Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপ্রকাশিত ছবি

Rate this book
রেললাইন থেকে কুড়িয়ে পাওয়া মেমোরি কার্ডটা কালু দিয়েছিল বুঁদেকে। বুঁদে সেটা তার গোপন ল্যাপটপে ঢুকিয়ে ভিডিও ক্লিপিংটা দেখে চমকে উঠেছিল। কি ছিল তাতে? কিসের কারণে সেই রাতেই থানা থেকে ফেরার সময় তাকে পৃথিবী থেকে সরে যেতে হোল?
এদিকে নামী সংবাদপত্রের রিপোর্টার রাজদীপ তার বন্ধু ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফারের অস্বাভাবিক রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ জানতে প্রাক্তন সিবিআই অফিসারকে জড়িয়ে ফেললেন এই তদন্তে।
তারপর দুটি খুনের তদন্তের রহস্যের মোড়ক যত খুলতে লাগল ততই তারা আবিষ্কার করতে লাগল এক গভীর নোংরা ষড়যন্ত্রের রূপরেখা।
কি সেটা? ... খুন গুলোও হোল কেন? করলই বা কারা?...

151 pages, Paperback

Published September 1, 2018

1 person is currently reading
18 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (17%)
4 stars
4 (23%)
3 stars
10 (58%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for Dipankar Bhadra.
676 reviews60 followers
May 19, 2019
গল্পের ট্রেলার যেহেতু প্রায় সবারই দেখা... তাই টিজার দিয়ে আর লাভ নেই। বরং গল্পটি পড়ে কেমন লাগলো সেইটা নিয়ে কয়েকটা কথা বলি...

১. একজন ক্রাইম বিট রিপোর্টারের জীবনের মতোই গল্পটিও অত্যন্ত গতিময় এবং রহস্যময়।

২. গল্পটিতে যে যে চরিত্রদের দেখানো হয়েছে বা বলা যায় তাদের পিছনে যে টুকু কালি খরচ করা হয়েছে তা যথাযথ। বেশি কথা বা অ্যাকশন কোনোটাই লেখক রাখেননি। ঠিক যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই।

৩. টিমগেম হলেও যার ব্যাটিং এর ওপর গোটা ম্যাচটা দাঁড়িয়ে ছিল সেই কিংশুক রায় কে আমার দারুণ লেগেছে। "সিধি বাত, নো বাকওয়াস" স্টাইলে তিনি যেভাবে সবকিছু সামলেছেন তার জন্য তাকে সাধুবাদ জানাতেই হচ্ছে।

৪. এবার প্রশ্ন সবকিছু যদি ভালোই হয় তাহলে এক তারা কাটলাম কেন? তাই তো? তার কারণ প্লটে বিস্তর সরলীকরণ আছে। ঠিক জায়গায় ঠিক সময় ঠিক লোক এসে ঠিক ঠিক ইনফরমেশন দিয়ে চলে গেছে.. যার ফলে খুব সহজেই সবকিছু কেমন যেন মিলে গেল..

তবুও বলব.. 'নোংরা রাজনীতি' সাধারণ মানুষদের ভালোভাবে তো অনেক দূরের কথা শান্তি তে বেঁচে থাকতেও যে দেয়না তার কিছুটা ধরা পড়েছে এ গল্পে। আর এই নোংরামির বিরুদ্ধে সত্যিকারের সাফাই অভিযান চালিয়েছে যারা.. তাদের লড়াই কে কাছ থেকে দেখবার(মানে পড়বার) সুযোগ প্লিজ মিস করবেন না। অবশ্যই পড়ুন।‌ নমস্কার।
Profile Image for Miss Cuckoo Reads .
8 reviews2 followers
February 24, 2021
সেভাবে দেখতে গেলে সব রকম বই ই পড়ার আমার অভ্যাস আছে কিন্তু রহস্য-রোমাঞ্চ গোয়েন্দা এবং থ্রিলার Genre টা যেইভাবে আমাকে টানে, বোধ করি সেভাবে আর কোনও বই টানে না।
তাই নানারকম সামাজিক, তন্ত্র মন্ত্র ,ভৌতিক আখ্যান পড়ার মাঝে মাঝেই আমার প্রিয় ঘরানার কাছে ফিরে ফিরে আসি বারবার ।
এই অমোঘ আকর্ষণের তাড়না থেকেই বিভিন্ন নবাগত থ্রিলার লেখক লেখিকাদের খোঁজে নিয়মিত নিয়েই থাকি এবং সেই সূত্রেই দেবাঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের কথা জানতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে ওনার চারটি বই আমি কিনে ফেলি এবং অপ্রকাশিত ছবি দিয়ে পড়াও আরাম্ভ করি।

