Shawkat Ali (Bangla: শওকত আলী) is a major contemporary writer of Bangladesh, and has been contributing to Bangla fiction for the last four decades. Both in novels and short stories he has established his place with much glory. His fiction touches every sphere of life of mass people of Bangladesh. He prefers to deal with history, specially the liberation war in 1971. He was honored with Bangla Academy Award in 1968 and Ekushey Padak in 1990.
রবিঠাকুর বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই আমার জন্য নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ এর কোনো একটা আধুনিক ভার্সন লিখে ফেলতেন, যতবারই কোনো বই নিয়ে খুবই আশাবাদী হয়ে হাতে নিয়েছি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমার আশাভঙ্গের আরেক গাঁথার সূত্র হয়েছে, খুবই কষ্ট করে বইটা শেষ করতে হয়েছে এরকম মন মেজাজের বারোটা খুব কম বই পড়েই হয়েছে 😑
Written in his early twenties (probably at 21), this is rather an immature work of fiction. Through the thoughts of Monju, Showkat Ali explores the effect of lust, the yearnings of the body in our love lives. Monju, a young woman in her late teens, is portrayed as a rather maudlin person who seems to value her virginity with such a righteousness, almost, that she thinks she would have to die if that is not 'awarded' to her lover. This exploration of the role of lust in human life is the main theme of his short stories published during the 1960s which, however, are of a higher quality as literary pieces.
'পিঙ্গল আকাশ' বইটা আমি নিজে থেকে পড়তাম না কখনোই। এক বন্ধুর কাছ থেকে প্রায় সম্পূর্ণ কাহিনিটা জেনে আমার বইটা পড়তে ইচ্ছে হল! মাত্র ১০২ পৃষ্ঠার বই, শেষ করার পর আমি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইলাম। এমন নয় যে বইটা আমাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। আসলে বইটা আমাকে বলেছে,ভাবো! পুরুষ তাচ্ছিল্যের স্বরে বলে, "আরে মেয়ে মানুষের মন বোঝা বিধাতারও অসাধ্য!" শওকত আলী একটি মেয়ের মনের অসাধারণ আবিষ্কার তাঁর 'পিঙ্গল আকাশে' করেছেন, আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।
It was quite a surprise for me to find that Shawkat Ali has written such a weak and misogynistic novel. Pingol Akaash is a lesson in how a closed, stereotypical notion can mar a story. The mother character is absolute evil--lustful, petty, greedy, callous, grasping, mean. There isn't a single redeemable moment she has. But to make her such a caricature meant that she's terribly unbelievable. There's no emotional logic to her actions: here's a widow who's remarried and living with her second husband, partly because marriage is the only 'vocation' she's allowed/is capable of. Then she brings in the daughter from her first marriage as a de facto servant when she's pregnant again, so effectively both she and her daughter are completely financially dependent on her second husband. Such a woman can, of course, have an adulterous relationship, however, there's no explanation or indication as to why she would jeopardize not just her own future, but the future of all her children this way. Not to mention that she does it with a surprising brazenness--i.e. she's not super careful about hiding what she's doing.
There's no explanation as to why she hates her eldest daughter. Maternal dislike can happen; but there's an emotional process to it. We never understand anything about this woman; not who she is, not what drives her (other than she, apparently, enjoys sex too much), not why she does anything.
The only moment of emotional resonance regarding the mother character is near the end, around page eighty, when the narrator briefly wonders whether her mother had been unhappy in some manner with her stepfather which had pushed her to take a lover--but that's entirely too little, too late.
Apart from the protagonist, there isn't a single female character who has any positive qualities Not a single one. Even the ones the characters talk about--women are being unfaithful left and right and that too in exchange for material gain. Necklaces. New clothes. The only exception is Choto apa, her stepsister, who didn't really want an education or career but is forced towards that because they can't find a groom for her as she's dark. She too, however, only gets ahead in life (she finds a job abroad) by sleeping her way there. The ones who are presented as victims--protagonist and choto apa--are horrified by of the sluts, but for all women sex and the body are complete and defining elements.
The story also kind of forces itself and doesn't flow. The relationship between the stepfather and the narrator becomes very caring--a relationship that was kind of ugly earlier--and there's no emotional weight to this transformation. Or, when, to create further drama, the doctor who comes to treat the stepfather after his stroke, telling the narrator, a seventeen year old, to make sure that her stepfather didn't see anyone that he hated. Which you, the reader, know means the mother, but why on earth would a doctor say something like that is never explained. Like, a doctor could likely say, make sure he doesn't get stressed. Or make sure he doesn't get upset. But keep people he hates away from him? Then, when he wakes up, sees the mother, becomes worse, they call back the doctor. And the first thing the doctor asks is did your father not have a good relationship with your mother? None of this is credible in the least.
