What do you think?


জিপুর যাওয়া-আসা
Jipur Jaoya Asa (Bengali Version)
104 pages, Hardcover
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
June 25, 2023
মন ভালো করে দেওয়ার মতো কিশোর উপন্যাস। সংক্ষিপ্ত অথচ সুন্দর।
জয়জিৎ দাস, জিপু কলকাতার একটি নামজাদা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। ক্লাস ফাইভের ছাত্র জিপু পরীক্ষা দিয়ে চান্স পায়নি। তার চাকরিজীবী বাবা অনেক কষ্টে ডোনেশন দিয়ে তাকে এই স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে।
ক্লাসের সবচেয়ে গবেট ছাত্র জিপু। তার কোনো বন্ধু নেই। কেউ তাকে পাত্তা দেয় না। স্যার-ম্যাডামরা হরহামেশাই তাকে বকাঝকা করে। বাইরে বের করে দেয়।
এমন অবস্থায় জিপুর বাবার চাকরি চলে গেল। স্কুলের মাইনে দিতে না পারার কারণে তাকে স্কুল থেকে একপ্রকার তাড়িয়ে দেওয়া হলো। সিদ্ধান্ত হলো জিপুকে 'গরিবদের স্কুল' বাংলা মিডিয়ামে ভর্তি করা হবে।
জিপুর দাদি গ্রামে থাকেন। একসময় স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। এখন অবসরপ্রাপ্ত। তিনি জিপুকে কয়েক মাসের জন্য গাঁয়ে নিয়ে গেলেন। ভর্তি করে দিলেন সরকারি স্কুলে, ক্লাস ফাইভে।
বদলে গেল জিপু। নিজেকে আবিষ্কার করলো নবরূপে। কিন্তু, তার কী পড়া হবে গাঁয়ের স্কুলে?
অত্যন্ত বাস্তবধর্মী কাহিনি এবং চমৎকার গদ্য। একবসায় পড়ার মতো।
জয়জিৎ দাস, জিপু কলকাতার একটি নামজাদা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। ক্লাস ফাইভের ছাত্র জিপু পরীক্ষা দিয়ে চান্স পায়নি। তার চাকরিজীবী বাবা অনেক কষ্টে ডোনেশন দিয়ে তাকে এই স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে।
ক্লাসের সবচেয়ে গবেট ছাত্র জিপু। তার কোনো বন্ধু নেই। কেউ তাকে পাত্তা দেয় না। স্যার-ম্যাডামরা হরহামেশাই তাকে বকাঝকা করে। বাইরে বের করে দেয়।
এমন অবস্থায় জিপুর বাবার চাকরি চলে গেল। স্কুলের মাইনে দিতে না পারার কারণে তাকে স্কুল থেকে একপ্রকার তাড়িয়ে দেওয়া হলো। সিদ্ধান্ত হলো জিপুকে 'গরিবদের স্কুল' বাংলা মিডিয়ামে ভর্তি করা হবে।
জিপুর দাদি গ্রামে থাকেন। একসময় স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। এখন অবসরপ্রাপ্ত। তিনি জিপুকে কয়েক মাসের জন্য গাঁয়ে নিয়ে গেলেন। ভর্তি করে দিলেন সরকারি স্কুলে, ক্লাস ফাইভে।
বদলে গেল জিপু। নিজেকে আবিষ্কার করলো নবরূপে। কিন্তু, তার কী পড়া হবে গাঁয়ের স্কুলে?