কাহিনী শুরুতেই আমরা দেখতে পাই একটি তরুণ ছেলে হঠাৎই একটি মেমোরি কার্ড আবিষ্কার করে রেল লাইনের ধার থেকে এবং পাওয়া মাত্রই সে তার বন্ধু প্রদীপের কাছে টা রেখে যায় বিক্রি করার আশায়। পরের দিনই রহস্যজনকভাবে প্রদীপের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করে একজন ভিখারী। এমন কী ছিল সেই মেমোরি কার্ডে যার জেরে একটি তাজা প্রাণ কে হত্যা করতে হলো? শুধুই কি বেআইনি যন্ত্রপাতি ব্যবসা জড়িত বচসার কারণে নাকি এর পেছনে লুকিয়ে বড়ো কোনো রাজনৈতিক স্বরযন্ত্র?

অন্য দিকে একজন নামজাদা চিত্রসংবাদিক, দেবজিতের, মৃতদেহ উদ্ধার হয় রেইলাইনের পাশে! তার বিশ্বস্ত বন্ধু , রাজদীপ এই আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে প্রাক্তন সিবিআই অফিসার কিংশুক রায়ের দ্বারস্থ হয়। নিজের আসন্ন বিপদের কথা আঁচ করেই দেবজিত, তার হাতে বিস্ফোরক কোন তথ্য প্রমাণ উঠে আসার ইঙ্গিত সে রাজদীপ কে দিয়ে গেছিলো!! কী জানত সেই দুঃসাহসী চিত্রসাংবাদিক? দুটো খুনের রহস্য কি একই সূত্রে গাঁথা?

শুধুমাত্র থ্রিলার উপন্যাস বললে বলা ভুল হবে! থ্রিলার এর সাথে সাথে উঠে এসেছে গ্রাম গঞ্জের স্পষ্ট রাজনৈতিক চিত্র! যদিও প্রথম প্রকাশ বহু বছর আগেই হয়েছিল, তবুও এই চিত্র আজও সমান প্রাসঙ্গিক! রাজনীতির রঙ বদলেছে মাত্র!

একটি যুবক, তার দূর দুরন্ত অবধি রাজনীতির সাথে কোনো যোগাযোগই ছিল না, তাকে শহীদ বানিয়ে তার মৃতদেহ নিয়ে নোংরা রাজনীতি করা, নিজের দলের লোক দাবি করে বিরোধীপক্ষকে দোষারোপ করা, এরম ঘটনা তো আকছার ঘটে! তার সাথে আছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের রেষারেষি এবং টিআরপি এর নোংরা খেলা! সমস্তর বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে এই উপন্যাসের পরতে পরতে!

এই বইয়ের যদি খারাপ দিক বলতেই হয় তবে বলবো, রহস্য উদঘাটন টা আরেকটু জটিল হতে পারতো! কিছু কিছু জায়গায় মনে হতে পারে প্রত্যক্ষ সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বসেই ছিল প্রায়। তাকে বিশেষ খুঁজতে হয়নি বা সত্যি বলাতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি!