Also the male character introduced in the beginning was completely unnecessary. The entire book could have just been the protagonist telling her story without the device of showing up at her brother's friend's house, spending a night in his room, and accidentally leaving her journal for him to read her life story. The character never really shows up again (except peripherally) and so there really was no point in front and centering him at the very outset; he just becomes narrative baggage.
I really love Shawkat Ali's later work and so was curious about his earlier novels, especially since I'd been told that this particular book, his first novel, had heralded the emergence of a powerful novelist. This was disappointing.
শওকত আলী মানেই কি প্রদোষে প্রাকৃতজন? কোন ঔপন্যাসিকের সেরা উপন্যাস, যেটা তিনি এক জীবনের সবটুকু দিয়ে এঁকেছেন, সেটা কোন পাঠক প্রথমেই পড়ে ফেললে তার অন্যান্য বই অসহায় হয়ে ওঠে আত্মপরিচয় নিয়ে। তা যতই ভালো হোক সেই লেখকের নিজেরই লেখা অন্যান্য উপন্যাস। তার সেরা উপন্যাসের সাথে বাকিগুলোর একটা কমপেয়ারিজন চলেই আসে। ২১ বা ২২ বছর বয়স আর কতটুকু বয়স? এই বয়সে যিনি "পিঙ্গল আকাশ" লিখে আলোড়ন তুলেছিলেন, তাঁকে কিভাবে কোন এক ছকে ফেলে একটা নিরেট ধারণায় বসিয়ে রাখা যায়? ১৯৬৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় শওকত আলীর "পিঙ্গল আকাশ"। প্রথমেই মাথা থেকে সব ঝেরে ফেলে কেবলমাত্র একটা উপন্যাস পড়ছি ভেবে নিয়ে পড়া শুরু করলাম। কে লিখেছেন তা মাথায় নিতে চাইলাম না। কিন্তু না চাইলেই কি হয়? এ যে শওকত আলীর প্রথম আত্মবিশ্বাসী জাগরণ! ১৮ বছর বয়সের এক মেয়ের ভেতরে পিঙ্গল আকাশের হাহাকারের স্বরুপ কিভাবে ওই বয়সে বুঝে নিলেন শওকত আলী? পুরো উপন্যাসে একঘেঁয়েমি ঘটনার নিরাশার দোলাচল আঁকতে-আঁকতে শেষে এ কি করলেন তিনি? সারাজীবনের জন্য অন্ধকারের দাগ কেটে দিলেন মঞ্জুর হৃদয়ে! সেখানে এসেই বইয়ের নাম করণের সার্থকতা পুরোপুরি দাঁড়ায়। জীবনেও আর মঞ্জু দাঁড়াতে পারবে না কোন মানুষের সামনে পৃথিবীর সবটুকু সৌন্দর্য ধারণ করার ইচ্ছে নিয়ে। অপরাধবোধের গ্লানি কুঁড়ে-কুঁড়ে খাবে সারাজীবন মঞ্জুর অতলে। পিঙ্গল আকাশ অর্থাৎ ঈষৎ হলুদ আকাশ তার হৃদয়ে গেঁথে গেল যেন শেষে দীর্ঘদিনের দোলাচল শেষে। সেখানে কখনও মুছে যাবে না ওই রঙ কোনদিন কারও কোন প্রিয় স্পর্শে। এজন্য হত্যা করবে না সমাজ কোনদিন ওই মধ্যবয়সী ধনী লোকটিকে যার একবেলা কামের কাছে তুচ্ছ অষ্টাদশী তরুণীর তিলে তিলে লালিত আনিসের জন্য নিজের সব একান্ত স্বপ্নগুলো। উপন্যাসের শেষে এসে গাঢ় বিষণ্নতায়, পিঙ্গল বিবর্ণতায় মন কেমন করে উঠে। শওকত আলী ওই বয়সে কি করে এতটা নিখুঁত করে বুঝেছিলেন অষ্টাদশী মঞ্জুর বার বার উঠতে গিয়ে পড়ে যাওয়া দীর্ঘ ক্লান্তিকর এই নিভু-নিভু জীবন? এতটা নিষ্ঠুর হয়ে একরকম কেন নিভিয়েই দিলেন মঞ্জুর জীবন? তিনিও বিষাদ ভালোবাসতেন বলে? সমগ্র উপন্যাসের টোনটা নিরিবিলি ছিল। ধীর লয়ে মোম গলে যাওয়ার মত গলে-গলে পড়তে থাকা এক মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প যেন পিঙ্গল