Jump to ratings and reviews
Rate this book

তাফসিরে সূরা তাওবা [Tafseer e Surah Tawba]

Rate this book
ইহা শাইখ আব্দুল্লাহ আযযাম (রাহিমাহুল্লাহ) এর সৃষ্ট তাফসীরে সূরা তাওবা এর ২য় খন্ড।

190 pages, Hardcover

Published September 1, 2018

5 people are currently reading
29 people want to read

About the author

عبد الله یوسف عزام

47 books321 followers
ولد الشهيد عبد الله عزام رحمه الله في جنين عام 1360هـ. انهى دراسته الإبتدائية والثانوية في قريته ثم واصل تعليمه بكلية "خضورية الزراعية" ونال منها الدبلوم بدرجة إمتياز ثم عمل في سلك التعليم وواصل طلبه للعلم الشرعي حتى انتسب إلى كلية الشريعة في جامعة دمشق ونال منها شهادة الليسانس في الشريعة بتقدير جيد جدا عام 1386هـ.

وبعد سقوط الضفة الغربية عام 1387هـ عاد إلى فلسطين ليؤدي فريضة الإعداد والجهاد فشارك في العديد من المعارك. ثم انتسب إلى الأزهر فحصل على شهادة الماجستير في أصول الفقه عام 1389هـ بتقدير جيد جدا وعاد سنة 1390هـ إلى الأردن ليعمل مدرساً في كلية الشريعة بعمان وبعث من قبل الكلية إلى الأزهر للحصول على شهادة الدكتوراه في أصول الفقه حيث حصل عليها سنة 1393هـ.

وفي عام 1400هـ صدر قرار الحاكم العسكري الأردني بفصله من عمله في الكلية فانتقل إلى الجزيرة العربية للتدريس في جامعة "الملك عبد العزيز" بجدة. أعير سنة 1401هـ إلى الجامعة الإسلامية الدولية بإسلام آباد للتدريس حسب طلبه ليكون قريباً من الجهاد الأفغاني بعد انتهاء مدة الإعارة رفضت جامعة الملك عبدالعزيز تجديد العقد فقدم الشيخ استقالته وتعاقد مع الرابطة عام 1406هـ.

بدأ الشيخ في العمل الجهادي مع المجاهدين الأفغان عام 1402هـ وقد قام عام 1404هـ بتأسيس "مكتب الخدمات". ثم قد قدم استقالته من الجامعة الاسلامية بإسلام آباد وتفرغ للعمل الجهادي وتحريض الأمة. وفي 24 ربيع الآخر/1410هـ وبينما كان الشيخ في طريقه إلى مسجد سبع الليل في بيشاور لإلقاء خطبة الجمعة مرت سيارته من فوق لغم كان قد زرعته أيدي الكفر العالمي فقتل شهيداً.

Abdullah Yusuf Azzam was born in a village in the North of Palestine named Selat AI Harithia in Genine District in the year 1941. Sheikh Abdullah Azzam received his early elementary and secondary school education in his village, and continued his education at the agricultural Khadorri College where he obtained a Diploma. Although he was the youngest amongst his colleagues, he was the brightest and most astute. After he graduated from Khadorri College, he worked as a teacher in a village named Adder in the South of Jordan. Later he joined Shariah College in Damascus University where he obtained a B.A. Degree in Shariah in 1966. After the Jews captured the West Bank in 1967, Sheikh Abdullah Azzam decided to migrate to Jordan, because he could not live under the Jewish occupation of Palestine. The sacrilege of the Israeli tanks rolling into the West Bank without any resistance made him more determined to migrate, to learn the skills necessary to fight. In the late 1960's he joined the Jihad against the Israeli occupation of Palestine from Jordan. During that time he received a Masters Degree in Shariah from the University of AI Azhar. In 1970 when the Jihad came to a halt, and the PLO was forced out of Jordan, he assumed a teaching position in the Jordanian University in Amman. In 1971 he was awarded a scholarship to the AI Azhar University in Cairo at which he obtained a Ph.D. Degree in Ussul al Fiqh in 1973