বিস্তর রহস্য, গোয়েন্দা কাহিনী পড়ার দৌলতে, একদম শেষ পাতায় কোনো চমকের অপেক্ষায় ছিলাম! কিন্তু সেইরম কোনো টুইস্ট শেষ পাতায় ছিলনা, যেটা ছিল সেটা একটা subplot, যার মূল প্লটের সাথে সেইরকম যোগাযোগ ছিলনা। দুটো দিকই সমান্তরাল ভাবে দেখানো হয়েছে যার জন্যে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন ঘটনাগুলো পর পর কিভাবে এবং কেন ঘটেছিল! সুতরাং রহস্যের টানটান ভাব টা অনেকটাই খর্ব হয়েছে.

আপনি যদি আমার মতোই থ্রিলার প্রেমী হন তাহলে তো অবশ্যই বইটি একবার পড়ে দেখুন!! বা আপনি যদি চিরাচরিত গোয়েন্দা গল্পের অবাস্তব প্লট, গোপন অতীত বা পারিবারিক কেলেঙ্কারির ভক্ত না হন অথবা পড়ে পড়ে bore হয়ে গিয়েছেন, এবং বাস্তববাদী লেখা পছন্দ করেন, তাহলে স্বাদ বদল করতে এই বইটি পড়ে দেখতেই পারেন!

রেটিং : ৬/১০
Profile Image for Rupam Das.
76 reviews2 followers
July 9, 2024
ক্রা‌ইম থ্রিলার বিষয়ক উপন্যাস 'অপ্রকাশিত ছবি' গতবছর প্রকাশনার ওয়েবসাইট থেকে‌ই সংগ্ৰহ করেছিলাম। ব‌ইটি গত সপ্তাহান্তে পড়লাম ।

একজন ফ্রিল্যান্সার চিত্র সাংবাদিকের খুন। সেই খুনের কারণ অনুসন্ধান করবার চেষ্টা করে তার বন্ধু ক্রা‌ইম রিপোর্টার রাজদীপ।রাজদীপের অনুরোধে এই রহস্য সমাধানে এগিয়ে আসেন প্রাক্তন সিবিআই অফিসার কিংশুক রায়। না , প্লট সম্পর্কে এর থেকে বেশী কিছু লিখবো না। গ্ৰুপে বেশ কিছু ভালো আলোচনা রয়েছে এই ব‌ইটি নিয়ে তা‌ই অল্প কথায় আমার কেমন লেগেছে সেটা‌ই জানাবো।

আমার এই রহস্য উপন্যাস পড়তে বেশ ভালো লেগেছে। প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। এর মূল কারন আমার যেটা মনে হয়েছে সেটা হলো লেখনী। একদম সোজাসাপ্টা টানটান লেখা। বাস্তব পরিস্থিতির সাথে মিল রেখেই এই উপন্যাসের নির্মাণ করেছেন লেখক। এই ধরনের খুন কেন হয়,কিভাবে রাজনীতি ও সমাজ এরকম অপরাধমূলক কাজকর্মের সাথে জড়িয়ে থাকে। সেগুলো ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দল কিভাবে তাদের ক্ষমতার অপব্যাবহার করে যায়। মিডিয়া আবার নিজেদের টিআরপি এর জন্য কি ধরনের কৌশল নেয় এই সমস্ত ঘটনা এই উপন্যাসে বেশ স্পষ্টভাবে‌ই ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক ‌।এত সব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও কিংশুক রায় ও রাজদীপ ধীরে ধীরে কিভাবে রহস্যের জট খুলতে থাকেন সেটা পড়তে বেশ ভালো লাগলো। উপন্যাসে অন্যান্য চরিত্রগুলিরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ।এই থ্রিলার উপন্যাস রাজনীতি ও সমাজের একটি বাস্তব ছবি তুলে ধরেছে সেটাই সব থেকে ভালো লেগেছে। Brilliant in one word 👍.