আকাশ। যেখানে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, অবিশ্বাস, সৎ বাবার ঘরে সৎ ভাই বোনদের সহ আপন স্বৈরিণী মায়ের সাথে বসবাস, একসময় সৎ বাবার মৃত্যুর পর নিদারুণ আর্থিক কষ্ট, আনিসের সাথে সমাজের অনুমোদনহীন জটিলতর সম্পর্ক, এইসব আশ্রয়হীনতায় ভোগায় সারা বইটি জুড়ে মঞ্জুকে। আবার আনিসই তার হৃদয় ভরিয়ে দেয় কখনও ভাবনায়, কখনও সম্মুখে এই মধ্যবিত্ত ঘরেই। মঞ্জুর চোখ দিয়ে, মঞ্জুর হৃদয় দিয়ে দেখতে দেখতে পাঠক বইটি শেষ করে হয়ত এক দীর্ঘশ্বাস ছাড়বেন বইটি আগলে রেখে।
বাংলা সাহিত্যে উত্তর বঙ্গের প্রেক্ষাপটে লেখালেখিতে অগ্রগণ্য কথাসাহিত্যিক শওকত আলী। 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' পড়ার পরেই লেখকের লেখার প্রতি মুগ্ধতা সৃষ্টি হয়।
ঝড় বৃষ্টির এক রাতে চন্দনের ঘরে আশ্রয় নেয় বন্ধু আনিসের সৎ বোন মঞ্জু। পরিস্থিতি ভাল হলেই বাড়ি চলে যাবে বলে অসুস্থ চন্দনকে ঘুমাতে বলে এবং একসময় ঘুমিয়ে পড়ে চন্দন। সকালে উঠে দেখে দরজা খোলা এবং মঞ্জু কখন চলে গেছে টেরও পায়নি ঘুমের ঘোরে। টেবিলের মধ্যে ভুলবশত মঞ্জু তার ডায়রি রেখে যায়। পরদিন ফেরত দিতে গিয়ে জানতে পারে মঞ্জু আগের রাতে বাড়ি থেকে বের হয়েছে, এখনো ফিরেনি। চন্দন তখন ব্যাপারটা বুঝতে পারে। মঞ্জু আসলে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার সময় মিথ্যা বলে আশ্রয় নিয়েছিল চন্দনের কাছে। অনেকটা পুলিশি হাঙ্গামার ভয়ে আশ্রয় নেয়ার ব্যাপারটি চেপে যায় চন্দন।
কৌতুহলী কবি চন্দন একসময় মঞ্জুর ডায়রি পড়া শুরু করে। শৈশবেই পিতৃহারা হয় মঞ্জু। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। তারপর মায়ের কাছেই চলে আসে কাজের সাহায্যের জন্য। তারপর ঘটতে থাকে একের পর এক ঘটনা যা মঞ্জুর জীবনকে বিষিয়ে তোলে।
বাস্তবধর্মী উপন্যাস। একটি মেয়ের জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত এবং সমাজের চোখে চিরকালীন বৈষম্য দেখিয়েছেন পিঙ্গল আকাশে। মাত্র একুশ-বাইশ বছর বয়সেই লিখিত শওকত আলীর প্রথম উপন্যাসে সমাজ বাস্তবতার নির্মম ও ঘৃণিত রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। হ্যাপি রিডিং।
"পিঙ্গল আকাশ" দুঃখী রমণীর আত্মকথা। পড়ে ভালো লেগেছে কি না বলতে গেলে বলা যায়, উপন্যাসের কাতারে আমি ফেলতে পারব না। লেখক কি বুঝাতে চাচ্ছেন তা যেন পুরো উপন্যাস জুড়ে তিনি বুঝাতে পারছেন না।
পুরো বই জুড়ে একই কথা যেন বারবার। আবার চরিত্র গুলো বেখাপ্পা। যে নারীকে নিয়ে শত ধাঁধা সেই 'মন্জু' আমার কাছে ধরাশায়ী কোন কাহিনীর মত।
সহজ করে বলি যদি, একটি মেয়ে যার মার চরিত্র ভালো নয়। আর মেয়ে খুব মায়াবতী। এত সৌন্দর্য পৃথিবীর কেউ কখনো দেখেনি এমন রুপ। সে পছন্দ করে তার সৎ ভাই আনিসকে। কিন্তু বোহেমিয়ান মানুষকে ভালবাসা দিয়ে আটকানো মুশকিল। ধীরে ধীরে মঞ্জু ও যেন তার মায়ের মত নিজেকে বিসর্জন দেয় সময়ের কাছে তার সুন্দর জীবন।
বাস্তব কাহিনী কি না বলতে পারব না। তবে, গ্রাম্য জীবনে সচারাচর এটা হরহামেশাই ঘটে।
এত বড় মানুষের সমলোচনা করার যোগ্যতা হয়ত নেই। তবে, কিছু অংশ ছাড়া বাজে উপন্যাসের কাতারে সামিল এটা। কিছু সুন্দর মুহুর্ত দিয়ে না হয় শওকত আলীকে মনে রাখবো।
