বইয়ের নামঃ কলির শহর কলকাতা লেখকঃ হরিপদ ভৌমিক প্রকাশকঃ আখরকথা মূল্যঃ ২১০/- আলোচকঃ দীপাঞ্জন দাস
প্রাণের শহর কলকাতার পরতে-পরতে যে রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তার কিয়দংশ ফুটিয়ে তুলতেই যে এই বই লেখা হয়েছে তা বইয়ের নাম থেকেই মোটামুটি স্পষ্ট হয়। এই বইয়ের অন্যতম বিশেষত্ব হল এই যে, প্রত্যেকটি নিবন্ধই আকারে খুব বেশি বড় নয় অথচ অত্যন্ত তথ্যসমৃদ্ধ। সর্বমোট ৩১টি নিবন্ধ রয়েছে বইটিতে।
১ কলির শহর কোলকাতা তোর পায়ে নমস্কার ২ নিজের জন্য, সমাজের জন্য ৩ সেকালের কালীপুজো ও কারণোৎসব ৪ নববিবিদের বাণীবন্দনা ৫ রাজাও সাহায্য চেয়েছিলেন ৬ সেকালের কৃষ্ণভক্ত সাহেব ৭ গঙ্গার ঘাটে রাধাকৃষ্ণের চরণছাপ ৮ কথকতা ও সেকালের শ্রোত ৯ পত্রমঙ্গল ১০ পাত্রী চাইঃ প্রথম বিজ্ঞাপন ১১ বাসরের লড়াই ১২ বউকাঁটকা শাশুড়ি ১৩ বিধবা বিবাহঃ প্রথম তিনজন ১৪ একটি বিস্কুটের মধ্যে বিপ্লব ১৫ সেকাল আর একাল ১৬ গ্রন্থ থেকে গ্রন্থাগার ১৭ গিরিশ ঘোষের ‘গণেশ’রা ১৮ তখন কলকাতার বর্ষাকাল ১৯ বাবুবাড়ির গাড়ি-বারান্দা ২০ মাছির জন্য পাখা ২১ কলকাতায় যখন সাইকেল এল ২২ বড়লাট যেদিন ট্রেনে চড়লেন ২৩ স্বদেশী চটি বনাম বিলিতি জুতো ২৪ দেশলাইয়ের কথা ২৫ এক আনার ডাকঘর ২৬ সেকালেও খুচরোর আকাল ২৭ কলকাতা টেলিফোনের প্রথম দিনটি ২৮ সকাল ন’টার ভোঁ ২৯ কুকুর মারার মামলা ৩০ কলকাতায় বাঘ ৩১ হাওড়া ব্রিজে বৈদ্যুতিক আলো
কলকাতা জুড়ে প্রচলিত ‘গুল্প’ গুলির বিপরীতে দাঁড়িয়ে এই বই একটি নির্ভরযোগ্য দলিল। বইয়ের ভূমিকা লিখেছেন ডঃ বিষ্ণু বসু। আলাদা করে প্রত্যেকটি নিবন্ধের রিভিউ দিতে গেলে মূলভাবটি প্রকাশিত হয়ে যাবে, যা উচিৎ নয়। তাই, আলাদা আলাদা করে বর্ণনায় যাচ্ছি না। বিস্তারিত জানতে গেলে বইটি অবশ্যই পড়তে হবে। ইতিহাসের আলোকে কলকাতাকে জানতে এই বই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলেই আমার মনে হয়েছে।