুনের দৃষ্টিওয়ালা কেউ কেউ৷ আড়াল থেকে সবার গতিবিধি আর দুর্বলতা পর্যবেক্ষণ করে কৌশলে সমস্তকিছু আত্মসাৎ করে একটা তৃপ্তির হাসি দেয়াই যাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য থাকে। আবার কেউ কেউ আসে সুযোগ নিতে, অবিনাশবাবুদের মতো মধ্যবয়সী নখদন্তহীন বাঘ।
সন্তোষকুমার ঘোষের লেখা আশ্চর্য সাবলীল। ছোট ছোট বাক্যে আসা জীবনদর্শনগুলো ভাবায়। উপমাগুলো চমৎকৃত করে। আগাগোড়া বিষণ্ণতায় মোড়া উপন্যাসটির শেষ দিকে যেন একটু স্নিগ্ধ হাওয়ার দেখা পাওয়া যায়। কিন্তু সেখানেও রয়ে যায় ভবিষ্যতের এক বড়সড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত।
Profile Image for Ashik.
254 reviews63 followers
October 16, 2025
কিনু গোয়ালার গলির 'নীলা'কে মনে রাখতে পারতাম অনেকদিন। কিন্তু কী আশ্চর্য! তাকে একদিনও মনে রাখতে পারলাম না। কেন পারলাম না তাও জানি না!
Profile Image for সৌমিত্র বিশ্বাস.
115 reviews8 followers
June 22, 2023
যেন নাম থেকেই আন্দাজ করা যায় কেমন হতে পারে কিনু গোয়ালার গলি। বোবা বোবা চেহারার বাড়ি। ছোট ছোট ফোকরচোখ জানালা আর চুন খসা খিলানের হাঁ। আলো যেখানে পালাই পালাই করে, দেয়ালে মাঝে মাঝে স্যাঁতা পড়া দাগ। হারিয়ে যাওয়া অতীতের কথা স্মরণ করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়া নিতান্ত অসহায়ের মত এই গলির মানুষগুলোরও একেকতা অতীত রয়েছে। যেমন রয়েছে নীলাদেরও। একসময়ে প্রাচুর্য্যে ভরা ছিল তাদেরও জীবন। ক্রমে ক্রমে দারিদ্রতার চরম কষাঘাতে জর্জরিত হতে হতে আজ এই গলিতে ঠাই হয়েছে তাদের।
নীলাদের আসার পর থেকে ক্রমে ক্রমে আরো কিছু মানুষের আগমত ঘটে এই গলিতে। বুড়ো প্রমথ পোদ্দার বন্ধ ঘরের অন্ধকার ফুড়ে বের হওয়া দুটি চোখ দিয়ে সবই দেখে। দেখে আর স্বপ্ন দেখে পুরোনো দিনের মত আবারো জমজমাট হয়ে উঠবে এই গলি।
নীলাদের বাড়িতেই অন্য ভাড়াটিয়া শান্তি-মনীন্দ্র দম্পতি। প্রথম থেকে একটু অদ্ভুত মনে হয় তাদের আচরণ। সাহিত্যিক আনমনা স্বামীকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতেই নাকি শান্তি ইন্দ্রজিতের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়। কিন্তু মনিন্দ্র যেন দেখেও দেখেনা, শুনেও শোনে না। সবকিছু বুঝে শান্তি যখন অন্য অস্ত্রের সন্ধান করতে থাকে তখনই ইন্দ্রজিতকে শান্তির থাবা থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে নীলা। দৈবের চক্রে ঘুরতে ঘুরতে একসময় শান্তি আর মনীন্দ্র খুজে পায় একে অপরকে। ইন্দ্রজিৎকে চিরবিদায় জানিয়ে শান্তি যখন হারিয়ে যায় অজানায় ব্যক্তিত্বহীন ইন্দ্রজিৎ তখন নীলার আঁচলের তলেই খুজে পায় বেঁচে থাকার ভরসা।