শৈশবে পিতৃহারা মেয়ে মঞ্জু। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। তাই সে বেড়ে উঠছে দাদাবাড়িতে। মায়ের কাছ থেকে একদিন তার ডাক পড়ে মাকে সংসারের কাছে সাহায্যে করার জন্য।নতুন জায়গায় মঞ্জুর সৎ বাবার আগের সংসারের তিন সন্তান -আনিস,ছোট আপা আর রাহুল রয়েছে। আবার তার মায়ের দুই মেয়ে হয়েছে -পুতুল আর মম। মূলত ওদের দেখভালের জন্যই মায়ের সংসারে আশ্রয় হয়েছে মঞ্জুর। কিছুদিন পড়াশোনা করার পর স্কুলে যাতায়াত বন্ধ হয়েছে তার। তবে নিজের আগ্রহে লিখতে পড়তে পারে বেশ।মঞ্জুর মনে হয়,কেউই তার কথা ভাবে না-এমনকি তার মা-ও এখন আর তার নিজের মা নেই,হয়ে গেছে অন্যের মা। সে বুঝে গেছে,নিজেদের প্রয়োজনেই এরা তাকে ডেকে এনেছে,কোনো আন্তরিকতা থেকে নয়।যেহেতু তার যাওয়ার তেমন কোনো জায়গা নেই,তাই কষ্ট হলেও এই পরিবেশই সে মেনে নিয়েছে।
এত প্রতিকূল পরিবেশেও তার মনে হয়,অন্তত একজন তার কথা ভাবে,সে হল আনিস। উপন্যাসটা পড়ার শুরুতে মঞ্জুর সাথে আনিসের সম্পর্কটা ঠিক ধরা যায় না। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন ঘটনাগুলো সামনে আসে,তখন পাঠক হিসেবে একরকম অস্বস্তিতে পড়ে যেতে হয়।মানসিকদ্বন্দ্ব তীব্র হয়ে ওঠে। পুরো উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত এই সম্পর্কের পরিণতি জানার উৎকন্ঠায় কাটে সময়।
ওদিকে মঞ্জুর মায়ের চরিত্রটি বেশ বেদনাদায়ক। সচরাচর সব উপন্যাসে মাকে যেমন মমতাময়ী,আদর্শ চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়,এই উপন্যাসে ঘটেছে তার ব্যতিক্রম। মঞ্জুর মায়ের চারিত্রিক দুর্বলতা তাকে ঘৃণ্য এক ব্যক্তিতে পরিণত করে তোলে। অথচ মঞ্জুর সৎ বাবা রেখেছেন ব্যতিক্রম দৃষ্টান্ত। নিজের মেয়ে না হয়েও বাবা হওয়ার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে গিয়েছিলেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত।
বেনু,আকরাম চরিত্রগুলোর প্রতি এতই ক্ষোভ তৈরি হয় যে একেক সময় মনে হয় উপন্যাসের ভেতরে ঢুকে এদের শায়েস্তা করতে পারলে শান্তি লাগত। আর রঞ্জু,তাজিনার মতো মেয়েরাও সেই সময় অর্থাৎ ষাটের দশকে ছিল,এটা ভাবতে অবাক লাগে।
সব মিলিয়ে বাস্তবতার এক ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা 'পিঙ্গল আকাশ'। শওকত আলীর প্রথম উপন্যাস। এটা রচনার সময় লেখকের বয়স মাত্র একুশ কিংবা বাইশ বছর। দুই বাংলাতেই বেশ আলোচিত হয়ে উঠেছিল এই সাহিত্যকর্মটি।
ভূমিকায় তাঁর সন্তান কল্লোল বলেছেন,দারুণ একটি সিনেমার গল্প হতে পারে উপন্যাসটি। পড়ার পর আমারও মনে হয়েছে এই কাহিনি দিয়ে সিনেমা হলে মন্দ হয় না।
শওকত আলীর 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' পড়ার পর 'পিঙ্গল আকাশ' পড়া হল। কেন যেন মনের মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে সাহিত্যকর্মগুলোর নামের বৈচিত্র্যতার মতো এগুলোর কাহিনিগুলোও বেশ ব্যতিক্রমধর্মী। আর সেজন্যেই মনে ইচ্ছে আছে,তাঁর আরও কিছু রচনার সাথে পরিচিত হওয়ার।
প্রদোষে প্রাকৃতজনের লেখক হিসেবেই শওকত আলীর লেখনীর সাথে পরিচয় । পিঙ্গল আকাশ খুব সম্ভবত তার প্রথমদিক কার উপন্যাস । আমার কাছে উপন্যাস টির প্লট অদ্ভুত এবং কিঞ্চিত বিক্তিকর মনে হয়েছে এবং এই অদ্ভুত এই প্লটের কারনে বইটি মোটেও ভালো লাগেনি