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (42%)
4 stars
3 (42%)
3 stars
1 (14%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Nafees Omar.
158 reviews17 followers
December 4, 2019
তাফসিরে সূরা তাওবা এর প্রথম খন্ড টা পড়েই মনে হয়েছিল যে মুসলিম উম্মাহর জন্যে শাঈখের এমন একটি লেকচার সংকলন কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে। দ্বিতীয় খন্ডের জন্যে তাই অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম।

এই খন্ডের বিষয়বস্তু, আগের খন্ডের পর্যায়ক্রমিক আলোচনা এসব নিয়ে তো প্রশ্ন তোলার কোনই সুযোগ নেই, তবে প্রশ্ন তুলতে হচ্ছে বাংলায় অনুবাদের মান নিয়ে। বইটি পড়ে মনে হয়েছে যে খুব তাড়াহুড়া আর যত্নহীন ভাবে অনুবাদের কাজ শেষ করা হয়েছে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বই, এত অবহেলার মাঝে প্রকাশ করাটা মেনে নিতে সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে।
Profile Image for Mehraj Hussain kawsar.
94 reviews34 followers
February 16, 2019
তাফসিরে সুরা তাওবা প্রথম খন্ড যারা পরেছেন তারা সবাই অবগত বইটি কোন ধাচে লিখা হয়েছে। বইটি গতানুগতিক কোনো তাফসির গ্রন্থ নয়। শায়খ সুরার আয়াত গুলোর নাযিল হওয়ার প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতি নিয়ে অন্য আরেক তাফসীরের মতোই আলোচনা করেছেন ঠিকই। কিন্তু তার সাথে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেছেন উনার সময়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সমাজ ব্যবস্থা,অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে নিয়ে একান্ত ব্যক্তি জীবন পর্যন্ত। ইসলাম যে একটি পরিপূর্ণ ও সার্বজনীন জীবন ব্যবস্থা এটি যেন তারই প্রমাণ।

দ্বিতীয় খন্ডতে এই একই নীতি অবলম্বন করা হয়েছে। তাফসীরটি মোট একচল্লিশটি বয়ানে বিভক্ত। যার পয়েত্রিশটি প্রথম খন্ডেই এসে গেছে আর এই খন্ডে বাকি ছয়টি। সুরার ১০৭ নং আয়াত থেকে ১২৯ নং(সুরার শেষ আয়াত) আয়াত নিয়ে বয়ান করা হয়েছে এই ছয়টি মজলিসে।

মজলিস গুলোতে যেসকল বিষয় আলোচনা করা হয়েছে তার মধ্য থেকে এখানে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হলোঃ-

★প্রথম অধ্যায়ঃ- মসজিদে জিরার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এটি সেই মসজিদ যেটা মদিনার মুনাফিকরা তৈরী করেছিল। সেখানে তারা বিভিন্ন সুলা পরামর্শ করতো কিভাবে মুসলিমদের ক্ষতি সাধন করা যায়। এমনকি তারা এই মসজিদটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ধবসিয়ে দিয়ে তাঁকে হত্যা করার পরিকল্পনা পর্যন্ত করেছিল। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তা হতে দেন নি।

ঐতিহাসিক আলোচনার পরে শায়েখ আমাদের সমাজের চার পাশে যে এখনো অসংখ্য মসজিদে জিরার বিভিন্ন রুপে বিদ্যমান রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করেছেন। এমন সকল জাতি,সমাজ,দল,সংগঠন,মসজিদ,মাদ্রাসা এমনকি ব্যক্তি বিশেষ যারা হিংসা বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিবেদ ও বিচ্ছেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বা কাজ করে যাচ্ছে এসব কিছুকেই শায়েখ মসজিদে জিরার বলে আখ্যা দিয়েছেন।