অত্যন্ত বাস্তবধর্মী কাহিনি এবং চমৎকার গদ্য। একবসায় পড়ার মতো।
April 20, 2022
অনেকদিন পরে একটা বই পড়ে অনেকক্ষণ কাঁদলাম। বই বলা অবশ্য ভুল হবে, বড়োগল্প বলাটা বরং অনেক বেশি সঙ্গত। ঘটনার ঘনঘটায় বেশি যাবোনা, কারণ আমি মনে করি এই গল্প সবার অন্তত একবার পড়া উচিত, যা আপনাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে আপনার ছেলেবেলায়। আপনার কৈশোরের অনেক চাওয়া, পাওয়া, অপ্রাপ্তি খুঁজে পাবেন জিপুর মধ্যে দিয়ে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে হয়তো একটু বেশিই প্রভাবিত হয়েছি, কারণ আমার সাথে একটা জায়গায় বেশ মিল আছে জিপুর। নতুন স্কুলে গিয়ে মানিয়ে নিতে জিপুর যে সমস্যা হয়েছিল সেই একই সমস্যার সম্মুখীন আমি অনেকবার হয়েছি। হয়তো আমায় কেও জিপুর মত 'dull boy' অথবা ' ঘটোৎকচ ' বলেনি কারণ লেখাপড়ায় আমি বলতে গেলে খুব একটা খারাপ ছিলাম না, কিন্তু ক্লাসের প্রায় সব 'unit test' top করা স্টুডেন্টের সাথেও যে বেশিরভাগ স্টুডেন্ট ডিসটেন্স মেইনটেইন করে চলে সেটা আমি প্রথম বুঝলাম ক্লাস 5এ নতুন স্কুলে গিয়ে, সেখানে সব শিক্ষিকারা তাদের স্কুলে নার্সারি থেকে পড়া স্টুডেন্টদের নিয়েই মাতামাতি করেন, স্টুডেন্টরা নিজেরাও তাই, বাইরে থেকে admission নেওয়া স্টুডেন্টদের যেনো কোনো existence ই নেই। ভেবেছিলাম আস্তে আস্তে সবাই বন্ধু হয়ে যাবে কিন্তু ক্লাস 6এ আবার স্কুল বদলাতে হলো কিছু ব্যক্তিগত কারণের জন্য।প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ হয়েছিল যখন প্রার্থনা শেষে ক্লাসরুমে গিয়ে দেখলাম আমার ব্যাগ মাটিতে পড়ে আছে, যেখানেই বসতে গেলাম সবাই বলছে এখানে জায়গা রাখা আছে। তবে একজন ছিলো যে আমাকে নিজে ডেকে তার পাশে বসিয়েছিল আমাকে, তারপর অদ্ভুতভাবে সেই হয়ে গেলো আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, অনেকটা জিপুর বেস্ট ফ্রেন্ড সুমন্তর মতো। তবে সেই মেয়েটি বাদে আর সেরকম বন্ধু বানাতে পারলাম না, কারণ সেই একই, গত এক বছরে সবার বন্ধুদের একটা দল হয়ে গেছে আর কেউই নতুন একজনকে দলে নিতে চাইলনা। ক্লাস 7এ পড়তে পড়তে যখন আস্তে আস্তে সবার সাথে মিশতে শুরু করলাম তখনই আবার স্কুল চেঞ্জ করতে হলো ক্লাস 8এ। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ভাবলে হাসি পায় স্কুল জীবনের ঘটনা আমার পিছু ছাড়লোনা কলেজে এসেও। 2nd ইয়ারে পড়তে আবার আমি ডিপার্টমেন্ট চেঞ্জ করলাম আর আবার সব একই।
ক্ষমা করবেন অনেক কিছু অপ্রয়োজীয় কথা লিখে ফেললাম, এতটা আবেগপ্রবন হওয়াটা হয়তো উচিত হয়নি। কিন্তু আবেগ প্রকাশের আর জায়গা না পেয়ে এখানেই লিখলাম।