নামকরণ উপন্যাসের থিম হিসেবে একদম ঠিকঠাক হয়েছে। প্রচ্ছদ চমৎকার। ব‌ইটা পড়তে পড়তে বুঝতে পেরেছি যে বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য রেখেই শিল্পী প্রচ্ছদ তৈরী করেছেন। লেখকের কাছে আমার অনুরোধ কিংশুক রায় ও রাজদীপ এই দুজনকে নিয়ে আরো কিছু লিখতে।

যারা বাস্তবধর্মী থ্রিলার পড়তে চান তারা অবশ্যই সংগ্ৰহ করে অবশ্যই পড়ুন এই ব‌ই । আমার মতো আপনারাও এই উপন্যাসের মাধ্যমে বর্তমান সমাজের অনেক কিছু রিলেট করতে পারবেন ‌বলে‌ই মনে হয়।
Profile Image for Tonmoy Biswas.
14 reviews23 followers
February 13, 2020
#পঠতি_পঠতঃ_পঠন্তি
#অপ্রকাশিত_ছবি
#দেবাঞ্জন_মুখোপাধ্যায়
#দ্য_কাফে_টেবল

ভেবে দেখলে থ্রিলার আসলে আমাদের এই তৃতীয় বিশ্বের দেশে, যেখানে প্রতিনিয়ত খবরের কাগজগুলোতে রক্তের জেপেক ছাপা হয়, পাতার প্রথমেই বড় করে ভেসে থাকে থ্যাঁতলানো মাথা বা মুখে রুমাল চাপা দিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে যাওয়া মন্ত্রী-আমলারা, সেখানে থ্রিলারের প্লট গজাবে না তো আর কোথায় গজাবে?
না, কোনো ইতিহাসে পুরে দেওয়া কাল্পনিক চরিত্র নয়, দুশো বছর পরের ধ্বংসপ্রাপ্ত পৃথিবীও নয়। এই গল্প, এই বই আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তুতন্ত্রের। আমাদের একান্ত নিজস্ব ফুডচেনের। যার একদম নীচের সারির জীব বা মানুষ বুঁদের হাতে চলে আসে ওপরের শ্রেণিকে টলিয়ে দেওয়ার মত এক ভিডিও ফুটেজ। তাই প্রয়োজন হয়ে পড়ে তাকে সরিয়ে দেওয়ার। অন্যদিকে পেশায় সাংবাদিক রাজদীপ নেমে পড়ে তার ফ্রিলান্সার বন্ধু দেবজিতের রহস্যজনক মৃত্যুর কিনারা করতে। তারই অনুরোধে মাঠে নামেন প্রাক্তন সিবিআই অফিসার কিংশুক রায়। তারপর? কেন সরে যেতে হল দেবজিৎকে? কী দেখে ফেলেছিল তার নতুন কেনা মোবাইলের চোখ? এর উত্তর খুঁজতেই ছুটে চলার আখ্যান "অপ্রকাশিত ছবি"।

মেদহীন গদ্য। "জঙ্গলের মাঝে ফাঁকা জায়গায় ম্যামথের কঙ্কালের মত দাঁড়িয়ে আছে সেই কটেজ। বহু জায়গায় তার কাঠ খসে পড়েছে। পাতার জাফরি বেয়ে আলোর আঙুল এসে যেখানে ছড়িয়ে পড়েছে রোদ-ছায়ার আলপনায় ঠিক সেখানেই কর্কের ছিপির মত পোড়া দাগ সমেত গুলির সেলটা দেখতে পেলেন অনীশ..." এই টাইপের বর্ণনার আতিশয্য না থাকায় বাক্যের পর বাক্য বেয়ে ছুটতে অসুবিধা হয় না তেমন। আবার অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের অন্দরমহলের ছবিও সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে এ লেখায়। কিংশুক রায়ের চায়ের দোকান থেকে খবর বের করে আনার টেকনিক দুর্দান্ত। তার গুটি সাজানো, জাল গুটিয়ে আনা, বা অন্যান্য চরিত্র নির্মাণে যথেষ্ট মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন লেখক। সবথেকে বড় কথা, এখানে কিংশুক রায় সহ অন্যান্য কোন চরিত্রের ওপরই লার্জার দ্যান লাইফ বা অমুক থেকে ছায়া ধার করার তকমা লাগানোর কোন সুযোগই লেখক রাখেননি।

তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে স্ট্রেস রিলিফের একটা দরকার বেশ অনুভূত হচ্ছিল। কখনই দুম করে একটা কমিক ক্যারেক্টার ইনজেক্ট করে গল্পের তেরোটা বাজাতে বলছি না। কিন্তু সংলাপে ছোটখাটো হিউমার বা আরও ভাল করে বললে ঠাট্টা-ইয়ার্কি ধরণের কিছু যোগ করা যায়। সবসময় অফিশিয়াল সংলাপ পড়লে একটু একঘেয়েমি আসে বৈকি।

লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট, লেখক উপন্যাসখানা হু ডান ইট ফর্মে লেখেননি। চেষ্টাও করেননি৷ প্রথম থেকেই সব কটা তাস নামিয়ে রেখেছিলেন পাঠকের টেবিলে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমার পাঠজীবনের শুরু থেকেই, বিশেষ করে 'ডিভিশন অফ সাসপেক্ট এক্স' পড়ার পর থেকে, সমস্ত তাস দেখে নেওয়ার পরও মনে হতে থাকে, যদি বাই চান্স আস্তিনে আরও একটা তাস থেকে যায়! যদি বইয়ের ঠিক শেষ পাতার আগে টেবিলে এসে আছড়ে পরে অমোঘ সেই হারিয়ে যাওয়া জোকার, যাকে আমরা আদর করে বলি ক্লাইম্যাক্স! গল্পের শেষ মোচড়। তা এই জিনিসটার অভাব যেন আমি বোধ করলাম। তাই পাতা ফুরোবার কিছু অংশ আগেই যেন আগ্রহ কমে গেছিল বেশ খানিক।

তবে লুকোনো তাস না থাকলেও, লেখক ছোট্ট একটা দান কিন্তু ঠিকই চেলেছেন শেষে। যাতে এইটুকু স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যে যাই হয়ে যাক না কেন, রাজনীতি হল সেই ফিনিক্স পাখি, ইয়ে না, বড্ড ভাল শব্দ হয়ে যাচ্ছে, রক্তবীজ! যে বার বার ফিরে আসে। বারে বারে গজায়! কিন্তু এই দানের অংশটুকু বড্ড বেশি সংক্ষিপ্ত হওয়ায় কোনও কোনও পাঠকের এই অংশটুকু বিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে। তবে আমি বলব শেষে চুম্বক তো দিয়েই রেখেছেন। এবার বাকিটাও লেখা হয়ে যাক, নাকি? আর সেই বইয়েরও প্রচ্ছদ যেন একতা ভট্টাচার্যকে দিয়েই করানো হয়। চিপের ইনার পোর্শনের সাথে গোলক ধাঁধার কনসেপ্ট। ওফ্! স্যালুট!

পাঠ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া :
এতক্ষণ ধরে যা লিখে এলাম সে তো থ্রিলার প্রতিক্রিয়া। কিন্তু তারপর? বইটা বিছানায় রেখে কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে যখন সমস্ত পাঠ, সমস্ত শব্দ আবার ফিরে ফিরে আসে, যখন চোখ পেরিয়ে যাওয়া সমস্ত বাক্য এসে মিশে যায় খেতে খেতে চালিয়ে রাখা নিউজ চ্যানেলে, থালার নীচে পাতা খবরের কাগজে, তখনই বোঝা যায়। আর সেই বোঝার ওপর ভিত্তি করে বলতে পারি, শুধু থ্রিলার পড়ব বলে বসলে এই বইয়ে আপনি হালে পানি নাও পেতে পারেন। সেটা অবশ্য পুরোপুরি আপনার ব্যাপার। কিন্তু, আমি খেয়ে উঠে এই বই তাকে তুলে রাখব সময়ের দলিল হিসাবে৷ যে দলিলে লেখা থাকে রাজনীতি একটা গোয়াল মাত্র। দিনের শেষে শুধু তার রঙ বদলায়। ভেতরের জীব ও জিভগুলো একই থাকে।
Displaying 1 - 5 of 5 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.