What do you think?


সেদিন চৈত্রমাস • কুসুমবীজ
লক ডাউনের সময় নিউ টাউনের দুটি আবাসনে দ্বীপান্তরের জীবন কাটাচ্ছে মিতদ্রু ও স্নেহা। কেউ কারও পূর্বপরিচিত না হলেও মোবাইলে গড়ে ওঠে এক পারস্পরিক নির্ভরতা এবং অবচেতনে এক প্রেমের বীজের রোপণ হয়ে যায়, যা পরিণতি পায় দু’বছর পর শান্তিনিকেতনে মিতদ্রুর বাগদত্তা হৈমন্তীদের বাড়িতে। ‘সেদিন চৈত্রমাস’ অতিমারির আবহে রবীন্দ্রনাথ-আশ্রয়ী এক নির্ভার প্রেমের উপন্যাস। কোথাও তিনি বারবার প্রকাশিত হয়েছেন আবেগতাড়িত কট্টর রবীন্দ্রপ্রেমী বিশ্বরূপ মিত্রর উচ্চারণে, কোথাও বা মিতদ্রু ও স্নেহার গান আর কবিতার মাধ্যমে। ‘কুসুমবীজ’ আরেকটি রবীন্দ্রনাথ-আশ্রয়ী উপন্যাস। বাইশে শ্রাবণ, রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণের কিছু মাস পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘনঘটার সময়ে বিড়দা গ্রামে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পক্ষে জমি জরিপের কাজে এসেছিল রবীন্দ্রপ্রেমী সার্ভেয়ার শুদ্ধশীল। বিড়দায় এসে শুদ্ধশীল প্রেমে পড়েন সদ্য রবীন্দ্রনাথকে হারানোয় কাতর তমালিকার। বিরাশি বছর পরে বিড়দায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ঈশিতা এক ইকো ভিলেজ প্রজেক্টের কাজে এসে খুঁজে বেড়ায় তমালিকার স্মৃতি, অস্তিত্ব। এই সম্পর্ক জাতিস্মরের নয়। একইসঙ্গে ইকো ভিলেজ প্রজেক্টের নিজের জমি অধিগ্রহণ আটকাতে মরিয়া সংগ্রাম ভট্টাচার্যর সঙ্গে ঈশিতার নানান ঘাত-প্রতিঘাতে গড়ে ওঠে এক অন্য সম্পর্ক।
240 pages, Hardcover
Published January 1, 2022
About the author
Krishnendu Mukhopadhyay
40 books19 followersকৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬৪, ব্যারাকপুরে। প্রথম জীবন কেটেছে শ্যামনগরে। ইছাপুর নর্থল্যান্ড বয়েজ হাইস্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা। স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। প্রথমে অনিয়মিতভাবে কিছু লিটল ম্যাগাজিনে লিখতেন। ২০০৫ থেকে নিয়মিতভাবে আনন্দবাজার পত্রিকার বিভিন্ন প্রকাশনায় ছোটগল্প লিখছেন। ‘খেজুর কাঁটা’ গল্পটি নিয়ে হয়েছে শ্রুতিনাটক। ছোটগল্প ‘ছবির মুখ’ আকাশবাণীতে বেতারনাটক হয়ে সম্প্রচারিত হয়েছে। লেখকের ‘ব্রহ্মকমল’ গল্পটি ২০০৬-এ ‘দেশ রহস্যগল্প প্রতিযোগিতা’য় প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে। ২০০৭-এ ‘পূর্বা’ শীর্ষক একটি কল্পবিজ্ঞান গল্পের জন্য ‘দেশ গল্প প্রতিযোগিতা’য় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন। রাধিকা লেখকের প্রথম উপন্যাস।পেশাদারি জীবনে ইঞ্জিনিয়ার, বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে কর্মরত। সাহিত্য ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে প্রবন্ধ লেখেন। ভারতীয় মার্গ সংগীতের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