আমি ব্যক্তিগতভাবে হয়তো একটু বেশিই প্রভাবিত হয়েছি, কারণ আমার সাথে একটা জায়গায় বেশ মিল আছে জিপুর। নতুন স্কুলে গিয়ে মানিয়ে নিতে জিপুর যে সমস্যা হয়েছিল সেই একই সমস্যার সম্মুখীন আমি অনেকবার হয়েছি। হয়তো আমায় কেও জিপুর মত 'dull boy' অথবা ' ঘটোৎকচ ' বলেনি কারণ লেখাপড়ায় আমি বলতে গেলে খুব একটা খারাপ ছিলাম না, কিন্তু ক্লাসের প্রায় সব 'unit test' top করা স্টুডেন্টের সাথেও যে বেশিরভাগ স্টুডেন্ট ডিসটেন্স মেইনটেইন করে চলে সেটা আমি প্রথম বুঝলাম ক্লাস 5এ নতুন স্কুলে গিয়ে, সেখানে সব শিক্ষিকারা তাদের স্কুলে নার্সারি থেকে পড়া স্টুডেন্টদের নিয়েই মাতামাতি করেন, স্টুডেন্টরা নিজেরাও তাই, বাইরে থেকে admission নেওয়া স্টুডেন্টদের যেনো কোনো existence ই নেই। ভেবেছিলাম আস্তে আস্তে সবাই বন্ধু হয়ে যাবে কিন্তু ক্লাস 6এ আবার স্কুল বদলাতে হলো কিছু ব্যক্তিগত কারণের জন্য।প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ হয়েছিল যখন প্রার্থনা শেষে ক্লাসরুমে গিয়ে দেখলাম আমার ব্যাগ মাটিতে পড়ে আছে, যেখানেই বসতে গেলাম সবাই বলছে এখানে জায়গা রাখা আছে। তবে একজন ছিলো যে আমাকে নিজে ডেকে তার পাশে বসিয়েছিল আমাকে, তারপর অদ্ভুতভাবে সেই হয়ে গেলো আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, অনেকটা জিপুর বেস্ট ফ্রেন্ড সুমন্তর মতো। তবে সেই মেয়েটি বাদে আর সেরকম বন্ধু বানাতে পারলাম না, কারণ সেই একই, গত এক বছরে সবার বন্ধুদের একটা দল হয়ে গেছে আর কেউই নতুন একজনকে দলে নিতে চাইলনা। ক্লাস 7এ পড়তে পড়তে যখন আস্তে আস্তে সবার সাথে মিশতে শুরু করলাম তখনই আবার স্কুল চেঞ্জ করতে হলো ক্লাস 8এ। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ভাবলে হাসি পায় স্কুল জীবনের ঘটনা আমার পিছু ছাড়লোনা কলেজে এসেও। 2nd ইয়ারে পড়তে আবার আমি ডিপার্টমেন্ট চেঞ্জ করলাম আর আবার সব একই।
ক্ষমা করবেন অনেক কিছু অপ্রয়োজীয় কথা লিখে ফেললাম, এতটা আবেগপ্রবন হওয়াটা হয়তো উচিত হয়নি। কিন্তু আবেগ প্রকাশের আর জায়গা না পেয়ে এখানেই লিখলাম।
March 20, 2022
এত ভালো কিশোর উপন্যাস অনেক দিন পড়লাম। জায়গায় জায়গায় চোখে জল এসেছে বার কয়েক। জিপু, বছর দশেক এর এক বালক, যার মনটা অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা। যার প্রকৃতির প্রতি, খোলা আকাশের প্রতি, দিগন্তবিস্তৃত মাঠের প্রতি রয়েছে এক অমোঘ টান। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের কড়া অনুশাসনে সে হাঁসফাঁস করে উঠে। এক পারিবারিক বিপর্যয়ে তাকে ভর্তি হতে হয় গ্রামের সাধারণ বাংলা মিডিয়াম এক প্রাইমারি স্কুলে। তার ঠাম্মার হাত ধরে সে প্রবেশ করে এক নতুন জীবনে। জিপুর যাওয়া-আসার এই ফাঁকে সে হয়ে উঠে এক অন্য মানুষ।
উপন্যাসটির ভাষা অসম্ভব সুন্দর, সূর্যোদয়ের বর্ণনাটা পড়ার সময় আমার গায়ে রীতিমতো কাঁটা দিচ্ছিল। ঠাম্মার ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর বলা কথাগুলো সববয়েসীদের জন্যই উপযুক্ত।