তবে এই অন্ধকার গলিতে মাঝে মঝে আগমন ঘটে নীলার বৌদি’র কাকা অবিনাশ বাবুর মত কিছু নর্দমার কিটের, যারা সবকিছু নষ্ট করে দিতে চায়। তবে জীবনের ঘাত প্রতিঘাত সইতে সইতে নীলারাও বুঝে যায় নখ দাঁতহীন অবিনাশদের হাত থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে বরং কিভাবে কিছুটা সুবিধা আদায় করে নিতে হয়।
উপন্যাসের আরেকটি সংগ্রামী চরিত্রের নাম শকুন্তলা। প্রতারক স্বামীর হাত থেকে পালিয়ে নার্সের জীবন বেঁচে নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে যে স্বপ্ন দেখে আরো কিছু স্রোতেভাসা মেয়েকে আশ্রয় দিতে। কিন্তু বনমালীর মত মানুষেরা শকুন্তলাদের সফল হতে দেয় না। তবে শকুন্তলারাও মচকায় তবু ভাঙ্গে না।
উপন্যাসের শেষটা যেন ‘শেষ হইয়াও হইলনা শেষ’ এর মতো। কোন বিশ্লেষণ নেই, কোন পরিণাম নেই। তবে স্বপ্ন আছে। ২৫ টাকা মাসিক বেতনের কথা শুনে নীলারা মিইয়ে গেলেও ইন্দ্রজিৎরা স্বপ্ন দেখে যায়।
Profile Image for Dev D..
171 reviews36 followers
September 14, 2020
চিরকালই যারা দরিদ্র তাদের জীবন একরকমের আবার প্রাচুর্যের জীবন থেকে দারিদ্র্যে ছিটকে পরা মানুষগুলোর জীবন অন্যরকমের। নীলাদের পরিবারটিও এমন। পপলার লেনের বিশাল বাড়ির নিজের গাড়িতে স্কুলে যাওয়া কিশোরী নীলার পরিবার ছিল রীতিমতো ধনী। তার আশেপাশে ছিল কৃতি উচ্চবিত্ত পরিবারের মানুষ, তাকে ভালোবাসতে চাইতো সেই সব পরিবারের যুবকেরা।কিন্তু শেয়ার বাজারে ধ্বস, ব্যাংক ফেল পরিবারটিকে নিঃস্ব করে দেয়। নানা জায়গা ঘুরে পরিবারটির ঠাই হয় কিনু গোয়ালার গলিতে। সেই গলি যেখানে গাড়ি ঢোকে না, ঢোকে না আলো বাতাসও। বসাকদের শরিকি মামলায় ভাগ হয়ে যাওয়া একটা ভাঙাচোরা বাড়ির দুইটি অন্ধকার ঘরে শেষ পর্যন্ত থিতু হয় তারা। ভাই দেবব্রত এর মধ্যেই বিয়ে করে আনে অমিতাকে, স্বপ্ন দেখে পরিবার ছেড়ে বউ নিয়ে আলাদা হবার।

কিনু গোয়ালার অন্ধকার গলিতে একে একে আসে আরও অনেকে। শান্তি, মনীন্দ্র, ইন্দ্রজিত। শকুন্তলা আর তার সেবিকা সদন।তারা কেউই কিনু গোয়ালার গলিতে থাকতে চায় না, তবু থাকতে হয়। এই গলির অন্ধকার তাদের জীবনেও যেন অন্ধকার নিয়ে আসে। সেই অন্ধকারের সুযোগ নিতে চায় অনধকারের মানুষ অবিনাশ এবং আরও অনেকে। একে একে সবাই আবার পালাবার পথ খোঁজে, পালাতে পারে কি?