September 21, 2022
🍂📖উপন্যাসের নাম - সেদিন চৈত্রমাস📖🍂
✍️ লেখক - কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
🖨️প্রকাশিত - শারদীয়া দেশ ১৪২৯
🍂🍁“ প্রহরশেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস— তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ ! এ সংসারের নিত্য খেলায় প্রতিদিনের প্রাণের মেলায় বাটে ঘাটে হাজার লোকের হাস্য - পরিহাস মাঝখানে তার তোমার চোখে আমার সর্বনাশ !.. ”🍁🍂
🍂🍁উপন্যাসের শুরুতেই স্নেহার সাথে আমাদের পরিচয় হয় , এবং স্নেহা পার্লারে কাজ করে ।পার্লারের কাজের জন্য স্নেহা শান্তিনিকেতনে আসে। একটা ব্রাইডাল মেক আপ যার যাওয়ার কথা ছিল সে শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসায় স্নেহাকে যেতে হয়। কিন্তু যাকে মেকাপ করাবে সেই হৈমন্তীর স্নেহাকে পছন্দ না হওয়ায় সে নিজের মতো আরেক জন মেকাপ আর্টিস্টকে ডেকে আনে! স্নেহার দায়িত্ব এসে পরে প্রি ওয়েডিং শুটের, আগে বরের একটু মেকাপ করার। কিন্তু সেখানেই ঘটে অঘটন!!
অন্য দিকে আমরা দেখতে পাই হৈমন্তীর সঙ্গে মিতদ্রুর পরিচয় ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে। পরিবার ও নিজেদের মধ্যে খানিক অমিল থাকলেও সম্পর্ক গড়িয়েছে প্রেম ও বিয়ের স্টেশন পর্যন্ত!!
করোনা মহামারী কিছু ঘটনা বছর দুই আগে বিদেশ থেকে ফিরে ১৪ দিনের জন্য নিউ টাউনের একটা অ্যাপার্টমেন্টে কোয়ারেন্টাইন থাকতে হয়েছিলো মিতদ্রুকে। সেখানেই তার পরিচয় হয়েছিলো স্নেহার সঙ্গে। যদিও পরিচয় বলতে কোনাকুনি দুটো ফ্ল্যাটের ওপাশে ঝাপসা ছবি!!
শিলিগুড়ি থেকে এসে কলকাতায় একটা পার্লারে কাজ করত স্নেহা, লকডাউন হওয়াতে আটকে পড়েছিল অ্যাপার্টমেন্টে। কেয়ারটেকার দেশের বাড়ি যাওয়ার আগে ফোনের মাধ্যমের দুজনের যোগাযোগের ব্যবস্থা করে গেছিল। আলাপ হয় ফোনেই, হোয়াটসঅ্যাপে। এর পর তাদের মধ্যে সম্পর্ক কতোটা গভীর হয়?? একটা সময় শিথিল হয় লকডাউন, স্নেহা ফিরে যায় শিলিগুড়ি, মিতদ্রু নিজের ব্যস্ত জীবনে! এর পর কি মিতদ্রু আর স্নেহা সম্পর্ক এগিয়ে ছিল?? গড়ে উঠেছিল কি প্রেমের সম্পর্ক জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে!! এই উপন্যাস এর মধ্য যেটা সব থেকে ভালো লেগেছে সেটা শান্তিনিকেতনের আবহাওয়া তার সাথে প্রেম, ভালোবাসা, ভরসা, পবিত্রতা,অভিমান সব ই সমান ভাবে চলতে থাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আমার বেশ ভালো লেগেছে!!
উপন্যাস এ রয়েছে দুটি নারীচরিত্র মিতদ্রু শেষ পর্যন্ত কার কাছে ফিরবে সেটা জানতে উপন্যাস টি পড়বে হবে!!🍁🍂
#কৃষ্ণেন্দু_মুখোপাধ্যায়
#সেদিন_চৈত্রমাস
#শারদীয়া_দেশ_১৪২৯
#Krishnendu_Mukhopadhyay
✍️ লেখক - কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
🖨️প্রকাশিত - শারদীয়া দেশ ১৪২৯
🍂🍁“ প্রহরশেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস— তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ ! এ সংসারের নিত্য খেলায় প্রতিদিনের প্রাণের মেলায় বাটে ঘাটে হাজার লোকের হাস্য - পরিহাস মাঝখানে তার তোমার চোখে আমার সর্বনাশ !.. ”🍁🍂
🍂🍁উপন্যাসের শুরুতেই স্নেহার সাথে আমাদের পরিচয় হয় , এবং স্নেহা পার্লারে কাজ করে ।পার্লারের কাজের জন্য স্নেহা শান্তিনিকেতনে আসে। একটা ব্রাইডাল মেক আপ যার যাওয়ার কথা ছিল সে শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসায় স্নেহাকে যেতে হয়। কিন্তু যাকে মেকাপ করাবে সেই হৈমন্তীর স্নেহাকে পছন্দ না হওয়ায় সে নিজের মতো আরেক জন মেকাপ আর্টিস্টকে ডেকে আনে! স্নেহার দায়িত্ব এসে পরে প্রি ওয়েডিং শুটের, আগে বরের একটু মেকাপ করার। কিন্তু সেখানেই ঘটে অঘটন!!
অন্য দিকে আমরা দেখতে পাই হৈমন্তীর সঙ্গে মিতদ্রুর পরিচয় ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে। পরিবার ও নিজেদের মধ্যে খানিক অমিল থাকলেও সম্পর্ক গড়িয়েছে প্রেম ও বিয়ের স্টেশন পর্যন্ত!!
করোনা মহামারী কিছু ঘটনা বছর দুই আগে বিদেশ থেকে ফিরে ১৪ দিনের জন্য নিউ টাউনের একটা অ্যাপার্টমেন্টে কোয়ারেন্টাইন থাকতে হয়েছিলো মিতদ্রুকে। সেখানেই তার পরিচয় হয়েছিলো স্নেহার সঙ্গে। যদিও পরিচয় বলতে কোনাকুনি দুটো ফ্ল্যাটের ওপাশে ঝাপসা ছবি!!
শিলিগুড়ি থেকে এসে কলকাতায় একটা পার্লারে কাজ করত স্নেহা, লকডাউন হওয়াতে আটকে পড়েছিল অ্যাপার্টমেন্টে। কেয়ারটেকার দেশের বাড়ি যাওয়ার আগে ফোনের মাধ্যমের দুজনের যোগাযোগের ব্যবস্থা করে গেছিল। আলাপ হয় ফোনেই, হোয়াটসঅ্যাপে। এর পর তাদের মধ্যে সম্পর্ক কতোটা গভীর হয়?? একটা সময় শিথিল হয় লকডাউন, স্নেহা ফিরে যায় শিলিগুড়ি, মিতদ্রু নিজের ব্যস্ত জীবনে! এর পর কি মিতদ্রু আর স্নেহা সম্পর্ক এগিয়ে ছিল?? গড়ে উঠেছিল কি প্রেমের সম্পর্ক জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে!! এই উপন্যাস এর মধ্য যেটা সব থেকে ভালো লেগেছে সেটা শান্তিনিকেতনের আবহাওয়া তার সাথে প্রেম, ভালোবাসা, ভরসা, পবিত্রতা,অভিমান সব ই সমান ভাবে চলতে থাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আমার বেশ ভালো লেগেছে!!
উপন্যাস এ রয়েছে দুটি নারীচরিত্র মিতদ্রু শেষ পর্যন্ত কার কাছে ফিরবে সেটা জানতে উপন্যাস টি পড়বে হবে!!🍁🍂
#কৃষ্ণেন্দু_মুখোপাধ্যায়
#সেদিন_চৈত্রমাস
#শারদীয়া_দেশ_১৪২৯
#Krishnendu_Mukhopadhyay
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