জীবনে উন্নতি করতে গেলেই কেবল কম্পিটিশন, র্যাঙ্ক, ইংলিশ মিডিয়াম, নাক উঁচু ভাব, অসম্ভব নিয়মতান্ত্রিক জীবন কাটাতে হবে এ কোন কথা নয়। কিন্তু আমাদের অভিভাবকদের অনেকের মধ্যেই এই ধারণাটা শেকড় গেড়ে রয়েছে। ছোট শিশুদের মন কী চায়, আমরা ভাবি না। ক্লাসে ফার্স্ট হতে না পারলেই তাকে সকল কিছুর অযোগ্য ভেবে তিরস্কার করি, এতে তার সত্যিকার মনটাই মরে যায়। আর মিডিয়া কোন বড় ব্যাপার নয়, বড় ব্যাপার বক্তব্য, তা যে ভাষায় মনকে আলোড়িত করুক না কেন।
আমি ছোট্ট ছিলাম যখন, আমার বাবা আমাকে অনেক গল্প, অনেক ছড়া, বিশ্বের চমকপ্রদ সব গল্প, রাজধানীর নাম শোনাতেন রোজ ঘুমানোর সময়। আমি সেসব শুনতে শুনতেই শিখে ফেলেছিলাম অনেক কিছু। পরবর্তীতে বই পড়ার স্পৃহা তৈরিতে এই বিষয়টাই সাহায্য করেছিল। যেকোন বিষয়ে, আগ্রহ তৈরি করতে পারাটা আসল বিষয়। জিপুর যাওয়া-আসাতেও এই বিষয়টা খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক।
লেখকের লেখা এই বইটিই আমার প্রথম পড়া হল। খুব আনন্দময় অনুভূতি।
উপন্যাসটির ভাষা অসম্ভব সুন্দর, সূর্যোদয়ের বর্ণনাটা পড়ার সময় আমার গায়ে রীতিমতো কাঁটা দিচ্ছিল। ঠাম্মার ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর বলা কথাগুলো সববয়েসীদের জন্যই উপযুক্ত।
জীবনে উন্নতি করতে গেলেই কেবল কম্পিটিশন, র্যাঙ্ক, ইংলিশ মিডিয়াম, নাক উঁচু ভাব, অসম্ভব নিয়মতান্ত্রিক জীবন কাটাতে হবে এ কোন কথা নয়। কিন্তু আমাদের অভিভাবকদের অনেকের মধ্যেই এই ধারণাটা শেকড় গেড়ে রয়েছে। ছোট শিশুদের মন কী চায়, আমরা ভাবি না। ক্লাসে ফার্স্ট হতে না পারলেই তাকে সকল কিছুর অযোগ্য ভেবে তিরস্কার করি, এতে তার সত্যিকার মনটাই মরে যায়। আর মিডিয়া কোন বড় ব্যাপার নয়, বড় ব্যাপার বক্তব্য, তা যে ভাষায় মনকে আলোড়িত করুক না কেন।
আমি ছোট্ট ছিলাম যখন, আমার বাবা আমাকে অনেক গল্প, অনেক ছড়া, বিশ্বের চমকপ্রদ সব গল্প, রাজধানীর নাম শোনাতেন রোজ ঘুমানোর সময়। আমি সেসব শুনতে শুনতেই শিখে ফেলেছিলাম অনেক কিছু। পরবর্তীতে বই পড়ার স্পৃহা তৈরিতে এই বিষয়টাই সাহায্য করেছিল। যেকোন বিষয়ে, আগ্রহ তৈরি করতে পারাটা আসল বিষয়। জিপুর যাওয়া-আসাতেও এই বিষয়টা খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক।
লেখকের লেখা এই বইটিই আমার প্রথম পড়া হল। খুব আনন্দময় অনুভূতি।
June 4, 2019
কিছুই লাগলো না। ভালো না, খারাপ না, আনন্দ না, দুঃখ না, পড়ার পরে ভুলে গেলাম।
Inoffensive, but unimpressive. Forgettable
Inoffensive, but unimpressive. Forgettable
November 18, 2018
Not bad. Predictable storyline with mediocre writing. You can read this as it raises some questions about current educational trend of Bengali middle class people. That's all. 6.5/10.