একটি বিষণ্ণ উপন্যাস কিনু গোয়ালার গলি। নীলার উপর রাগ না করে পারা যায় না, কেন এবং কেন তার এই অদ্ভুত খেয়াল, করুণ পরিণতি। উপন্যাসটি মন ভালো করে দেয় না, কেমন যেন মন খারাপ করে দেয়।
Profile Image for Swarnil.
66 reviews
July 26, 2026
আমার বেশ ভালই লেগেছে | লেখেকের অন্য কোন বই আমার আগে পড়া ছিল না | সেক্ষেত্রে আমার তুলনা করার কোন উপায় নেই | কিন্তু আমার যেটা ভাল লেগেছে সেটা হল এত অল্প পরিসরে অতগুলো চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে |
কিন্তু শেষটা বড্ড খাপছাড়া মনে হল আমার | যাই হোক এই লেখকের অন্যান্য বই পড়াবার প্রত্যাশা রইল |
15 reviews
October 10, 2023
Slow burn treatment যাকে বলে..ঠিক সেরম। বেশ সুন্দর। মনে থেকে যাওয়ার মত একটা লেখা।
Profile Image for Gain Manik.
412 reviews6 followers
June 14, 2024
শেষটা বেদনাদায়ক কিন্তু সঠিক, নায়িকা ঠিক করছে। আর নার্সিং হোমের পরিচালক মেয়েটার প্রতি আমার অশেষ শ্রদ্ধা। এরকম মেয়েই চাই বর্তমান সময়ে
Profile Image for Dr. Charu Panicker.
1,283 reviews84 followers
September 3, 2021
ഇതൊരു ബംഗാളി നോവൽ ആണ്. അവിടുത്തെ ജീവിതവും ആളുകളും അവസ്ഥകളുമാണ് ഇതിന് കാണാൻ കഴിയുക. പരിഭാഷ ആയതുകൊണ്ടാകാം ആസ്വദിക്കാൻ സാധിക്കുന്നില്ല. നീല എന്ന കഥാപാത്രമാണ് ആണ് ഈ പുസ്തകത്തിന്റെ കേന്ദ്രം. കോളേജിൽ പഠിക്കുന്ന അവളുടെ ജീവിതം തുറന്നുകാട്ടുന്നതിനോടൊപ്പം തന്നെ കിനുഗോയാല തെരുവിൽ താമസിക്കുന്ന കുറച്ച് കഥാപാത്രങ്ങളുടെ ജീവിതത്തിലേക്ക് കൂടെ കടന്നുചെല്ലാൻ എഴുത്തുകാരൻ ശ്രമിച്ചിട്ടുണ്ട്. ദാരിദ്ര്യത്തിൽ താമസിക്കുന്ന നീലയും പണക്കാരിയായ ജേഷ്ഠന്റെ ഭാര്യയുമായുള്ള പ്രശ്നങ്ങളും കവിയായ ഇന്ദ്രജിത്തിനോട് തോന്നുന്ന അനുകമ്പ കലർന്ന പ്രണയവും അത് ഇന്ദ്രജിത്തിന്റെ ജീവിതത്തിലുണ്ടാകുന്ന മാറ്റവും ഇവിടെ കാണാം. വളരെ സുഖമൊന്നും ഈ പുസ്തക വായനയിൽ നിന്ന് ലഭിക്കുന്നില്ല.
20 reviews
November 15, 2024
ബംഗാളിലെ കിനുഗോയാല തെരുവിനെ ആസ്പദമാക്കി 1950-ൽ രചിച്ച നോവൽ. നീല എന്ന കഥാപാത്രത്തെയും അവളോടിപഴകുന്ന തെരുവിലെ ജീവിതങ്ങളുമാണ് നോവലിലുള്ളത്. ദാരിദ്രം, പ്രണയം, കുടുംബം, സംഘർഷം എന്നിവ പറഞ്ഞു പോകുന്നു. വലിയ പ്രതീക്ഷയോടെ വായിച്ചാൽ നിരാശയാകും ഫലം.
Displaying 1 - 11 of 11 reviews