এ অধ্যায়ে আরো আলোচনা হয়েছে কেন কিছু মানুষের জন্য তরবারিই একমাত্র ভাষা। বছরের পর বছর নবীজিকে দেখে যাওয়ার পরও, আল্লাহর সাহায্য,ইসলামের বিজয় নিজের চোখে দেখেও অনেকেই বিরোধিতা ও ষড়যন্ত্র চালিয়েই গিয়েছে। এরকম মানুষের জন্য অন্য কোন সমাধান নেই। পরে শায়েখ আফগানের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিষয় নিয়েও অসাধারণ আলোচনা করেছেন এবং কিভাবে বিষয়টি সমাধান হবে তাও আলোচনা করেছেন।

★দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ- এই অধ্যায়ে আফগান জিহাদের বিভিন্ন সমালোচনার জবাব দেয়া হয়েছে। যেমন অনেকে সেসময় অভিযোগ তুলেছিলেন যে এই যুদ্ধ আমেরিকা ও রাশিয়ার যুদ্ধ। শায়েখ পরিষ্কার করে দেখিয়েছেন যে আসলে এই যুদ্ধের সাথে আমেরিকা ঠিক কতোটুকু জড়িত।

পরে তাবুক যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তখনকার কঠিন পরিস্থিতি,যুদ্ধে বের হওয়ার সরঞ্জামাদির অভাব।সাহাবায়ে কেরামদের নিজেদেরও অভাব অনটন সত্ত্বেও যার পক্ষে যতোটুকু সম্ভব আল্লাহর রাস্তায় দান করেছিলেন। মুনাফিকদের এ নিয়ে বিভিন্ন কটুক্তি করে। যারা অল্প দান করেন তাঁদের সম্পর্কে তারা বলে আল্লাহ বুঝি এগুলোর মুখাপেক্ষী। আর যারা বেশি দান করেন তাদের সম্পর্কে বলে তারা নাকি লোক দেখানোর জন্য এগুলো করছেন।

কাব ইবনে মালিক রাদিআল্লাহু আনহুর হৃদয়স্পর্শী সেই তাওবার ঘটনা। শায়েখ সেখান থেকে বিভিন্ন শিক্ষা তুলে ধরেছেন। যেমন সৎ থাকার ফলে আল্লাহর সন্তুষ্টি কিভাবে অর্জিত হয়। কিভাবে রোমের বাদশাহর চিঠি আসার পরও কাব ইবনে মালিক রাদিআল্লাহু আনহু মুহূর্তের জন্যেও প্রলোভিত হোন নি বরং তা আগুনে ছুড়ে ফেলেছেন। আর কিভাবে আজকের মুসলমানেরা কাফির দেশের পুলিশের কাছে থেকে পাওয়া চিঠিও যত্ন করে রাখে!

★তৃতীয় অধ্যায়ঃ- জিহাদ দুই প্রকার- রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক। রক্ষণাত্মক জিহাদ ফরজে আইন আর আক্রমণাত্মক জিহাদ ফরযে কিফায়া। সহজ ভাষায় যখন কোনো কুফরি শক্তি মুসলিম ভূমিতে আক্রমণ করে বা প্রবেশ করে তখন জিহাদ ফরযে আইন। এ অবস্থায় সকল সক্ষম ব্যক্তির উপর জিহাদ ফরজ আর এই জিহাদে মা-বাবা বা অন্য কারো অনুমতির প্রয়োজন নেই।

আর যখন মুসলিম বাহিনী কোনো কাফির ভুমিতে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করতে যায় তখন সেটা ফরজে কিফায়া। সেক্ষেত্রে সাধারণত সকলের যাওয়া জরুরি নয় বরং একটি বাহিনী গেলেই পুরো উম্মতের ফর‍য আদায় হয়ে যায়। শায়েখ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বর্তমানে আমরা কোন পরিস্থিতিতে আছি তা নিয়ে।

বেশি দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে এর চেয়ে দীর্ঘ আমার পক্ষে লিখা সম্ভব না। তাই বাকিগুলো সংক্ষেপে।

★চতুর্থ অধ্যায়ঃ- মুজাহিদদের ও মুসলিমদের প্রতি নাসিহাহ, মুসলমানদের প্রতি নম্র আর কাফিরদের প্রতি কঠোর হওয়া,তাক্বওয়াহ অবলম্বন,ঈমানের বৃদ্ধি ও হ্রাস, আল্লাহর ফয়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা, ঈমানদার ও মুনাফিকদের জীবনের পার্থক্য ইত্যাদি।

★পঞ্চম অধ্যায়ঃ- জাহিলি যুগের সম্ভ্রান্ত নারীদের অবস্থা, পর্দা, পর্দাহীন করে ইসলামকে কিভাবে ধবংস করা হলো,কিভাবে তা ইউরোপ - আমেরিকাকে ধবংস করেছে ইত্যাদি।

★ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ- বিজয়-পরাজয়,রিজিক,শক্তি,মেধাশক্তি ইত্যাদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যের উপর নির্ভরশীল। কাফিরদের কোনো আশ্রয়স্থল নেই, জাহান্নাম বাসীদের আকুতি।রাজনীতি,শাসনব্যবস্থা দ্বীনের অংশ, আরব যুবকদের জিহাদের প্রতি আহবান, মুজাহিদদের অটল থাকতে উৎসাহ প্রদান ইত্যাদি।

এই দুই খন্ড যে কারো জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে আল্লাহ যদি চান। বইগুলো রত্নভান্ডার। যে কারো চিন্তা-চেতনায় আমুল পরিবর্তন নিয়ে আনতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।

বইটির নেতিবাচক দিক হলো তার অনুবাদ। এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বই,এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা। অথচ অনুবাদের মান হতাশাজনক, খুবই খারাপ। আশা করি আগামী সংস্করণে তা শুধরানো হবে ইন শা আল্লাহ।

সংস্লিষ্ট সকলকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন। আর শাইখ আব্দুল্লাহ আযযাম রাহিমাহুল্লাহ কে জান্নাতুল ফেরদৌসে নসিব করুন।আমীন। সকল প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালাক আল্লাহর।
4 reviews
April 29, 2025
(প্রথম খন্ডের মতোই) সেরা। চিন্তার কাঠামোকে ইসলামি প্যারাডাইমে ফিরিয়ে আনার জন্য এই বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বইটি মূলত শাইখের মুখে মুখে সুরা তাওবার তাফসীর করতেন শাইখ আব্দুল্লাহ ইউসুফ আযযাম। ফিকহের পিএইচডি তাকে দেখিয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ ফিকহী অবস্থান। ইতোপূর্বে ফিলিস্তিনের জিহাদ তাকে চিনিয়েছে মুজাহিদদের ভুল-ভ্রান্ত। সেসব অভিজ্ঞতা আর ইলমি প্রজ্ঞায় ���াজানো তার এই তাফসীর। মৌখিক তাফসীরের লিখিত রূপ হওয়ায় পড়ার সময় নিজেকে শাইখের মজলিসে আবিষ্কার করবেন। সোভিয়েতবিরোধী আফগান জিহাদের দিনগুলোতে এই তাফসীর মুজাহিদীনদের সাহস আর পাথেয় জুগিয়েছে। ইতিহাসের অনেক চরিত্রের গড়ে ওঠে এই দিনগুলোয়। ইতিহাসের আলোকে, ইলমের প্রজ্ঞায় নিজেকে রাঙিয়ে নিতে আগ্রহী মুসলিমের জন্য বইটা গুরুত্বপূর্ণ।

Profile Image for Nahid Mubin.
22 reviews
November 4, 2018
বাংলা অনুবাদের গুণগত মান চরম মাত্রায় খারাপ হয়েছে।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.