December 22, 2018
ক্লাসিক রামের সুমতি, কিন্তু ভালোই লেগেছে।
April 6, 2022
কিছুদিন ধরেই ইংলিশ মিডিয়াম আর বাংলা মিডিয়ামের মারামারি চলছে দেখতে পাচ্ছি। এইরকম একটা সময়ে এমন একটি কাহিনী পড়তে শুরু করলাম। আর মনটা বড় ভালো হয়ে গেল।
December 3, 2023
আমাদের কৈশোরকে আবার ফিরিয়ে আনলো। সেই হারিয়ে যাওয়া কৈশোর আবার একবার ফিরে এলো।
September 5, 2022
এই উপন্যাসের গভীরে রয়েছে আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছোটোবেলা। পড়লাম, চোখ বুজে স্মৃতি রোমন্থনে গিয়ে দেখি দু'চোখ বেয়ে জলের ধারা নামছে।
বাংলা আর ইংলিশ মিডিয়ামের ভেজাল কচকচানিকে পাশে সরিয়ে লেখক নিজ গুণে এক সত্য অনুভূতির ছবি এঁকেছেন। উপন্যাসটি নিজের সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হওয়ার গল্প বলে। সমাজের জটিলতার সঙ্গে বোঝাপড়া শুরু হয় সেই ছোট্ট থেকেই। এই লড়াইয়ে কেউ জিতে যায়, নিজ প্রতিভায় হয় প্রকাশিত আবার কেউ বা হারিয়ে যায়, তলটুকু খুঁজে না পেয়ে জীবনের ছন্দ কেটে যায়। ঠিক এখানেই কিছু মানুষ সহজ হতে শেখায়, রবি ঠাকুরের অমোঘ বাণী 'সত্যেরে লও সহজে' নিজ জীবনে প্রয়োগ করতে শেখায়। এই শিক্ষকের ভূমিকাই পালন করেছেন জিতুর ঠাকুমা। অনেক বছর পর একটা উপন্যাস পড়ে তৃপ্তিবোধ হচ্ছে 🙏🙏
বাংলা আর ইংলিশ মিডিয়ামের ভেজাল কচকচানিকে পাশে সরিয়ে লেখক নিজ গুণে এক সত্য অনুভূতির ছবি এঁকেছেন। উপন্যাসটি নিজের সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হওয়ার গল্প বলে। সমাজের জটিলতার সঙ্গে বোঝাপড়া শুরু হয় সেই ছোট্ট থেকেই। এই লড়াইয়ে কেউ জিতে যায়, নিজ প্রতিভায় হয় প্রকাশিত আবার কেউ বা হারিয়ে যায়, তলটুকু খুঁজে না পেয়ে জীবনের ছন্দ কেটে যায়। ঠিক এখানেই কিছু মানুষ সহজ হতে শেখায়, রবি ঠাকুরের অমোঘ বাণী 'সত্যেরে লও সহজে' নিজ জীবনে প্রয়োগ করতে শেখায়। এই শিক্ষকের ভূমিকাই পালন করেছেন জিতুর ঠাকুমা। অনেক বছর পর একটা উপন্যাস পড়ে তৃপ্তিবোধ হচ্ছে 🙏🙏
August 10, 2019
খারাপ লাগেনি তবে দ্বিতীয় বার পড়তে ইচ্ছা হবে বলে মনে হয় না। ইংরেজি মাধ্যম বনাম বাংলা মাধ্যমের একটা লড়াই নেতিবাচক ভাবে দেখানো হয়েছে বলে মনে হল। আর প্রয়োজনের তুলনায় ইংরেজি শব্দের ব্যবহার একটু বেশিই মনে হল। আডজেক্টিভ এর জায়গায় বিশেষণ, ফিনিশের জায়গায় শেষ ইত্যাদি ব্যবহার করা যেত হয়ত।
শহর থেকে গ্রামে গিয়ে আমূল পরিবর্তনের অর্থাৎ প্রায় কাছাকাছি থিমের উপর মতি নন্দীর একটা উপন্যাস(দুলাল/দিলীপ বলে একটি ছেলের গ্রামের বাড়িতে দাদুর কাছে থেকে ক্রিকেটার হয়ে ওঠার গল্প ছিল) পড়েছিলাম, এখনো মনে দাগ কেটে আছে।
শহর থেকে গ্রামে গিয়ে আমূল পরিবর্তনের অর্থাৎ প্রায় কাছাকাছি থিমের উপর মতি নন্দীর একটা উপন্যাস(দুলাল/দিলীপ বলে একটি ছেলের গ্রামের বাড়িতে দাদুর কাছে থেকে ক্রিকেটার হয়ে ওঠার গল্প ছিল) পড়েছিলাম, এখনো মনে দাগ কেটে আছে।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews











