সেবা প্রকাশনীতে অনুবাদ করেছেন দীর্ঘকাল; নিবাস, নওগাঁ।
খসরু চৌধুরী ছোটবেলা থেকেই দক্ষিণ বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘুরে জীবজন্তুর সঙ্গে পরিচিত হবার সুযোগ পান। ১৯৭১ সালের মহান মক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন কলেজ-ছাত্র অবস্থায়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য অনুষদের ছাত্র অবস্থায় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামা শিকারি আকতারুজ্জামানের হাত ধরে সুন্দরবন গিয়ে ভালোবেসে ফেলেন জল-জঙ্গলার বাঘ। ১৯৮৫ সালে অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক রোববার পত্রিকায় সুন্দরবন সংক্রান্ত লেখা দিয়ে তার লেখার জগতে প্ৰবেশ। তারপর দেশের উল্লেখযোগ্য প্রায় সব কটি পত্রিকায় বাঘ বা সুন্দরবন নিয়ে লিখেছেন। ছাত্র রাজনীতি করেছেন, সাংস্কৃতিক আন্দোলন, চলচ্চিত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সাংবাদিকতা করেছেন। দেশের অগ্রগণ্য বাঘ বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাঘ বাঘ রক্ষায় নিতয় চেষ্টা করে চলেছেন।
নীলক্ষেতে পাওয়া। সেবা'র পাঠকদের কাছে খসরু চৌধুরীর অনুবাদ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই, তবে এ বইটি জাগৃতি প্রকাশনীর। রাসকিন বন্ড, ফ্রেডরিক ম্যারিয়ট, মপাসাঁ, আগাথা ক্রিস্টি, পুশকিনসহ মোট ১১ জন লেখকের গল্পের চমৎকার অনুবাদ। এর মাঝে ম্যারিয়ট-এর 'নেকড়ে' গল্পটি সম্ভবত সেবা'র 'সপ্ত আতঙ্ক' সঙ্কলনে ছিল। সময়টা উড়ে চলে যাবে পড়তে বসলেই।